ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বোয়ালমারীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে আহত ২০ জন


বোয়ালমারীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে আহত ২০ জন

 

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে যাত্রীবাহী বাস এবং ইটবোঝাই ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় যাত্রীবাহী বাসটি সড়কের পাশে খাদে উল্টে পড়ে এবং ট্রাকটি বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা লেগে আটকে যায়।

এ ঘটনার ফলে তিনটি বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: ভূমিমন্ত্রী: রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা হবে ঐতিহাসিক

সোমবার (১৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাঝকান্দি-বোয়ালমারী-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের পাইকহাটি এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায় যে, ফরিদপুরগামী লোকাল যাত্রীবাহী বাসটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা ইটবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।

অন্যদিকে, ট্রাকটি রাস্তার পাশে অবস্থিত বিদ্যুৎ সাবস্টেশনের গেট সংলগ্ন খুঁটিতে ধাক্কা লেগে আটকে যায়।

দুর্ঘটনায় বাস ও ট্রাকের চালক ও হেলপারসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। বিকেল সোয়া ৪টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: শাহজাদপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও গৃহ নির্মাণের চেক বিতরণ

স্থানীয়রা জানান, ট্রাকটি দ্রুতগতিতে আসছিল। সংঘর্ষের পর ট্রাকটি রাস্তার পাশে চলে গিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এর ফলে সড়কের দুই পাশে থাকা তিনটি বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে যান চলাচলে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়।

বোয়ালমারী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম উৎপল মণ্ডল জানান, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনটি বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত দেখতে পেয়েছেন। তবে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।’

বোয়ালমারী থানার এসআই মো. কোবায়েদ হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সড়ক পরিষ্কার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। দুর্ঘটনায় বাসটি খাদে উল্টে পড়ে এবং ট্রাকটি বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। উভয় যানবাহনের চালক ও হেলপার আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রাক থানায় নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

আরও পড়ুন: শেরপুরে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি লাভলু গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিসিএস প্রশ্নফাঁস মামলায় জামিন নিতে এসে কারাগারে পিএসসির কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


বিসিএস প্রশ্নফাঁস মামলায় জামিন নিতে এসে কারাগারে পিএসসির কর্মকর্তা

বিসিএস পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পল্টন মডেল থানার মামলায় আত্মসমর্পণের পর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রোগ্রামার কৌশিক দেবনাথকে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান।

এদিন আসামি কৌশিক দেবনাথ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তারপর তার আইনজীবী মো. শরিফুল ইসলাম জ্ঞান জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে আসামির বিরুদ্ধে এজাহারে এবং অভিযোগপত্রে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট।

তিনি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় বলেও দাবি করা হয়।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামাঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত ৭ জুলাই হাইকোর্টে আত্মসমর্পণের পর জামিন চাইলে তাকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়।

২০২৪ সালের ৮ জুলাই রাজধানীর পল্টন থানায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইনের অধীনে সিআইডির উপপরিদর্শক নিপ্পন চন্দ্র চন্দ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে গত ১৮ মে আবেদ আলীসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহা।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, প্রশ্নফাঁসচক্রের মূল হোতা আবেদের নেতৃত্বে পরীক্ষার আগেই নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে প্রশ্নসহ উত্তর পৌঁছে দেওয়া হতো। প্রার্থীদের নির্দিষ্ট স্থানে এনে প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো হতো।

এরপর পরীক্ষার দিন তাদের কেন্দ্রের দিকে পাঠানো হতো। বিনিময়ে তারা মোটা অঙ্কের টাকা আগাম নিয়ে নিতেন। চক্রটির বিস্তার ছিল দেশের বিভিন্ন জেলায়। এতে সরকারি চাকরিজীবী, পিএসসির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ী, চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ যুক্ত ছিল বলে তদন্তে জানা গেছে।

অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়েছে, নেটওয়ার্কটি বিজি প্রেস থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি এনজিও পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। প্রশ্ন ফাঁস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংঘবদ্ধ চক্রটি দীর্ঘ সময় সক্রিয় ছিল এবং তারা পরীক্ষার গোপনীয়তা ভেঙে রাষ্ট্রীয় নিয়োগব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেতানিয়াহুর নির্বাচনি পোস্টারে খামেনি, এরদোয়ান, মামদানি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


নেতানিয়াহুর নির্বাচনি পোস্টারে খামেনি, এরদোয়ান, মামদানি!

বিশেষ করে ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে, দখলদার ভূখণ্ডটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি একটি বিতর্কিত বিলবোর্ড প্রচারাভিযান শুরু করেছে।

এই প্রচারণায় নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানিকে একজন শরীক হিসেবে রাখা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোয়ান এবং লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেমের সঙ্গে একই ছবিতে।

বিলবোর্ডটিতে চারজনের ছবির নিচে লেখা রয়েছে, “তারা নেতানিয়াহুকে হারাতে চায়, তাদের জিততে দেবেন না।”

লিকুদের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই প্রচারণা ইতোমধ্যে ইসরায়েলের রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। বিরোধী রাজনীতিকেরা বিলবোর্ডটির ব্যঙ্গাত্মক সংস্করণ প্রকাশ করে নেতানিয়াহু এবং তার দলের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রচারণা চালাচ্ছেন।

বিলবোর্ডটি জানানো হয়েছে যে তেল আবিবে, আয়ালন মহাসড়কের ওপর স্থাপন করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, বিলবোর্ডটি জেরুজালেমে স্থাপন করা হয়েছে।

নেতানিয়াহুও নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে বিলবোর্ডটির একটি ছবি পুনঃপ্রকাশ করেছেন। ছবির সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন, “তাদের জিততে দেবেন না।”

নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে লিকুদের এই প্রচারণা রাজনৈতিক বিভাজনটি আরও তীব্র করে তুলতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

লিকুদ কার্যত বোঝাতে চেয়েছে যে, নেতানিয়াহুর পরাজয় কামনা করা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও রাজনৈতিক শক্তি একই স্বার্থে একত্র হয়ে কাজ করছে। মামদানিকে খামেনি, এরদোয়ান ও নাঈম কাসেমের সঙ্গে একই সারিতে রেখে রাখা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জানা যায়, নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে তার স্পষ্ট অবস্থানের কারণে ইতোমধ্যে আলোচিত ও বিতর্কিত একটি রাজনৈতিক চরিত্রে পরিণত হয়েছেন। লিকুদের প্রচারণায় তাকে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া শক্তিগুলোর সঙ্গে একই কাতারে তুলে ধরা হয়েছে।

লিকুদের প্রচারণা প্রকাশের পরপরই কয়েকজন ইসরায়েলি রাজনীতিক ও রাজনৈতিক দল একই ধরনের বিলবোর্ডের ব্যঙ্গাত্মক সংস্করণ প্রকাশ করেছেন। সাবেক ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বা আইডিএফের প্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন দল ইয়াশার একটি পাল্টা বিলবোর্ড প্রকাশ করেছে। তাদের সংস্করণে লেখা রয়েছে, “তারা আইডিএফকে ধ্বংস করতে চায়, নেতানিয়াহুকে জিততে দেবেন না।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টটির সঙ্গে দলটি লিখেছে, “নেতানিয়াহু, আমরা আপনার জন্য ঠিক করে দিয়েছি।” এরপর বলা হয়, “শুধু আইজেনকোটই একটি পুরোপুরি জায়নবাদী সরকার প্রতিষ্ঠা করবেন।”

এভাবে লিকুদের প্রচারণার ভাষা ব্যবহার করেই বিরোধীরা নেতানিয়াহুর সামরিক ও রাজনৈতিক নীতির সমালোচনা করেছে।

আরেকটি ব্যঙ্গাত্মক সংস্করণ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটের সদস্য নাআমা লাজিমি। তিনি লিকুদের বিলবোর্ডের একই নকশা ব্যবহার করে সেখানে চারজনের ছবি বসিয়েছেন। তারা হলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি, নেতানিয়াহুর সাবেক কৌশলগত উপদেষ্টা ইয়োনাতান উরিখ, নেতানিয়াহুর সাবেক নিরাপত্তাবিষয়ক মুখপাত্র এলি ফেল্ডস্টেইন এবং নেতানিয়াহুর সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা শ্রুলিক আইনহর্ন।

এই চারজনের নাম ‘কাতারগেট’ নামে পরিচিত একটি রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি ও তদন্তের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। লাজিমির সংস্করণে মূল বিলবোর্ডের বক্তব্যও উল্টে দেওয়া হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, “তারা নেতানিয়াহুকে জেতাতে চায়, তাদের হারতে দেবেন না।”

পোস্টের ক্যাপশনে লাজিমি নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, “নেতানিয়াহু, আমি এটিকে আপনার জন্য কাতারগেট সংস্করণে আপডেট করে দিলাম।” এর সঙ্গে তিনি ব্যঙ্গ করে আরও লেখেন, “বিলটি ৭ অক্টোবর জমা দেওয়া হবে।”

‘কাতারগেট’ নামে পরিচিত এই ঘটনা নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সহযোগীকে ঘিরে চলমান তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। অভিযোগ রয়েছে, নেতানিয়াহুর কয়েকজন সহযোগী কাতারের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেছিলেন, যখন তারা হামাসের হাতে জিম্মি থাকা ব্যক্তিদের মুক্তি নিয়ে আলোচনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এই অভিযোগ ইসরায়েলের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি করেছে। নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিদেশি অর্থের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তার সরকারের স্বচ্ছতা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

লাজিমির পাল্টা বিলবোর্ডে এই বিষয় নিয়ে মূলত নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিরোধীদের পুরোনো অভিযোগগুলোকে নতুন করে রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ করা হয়েছে।

ইসরায়েলে পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি যত এগোচ্ছে, ততই বিভিন্ন দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হচ্ছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপ অনুযায়ী, আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন ইয়াশার দল ২৪টি আসন নিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২২টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের নেতৃত্বাধীন বি’ইয়াখাদ ১৫টি আসন পাওয়ার পূর্বাভাস নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর লিকুদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। নির্বাচনের মাঠে নেতানিয়াহুর দল প্রচারে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ব্যক্তিত্বকেও যুক্ত করছে। মামদানি, খামেনি, এরদোয়ান এবং নাঈম কাসেমকে একই বিলবোর্ডে তুলে ধরা তারই একটি উদাহরণ।

নির্বাচন যত এগোবে, প্রচারণার লড়াইও বাড়বে। লিকুদের বিলবোর্ডের পাল্টা সংস্করণগুলো দেখাচ্ছে, ইসরায়েলের নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রচারণা এখন শুধু নীতি ও কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিপক্ষকে ব্যঙ্গ করা, বিতর্কিত ইস্যু সামনে আনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার মতো রাজনৈতিক বার্তা তৈরি করাও নির্বাচনী কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

নেতানিয়াহু এবং তার সমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা, সামরিক সক্ষমতা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত নেতা হিসেবে তুলে ধরছেন। অপরদিকে বিরোধীরা তার দীর্ঘ শাসন, যুদ্ধনীতি, রাজনৈতিক বিভাজন এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের ঘিরে ওঠা নানা অভিযোগকে সামনে আনছে।

ফলে আসন্ন নির্বাচন কেবল কে কতটা আসন পাবে সেই প্রতিযোগিতা নয়; বরং নেতানিয়াহুর দীর্ঘ রাজনৈতিক আধিপত্য কতটা টিকে থাকবে সেই প্রশ্নও সামনে আনছে। লিকুদের সাম্প্রতিক বিলবোর্ড এবং তার জবাবে বিরোধীদের ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা সেই উত্তপ্ত নির্বাচনী লড়াইয়েরই একটি দৃশ্যমান প্রতিফলন। সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও উৎপাদন নিয়ে মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


রাজবাড়ীতে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও উৎপাদন নিয়ে মতবিনিময় সভা

 জেলার জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন উপলক্ষে ‘মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন’ এর ওপর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা মৎস্য অধিদফতরের উদ্যোগে আজ সোমবার দুপুরে জেলা কার্যালয়ে জেলার মৎস্য ব্যবসায়ী, জেলে, মৎস্যচাষি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল হক।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মৎস্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক পলাশ হালদার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সরদার এবং সদর উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল।

সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সহকারী পরিচালক পলাশ হালদার।

তিনি বলেন, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করায় দেশে ইলিশের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একসময় দেশে বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার টন ইলিশ উৎপাদিত হলেও বর্তমানে তা প্রায় ৫ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে। জাটকা নিধন বন্ধ করা গেলে ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের অর্থনীতিতে এ খাতের অবদান বাড়বে।

তিনি বলেন, জাটকা আহরণ বন্ধ রাখার সময়ে রাজবাড়ী জেলার ৩ হাজার ৮০২ জন জেলেকে জনপ্রতি ১৬০ কেজি করে চাল দেয়াও হয়েছে সহায়তা হিসেবে। একই সঙ্গে জাটকা সংরক্ষণ মৌসুমে অবৈধ ‘চায়না দুয়ারি’সহ নিষিদ্ধ জাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পলাশ হালদার বলেন, ইলিশের পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র সংরক্ষণে জলাশয় রক্ষা এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ বন্ধে মৎস্য অধিদফতর বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

সভায় মৎস্যচাষি ও জেলেরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি মৎস্য খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় চাষিরা নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন বলেও জানান।

সভায় মৎস্য সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে সরকারি দফতর, মৎস্যচাষি, জেলে, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুটিংয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত, স্মৃতিশক্তি হারানোর শঙ্কায় ভারতীয় অভিনেত্রী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


শুটিংয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত, স্মৃতিশক্তি হারানোর শঙ্কায় ভারতীয় অভিনেত্রী?

ভিডিও শুটিংয়ে এমেরিকান শো ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি ১৫’-এর শুটিংয়ে মহাসংকটের ঘটনায় ভারতীয় অভিনেত্রী জেসমিন ভাসিন ভয়ংকর স্টান্ট করতে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। দুর্ঘটনার পরে কিছু সময়ের জন্য তিনি স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলতে বাধ্য হন। এমনকি স্টান্টটি শেষ হওয়ার পরে কী ঘটেছিল, তা সম্পর্কে অনেকটাই তাঁকে মনে পড়ছে না।

জেসমিন ভাসিন জানান, সিঙ্গাপুর ও দুবাইতে চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তাঁকে চিকিৎসকদের পরামর্শে ৭২ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হয়েছিল। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসার প্রক্রিয়া চলছে।

ভয়াবহ সেই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে জেসমিন বলেন, স্টান্টের পরে ঘটনাবলীর অনেকটাই তাঁর স্মৃতির মধ্যে অস্পষ্ট রয়েছে। দুর্ঘটনা ঘটার সময়ের পর থেকে অনেক ঘটনা তাঁর কাছে পরিষ্কার নয়।

তার আগে, অভিনেত্রী দুবাইয়ে নিজের জন্মদিন উদযাপন করার সময় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসকেরা তাঁকে তীব্র পেটের ব্যথার কারণে ‘টার্মিনাল আইলাইটিস’-এ আক্রান্ত বলেও শনাক্ত করেন।

যদিও একের পর এক এই কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্যে যদিও মানসিকভাবে শক্ত থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছেন অভিনেত্রী। তিনি জানান যে, এই ঘটনার জন্য তিনি নিজের মানসিক দৃঢ়তা সম্পর্কে নতুন করে উপলব্ধি করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%