০৬:৩৬ এম
খুলনার পাইকগাছায় এক মসজিদের ইমাম এবং মাদরাসার কর্মচারীকে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করার ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করে অভিযুক্তের চাকরিচ্যুতির দাবি জানান স্থানীয়রা।
রোববার (১৪ জুন) দুপুরে শান্তা বাজার সড়কে শিবসা সামাজিক যুব উন্নয়ন সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে অংশ নিতে আসেন স্থানীয় শতাধিক মানুষ।
বক্তারা অভিযোগ করেন যে, আলমশাহী মসজিদের ইমাম এবং শান্তা নুরুল হক দাখিল মাদরাসার কর্মচারী মোস্তাকুল মোড়ল দীর্ঘদিন ধরে এক গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন।
আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় বিএনপির উদ্যোগে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত, রাজপথে বিশাল মিছিল
স্থানীয়দের দাবী, গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই গৃহবধূর স্বামী বাড়ি থেকে আপত্তিকর অবস্থায় মোস্তাকুলকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে স্থানীয়রা তাদের পুলিশে সোপর্দ করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনকারী একজন ব্যক্তি যদি এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত হন, তবে তা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই তারা অবিলম্বে তার চাকরি থেকে বরখাস্ত করার দাবি জানান।
এদিকে, ফকিরাবাদ শান্তা আলহাজ্ব নুরুল হক দাখিল মাদরাসার অধ্যক্ষ কামরুল ইসলাম জানান, ঘটনার সম্পর্কে মোস্তাকুল মোড়লকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। সাত কর্মদিবসের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর প্রযোজ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযুক্ত মোস্তাকুল মোড়ল বলেন, ঘটনার পর তারা এলাকায় বাইরে অবস্থান করছেন এবং নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করেছেন।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বিএনপির কর্মসূচিতে বেজে উঠল শেখ হাসিনাকে নিয়ে গান
তবে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখনও আলোচনা এবং সমালোচনা চলছে। স্থানীয়দের দাবি, যদি তদন্তের পর যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
পরকীয়ার অভিযোগ, পুলিশি হস্তক্ষেপ, তালাক ও নতুন বিয়ে, সবকিছুর মিলনে পাইকগাছার এই ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এখন সবার নজর মাদরাসা কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে রইলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন