প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেলের খসড়া প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি বর্তমানে চলছে। সচিব কমিটি ইতিমধ্যে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়া গেলে, চলতি সপ্তাহে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি উপস্থাপন করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বাধিক ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু সব গ্রেডে সমান হারে বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়নি। উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলক বেশি হারে বাড়ানোর জন্য সচিব কমিটি সুপারিশ করেছে।
খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন দুই ধাপে হবে। প্রথম ধাপে মূল বেতন বৃদ্ধি করা হবে এবং দ্বিতীয় ধাপে বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটির গত বুধবারের বৈঠকে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য নীতিগতভাবে চূড়ান্ত করা হয়।
যাহোক, প্রয়োজন অনুযায়ী প্রস্তাবের বিভিন্ন বিষয় পরিবর্তন বা সংশোধন করার সুযোগ থাকবে। পে-স্কেল কত ধাপ বাস্তবায়ন করা হবে, সেই বিষয়েও মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে নবম পে-স্কেলের আংশিক বাস্তবায়নের কাজ শুরু হতে পারে। এরপর ধরে ধরে ২০২৮ সালের জানুয়ারি নাগাদ এর পূর্ণ বাস্তবায়নের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।
এদিকে নবম পে-স্কেল চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় বিচার বিভাগ-সংক্রান্ত কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে। সরকার এসব জটিলতা নিরসনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন