নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:২৯ পি.এম
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী ডিগ্রি কলেজের পেছনে এসএসসি পরীক্ষায় A+ পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী বিত্তের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের একমাত্র ছেলে হওয়ায় তাকে ঘিরে বাবা-মায়ের ছিল অনেক স্বপ্ন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বিত্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের শিক্ষার্থী ছিলেন। সম্প্রতি ব্যক্তিগত একটি বিষয় নিয়ে তিনি মানসিকভাবে হতাশ ছিলেন বলে আশপাশের কয়েকজন জানিয়েছেন। তবে এ তথ্যের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিত্তের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিবারের একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের আবহ।
তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু—তা নিশ্চিত হতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন।
এ বিষয়ে পরিবারের বক্তব্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর ইরাকের আরবিল প্রদেশের সোরান জেলায় দুটি ড্রোন হামলার পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে এই হামলা সংঘটিত হয়।
একটি আরবিলভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সোরান এলাকায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলার পর বাদলিয়ান এলাকার নিকট আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় দুটি ড্রোন জড়িত ছিল। তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু কী ছিল, এতে হতাহত হয়েছে কি না এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইরাকি কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
গত ১৭ আগস্টের পর এটি কুর্দি অঞ্চলে প্রথম ড্রোন হামলার ঘটনা। ওই দিন দুটি ড্রোন কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রধানমন্ত্রী মাসরুর বারজানির কার্যালয় এবং উত্তর আরবিলে আঞ্চলিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের বাসভবন লক্ষ্য করে হামলা চালায়। ওই হামলার পর ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি ঘটনার কারণ ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ৫ বছর বয়সী শিশু মাহিকে আর বাঁচানো গেল না। বাংলাদেশ ক্রিটিক্যাল কেয়ার এন্ড জেনারেল হাসপাতালে ২০ ঘণ্টা লাইফ সাপোর্টে থাকার পর বুধবার বিকেলে মারা যায় শিশুটি।
এর আগে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিল সে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বাংলাদেশ ক্রিটিক্যাল কেয়ার এন্ড জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
শিশুটির পরিবার জানায়, মাহির চিকিৎসকরা তার চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনো কার্পণ্য করেনি।
মাহির চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি ও মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে দেশের একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে মাহির বাবা মিন্টু ইসলাম বলেন, সংবাদ প্রচারের পর অনেকেই আমাদেরকে সহযোগিতা করেন। যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।
মাহির বিদেহী আত্মার জন্য সকলের দোয়া চেয়েছে তার পরিবার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, তিনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন ও দেশের কল্যাণে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে আমি দল, সংসদ ও মন্ত্রীপরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছি। বর্তমানে আমি সম্পূর্ণরূপে একজন দলনিরপেক্ষ ব্যক্তি। আমি দায়িত্ব পালন করব দলনিরপেক্ষভাবে।’
বঙ্গভবনের দরবার হলে আজ সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতির প্রথম দরবারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর কারো প্রতি কোনো রাগ বা অনুরাগ থাকবে না। দেশের, রাষ্ট্রের এবং জনগণের স্বার্থই হবে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।
তিনি জনগণের আস্থা অর্জন, সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান ও আনুগত্য থাকতে হবে।’
এসময় তিনি বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আহ্বান জানান, যাতে তারা নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সততার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি বঙ্গভবনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরে বলেন, বঙ্গভবন হলো রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এর মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে হবে।
রাষ্ট্রপতি আরও জানান, বঙ্গভবনের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত-সংক্রান্ত সকল বিষয় অত্যন্ত কঠোরভাবে গোপনীয়তা বজায় রেখে পরিচালনা করতে হবে, যাতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়।
এসময় তিনি রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল থাকার এবং অপচয় রোধের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের জনগণের অর্থেই সরকারি সম্পদ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পরিচালিত হয়। তাই এসব সম্পদের সঠিক, দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের জীবনে শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি নিয়মিত নৈতিক মনোবল ও সুন্দর চরিত্র গঠনে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একইসাথে তিনি যুদ্ধপরবর্তী দেশ ও রাষ্ট্র গঠনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও কৃতিত্ব স্মরণ করেন।
একইসঙ্গে তিনি পূর্ববর্তী সকল রাষ্ট্রপতির কথাও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা এখানে একটি পরিবার। সবাই একই জায়গায় কাজ করি। যখন সুযোগ পাবো, সেই সময় পরস্পরের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করবো।’
তিনি ভবিষ্যতেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেন নয়নতারা। বর্তমানে তিনি ভারতের সফল ও সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম।
তবে তাঁর ক্যারিয়ারের শুরুটা ছিল একেবারেই সাধারণ। অভিনয়ে আসার আগে তিনি মডেলিংয়ের মাধ্যমে পেশাজীবন শুরু করেন। প্রথম পেশাগত কাজের জন্য তিনি পেয়েছিলেন মাত্র ২ থেকে ৩ হাজার রুপি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নয়নতারা তাঁর ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন। তিনি জানান, সিনেমায় আসার অনেক আগে থেকেই তিনি মডেলিং করতেন।
তাঁর সেই শুরুর দিকের একটি মডেলিং কাজই পরবর্তী সময়ে তাঁকে অভিনয় জগতে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অভিনেত্রী ও সঞ্চালক পার্ল মানির সঙ্গে এক আলাপচারিতায় নয়নতারা তাঁর প্রথম কাজ ও পারিশ্রমিকের কথা জানান। প্রথম চাকরি বা কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে নয়নতারা বলেন, সেটি সম্ভবত ভানিথা ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ ফটোশুটের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তিনি জানান, একটি ফ্যাশন অনুষ্ঠানের জন্যও তাঁকে ডাকা হয়েছিল।
সেই কাজের জন্য কত টাকা পেয়েছিলেন—জানতে চাইলে নয়নতারা জানান, তাঁর প্রথম পারিশ্রমিক ছিল আনুমানিক ২ থেকে ৩ হাজার রুপি। নয়নতারার কথা শুনে পার্ল মানিও তাঁর প্রথম উপার্জনের একটি মজার ঘটনা জানান। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, বাবার নখ কেটে দেওয়ার জন্য তিনি প্রথমবার ৫০০ রুপি পেয়েছিলেন।
তবে নয়নতারার ক্ষেত্রে সেই সামান্য পারিশ্রমিকের কাজটিই পরবর্তী জীবনে বড় পরিবর্তন এনে দেয়। নয়নতারা মূলত অভিনয়ে ক্যারিয়ার গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে শুরু করেননি।
মডেলিং করার সময় ভানিথা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত তাঁর একটি ছবি পরিচালক সত্যন অন্তিকাডের নজরে আসে। এরপর তিনি নয়নতারাকে তাঁর সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। সেই সুযোগই শেষ পর্যন্ত তাঁকে সিনেমার জগতে নিয়ে আসে।
২০০৩ সালে মালয়ালম সিনেমা ‘মনসিনাক্কারে’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে নয়নতারার। সিনেমাটিতে তিনি গৌরী চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটি দর্শকদের মধ্যে ভালো সাড়া পায় এবং নতুন অভিনেত্রী হিসেবে নয়নতারাও নজরে আসেন। এরপর তিনি ‘বিস্ময়থুম্বাথু’ ও ‘নাট্টুরাজাভু’-এর মতো আরো কয়েকটি মালয়ালম সিনেমায় অভিনয় করেন।
মালয়ালম সিনেমায় কাজ করার পর ২০০৫ সালে তামিল চলচ্চিত্রে পা রাখেন নয়নতারা। ‘আয়্যা’ সিনেমার মাধ্যমে তামিল ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক ঘটে তাঁর। একই বছর রজনীকান্তের সঙ্গে ‘চন্দ্রমুখী’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। সিনেমাটি বক্স অফিসে বড় ধরনের সাফল্য পায়। এর ফলে নয়নতারার জনপ্রিয়তাও দ্রুত বাড়তে থাকে।
এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। পরবর্তী সময়ে তামিল, তেলুগু ও মালয়ালম—তিন ভাষার সিনেমাতেই নিয়মিত কাজ করেন নয়নতারা।
তার উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘বিল্লা’, ‘ইয়ারাদি নী মোহিনী’, ‘শ্রী রাম রাজ্যম’, ‘রাজা রানি’, ‘মায়া’, ‘নানুম রাউডি ধান’, ‘আরাম’ এবং ‘কোলামাভু কোকিলা’। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে রোমান্টিক ও গ্ল্যামারনির্ভর চরিত্রে বেশি দেখা গেলেও ধীরে ধীরে চরিত্রনির্ভর সিনেমায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি।
বিশেষ করে এমন অনেক সিনেমায় তিনি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যেগুলোর সাফল্য কোনো পুরুষ সুপারস্টারের উপস্থিতির ওপর নির্ভরশীল ছিল না। এ কারণেই দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় তাঁর আলাদা অবস্থান তৈরি হয়। একসময় দর্শকদের কাছে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন ‘লেডি সুপারস্টার’ নামে।
দক্ষিণী সিনেমায় দীর্ঘদিন সফলভাবে কাজ করার পর ২০২৩ সালে হিন্দি সিনেমায় অভিষেক ঘটে নয়নতারা। পরিচালক অ্যাটলির ‘জাওয়ান’ সিনেমায় শাহরুখ খানের বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি। অ্যাকশনধর্মী সিনেমাটি বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পায়। ‘জাওয়ান’-এর মাধ্যমে হিন্দি ভাষাভাষী দর্শকদের মধ্যেও নয়নতারার জনপ্রিয়তা আরো বেড়ে যায়। দক্ষিণী সিনেমার গণ্ডি পেরিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন সর্বভারতীয় পরিচিত মুখ।
ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুতে যেখানে একটি মডেলিং কাজের জন্য নয়নতারা পেয়েছিলেন মাত্র ২-৩ হাজার রুপি, দুই দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তাঁর অবস্থান এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন।
মডেলিং থেকে শুরু করে মালয়ালম সিনেমা, তামিল সিনেমা এবং পরে বলিউড—প্রতিটি ধাপেই নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন তিনি। আজ নয়নতারা শুধু একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নন; নিজের কাঁধে সিনেমা সফল করার সক্ষমতার কারণে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী তারকাদের একজন।
নয়নতারা এখন ব্যস্ত তাঁর নতুন তামিল সিনেমা ‘হাই’ নিয়ে। সিনেমাটিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন কাভিন। এটি একটি রোমান্টিক ড্রামা। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন নবাগত পরিচালক বিষ্ণু এদাভান।
মাত্র কয়েক হাজার রুপি পারিশ্রমিকের মডেলিং কাজ দিয়ে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, সেই নয়নতারা আজ ভারতীয় সিনেমার অন্যতম বড় তারকা। তাঁর ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ পথচলাই দেখায়, সাফল্যের শুরুটা যত ছোটই হোক, পরিশ্রম ও প্রতিভা থাকলে সেই পথ অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ