ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করলে বাসে ককটেল হামলাকারীদের চিহ্নিত করা সম্ভব: রাশেদ খান


পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করলে বাসে ককটেল হামলাকারীদের চিহ্নিত করা সম্ভব: রাশেদ খান

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে আগুন ও ককটেল হামলার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তিনি জানান, বিএনপিকে সরকার পরিচালনার জন্য ১১ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগ- এই দুই বিরোধী দলকে সামলাতে হচ্ছে। বর্তমানে বিএনপি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন রয়েছে।

রাশেদ খান আরও বলেন, এই বিরোধীদল আগামী ডিসেম্বর থেকে কর্মসূচি শুরু করতে চায়, যা আওয়ামী লীগের সাথে সমন্বিত হবে। শেখ হাসিনাও ডিসেম্বরে ফিরে আসতে চান।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ

তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগ একত্রিত হয়ে দেশকে অশান্ত করার জন্য বাস ও ট্রেনে আগুন দিচ্ছে এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে।

রাশেদ খান বলেন, এনসিপির একজন নেতা স্বীকার করেছেন যে, আওয়ামী লীগ ও জামায়াত মিলে আগুন সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। একই দলের অন্য একজন নেতা দাবি করেছেন, ১১ দলের দাবি মেনে নিলে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটবে না।

তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যারা নির্বাচিত সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়, তারা কি অপরাধ করছে না?

জুলাই মাসে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক গ্রেপ্তারের ঘটনা উল্লেখ করে রাশেদ খান জানান, সাত মাসের সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চ কর্মসূচি স্বাভাবিক নয়। লংমার্চের নামে পিকনিক স্টাইলে ছবি তুলে ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জামায়াত নেতাদের ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠকের দাবি, রাশেদকে চ্যালেঞ্জ

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট চলছে। সরকার জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করছে ভর্তুকি দিয়ে। আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের উদ্যোগের ফলে আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট থাকবে না।

আওয়ামী লীগকে ফেরাতে অনেকেই সক্রিয় বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, চুক্তি থাকা সত্ত্বেও আদানি কখনো বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে, আবার কখনো করছে না।

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা ও অসৌজন্যতার অভিযোগও করেন তিনি। বিদেশের মাটিতে তারা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে গার্মেন্টস শ্রমিক কার্তিক নিহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মির্জাপুরে আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ফালু গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


মির্জাপুরে আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ফালু গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পুলিশ শওকত হোসেন ফালু নামের এক সাবেক সভাপতি আওয়ামী লীগের গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে গোড়াই ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গোড়াই হাইওয়ে থানার সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় আন্দোলনকারীরা হাইওয়ে থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও ছররা গুলি ছুড়লে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী হিমেল নামের এক ব্যক্তির দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় হিমেলের মা নাছিমা বেগম বাদী হয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ অজ্ঞাতপরিচয় আসামি সহ পুলিশ ও সংবাদকর্মীসহ আওয়ামী লীগের ১০০ জনের নাম উল্লেখ করে টাঙ্গাইল আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে শওকত হোসেন ফালু ৬ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখিত। তিনি গোড়াই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে সদস্য। তিনি নাজিরপাড়া গ্রামের সুরুজ বেপারীর পুত্র। দুই চোখ অন্ধ হওয়া হিমেল মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের লালবাড়ী গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে।

মির্জাপুর থানার এসআই সেলিম মিয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে গোড়াই ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শওকত হোসেন ফালুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানালেন, দুই চোখ অন্ধ হওয়া হিমেলের মা নাছিমা বেগমের দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শওকত হোসেন ফালুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুপুরে তাকে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগন্নাথের সামনে আটক মনিরের ২ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


জগন্নাথের সামনে আটক মনিরের ২ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর

রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে মো. মনির (২৫) নামক আসামির দুই দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ এই আদেশ প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন এবং জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মনিরকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ মনিরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে। অপরদিকে, আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিলের আবেদন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে মনিরকে আটক করা হয়। এরপর তাকে কোতোয়ালি থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

এরপর সোমবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক ইবনে খালিদ হোসেন মনিরকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে তাকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মামলার এজাহারভুক্ত ও তদন্তে প্রাপ্ত অন্যান্য আসামিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এবং তাদের সহযোগী সংগঠনের সমর্থনে একত্রিত হয়ে সরকারবিরোধী মিছিল, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ সংগঠনের সমর্থনে প্রচার-প্রচারণা চালানো এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগও করা হয়।

মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের নাম-ঠিকানা শনাক্ত করা এবং অর্থদাতা ও নির্দেশদাতাদের খুঁজে বের করতে মনিরকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই ডিএমপির কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে মনিরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিসিসিপিতে নোলান ওয়েলসের মৃত্যু: গ্র্যান্ড জুরির তদন্ত শেষে জানা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


মিসিসিপিতে নোলান ওয়েলসের মৃত্যু: গ্র্যান্ড জুরির তদন্ত শেষে জানা গেল

মিসিসিপির যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর নোলান ওয়েলসের মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে অপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। গ্র্যান্ড জুরি তদন্ত শেষে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ না আনার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

স্থানীয় জেলা অ্যাটর্নি অ্যাঞ্জেল মায়ার্স ম্যাকইলরাথ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক ভিডিও বার্তায় এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, গ্র্যান্ড জুরি ‘নো ট্রু বিল’ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর অর্থ হলো, কাউকে কোনো অপরাধে অভিযুক্ত করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ তাদের হাতে নেই।

নোলান ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বন্ধুদের সঙ্গে মিসিসিপির হর্ন আইল্যান্ডে ছিল। ওই দিন বিকেলে তাকে শেষবার দেখা যায়। দুই দিন পর, ৬ জুলাই দ্বীপটির উত্তর-পশ্চিম প্রান্ত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নোলানের মৃত্যু নিয়ে বেশ কিছু মাস ধরে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা চলছিল। বিশেষ করে তার কৃষ্ণাঙ্গ পরিচয়ের কারণে ঘটনাটিতে বর্ণগত কোনো বিষয় ছিল কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

তবে জেলা অ্যাটর্নি মায়ার্স ম্যাকইলরাথ বলেন, নোলানের নিখোঁজ হওয়া বা মৃত্যুর পেছনে বর্ণগত কোনো উদ্দেশ্য ছিল—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, নোলানের বন্ধুরা তাকে ভালোবাসত এবং নোলানও তাদের ভালোবাসতেন। ওই দিন নোলান নিজেই দ্বীপে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং এর বিপরীত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

গ্র্যান্ড জুরির প্রকাশিত আংশিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তে ১৩২টি তলব জারি করা হয় এবং ৪৩ জনের বক্তব্য নেওয়া হয়। আরও সাতজনকে গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

গ্র্যান্ড জুরিতে জ্যাকসন কাউন্টির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ২৩ জন নাগরিক ছিলেন। তাদের বয়স ২৭ থেকে ৬৮ বছরের মধ্যে ছিল। সদস্যদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী ছিলেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্র্যান্ড জুরি হর্ন আইল্যান্ডে ২০২৬ সালের ৪ জুলাই যাতায়াত করা ব্যক্তিদের কারও বিরুদ্ধে নোলানের মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অপরাধের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পায়নি।

তদন্তে আরও বলা হয়েছে, হর্ন আইল্যান্ডে নৌকা ও পানিতে মানুষের একসঙ্গে সময় কাটানো একটি স্বাভাবিক ঘটনা। একই নৌকায় সবাই দ্বীপে আসা বা ফিরে যাওয়াও জরুরি নয়। তাই নোলানের বন্ধুরা আগে চলে যাওয়ার পর তার আলাদা নৌকায় ফেরার কথা ছিল—এটিকে অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক মনে হয়নি তদন্তকারীদের কাছে।

গ্র্যান্ড জুরির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নোলানকে শেষবার দেখার দিন তার সঙ্গে কারও শারীরিক সংঘর্ষ বা তর্ক হয়েছিল—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তার মরদেহ যেখানে, যে অবস্থায় এবং যে সময়ে পাওয়া গেছে, তা পানিতে ডুবে মৃত্যুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে নোলানের পরিবার ও তাদের আইনজীবী এর আগে তার ডুবে মৃত্যুর ধারণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে করা স্বাধীন ময়নাতদন্তে তার মৃত্যুর কারণ ও ধরন ‘অনির্ধারিত’ বলে উল্লেখ করা হয়।

গ্র্যান্ড জুরির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যের প্রধান চিকিৎসা পরীক্ষক এবং পরিবারের পক্ষে নিয়োগ করা একজন ফরেনসিক চিকিৎসক—দুজনই নোলানের মৃত্যুর কারণ ও ধরন অনির্ধারিত বলে মত দিয়েছেন। তবে তারা দুর্ঘটনাজনিত পানিতে ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনাও পুরোপুরি বাদ দেননি।

নোলানের পরিবারের আইনজীবী ও নাগরিক অধিকারকর্মী বেন ক্রাম্প এর আগে তার মৃত্যুর ঘটনায় বর্ণগত বিষয় জড়িত থাকতে পারে বলে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কারণ, ওই দিন দ্বীপে থাকা অল্প কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের মধ্যে নোলান একজন ছিলেন।

তবে জেলা অ্যাটর্নি সোমবার ক্রাম্প ও তার দলের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, নোলানের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে—এমন প্রমাণ তারা পাননি বলে আগে তার কার্যালয়কে জানিয়েছিল ক্রাম্পের দল।

অন্যদিকে ক্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, গ্র্যান্ড জুরির কাউকে অভিযুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নোলানের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর দেয় না।

তার ভাষ্য, নোলানের মৃত্যুর বিষয়ে নথি, প্রমাণ ও স্বাধীন তদন্তের ভিত্তিতে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়ার অধিকার জনগণের রয়েছে। কাউকে অভিযুক্ত না করার সিদ্ধান্তের পরও এ বিষয়ে আরও প্রশ্নের সুযোগ থাকা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নোলানের শেষকৃত্য ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শত শত মানুষ অংশ নেন।

সেদিন নোলানের মা ক্রিস্টিন ওয়েলস-ওন্সলি ছেলেকে স্মরণ করে বলেন, তার অনুপস্থিতি এমন এক শূন্যতা তৈরি করেছে, যা কখনও পূরণ হওয়ার নয়। তিনি নোলানের মতো অন্যদের জীবনেও আলো ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

গ্র্যান্ড জুরির সিদ্ধান্তের পরও নোলান ওয়েলস কীভাবে মারা গেলেন, তা নিয়ে তার পরিবার ও আইনজীবীরা আরও তথ্য ও স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছেন।

সূত্র: এনবিসি নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুবদলের মিছিল ও সমাবেশ: দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


যুবদলের মিছিল ও সমাবেশ: দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদ কর্তৃক ঘোষিত পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির বিরুদ্ধে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা যুবদলের পক্ষ থেকে।

‎

২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেলা বারোটার দিকে উপজেলার লেছড়াগঞ্জ বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলের পর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক আলতাব হোসেনের সভাপতিত্বে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

‎

সমাবেশে উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মো. আলমাছ মিয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য প্রদান করেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক ও বয়ড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান তুষার, যুগ্ন আহ্বায়ক সামছুল আলম মিশুক, মো: নাসির উদ্দিন, মিরাজ হোসেন রাজ, মাসুম শিকদার, রেজাউল করিম রতন, যুবনেতা শাকিল মোল্লা, মীর মনির হোসেন আলম এবং কাজী শিমুল প্রমুখ।

‎

সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং তাদের সহযোগীরা দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে বিভিন্ন স্থানে অরাজকতা সৃষ্টি করছে। তারা বিভিন্ন জেলায় ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

‎

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হস্তে মোকাবেলা করার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে এই অরাজকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%