মোঃ রাসেল সরকার, স্টাফ রিপোর্টা
রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪৩ পি.এম
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের পার জামিরতা গ্রামে ওষুধ ও বিকাশের দোকানদারকে নেশাযুক্ত দ্রব্য মিশিয়ে জুস খাওয়ানোর পর অজ্ঞান করা হয় এবং ক্যাশ ড্রয়ার থেকে নগদ প্রায় দুই লক্ষ দয় হাজার চারশত টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে।
এই ব্যাপারে শাহজাদপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কৈজুরী ইউনিয়নের ভাটপারা গ্রামের মোঃ রওশন আলীর পুত্র মো: রাকিব আহম্মেদ দীর্ঘদিন ধরে পোরজনা ইউনিয়নের পার জামিরতা গ্রামে ময়না মেডিকেল হল নামক ওষুধ ও বিকাশের দোকান পরিচালনা করে আসছেন। গত ০৮-০৯-২৬ মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে পার জামিরতা গ্রামের মোঃ আশরাফ আলীর পুত্র মোঃ নাহিদ হোসেন দোকানদার রাকিবকে জুস নিয়ে এসে খাওয়ানোর পরপরই তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। এই সুযোগে নাহিদ হোসেন দোকানে প্রবেশ করে ড্রয়ার থেকে ২,১০৪০০ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
ব্যবসায়ী রাকিব আরও জানান, স্থানীয় প্রধান বর্গদের এ বিষয়ে অবহিত করে এর কোনো সুচনা না পাওয়ায় এবং নাহিদ হোসেন এলাকার প্রভাবশালী হিসাবে বর্তমানে তিনি দোকান বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। এছাড়া, নাহিদ হোসেন দোকান না খুলতে নানা ভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে বলেও অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার উপ পরিদর্শক মোন্তাজ আলী বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে সেখানে গিয়েছিলাম। দ্রুতই তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযুক্ত নাহিদ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, আমি অসুস্থ, এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না। স্থানীয়ভাবে কথা চলছে, আমার অভিভাবকদের সাথে পরে কথা বলবো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্দ্বীপের মাইটভাঙা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডস্থ হেদা হাজীর সড়কের চলাচলের অনুপযোগী একটি অংশ আদলা/রাবিশ দিয়ে সংস্কার করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, মাইটভাঙা ইউনিয়নের উদ্যোগে এ সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়। স্থানীয় জনসাধারণের সহজ, স্বাভাবিক ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের চলাচলজনিত দুর্ভোগ কিছুটা লাঘবের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান, জনসাধারণের প্রয়োজন ও দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার চেষ্টা করা হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সড়কটির প্রয়োজনীয় স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে দীর্ঘমেয়াদে এলাকাবাসীর চলাচলের সমস্যা আরও কমবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন নিরীহ আওয়ামী লীগ সমর্থক পরিবারের ওপর অমানবিক আচরণ না করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দল।
তা সঠিক, তবে আওয়ামী লীগের জনগণকে বাংলাদেশের জনগণের বাইরে বের করে দেওয়া হয়নি।’
গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর টিকাটুলীর রোজ গার্ডেনে বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের একটি কর্মসূচিতে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দল। তা সঠিক, কিন্তু আওয়ামী লীগের জনগণকে বাংলাদেশের জনগণের বাইরে বের করে দেওয়া হয়নি।
’তিনি বলেন, ‘আমি ইদানীং লক্ষ্য করছি, আমাদের কেউ কেউ নিরীহ আওয়ামী লীগ সমর্থনকারী বা ভোটদানকারী পরিবারের বাসায় গিয়ে জোর জবরদস্তি পরিস্থিতি তৈরি করছে, অর্থ নিচ্ছে। তারা একটি চাপ সৃষ্টি করে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করছে। ভাইয়েরা, যদি আমরা এই কাজ করি, তাহলে আওয়ামী লীগের মধ্যে ও আমাদের মধ্যে কী তফাত রইল, আপনি আমাকে বলুন?’
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী শক্তিকে টিকিয়ে রাখার জন্য যারা অপকর্ম করেছে, তাদের পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ মেনে নেবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হাকিমপুরে পৃথক মামলায় আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামিকে রাতের অভিযানে নিজ নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে হাকিমপুর থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—হাকিমপুর থানার জিআর নং-৯/২৬, ধারা ৪০২/৩৯৯ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মোঃ ফনি (২২)। তিনি হাকিমপুর উপজেলার উত্তর বাসুদেবপুর (মাঠপাড়া সিনেমা হলের পিছনে) এলাকার মোঃ রাজু ওরফে লাজুর ছেলে।
অপরদিকে, হাকিমপুর থানার জিআর নং-৮১/১৪, ধারা ২৫-বি’র ১(বি), ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মোঃ মোজাম হোসেন ওরফে মোজাম্মেল হক (৪৮)। তিনি সাতকুড়ি উত্তরপাড়া এলাকার মৃত ইয়াছিন আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, আদালতের জারি করা পৃথক ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে রাতের বেলায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের নিজ নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
পরে গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে পুলিশ স্কটের মাধ্যমে দিনাজপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্য-অযোগ্যতাটা তৈরি করে নির্বাচন কমিশন। এখন নির্বাচন কমিশন আমাদের আইন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা, সবকিছু নিয়ে ঠিক করবে যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন, কি পারবেন না।"
এছাড়া, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে, সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সেখানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ