ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মার্কিন প্রস্তাবের প্রতুত্তরে যুদ্ধবিরতির দিকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ


মার্কিন প্রস্তাবের প্রতুত্তরে যুদ্ধবিরতির দিকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ

যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাবের প্রতি সাড়া দিয়ে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। এই সমঝোতার ফলস্বরূপ, ইসরায়েল লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা না করার ব্যাপারে সম্মতি প্রদান করেছে।

লেবাননের দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'পারস্পরিক হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে হিজবুল্লাহ বলেও আমরা নিশ্চিত হয়েছি।'

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই সমঝোতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, 'যদি হিজবুল্লাহ আমাদের শহর ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা বন্ধ না করে, তাহলে বৈরুতে হামলা অব্যাহত থাকবে।'

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি নেতানিয়াহু এবং হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং 'উভয় পক্ষই গোলাগুলি বন্ধে সম্মত হয়েছে।'

ইরান পূর্বে সতর্কতা জারি করেছে যে, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলমান থাকার ফলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির জন্য এটি হুমকি হতে পারে।

সোমবার গভীর রাতে দেওয়া লেবাননের দূতাবাসের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত ব্যবস্থার আওতায় বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোতে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করা হবে।

বিকল্পভাবে, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা থেকে বিরত থাকবে। বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, এই যুদ্ধবিরতি পরবর্তীকালে পুরো লেবাননজুড়ে সম্প্রসারিত করার একটি পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

তবে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, 'একই সঙ্গে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) পরিকল্পনা অনুযায়ী দক্ষিণ লেবাননে তাদের অভিযানে অব্যাহত থাকবে।'

ট্রাম্প উভয় পক্ষের মধ্যে হামলা বন্ধের সম্মতির ঘোষণা করলেও পরবর্তীতে কিছু সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের দুটি গ্রামের কাছে অবস্থানরত ইসরায়েলি ট্যাংক ও সেনাদের ওপর লক্ষ্য করে তিনটি হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ড্রোন এবং ভারী গোলাবর্ষণ ব্যবহৃত হয়েছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে গুরুত্ব, বাজেটে রয়েছে বড় পরিকল্পনা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১০ এম


বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে গুরুত্ব, বাজেটে রয়েছে বড় পরিকল্পনা!

নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত গুরুত্ব পাচ্ছে। এবার অগ্রাধিকারে রাখা হচ্ছে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জ্বালানি অনুসন্ধানের মতো বিষয়গুলো। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতে, উৎপাদন খাত ও অর্থনীতির গতি ধরে রাখতেই বাজেটে এ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি, কয়েক দিনের জ্বালানি তেল সংকটের পর দুই দফা দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে এলপি গ্যাসের দামেও বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। শিগগিরই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন বাজেট নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে জ্বালানি পণ্যের দাম।

তবে বাজেটের জটিল হিসাব-নিকাশ নয়; সাধারণ মানুষের চাওয়া হচ্ছে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা। তাদের প্রত্যাশা, লোডশেডিং কমবে এবং জ্বালানি পণ্যের দাম এমন পর্যায়ে থাকবে যা নিম্ন আয়ের মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে থাকবে।

এদিকে, জ্বালানি সংকটের প্রভাব শিল্পখাতেও পড়ছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের নজর এখন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাজেটে কী ধরনের নীতিকৌশল নেয়া হচ্ছে, সেদিকে।

নীতিনির্ধারকরা বলছেন, গ্রাহকের প্রত্যাশা, অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং উৎপাদন খাতের স্বার্থ বিবেচনায়, নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। ইরান-ইউক্রেন যুদ্ধসহ বৈশ্বিক পরিস্থিতি আমদানিনির্ভরতার ঝুঁকি আরও স্পষ্ট করেছে। তাই নতুন বাজেটে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নিজস্ব জ্বালানি সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনে গুরুত্ব দেয়া হবে। বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের বিষয়টিও বাজেট বক্তৃতায় স্থান পাবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ছাড়া দেশের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। এ কারণে সরকার এ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বাজেটে বরাদ্দ রাখছে।

সরকার আগামী পাঁচ বছরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ভ্যাট ও কর কমানোসহ বিভিন্ন নীতিসহায়তা দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞরা দিয়েছেন।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, রুফটপ সোলার প্যানেলসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে। বাজেটে এ খাতে অর্থায়ন এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক কাঠামো যৌক্তিক করার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।

কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেছেন, তরল জ্বালানির ব্যবহার ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার দিকনির্দেশনা বাজেটে থাকতে হবে। পাশাপাশি সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর সেবা যদি মুনাফামুক্তভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির চাপ এবং সরকারের ভর্তুকির বোঝা অনেকটাই কমে আসবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি খাতে অযৌক্তিক ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সঙ্গে ভোক্তাবান্ধব নীতি গ্রহণ জরুরি। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা হলো, নতুন বাজেটে এমন ব্যবস্থা নেয়া হবে যাতে সহনীয় দামে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়। এখন সেই প্রত্যাশা পূরণ করাই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ এম


মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার

মে মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রায় সাড়ে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। সোমবার (১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।

সূত্র জানাচ্ছে, এ সময় মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৪২৫ দশমিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে প্রাপ্ত ২ হাজার ৯৬৯ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় এটি ১৫.৩৪ শতাংশ বেশি।

চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩২ হাজার ৭৫৬ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে প্রাপ্ত ২৭ হাজার ৫০৬ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় এটি ১৯.০৯ শতাংশ বেশি।

রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করতে এবং সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেছারাবাদে মাদকমুক্ত বার্তায় ঐতিহাসিক কলার ভেলা বাইচ ও সাঁতার প্রতিযোগিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দেবাশীষ মন্ডল আশীষ নেছারাবাদ পিরোজপুর প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ এম


নেছারাবাদে মাদকমুক্ত বার্তায় ঐতিহাসিক কলার ভেলা বাইচ ও সাঁতার প্রতিযোগিতা

পিরোজপুরের নেছারাবাদে যুব সমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে সুস্থ বিনোদন ও ক্রীড়াচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে একটি ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন হিসেবে ঐতিহাসিক কলার ভেলা বাইচ ও সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) বিকেলে উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের উড়িবুনিয়া সংলগ্ন বেলুয়া নদীর তীরে ১০ম কলার ভেলা বাইচ ও সাঁতার প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা হয়। এতে শত শত দর্শকের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন “শেষ ঠিকানা”, এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিল স্থানীয় যুবসমাজ। সুলতান মাহমুদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বয়সী প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করে, যা দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের শিল্পবিষয়ক সম্পাদক নরুল আলম বিপ্লব, বিরুলিয়া ইউনিয়নের বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, ‘সবার আগে বলদিয়া’ টিমের সভাপতি মো. মাসুদ পারভেজ এবং শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. কিবরিয়া।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এলাকার স্থানীয়রা এই আয়োজনকে ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, যুবসমাজকে মাদকমুক্ত এবং সামাজিকভাবে সচেতন রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে। আগামী বছর থেকে কলার ভেলার পরিবর্তে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় যুবনেতা ও সমাজসেবক নুরুল আলম বিপ্লব বলেন, চরাঞ্চল হওয়ায় এলাকায় বিনোদনের বেশি সুযোগ নেই। তাই স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে প্রতিবছর এই ভিন্নধর্মী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়ে থাকে, যা গ্রামীণ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে।

প্রধান আয়োজক মো. সুলতান তালুকদার জানান, শিশুদের আনন্দ দেওয়া এবং তাদের বিদ্যালয়মুখী রাখতে গত এক দশক ধরে এই প্রতিযোগিতা নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মানসিক বিকাশের পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট এবং অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীর মাঝে জার্সি বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, “শেষ ঠিকানা” নামের এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি অসহায় মানুষের দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা ছাড়াও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়তা করে থাকে। সংগঠনের আয়ের উৎস হিসেবে সদস্যদের দৈনিক এক টাকা সঞ্চয়ের উদ্যোগ চালু রয়েছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, রাতভর বিস্ফোরণে কাঁপন দিয়েছে ইউক্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ এম


রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, রাতভর বিস্ফোরণে কাঁপন দিয়েছে ইউক্রেন

ইউক্রেনজুড়ে আবারও বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই হামলায় রাতভর চলাকালীন অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। রাজধানী কিয়েভসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলার আগেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্ভাব্য বড় আকারের রুশ হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পূর্বাঞ্চলীয় দিনিপ্রো শহরে অনুষ্ঠিত হামলায় ৭৩ বছর বয়সী এক নারীসহ অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। সেই হামলায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।

এদিকে খবর পাওয়া গেছে যে খারকিভ শহরে আটজন এবং কিয়েভে চারজন আহত হয়েছেন। রাতভর চলা হামলায় রুশ ক্ষেপণাস্ত্র রাজধানীতে আঘাত হানে। হামলার সময় হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে আকাশে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়।

কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো এক সতর্কবার্তায় বলেন, শহরে বিস্ফোরণ হচ্ছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে। সবাই আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করুন। অন্যদিকে, কিয়েভ সিটি মিলিটারি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানান, শত্রুপক্ষ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালাচ্ছে।

ভিটালি ক্লিচকো আরও জানান, হামলায় দুটি বহুতল আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আসন্ন হামলার বিষয়ে জেলেনস্কি ভিডিও বার্তায় নাগরিকদের বিমান হামলার সতর্কসংকেতের প্রতি বিশেষভাবে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি জানান, রাশিয়ার হামলা সংক্রান্ত গোয়েন্দা সতর্কবার্তা এখনও কার্যকর রয়েছে এবং বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেখা গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পূর্ব ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ব্যাপকভাবেই অস্থির হয়ে উঠেছে। এই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে উভয় পক্ষই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে।

ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর, জ্বালানি স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বারবার হামলার শিকার হয়েছে। পাল্টা হিসেবে, ইউক্রেনও রাশিয়ার সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে আঘাত হেনেছে।

যুদ্ধের কারণে লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং বৈশ্বিক খাদ্য ও জ্বালানি বাজারেও এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে। বিভিন্ন সময়ে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো ইউক্রেনকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে রাশিয়া নিজেদের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থের কথা বলে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলা এবং দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতির পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%