ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিয়ানমারে বাজারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ৩৩


মিয়ানমারে বাজারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ৩৩

মিয়ানমারে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে জান্তা সরকারের বিমান হামলায় অন্তত ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ হামলায় আহত হয়েছে আরও ৩৬ জন। সেনাবাহিনী সোমবার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে একটি জনবহুল বাজার এলাকায় এই ভয়াবহ বিমান হামলা চালায়। খবরটি আলজাজিরা প্রকাশ করেছে।

বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার পর থেকে জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হামলার অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

আরাকান আর্মি (এএ) জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে কিয়াকতাও শহরের একটি স্থানীয় পাইকারি বাজারের কাছে জান্তার একটি যুদ্ধবিমান থেকে দুটি বোমা ফেলা হয়। মুহূর্তের মধ্যে বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। হামলায় অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়, যারা বাজারে আসা ক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা ও পথচারী ছিলেন। সংগঠনটি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

রাখাইনের বেসামরিক প্রতিরক্ষা ও উদ্ধারকারী বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ওয়াই হুন অং এপির কাছে এই ভয়াবহতার চিত্র নিশ্চিত করে বলেন, ‘হামলার শিকার বাজারটি এই অঞ্চলের প্রধান পাইকারি কেন্দ্র ছিল, যেখানে রাজ্যজুড়ে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় থাকত। রাখাইনে সাম্প্রতিক সময়ে দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি ভবনে আগুন জ্বলছে, বহু যানবাহন দুমড়ে-মুচড়ে গেছে এবং নিকটস্থ ব্রিজের কিছু অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

যেমনটি পূর্বে দেখা গেছে, সামরিক জান্তা সরকার এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। অতীতে এ ধরনের হামলার জবাবে জান্তা দাবি করে আসছিল যে তারা কেবল বৈধ ‘সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ আঘাত হানে এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে আখ্যা দেয়।

২০২১ সালে সু চির গণতান্ত্রিক সরকার পতনের পর থেকে মিয়ানমারজুড়ে গৃহযুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। পাঁচ বছর সেন শাসনের পর চলতি বছরের এপ্রিলে সামরিক সমর্থিত সংসদের মাধ্যমে নিজেকে পুনরায় প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করে নিজের ক্ষমতা সুসংহত করেন সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং।

অন্যদিকে, রাখাইন রাজ্যের জাতিগত সংখ্যালঘু জনগণের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাওয়া আরাকান আর্মি (এএ) ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ব্যাপক আক্রমণ শুরু করে। তারা ইতোমধ্যে রাখাইনের ১৭টি শহরের মধ্যে ১৪টি এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সদর দফতর দখল করে নিয়েছে। এর প্রতিশোধ হিসেবে সেনাবাহিনী সেখানে কঠোর অবরোধ আরোপ করায় খাদ্য সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

জাতিসংঘের তথ্যমতে, এই সংঘাতের ফলে রাখাইনেই গৃহহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ। আগস্টে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারে মানবাধিকার পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। এসিএলইডি-এর তথ্য অনুযায়ী, এই গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত ১ লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসিফ নজরুলকে খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে তুলনা করলেন ফজলুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:১২ পি.এম


আসিফ নজরুলকে খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে তুলনা করলেন ফজলুর রহমান

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার অন্যতম ‘হোতা’ খন্দকার মোশতাক আহমেদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘আসিফ নজরুলের চরিত্র তার কাছে খন্দকার মোশতাকের চরিত্রের মতো মনে হয়।’

সম্প্রতি তিনি একটি জাতীয় দৈনিকে সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন। ফজলুর রহমান বলেন, ‘অনেক সময় চেনা যায় না এরা কারা। ড. আসিফ নজরুল বয়সে আমার ছোট। যেদিন আইএসসি পাস করছি, সেদিন উনার জন্ম হয়েছে—১৯৬৬ সালে।’

আসিফ নজরুল সম্পর্কে তার পূর্বের ধারণা তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমি মনে করতাম, এই লোকটা জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ঢাকা ইউনিভার্সিটির একজন প্রফেসর। এখানে এসে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামি হয়ে গেলেন। খুব রেসপেক্ট করতাম। কথাবার্তা যখন আমাদের মিটিংয়ে বলতেন, মনে হতো যেন একজন ফেরেশতা কথা বলতেছেন।’

এরপর আসিফ নজরুলের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘এই লোকটার বাড়ি কুমিল্লা। এত শিক্ষিত মানুষ। এই লোকটার চরিত্র কেন এমন—আমি মিলায়ে দেখি, এই লোকটার কুমিল্লার পাশের বাড়ির আরেকজন লোক আছে, দাউদকান্দির। তার নাম খন্দকার মোশতাক। আমার কাছে মনে হয়, খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে তার কোনো আত্মীয়তা আছে।’

খন্দকার মোশতাকের প্রসঙ্গ টেনে ফজলুর রহমান বলেন, ‘খন্দকার মোশতাক বঙ্গবন্ধুর বাবা যখন মারা গেছেন, তার চেয়ে কান্না আর কেউ বেশি কান্দে নাই। কিন্তু হত্যাটা কিন্তু সেই করছে।’

আসিফ নজরুলের প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আসিফ নজরুলের ক্যারেক্টারটা আমার কাছে কিন্তু এই রকম মনে হয়। কাজেই আপনি যাদের খুব শিক্ষিত, ভালো মানুষ মনে করতেছেন, তাদের অন্তরে যে বাংলাদেশ রাখা যাবে না, এই দেশটাকে প্রগতির পথে, মুক্তির পথে রাখা যাবে না—এইটা তারা ১৮ মাসের শাসনে নিজেদের কর্মকাণ্ড দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করছে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে একসময় নিজের ইতিবাচক ধারণার কথাও তুলে ধরেন ফজলুর রহমান। তিনি মন্তব্য করেন, ‘নোবেল লরিয়েট বাঙালির মুসলমানের সন্তান—কোনো দিন নোবেল পায় নাই, এর চেয়ে গৌরবের আর কিছু হতে পারে না।’

তবে পরবর্তী সময়ে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড দেখে নিজের অবস্থান পরিবর্তনের কথা জানান তিনি। তার অভিযোগ, জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হলেও ড. ইউনূস তার প্রতিবাদ করেননি।

ফজলুর রহমান বলেন, ‘যেদিন থেকে আমি এসব দেখতে শুরু করলাম এবং ফাইনালি যখন দেখলাম জামায়াত এবং ছাত্রশিবির বলা শুরু করল—এই দেশে কোনো যুদ্ধ হয়নি, এই দেশে মুক্তিযুদ্ধ বলে কোনো যুদ্ধ হয়নি, এই দেশে হয়েছিল একটা গণ্ডগোল। আর সেই গণ্ডগোলটা লাগিয়ে দিয়েছিল আমাদের মহাশত্রু হিন্দুস্তান—এই কারণে এটা কোনো যুদ্ধ হয়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘তখন আমি বলছি, ওই যে কথাটা বলছিলাম—আলবদর, রাজাকারের বাচ্চারা, মুক্তিযুদ্ধ কিন্তু হইছে। আর ইউনূস সাহেবকে বলছিলাম, আপনি যেহেতু এটার প্রতিবাদ করেননি, আপনি হইলেন এটার প্রধান উৎসাহদাতা বা আপনি হলেন এটার প্রধান কারিগর।’

ড. ইউনূসের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোতে না যাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আপনি এক দিনও শহীদ মিনারে যান নাই। আপনি এক দিনও স্মৃতিস্তম্ভে যান নাই। আপনার পরিবারে একজন লোকও মুক্তিযুদ্ধে যায় নাই।’

এ সময় ড. ইউনূসের পারিবারিক ব্যবসা ও তার পরিচালিত গ্রামীণ ব্যবসা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সচিবালয়কেন্দ্রিক দুর্নীতি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলে এ বিষয়ে তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান ফজলুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘সচিবালয়ে বসে শত শত কোটি টাকার ব্যবসা হইছে—ধরে না কেন আমাদের সরকার, আমি বুঝি না। একবার শুধু বলছে পার্লামেন্টে এটার বিচার হবে। আমি জানি না কথা এবং কাজটা এক হবে কিনা।’

অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামল নিয়ে নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, ‘ইউনূস সাহেব নেতা ছিলেন। যার আমলে এত কিছু হইতে পারে, সে ইউনূস সাহেব যত কথাই আপনি বলেন—আমি মনে করি, ইয়েস, নোবেল লরিয়েট। উনার প্রতি আমার মুরব্বি হিসেবে শ্রদ্ধা রইল। কিন্তু শাসক হিসেবে উনি দুঃশাসক এবং বাংলাদেশের জন্য সর্বনাশ করে রেখে গেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ফের শুরু হচ্ছে কয়লা ও পাথর আমদানি-রপ্তানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:১২ পি.এম


তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ফের শুরু হচ্ছে কয়লা ও পাথর আমদানি-রপ্তানি

দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কয়লা ও পাথর আমদানি আবার শুরু হতে যাচ্ছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ এবং সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের সঙ্গে ভারতের করিমগঞ্জ এক্সপোর্টারস্ অ্যান্ড ইম্পোর্টারস্ কো-অর্ডিনেশন টিমের মধ্যে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এতে সিলেটের বিয়ানীবাজারের শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে সীমান্ত বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ীরা আবারও কয়লা ও পাথর আমদানির সিদ্ধান্ত নেন। দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতারা আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে এই বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার বিষয়ে একমত হন।

শেওলা স্থলবন্দরের পোর্ট ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই যৌথ মতবিনিময় সভায় দুই দেশের ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।

সভাটি সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি চন্দন সাহার সভাপতিত্বে এবং সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক মো. আতিক হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ভারতের করিমগঞ্জ এক্সপোর্টারস অ্যান্ড ইম্পোর্টারস কো-অর্ডিনেশন টিম, সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ ও সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য, এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:১২ পি.এম


বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য, এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার

গাজীপুরের শ্রীপুরে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ফেসবুকে ‘আপত্তিকর মন্তব্য ও পোস্ট’ করার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আশরাফুল ইসলাম, যিনি সজল নামেও পরিচিত, তাকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে তার গ্রেপ্তার কার্যকর হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি বরামা গ্রামের ইমতিয়াজ উদ্দীনের পুত্র। তিনি এনসিপির শ্রীপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে পরিচিত, জানিয়েছেন সংগঠনের আহ্বায়ক আবু রায়হান মেজবাহ।

তিনি মন্তব্য করেন, ‘আশরাফুলের দলীয় পরিচয় নিশ্চিত জেনেও তাকে গ্রেপ্তার করা হলো। প্রশাসন এখনো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে। তাদের ফ্যাসিবাদী কাজ চলছেই। সেই ধারাবাহিকতায় তাকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সোমবার রাতে বরমী বাজারে দলের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে তার মুক্তি চাই।’

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টের কারণে নয়, বরং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলার আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২১ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে শ্রীপুরের জৈনাবাজার এলাকায় মশাল মিছিল করেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার পর করা মামলায় আশরাফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে, আশরাফুল ইসলামের ফেসবুকে পোস্ট করা একটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও তার আইডিতে গিয়ে সেই স্ট্যাটাস পাওয়া যায়নি।

আশরাফুল ইসলামের মা আসমা আক্তার বলেন, ‘তিন-চার দিন আগে তার ছেলে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসা নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিল। পুলিশ তাকে জানিয়েছে, ফেসবুকে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে পোস্ট আর মন্তব্য করায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার ছেলে সহজ-সরল। তাই ভুল করতে পারে। অনেকেই এই পোস্ট ডিলিট করতে বলেছে। এরপর আমার ছেলে পোস্ট ডিলিট করে দেয়। তবুও তাকে গ্রেপ্তার করা হলো, এটা মানতে পারি না।’

শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে আশরাফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফেসবুক স্ট্যাটাসের জন্য নয় বরং তাকে গ্রেপ্তারের পর বিভিন্ন মাধ্যমে তার ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখা গেছে। তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তানজিন তিশার বিরুদ্ধে শাড়ি প্রতারণার মামলায় চার্জ শুনানি আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:১৩ পি.এম


তানজিন তিশার বিরুদ্ধে শাড়ি প্রতারণার মামলায় চার্জ শুনানি আজ

আজ মঙ্গলবার, ২৮ হাজার টাকার একটি শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগের মামলায় অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বাদীপক্ষের আইনজীবী সলিমুল্লাহ সরকার জানিয়েছেন, দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে এ শুনানি হবে।

গত ১৩ আগস্ট, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিশা। এর আগে, গত ১২ জুলাই, আদালতে হাজির হতে তার বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছিল।

জামিন পাওয়ার পর তানজিন তিশা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "২৮ হাজার টাকার একটি শাড়ি নাকি আত্মসাৎ করেছি। আমার ১৫ বছরের একটা ক্যারিয়ার। এটা কারোর কাছে কাম্য নয়, একটা শাড়ির জন্য আদালতে আসব। আইনকে শ্রদ্ধা করি বলেই আদালতে এসেছি। তবে মামলায় অনেকগুলো মিথ্যা কথা বলা হয়েছে। আমি শাড়ি আত্মসাৎ বা প্রতারণা—এমন কিছুই করিনি।"

তিনি আরও বলেন, "একটা কথা বলতে চাই, মামলার বাদী একজন নারী। তিনি নিজের স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা (মামলা) করেছে। অনেক ধরনের হুমকি দিয়েছে। আগামীতে সব কিছু তুলে ধরব। আমার নামে যে মামলা করেছে, তাকে চিনি না।"

এদিন আদালতে আত্মসমর্পণের পর, তানজিন তিশার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন পাওয়ার পর তিনি আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন, এ সময় উৎসুক জনতা তাকে দেখতে ভিড় জমায়।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন তানজিন তিশা। এই ঘটনায় ২০২৫ সালে অনলাইন ফ্যাশন পেজের অ্যাডমিন আমিনুল ইসলাম প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে পুলিশ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%