প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে আগুন ও ককটেল হামলার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তিনি জানান, বিএনপিকে সরকার পরিচালনার জন্য ১১ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগ- এই দুই বিরোধী দলকে সামলাতে হচ্ছে। বর্তমানে বিএনপি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন রয়েছে।
রাশেদ খান আরও বলেন, এই বিরোধীদল আগামী ডিসেম্বর থেকে কর্মসূচি শুরু করতে চায়, যা আওয়ামী লীগের সাথে সমন্বিত হবে। শেখ হাসিনাও ডিসেম্বরে ফিরে আসতে চান।
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগ একত্রিত হয়ে দেশকে অশান্ত করার জন্য বাস ও ট্রেনে আগুন দিচ্ছে এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে।
রাশেদ খান বলেন, এনসিপির একজন নেতা স্বীকার করেছেন যে, আওয়ামী লীগ ও জামায়াত মিলে আগুন সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। একই দলের অন্য একজন নেতা দাবি করেছেন, ১১ দলের দাবি মেনে নিলে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটবে না।
তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যারা নির্বাচিত সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়, তারা কি অপরাধ করছে না?
জুলাই মাসে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক গ্রেপ্তারের ঘটনা উল্লেখ করে রাশেদ খান জানান, সাত মাসের সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চ কর্মসূচি স্বাভাবিক নয়। লংমার্চের নামে পিকনিক স্টাইলে ছবি তুলে ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করা হচ্ছে।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট চলছে। সরকার জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করছে ভর্তুকি দিয়ে। আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের উদ্যোগের ফলে আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট থাকবে না।
আওয়ামী লীগকে ফেরাতে অনেকেই সক্রিয় বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, চুক্তি থাকা সত্ত্বেও আদানি কখনো বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে, আবার কখনো করছে না।
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা ও অসৌজন্যতার অভিযোগও করেন তিনি। বিদেশের মাটিতে তারা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন