মাসুদ রানা, জেলা প্রতিনিধি টাংগাইল
শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০০ পি.এম
মাদক বিরোধী র্্যালি,, ১১/০৯/২০২৬ ইং রোজ শুক্রবার সকাল ১০ টার সময় টাংগাইল সদর উপজেলার ১ নং মগড়া ইউনিয়ন এর ভায়েটা গ্রামে এ আয়োজন করা হয়, উক্ত আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই আনোয়ার ও ভাইটা গ্রামের যুবসমাজ এবং মুরুব্বিয়ান,আয়োজনের মূল বিষয় হলো ভাইটাগ্রামকে একটি আদর্শ ও শিক্ষিত এবং মাদক মুক্ত গ্রাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীতে মোটরসাইকেল চুরি প্রতিরোধে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই তালেবের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে চোর সিন্ডিকেটের মূল হোতা আকাশ সাহাকে আটক করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বাজাজ ডিসকভার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নগরীর টাউন হল এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাসা থেকে আকাশ সাহাকে আটক করা হয়। অভিযানে এসআই তালেবের সঙ্গে কোতোয়ালি মডেল থানার সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক আকাশ সাহার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসার পর থেকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে শনাক্ত ও আটকের জন্য তৎপর ছিল।
একপর্যায়ে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এসআই তালেব তার অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হন। বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে টাউন হল এলাকার নিজ বাসা থেকে আকাশ সাহাকে আটক করতে সক্ষম হন। একই অভিযানে একটি বাজাজ ডিসকভার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই তালেবের এই অভিযানকে বিএমপি পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে মন্তব্য করা হয়। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চুরির মতো সংঘবদ্ধ অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করা এবং ঝুঁকি নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে আসামিকে আটক করার ক্ষেত্রে তার সাহসিকতা ও পেশাগত দক্ষতা প্রশংসার দাবি রাখে।
পুলিশের দায়িত্ব পালনে শুধু নিয়মিত টহল কিংবা সাধারণ অভিযান নয়, অপরাধীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, তথ্য সংগ্রহ, আসামির অবস্থান শনাক্ত এবং সঠিক সময়ে অভিযান পরিচালনার দক্ষতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসআই তালেবের সাম্প্রতিক অভিযানগুলোতে এমন পেশাদারিত্বেরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।
এর আগেও এসআই তালেব সাহসিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় জড়িত আসামি এবং আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আটক করে সুনাম অর্জন করেছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল নগরীতে মোটরসাইকেল চুরি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভুক্তভোগীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বিভিন্ন স্থান থেকে মোটরসাইকেল চুরির পর সেগুলো অন্য এলাকায় নিয়ে বিক্রি করার অভিযোগও রয়েছে সংঘবদ্ধ চক্রগুলোর বিরুদ্ধে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তথ্য সংগ্রহ ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। আটক আকাশ সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না এবং চুরি হওয়া মোটরসাইকেল কোথায় সরবরাহ বা বিক্রি করা হতো—এসব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এসআই তালেবের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযান আবারও দেখিয়ে দিয়েছে, অপরাধ দমনে দায়িত্বশীল পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা ও সাহসিকতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং মোটরসাইকেল চোরচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘তালাশ বিডি’তে প্রকাশিত একটি বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের তোপের মুখে নড়েচড়ে বসেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। অনুসন্ধানী সেই খবরের জের ধরে সফল অভিযান চালিয়ে নগরীর কাউনিয়া এলাকা থেকে একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত ও চিহ্নিত মাদক কারবারি সুমন হাওলাদার ওরফে মান্না সুমনকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি চৌকস ও বিশেষ অভিযানিক দল মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। আটককৃত মান্না সুমন কাউনিয়া থানার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর এলাকার নূর ইসলাম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল ‘তালাশ বিডি’তে "মোহাম্মদপুরের পর রসুলপুরে আস্তানা, ড্রোনে মাদক সরবরাহের অভিযোগ মান্না সুমন-শিল্পীর বিরুদ্ধে" শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। চাঞ্চল্যকর এই সংবাদটি বিএমপি পুলিশ কমিশনারের দৃষ্টিগোচর হওয়ার সাথে সাথেই তিনি অপরাধীদের দ্রুত আইন ও বিচারের আওতায় আনতে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। পুলিশ কমিশনারের এই তাৎক্ষণিক ও ইতিবাচক পদক্ষেপের পর কাউনিয়া থানা পুলিশ দ্রুত অ্যাকশনে নামে।
কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ আভিযানিক দল মোহাম্মদপুর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে পলাশপুর ও রসুলপুর এলাকার আতঙ্ক কুখ্যাত এই মাদক সম্রাটকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। সুমনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। একই সাথে তার স্ত্রী এবং পেশাদার মাদক কারবারি শিল্পী বেগমকে গ্রেপ্তারেও পুলিশ অত্যন্ত তৎপর রয়েছে এবং তাকে ধরতে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে 'তালাশ বিডি'র বরিশাল ব্যুরো থেকে যোগাযোগ করা হলে কাউনিয়া থানার দায়িত্বশীল ও চৌকস অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পুলিশের অপরাধবিরোধী অবস্থান ও সংবাদের প্রভাব তুলে ধরে বলেন, “গতকাল 'তালাশ বিডি'তে মান্না সুমন ও তার স্ত্রী শিল্পী বেগমকে নিয়ে যে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছিল, তা আমাদের মান্যবর পুলিশ কমিশনার স্যারের নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আসামিদের আইনের আওতায় আনার কঠোর নির্দেশ দেন। স্যারের দিকনির্দেশনায় আমরা দ্রুততার সাথে অভিযান চালিয়ে আজ ভোরে কুখ্যাত এই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। মাদকের বিরুদ্ধে বিএমপি পুলিশের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
বিএমপি পুলিশ কমিশনারের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও কাউনিয়া থানা ওসির সাহসী ভূমিকা নগরবাসীর মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সময়োপযোগী ও জোরালো এই অভিযানের জন্য স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণ কাউনিয়া থানা পুলিশ এবং বিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালানোর জন্য অনুরোধ করেছিলেন। তবে ট্রাম্প সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'এক্সিওস'-এর একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। খবরটি রয়টার্সের মাধ্যমে এসেছে।
প্রতিবেদনে দুই মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সৌদি যুবরাজ ট্রাম্পকে দুইবার ফোন করে হুথিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালানোর জন্য অনুরোধ জানান। কিন্তু মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ওয়াশিংটন এই মুহূর্তে ইয়েমেনে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী নয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই প্রতিবেদনের সত্যতা স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি। অন্যদিকে, নিয়মিত কর্মঘণ্টার বাইরে যোগাযোগ করায় হোয়াইট হাউস এবং ওয়াশিংটনে অবস্থিত সৌদি দূতাবাস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারেনি।
এক্সিওসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইয়েমেনের পরিস্থিতি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের সৃষ্টি করলেও মার্কিন প্রশাসন সেখানে নতুন কোনো সামরিক সংঘাতের ফ্রন্ট খুলতে চায় না। বরং, তারা রিয়াদকে অন্যান্য গোয়েন্দা তথ্য ও কৌশলগত লজিস্টিক সহায়তা বৃদ্ধি করতে উৎসাহিত করছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সমন্বয় বৈঠকের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সৌদি আরব সফর করেছেন।
মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সৌদি সমকক্ষদের জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্পষ্ট নির্দেশনা হলো—মার্কিন বাহিনীকে কেবল ইরান পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালির সুরক্ষার ওপর নজর দিতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে আরেকটি যুদ্ধের ফ্রন্ট খোলার কোনো ইচ্ছা ওয়াশিংটনের নেই।
এর আগে, লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হুথিদের অব্যাহত হামলা প্রতিহত করতে সৌদি আরব একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট গঠনের চেষ্টা করেছিল। গত জুলাইয়ের শুরুতে এই উত্তেজনা শুরু হয়, যখন হুথিরা দাবি করে যে সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ইরানি বেসামরিক বিমান অবতরণে বাধা প্রদানকারী সৌদি যুদ্ধবিমানের মুখোমুখি হয়েছিল তাদের বাহিনী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতালগুলোতে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, "হয় আমি থাকবো, না হয় হাসপাতালে অনিয়ম থাকবে।"
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি এই কথা বলেন।
হাসপাতাল পরিদর্শনের সময়, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরকারি ব্যবস্থাপনায় রক্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনার অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসার কাগজপত্র ও পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "যে অভিযোগ শুনে এখানে এসেছি, সেটা শতভাগ সত্যি।" তিনি উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু শনাক্তকরণের জন্য সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষার সুবিধা থাকা সত্ত্বেও বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে লোক এসে রোগীদের রক্ত সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়ার প্রমাণ পেয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, "এখানে সুবিধা আছে। বাইরে থেকে লোক এসে এখান থেকে ব্লাড নিয়ে যায়, এরা কি অন্ধ? ডাক্তার আছে, চোখে দেখবে না?"
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকারের পক্ষ থেকে রোগীদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরপরও যদি বাইরের লোক এসে রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায়, তাহলে এর সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হবে।
এদিকে, পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের রোগী ও স্বজনরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে লিফট নিয়মিত চালু না থাকার কারণে রোগী ও স্বজনদের একাধিক তলায় ছোটাছুটি করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলোচনা করেন। তিনি জানান, ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামাল দিতে হাসপাতালগুলোতে প্রস্তুতি রয়েছে। রোগীর সংখ্যা বাড়লে চিকিৎসা সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও প্রতিরোধমূলক অভিযান জোরদার করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্য খাতের অনিয়মের বিরুদ্ধে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ