প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ শিগগিরই একটি প্রতিনিধি দল শ্রীলঙ্কায় পাঠাবে, যা বাংলাদেশি আলু ও পেঁয়াজ রপ্তানির সম্ভাবনা যাচাই করবে এবং সম্ভাব্য ক্রেতা ও আমদানিকারকদের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপন করবে।
হংকংয়ে ১১তম ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড সামিট ২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনে বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশের বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং শ্রীলঙ্কার বাণিজ্য, বাণিজ্যিক কার্যক্রম, খাদ্য নিরাপত্তা ও সমবায় উন্নয়নমন্ত্রী ওয়াসান্থা সামারাসিংহের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্তটি জানানো হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
প্রতিনিধি দলটি শ্রীলঙ্কায় আলু ও পেঁয়াজের বাজারের চাহিদা, স্থানীয় ও আমদানি মূল্য, আমদানির নিয়ম-কানুন, মান ও বাণিজ্যিক শর্ত যাচাই করার পরিকল্পনা করছে। এ ছাড়াও, স্থানীয় আমদানিকারক, ব্যবসায়ী এবং ফুড প্রসেসর্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশি পণ্যের সম্ভাব্য ক্রেতা, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত রপ্তানির সুযোগ চিহ্নিত করবে।
শ্রীলঙ্কার বাজারে বাংলাদেশি আলু-পেঁয়াজ প্রতিযোগিতামূলক দামে সরবরাহের জন্য পরিবহন, সংরক্ষণ ও গুদামজাতকরণের সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও প্রতিনিধি দলটি পর্যালোচনা করবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আলু ও পেঁয়াজ উদ্বৃত্ত থাকে। নতুন রপ্তানি বাজার তৈরি করা প্রয়োজন এই পণ্যের জন্য। তিনি জানান, বর্তমানে নতুন আলু কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে শ্রীলঙ্কার বাজারে বাংলাদেশি আলুর সম্ভাবনা রয়েছে।
শ্রীলঙ্কার মন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আলু ও পেঁয়াজ আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
দুই পক্ষ আশা করছে, প্রতিনিধি দলের বাজার যাচাই ও ব্যবসায়িক যোগাযোগের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের জন্য নতুন রপ্তানি বাজার তৈরি হবে এবং কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন