ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৯, মামলা ৪৪


রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৯, মামলা ৪৪

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় পুলিশ ৫৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। একই সময়ে ৪৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানিয়েছেন।

নিয়াজ মেহেদী বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন থানায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ বিভিন্ন আলামত ও অস্ত্র, মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করেছে।

আরও পড়ুন: বাকৃবিতে উদ্বোধন হলো সার্জারি গ্যালারি

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৩২ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৩৩ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৮৭ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৬৫ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৭৯ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১১৮ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ১০৫ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৩৭ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগের ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানকালে পুলিশ ৩টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ৯ রাউন্ড গুলি, একটি খেলনা পিস্তল, ২টি সুইচ গিয়ার, একটি চাকু, একটি ব্লেড, ১৭টি মোবাইল ফোন, ৫১০ গ্রাম গাঁজা, ৩ হাজার ৭১০ পিস ইয়াবা, ১০০ পুরিয়া হেরোইন, ১৫ বোতল দেশি মদ, এক লিটার বিদেশি মদ এবং নগদ ২ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করেছে।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান নিয়াজ মেহেদী।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর ইরানে হামলার পরিকল্পনা আটকে দেন ট্রাম্প

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
খসড়া প্রস্তাব যাচ্ছে মন্ত্রিসভায়

পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে দুই ধাপে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ এম


পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে দুই ধাপে

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেলের খসড়া প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি বর্তমানে চলছে। সচিব কমিটি ইতিমধ্যে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়া গেলে, চলতি সপ্তাহে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি উপস্থাপন করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বাধিক ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু সব গ্রেডে সমান হারে বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়নি। উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলক বেশি হারে বাড়ানোর জন্য সচিব কমিটি সুপারিশ করেছে।

খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন দুই ধাপে হবে। প্রথম ধাপে মূল বেতন বৃদ্ধি করা হবে এবং দ্বিতীয় ধাপে বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটির গত বুধবারের বৈঠকে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য নীতিগতভাবে চূড়ান্ত করা হয়।

যাহোক, প্রয়োজন অনুযায়ী প্রস্তাবের বিভিন্ন বিষয় পরিবর্তন বা সংশোধন করার সুযোগ থাকবে। পে-স্কেল কত ধাপ বাস্তবায়ন করা হবে, সেই বিষয়েও মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে নবম পে-স্কেলের আংশিক বাস্তবায়নের কাজ শুরু হতে পারে। এরপর ধরে ধরে ২০২৮ সালের জানুয়ারি নাগাদ এর পূর্ণ বাস্তবায়নের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

এদিকে নবম পে-স্কেল চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় বিচার বিভাগ-সংক্রান্ত কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে। সরকার এসব জটিলতা নিরসনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরের বাউয়েট ক্যাম্পাসে প্রকৌশল গবেষণা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ এম


নাটোরের বাউয়েট ক্যাম্পাসে প্রকৌশল গবেষণা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন

নাটোরের বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বাউয়েট) ক্যাম্পাসে ২ দিনব্যাপী প্রকৌশল গবেষণা ও প্রযুক্তি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন গতকাল শেষ হয়েছে।

শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন গবেষক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের কার্যক্রম শুরু করেছে। সরকার প্রয়োজনে যে কোন গবেষণা এবং গবেষণার প্রয়োগিক ব্যাপারে পৃষ্টপোষকতা করবে।

এই সম্মেলনে উপস্থাপিত গবেষণাপত্র থেকে প্রয়োজন হলে আমরা ধারণাগুলো গ্রহণ করে সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

প্রতিমন্ত্রী তরুণদের জ্ঞান, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও মানবিক মূল্যবোধ ব্যবহার করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে বাউয়েটের উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম লুৎফর রহমান বলেন, এ ধরণের আন্তর্জাতিক সম্মেলন গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

এছাড়া, দেশী-বিদেশী গবেষকদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে আন্ত:বিষয়ক গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সংযোগ আরো জোরদার হবে। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রকৌশল গবেষণা ও প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রায় এই সম্মেলন একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কুদরত-ই-জাহান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান গুনমা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কো ইয়ামাদা।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন সম্মেলনের সাধারণ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বুয়েটের তড়িৎ ও তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিয়া শাহনাজ এবং কারিগরি কর্মসূচির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বুয়েটের একই বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ আনোয়ারুল ফাত্তাহ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাউয়েটের ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওসমান গনি।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল এন্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে সিগন্যাল প্রসেসিং, ইনফরমেশন, কমিউনিকেশন এন্ড সিস্টেম অন্তর্ভূক্ত ১৮টি দেশের ১০৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাছাইকৃত ৩২৮টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান নয়, শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করবেন ট্রাম্পই: সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


ইরান নয়, শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করবেন ট্রাম্পই: সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের চলমান অর্থনৈতিক চাপের কৌশল শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই ব্যর্থ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক রাষ্ট্রদূত ও হোয়াইট হাউসের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক নীতিনির্ধারক মার্ক গিন্সবার্গ।

তার মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান অচলাবস্থা মূলত একটি উচ্চঝুঁকির ‘অর্থনৈতিক চিকেন গেম’। যেখানে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই পিছু হটতে পারে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গিন্সবার্গ বলেন, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে ভিন্ন। কারণ, এখন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সরাসরি সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এবং ইরান তার অর্থনীতি সচল রাখতে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকেও কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

গিন্সবার্গের ভাষায়, “হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি এই সংঘাতের মধ্যে চলে এসেছে। একই সঙ্গে ইরান তার অর্থনীতি টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকেও পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন।”

তবে তার সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো, ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের পর যুক্তরাষ্ট্রের সামনে আসলে কী ধরনের সমাধানের পরিকল্পনা রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। গিন্সবার্গের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান নীতিতে একটি সুস্পষ্ট চূড়ান্ত লক্ষ্য দেখা যাচ্ছে না।

“এই প্রশাসনের কোনও শেষ লক্ষ্য আছে- এমন পরিস্থিতি আমরা দেখছি না। প্রেসিডেন্ট আসলে কী করতে পরিকল্পনা করছেন, তা আমরা জানি না,” বলেন গিন্সবার্গ।

তিনি বলেন, এখনও পর্যন্ত যে বিষয়টি সবচেয়ে স্পষ্ট, তা হলো ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘমেয়াদি চাপ ও সহনশীলতার একটি অভিযানে নেমেছে।

গিন্সবার্গ এই কৌশলকে অভিহিত করেছেন ‘অভূতপূর্ব সহনশীলতার অভিযান’ হিসেবে।

অর্থনৈতিক চাপেই কি নত হবে ইরান?

ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা, বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে বাধা এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও জ্বালানি পথ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তেহরানকে চাপের মুখে ফেলার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। কিন্তু শুধু অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে ইরানকে তার অবস্থান পরিবর্তনে বাধ্য করা যাবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন গিন্সবার্গ।

তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে দুই পক্ষের মধ্যে একটি উচ্চঝুঁকির মুখোমুখি অবস্থানের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে দেখছে- সংঘর্ষ অনিবার্য হওয়ার আগে কে আগে সরে দাঁড়ায়।

“এটি অনেকটা অর্থনৈতিক ‘চিকেন গেম’-এর মতো। সংঘর্ষের আগে দুই পক্ষের মধ্যে কে রাস্তার পাশ থেকে সরে যাবে, সেটিই প্রশ্ন,” বলেন তিনি।

গিন্সবার্গের আশঙ্কা, শেষ পর্যন্ত ইরান নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনই আগে সমঝোতার পথে যেতে বাধ্য হতে পারে।

“আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত ইরান সরকার পিছু হটার আগে ট্রাম্প প্রশাসনই নতি স্বীকার করবে,” বলেন সাবেক এই মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব

গিন্সবার্গের মন্তব্যের পেছনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হরমুজ প্রণালির কৌশলগত গুরুত্ব। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ এই প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে যায়। ফলে প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে যেকোনও বড় ধরনের সংকট বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।

ইরান দীর্ঘদিন ধরে হরমুজ প্রণালিকে তার কৌশলগত প্রভাব বিস্তারের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ যত বাড়ছে, ততই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে ঘিরে উত্তেজনাও বাড়ছে।

এ অবস্থায় ওয়াশিংটনের জন্য চ্যালেঞ্জ শুধু ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখা নয়; একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা এবং সম্ভাব্য আঞ্চলিক সংঘাত এড়ানোও জরুরি হয়ে উঠেছে।

‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতির সীমাবদ্ধতা

ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। এর লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিকভাবে তেহরানকে এমন অবস্থায় নিয়ে যাওয়া, যাতে দেশটির সরকার তার পররাষ্ট্রনীতি ও নিরাপত্তা নীতিতে ছাড় দিতে বাধ্য হয়।

তবে গিন্সবার্গের বক্তব্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, অর্থনৈতিক চাপ যতটা দ্রুত ইরানকে নত করবে বলে ওয়াশিংটন আশা করছে, বাস্তবে পরিস্থিতি ততটা সরল নয়। দীর্ঘমেয়াদি চাপের মুখেও ইরান যদি তার কৌশলগত অবস্থান ধরে রাখে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকেই বিকল্প পথ খুঁজতে হতে পারে।

বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি, জ্বালানি সরবরাহ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলি এই অচলাবস্থাকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে ইরানকে চাপে ফেলার পাশাপাশি সেই চাপের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সামাল দেওয়াও ওয়াশিংটনের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গিন্সবার্গের মূল্যায়ন অনুযায়ী, বর্তমান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো একটি সুস্পষ্ট সমাপ্তি-কৌশলের অভাব। চাপ প্রয়োগের পর কীভাবে আলোচনায় ফিরবে, কোন শর্তে সমঝোতা হবে এবং শেষ পর্যন্ত কী ধরনের রাজনৈতিক সমাধান চায়- এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর না থাকলে দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক চাপ উল্টো যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই কৌশলগত চাপ তৈরি করতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় নিষিদ্ধ আ’লীগের কার্যক্রম ঠেকাতে পুলিশের তৎপরতা, গ্রেপ্তার ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


খুলনায় নিষিদ্ধ আ’লীগের কার্যক্রম ঠেকাতে পুলিশের তৎপরতা, গ্রেপ্তার ২

শনিবারকে ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও জনসম্মুখে তাদের উপস্থিতি জানান দেয়ার অপচেষ্টা প্রতিরোধে খুলনা মহানগর পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে গতকাল শুক্রবার রাতে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হচ্ছে-পাবলা কারিকর পাড়ার কাজী মুন্সির পুত্র পারভেজ হাসান (২৯), কেশবলাল রোডস্থ কবির বটতলার মো. কামরুজ্জামানের পুত্র মো. সাব্বির হোসেন সৈকত (২৮)। এরা দু’জনই যুবলীগের সক্রিয় সদস্য।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের তিনজন সদস্য ১০ প্যাকেট তেহারী কিনে খালিশপুর আবু নাসের মোড়, গোয়ালখালির মোড় এবং দৌলতপুর থানাধীন লেকভিউ রেস্টুরেন্টের সামনে নিজেদের অপকৌশল বাস্তবায়নে কিছু লোককে জড়ো করে বিতরণ করে। এর ছবি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়।

নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রমকে বেগবান করার চেষ্টার বিষয়টি নজরে আসার পর দৌলতপুর থানা পুলিশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ছবি দেখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করে। এরমধ্যে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুরাদুল ইসলাম বাসস’কে জানান, গভীর রাতে খাদ্য বিতরণ করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে জনমনে পূর্বস্মৃতি জাগ্রত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। পুলিশি তৎপরতায় তাদের এ অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় অপু নামক অপর একজন ব্যক্তি পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযানের কাজ অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

তিনি উল্লেখ করেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম নয়, আইনের শাসন ও জননিরাপত্তাই সর্বাগ্রে। আইন ভঙ্গ করলে পরিচয় নয়, অপরাধই হবে বিবেচনার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%