ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গ্রেফতার হতে যাচ্ছেন অভিজিৎসহ শীর্ষ ককরোচ নেতারা?


গ্রেফতার হতে যাচ্ছেন অভিজিৎসহ শীর্ষ ককরোচ নেতারা?

ভারতের তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মুখপাত্র সৌরভ দাস।

আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বড় ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচির আগে এই গ্রেফতারের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

তার দাবি, দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, রত্না সিংসহ তাকেও গ্রেফতার করা হতে পারে।

আরও পড়ুন: স্পেনে দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৬৮, আহত ৮০

রোববার (৪ অক্টোবর) গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ দাস বলেন, "সরকার যদি মনে করে গ্রেফতার করে প্রতিবাদ দমন করা যাবে, তবে তারা ভুল করছে। তরুণ প্রজন্ম জেগে উঠেছে।" নেতাদের গ্রেফতার করা হলেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সৌরভের বক্তব্য, তারা জেল কিংবা আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। তবে নেতৃত্বকে গ্রেফতার করে আন্দোলন থামানো যাবে না। ১০ অক্টোবর থেকে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে প্রতিবাদে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন তুলেছেন, "কতজনকে গ্রেফতার করা হবে?" তার দাবি, ১০ অক্টোবর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ দিল্লিতে আসবেন। তবে সরকার সত্যিই দলটির নেতাদের গ্রেফতারের পরিকল্পনা করেছে কি না, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে আপাতত বিষয়টি ককরোচ জনতা পার্টির নেতাদের অভিযোগ হিসেবেই সামনে এসেছে।

ভোটার তালিকা ঘিরে ক্ষোভ ভারতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যে ককরোচ জনতা পার্টির এই আন্দোলন নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আরও পড়ুন: কাতারের নতুন প্রস্তাব ইরানকে, যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা

দলটির অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বহু যোগ্য ভোটারের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ কারণে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে তারা।

গত ২ অক্টোবর মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে দলটির প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। পুলিশ অনুমতি না দিলেও সেখানে জমায়েত হয়। অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ, শাবানা আজমি এবং সংগীতশিল্পী বিশাল দাদলানির মতো পরিচিত মুখের উপস্থিতি আন্দোলনটির প্রতি বাড়তি দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

শিক্ষার্থী সংগঠনের কর্মীরাও কর্মসূচিতে যোগ দেন। এরপর দিল্লির যন্তর মন্তরে ১০ অক্টোবর বড় জমায়েতের ডাক দিয়েছে দলটি। তাদের লক্ষ্য, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ক্ষোভকে দেশব্যাপী প্রতিবাদে রূপ দেওয়া।

বিজেপি কি চাপে?

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে বিজেপি এই তরুণদের আন্দোলনকে ভয় পাচ্ছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো প্রমাণ এখনো নেই। গ্রেফতারের অভিযোগ সত্য হলে তা আন্দোলনকে আরও জোরালো করতে পারে। অন্যদিকে, অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ না মিললে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা থাকবে।

দলটির সাম্প্রতিক কর্মসূচি থেকে বোঝা যাচ্ছে, তারা শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার চালিয়ে থেমে থাকতে চায় না। মুম্বাইয়ের পর দিল্লিতে বড় জমায়েতের পরিকল্পনা সেই কৌশলেরই অংশ।

১০ অক্টোবরের কর্মসূচিতে কত মানুষ যোগ দেন এবং প্রশাসন কী ভূমিকা নেয়, তার ওপর আন্দোলনের পরবর্তী গতিপথ অনেকটাই নির্ভর করবে।

আরও পড়ুন: নির্বাচনে হারের মুখে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ লিকুদ পার্টির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জমিতে বন্দিশিবির ও সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে আরাকান আর্মি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫২ পি.এম


রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জমিতে বন্দিশিবির ও সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে আরাকান আর্মি

মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ২০২৪ সালে রাখাইনের রাজ্যের বিস্তৃত অংশের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। এরপর থেকে রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো ধ্বংস করে, তাদের জমির ওপর বন্দিশিবির, সামরিক ঘাঁটি এবং বসতি নির্মাণ করছে।

সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এর একটি অনুসন্ধানে।

স্যাটেলাইট ছবি, জাতিসংঘের গবেষণা এবং বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অনুসন্ধানে বাংলাদেশের সীমান্তের নিকটবর্তী বুথিডং টাউনশিপের হ্নগেট থায় এলাকায় একটি ধানখেতের তথ্য উঠে এসেছে। ২০২৪ সাল পর্যন্ত ওই জমিতে রোহিঙ্গারা চাষাবাদ করতেন। কিন্তু ২০২৬ সালে সেখানে ১২০টি ধূসর রঙের ভবন দেখা যায়। এগুলো আরাকান আর্মি পরিচালিত বন্দিশিবিরের স্থাপনা। সেখানে আশপাশের এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে রাখা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া তারা ওই শিবিরে ঢুকতে বা বের হতে পারেন না।

আরাকান আর্মি উত্তর রাখাইন রাজ্যের বেশির ভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এ ধরনের অন্তত ১০টি শিবির নির্মাণ করেছে।

রাখাইনে মিয়ানমার শাসনকারী জান্তাবাহিনী এবং বৌদ্ধ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের পর থেকে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে বসবাস করছেন। রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে থাকা ১৮ বছর বয়সি মুহাম্মদ আরেস বলেন, ‘আরাকান আর্মি প্রথম যখন আসে, তখন আমাদের এলাকায় তীব্র লড়াই শুরু হয়। এসব সংঘর্ষের সময় অনেক বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারান।’

তিনি আরও বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আরাকান আর্মি আমাদের পুরো গ্রাম পুড়িয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়...তারা সব বাস্তুচ্যুত মানুষকে একত্র করে জোর করে শিবিরে নিয়ে যায়।’ আরেস জানান, ‘তারা মূলত আমাদের মাতৃভূমিকে জোরপূর্বক শ্রমের শিবির ও সামরিক ঘাঁটির একটি নেটওয়ার্কে পরিণত করেছে। তারা আমাদের জমিতে বাড়ি বানিয়েছে।’

মায়ু নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোর একটি সারি রয়েছে ওয়েত নিয়ো তাউং এলাকায়। বন্দিশিবিরটি সেখান থেকে প্রায় তিন মাইল দূরে অবস্থিত। ২০২৪ সালের এপ্রিলে ওই এলাকা পুড়িয়ে দেওয়ার সময় রোহিঙ্গা কৃষক ও নৌকার মাঝিরা তাদের বাড়ি, কৃষিজমি ও ফলের বাগান হারান। ২৬ বছর বয়সি মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘তারা সব বড় গাছ ও ফলের বাগান কেটে ফেলেছে এবং পুরো জমি পরিষ্কার করে দিয়েছে। তারা গ্রামের ভৌত কাঠামো পুরোপুরি মুছে দিয়েছে। তারা আমাদের জমিতে বাড়ি বানিয়েছে।’

বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা জানান, তাদের নিজেদের বাড়ি ভেঙে ফেলতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং সেই বাড়ির উপকরণ ব্যবহার করে বিদ্রোহীদের জন্য নতুন স্থাপনা তৈরি করতে বলা হয়েছিল। এর মধ্যে ওয়েত নিয়ো তাউং এলাকায় ‘এপি ব্যাটালিয়ন’ নামে পরিচিত সামরিক ব্যারাকও ছিল। তরুণ রোহিঙ্গারা জানান, সেখানে তাদের জোর করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

সাদিক বলেন, ‘তারা আমাদের রাস্তা পরিষ্কার করতে, পরিখা খুঁড়তে এবং তাদের শিবিরের ভেতরে কায়িক শ্রম করতে বাধ্য করত। কেউ ক্লান্তিতে পড়ে গেলে তাকে রোদের মধ্যে ফেলে রাখা হতো।’

জাতিসংঘের এক অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সাল থেকে ২৩টি রোহিঙ্গা গ্রামের অন্তত ৮০০ হেক্টর জমি দখল করে সেখানে শিবির, অন্য সম্প্রদায়ের জন্য বসতি অথবা সামরিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। জাতিসংঘের গবেষণায় ওই সময়ে আরাকান আর্মির রোহিঙ্গাদের জমি দখল বা রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুত করার অন্তত ২৯টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

২০২৪ সাল থেকে এক লাখ ৫৫ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। ২০১৭ সালের সামরিক অভিযানের পর মিয়ানমারে থেকে যাওয়া আনুমানিক ৬ লাখ রোহিঙ্গার প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই সময়ে দেশ ছেড়েছে। বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে বর্তমানে ১২ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে।

মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘের এক বিশেষজ্ঞ দ্য গার্ডিয়ানকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপস্থিতির শেষ এখানেই, এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই।’

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যতদিন এই ভয়াবহ পরিস্থিতি সহ্য করতে পারবে, ততদিন কারাগারের মতো শিবিরগুলোতে থাকতে পারে। কিন্তু তাদের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।’

দ্য গার্ডিয়ানের সংগ্রহ করা সাক্ষ্য এবং জাতিসংঘের প্রতিবেদনে প্রতিফলিত তথ্য অনুযায়ী, আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে নির্যাতন, যৌন সহিংসতা, নির্বিচারে গ্রেফতার, জোরপূর্বক শ্রম, জোর করে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ এবং ‘কর’ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব কৌশল এর আগে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীও ব্যবহার করেছে।

৩২ বছর বয়সি একজন জানান, তাকে জোর করে সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং এক মাস আটক থাকার সময় বারবার মারধর করা হয়। আরেকজন জানান, আরাকান আর্মির সদস্যরা তার ২২ বছর বয়সি মেয়েকে ধরে নিয়ে যায়। তাকে শারীরিক ও যৌন নির্যাতন করা হয় এবং সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে বাধ্য করা হয়। হ্নগেট থায় বন্দিশিবিরে থাকা অনেকেই ২০২৪ সালের ২ মে হোইয়ার সিরিতে সংঘটিত গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষ।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তালিকায় সেখানে নিহত বা নিখোঁজ হওয়া ১৭০ জনের বেশি গ্রামবাসীর তথ্য রয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ৯০ শিশু। আরাকান আর্মি যুদ্ধাপরাধ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, তারা শুধু সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল।

মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থা ইন্ডিপেনডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমারের প্রধান নিকোলাস কুমজিয়ান বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর হামলার পরিকল্পনাকারীদের লক্ষ্য ছিল ‘মাঠপর্যায়ে বাস্তবতা তৈরি করা’। তবে রোহিঙ্গাদের জমি ধ্বংসের জন্য আরাকান আর্মিই দায়ী, এমন কোনো তথ্য জাতিসংঘের ওই তদন্ত ব্যবস্থা এখনো নিশ্চিত করেনি বলে জানান তিনি।

কুমজিয়ান বলেন, ‘মিয়ানমারের ভেতরে এখনো থাকা রোহিঙ্গাদের চলমান সংঘাতের সব পক্ষই লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইনের অধ্যাপক টম ড্যানেনবাম বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর জবরদস্তি এবং তাদের নিজ এলাকা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার এই সমন্বিত কর্মকাণ্ড ‘জনসংখ্যা স্থানান্তর’-এর যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

মিয়ানমারের নির্বাসিত জাতীয় ঐক্য সরকারের সম্প্রতি পর্যন্ত একমাত্র রোহিঙ্গা সদস্য অং কিয়াও মো বলেন, ‘মূল বিষয়টি এখন আর এটা নয় যে, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে টিকে থাকতে পারবে কিনা। বরং প্রশ্ন হলো, এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে কিনা, যা তাদের স্থায়ীভাবে বাস্তুচ্যুত করা এবং তাদের ভৌত, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক উপস্থিতি মুছে ফেলার বিষয়টিকে অপরিবর্তনীয় করে দেবে।’

জানুয়ারিতে রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলার শুনানি শুরু করা আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এর আগে ‘পরিকল্পিতভাবে মানুষকে উচ্ছেদ করা এবং তাদের বাড়িঘর ধ্বংস করাকে’ গণহত্যার একটি উপাদান হিসেবে বিবেচনা করেছে। চলতি মাসেই আইসিজে রায় দেওয়ার কথা রয়েছে, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গারা গণহত্যার শিকার হয়েছিল কিনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘের জলবায়ু প্রধান: তীব্র গরমে গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের ঝুঁকি বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


জাতিসংঘের জলবায়ু প্রধান: তীব্র গরমে গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের ঝুঁকি বাড়ছে

ঢাকা, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক প্রধান সাইমন স্টিয়েল সতর্ক করেছেন যে, তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সোমবার ফিজির নাদিতে অনুষ্ঠিত ‘প্রাক-কপ’ জলবায়ু সম্মেলনে তিনি একটি নতুন জরিপের তথ্য উপস্থাপন করবেন।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, পাঁচ মহাদেশের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি স্বাস্থ্যকর্মী গত পাঁচ বছরে গর্ভাবস্থা ও প্রসবসংক্রান্ত জটিলতা তীব্র গরমের কারণে দেখেছেন।

স্টিয়েল মন্তব্য করবেন, ‘তাপমাত্রা যত বাড়ছে, গর্ভাবস্থায় ঝুঁকিও তত বাড়ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শ ক্রমেই সময়ের আগে সন্তান জন্ম, মৃত সন্তান প্রসব, কম ওজনের শিশু জন্ম এবং মায়ের বিভিন্ন জটিলতার সঙ্গে সম্পর্কিত হচ্ছে।’

স্টিয়েল সতর্ক করে বলেন, ‘এটি স্পষ্ট এবং অত্যন্ত উদ্বেগজনক। চরম তাপমাত্রার পরিস্থিতি যত খারাপ হচ্ছে, গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদান বৈশ্বিক জলবায়ু সংকটের নতুন একটি ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠছে, যা প্রাণঘাতীও হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্ভোগ, বৈষম্য ও অবিচারের আরেকটি গভীর খাদে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না।’

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে আসছেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলো আরও তীব্র হয়ে উঠছে এবং আগের তুলনায় ঘন ঘন তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছে।

এএফপির বিশ্লেষণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপারনিকাস জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য ব্যবহার করে দেখা গেছে, চলতি বছর পশ্চিম ইউরোপ থেকে সাহেল অঞ্চল এবং মধ্য আমেরিকা পর্যন্ত প্রায় ৩৩টি দেশ রেকর্ড শুরুর পর সবচেয়ে উষ্ণ জুলাই পার করেছে।

যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ব্রাজিল ও জিম্বাবুয়ের ১ হাজার ধাত্রী ও চিকিৎসকের ওপর এই জরিপ পরিচালিত হয়েছে। দাতব্য সংস্থা ওয়েলকাম জরিপটির অর্থায়ন করেছে।

সংস্থাটির চেয়ারওম্যান ও অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড এক বিবৃতিতে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।

তিনি বলেন, ‘তীব্র তাপ একটি অদৃশ্য ঘাতক। কিন্তু গর্ভবতী নারীদের অদৃশ্য করে রাখা যাবে না। নেতাদের হাতে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সমাধান রয়েছে—এখন তাদের পদক্ষেপ নিতে হবে।’

জরিপে দেখা গেছে, প্রায় সব ধাত্রী ও চিকিৎসকই এমন মা বা নবজাতকের চিকিৎসা করেছেন, যারা তীব্র গরমের কারণে স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগেছেন।

প্রায় এক-তৃতীয়াংশ চিকিৎসাকর্মী জানিয়েছেন, তারা এমন রোগী দেখেছেন যাদের কম ওজনের শিশু জন্ম, শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হওয়া, শিশুকে দুধ খাওয়াতে সমস্যা, পানিশূন্যতা বা তাপজনিত অসুস্থতা দেখা দিয়েছে। এসব সমস্যার পেছনে তীব্র গরমকে তারা অন্যতম কারণ বলে মনে করেছেন।

প্রাক-কপ সম্মেলনে স্টিয়েল প্রতিনিধিদের বলবেন, ‘গর্ভাবস্থা আশার একটি সময় হওয়া উচিত।

তবে তিনি সতর্ক করবেন, যে ‘কোটি কোটি মানুষের জন্য এটি এখন উদ্বেগের সময়ে পরিণত হচ্ছে, কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তাদের দৈনন্দিন জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।’

ফিজি এবং দূরবর্তী প্রবাল দ্বীপ তুভালুতে অনুষ্ঠিত প্রাক-কপ-৩১ সম্মেলনকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর নেতারা জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মুখসারিতে থাকা মানুষের জীবন ও বাস্তবতা বিশ্বের সামনে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

এই বৈঠক আগামী মাসে তুরস্কে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের বৃহৎ বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১-এর প্রস্তুতিপর্ব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্লাই দুবাইয়ের বিমানে হামলা: নেতানিয়াহুর মন্ত্রী চাপের মুখে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


ফ্লাই দুবাইয়ের বিমানে হামলা: নেতানিয়াহুর মন্ত্রী চাপের মুখে

ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে সহ-পাইলটের হামলার ঘটনায় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ। হামলার ঘটনায় বিরোধী নেতারা রেগেভের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন।

আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে, দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাই দুবাইয়ের একটি বিমানে ওমানের এক সহ-পাইলট পাইলটকে কুড়াল দিয়ে হামলা করার ঘটনায় দেশটির বিমান নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদেশি এয়ারলাইনসের নিরাপত্তা যাচাই এবং তাদের পাইলটদের তদারকি নিয়ে দেশটির বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।

বিরোধীদের প্রশ্ন, কিভাবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই এমন একটি দেশের নাগরিক তেল আবিবগামী বিমানের পাইলট হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুমতি পেলেন।

দায়িত্ব নিয়ে টানাপোড়েন

‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি এয়ারলাইনসের নিরাপত্তা যাচাইয়ের দায়িত্ব কার- এ নিয়ে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে কয়েক বছর ধরে মতবিরোধ চলছিল। ২০২১ সালে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা বিদেশি ফ্লাইটের নিরাপত্তা যাচাইয়ের দায়িত্ব শিন বেতের কাছ থেকে দেশের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

২০২৪ সালের একটি গোপন রাষ্ট্রীয় নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবহন মন্ত্রণালয় তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছে না।

ওই বছরের মে মাসে নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলকে এ বিষয়ে নতুন কাঠামোর সুপারিশ দিতে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। কমিটিতে পরিবহন মন্ত্রণালয়, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি, শিন বেত, মোসাদ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তবে শিন বেত জানায়, বিদেশি ফ্লাইটের নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও অর্থ তাদের নেই। পরে জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ওপরেই এ দায়িত্ব রাখার পক্ষে মত দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা প্রধান এভরি কোহেন এত বড় দায়িত্ব নেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে আপত্তি জানালেও মন্ত্রী মিরি রেগেভ দায়িত্বটি তার মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেন। ২০২৫ সালে নেতানিয়াহুও বিদেশি ফ্লাইটের নিরাপত্তার দায়িত্ব পুরোপুরি পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কাছে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

তবে পরিবহন মন্ত্রণালয় এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, বিদেশি ফ্লাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাদের ওপর কয়েক দশক ধরে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে- এমন দাবি ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলেও মন্তব্য করেছে মন্ত্রণালয়।

দায় নিতে নারাজ রেগেভ

হামলার আগে নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ব্যর্থতার জন্য নিজের মন্ত্রণালয়কে দায়ী করতে রাজি নন মিরি রেগেভ। ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিদেশি পাইলটদের বিষয়ে নিরাপত্তা যাচাই করার সক্ষমতা পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নেই।

রেগেভ বলেন, বিমানের ক্রুদের শনাক্ত করার দায়িত্ব নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের। হুমকির মাত্রা নির্ধারণ এবং কোনো গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করা নিরাপদ কি না, সেটিও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিষয়।

তবে তার সাবেক মন্ত্রণালয় সচিব ও বিরোধী দলের প্রার্থী কেরেন টেরনার এ বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তার দাবি, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সরাসরি অধীনে থাকায় নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায় রেগেভকেই নিতে হবে।

ওমানি পাইলট নিয়ে প্রশ্ন

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ওমানের কয়েক ডজন পাইলট ফ্লাই দুবাইয়ের ফ্লাইটে করে তেল আবিবে গেছেন। অথচ ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই এমন দেশের পাইলটদের দেশটিতে ফ্লাইট পরিচালনার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের গাফিলতি ছিল।

ওমান ২০২০ সালের আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেয়নি এবং ইসরায়েলের সঙ্গে দেশটির আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্কও নেই। ইসরায়েলি নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব দেশ ইসরায়েলকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় না, সেসব দেশের পাইলটদের ইসরায়েলগামী ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দলে ফিরতে বিদ্রোহী এমপিদের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম মমতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


দলে ফিরতে বিদ্রোহী এমপিদের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম মমতার

দলে ফিরে আসার জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এমপি ও বিধায়কদের জন্য। দলের প্রধান এবং পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে না এলে তাদের জন্য দলে আর কোনো স্থান থাকবে না।

রোববার (৪ অক্টোবর) উত্তর দিনাজপুরে তৃণমূলের একটি বড় সমাবেশে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বক্তব্য রাখার সময় মমতা এই ঘোষণা দেন। বিধানসভা নির্বাচনের পর উত্তরবঙ্গে এটি ছিল দলের একটি বড় শক্তিপ্রদর্শন।

মমতা মন্তব্য করেন, ‘আমরা যেসব এমপি ও বিধায়ককে নির্বাচিত হতে সাহায্য করেছি, তাদের অনেকেই বিশ্বাসঘাতক। তাদের এখানে কোনো জায়গা নেই। আমরা আবার ক্ষমতায় ফিরব। যারা তৃণমূল ছেড়েছেন, তারা ১৫ দিনের মধ্যে ফিরে এলে ঠিক আছে। এরপর আর তাদের জন্য এখানে কোনো জায়গা থাকবে না।’

তিনি দলের পুনর্গঠনে তৃণমূলের তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের গুরুত্ব তুলে ধরেন। মমতা বলেন, নেতারা নয়, সাধারণ কর্মীরাই দলের মূল শক্তি। ১৯৯৮ সালে যেভাবে তিনি দল গড়ে তুলেছিলেন, সেভাবেই আবার তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে পারবেন বলেও দাবি করেন তিনি।

বক্তব্যে ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও তিনি সরব হন। মমতা অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের প্রধান হিসেবে জ্ঞানেশ কুমার যতদিন দায়িত্বে থাকবেন, ততদিন বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে।

একই সঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি। মমতার মতে, তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোট শক্তিশালী হতে পারে না। বিজেপিকে মোকাবিলা করতে হলে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%