প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় সংসদে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে, যা বিদ্যমান ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অরডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এই নতুন আইনের মাধ্যমে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের জন্য সরাসরি আইনি ক্ষমতা লাভ করবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করেন। বিরোধী দলের সদস্যরা বিলটি জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। পরে এসব প্রস্তাব নিষ্পত্তি হওয়ার পর কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
পাস হওয়া বিলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গঠিত হবে এবং পরিচালিত হবে। এই ইউনিটের অধীনে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন, পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়ন এবং সরকারের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারণ করা অন্য বিশেষ ব্যাটালিয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
নতুন আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো এপিবিএনকে নিজস্ব অধিক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের জন্য প্রত্যক্ষ আইনগত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও দেশের প্রচলিত অন্যান্য আইন মেনে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার স্থলে প্রবেশ, তল্লাশি, আলামত ও মালামাল জব্দ এবং সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে এপিবিএনের সদস্যরা।
এছাড়া, এপিবিএনের প্রশাসনিক তথ্য ও সংবেদনশীল বিষয় সুরক্ষার জন্য বিলে বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া এপিবিএনের কোনও সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনও ইলেকট্রনিক মিডিয়া বা সংবাদপত্রে বাহিনী-সংক্রান্ত তথ্য, দাপ্তরিক দলিল বা স্পর্শকাতর বিষয় প্রকাশ করতে পারবেন না। একইভাবে এসব তথ্য প্রকাশে কোনও ধরনের সহযোগিতা করা যাবে না।
নতুন আইন কার্যকর হলে এপিবিএনের দায়িত্ব ও আইনগত ক্ষমতার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন