ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেপালে একাই ৯০০ শিক্ষার্থীকে রক্ষা করলেন শিক্ষক


নেপালে একাই ৯০০ শিক্ষার্থীকে রক্ষা করলেন শিক্ষক

রাজেন্দ্র দাওয়াদি শ্রেণিকক্ষে অবস্থান করছিলেন, এমন সময় স্কুলের হিসাবরক্ষক জরুরি বার্তা নিয়ে তার কাছে ছুটে আসেন। তিনি জানান, নেপালের ত্রিশূলী উপত্যকা দিয়ে বন্যার পানি তীব্র গতিতে ধেয়ে আসছে এবং ঘরবাড়ি, সেতু ও পুরো গ্রাম ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

এরপর দাওয়াদি ফোনে আরেকটি সতর্কবার্তা পেলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে এক অভিভাবক তার সন্তানকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য সেখানে উপস্থিত হন। বন্যার ভয়াবহতা সম্পর্কে তখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে দাওয়াদির হাতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তেমন সময় ছিল না। তিনি স্কুলের ঘণ্টা বাজালেন এবং ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের ভবন থেকে বেরিয়ে উঁচু ভূমির দিকে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন।

এই শিক্ষক অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, "আমি তাৎক্ষণিকভাবে স্কুল বন্ধ করে দেই। শিশুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।"

আরও পড়ুন: ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে

তিনি যখন একটি পাহাড়ের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন বন্যার পানি বাড়তে থাকে। পাহাড়ের ঢালে নিরাপদ আশ্রয়ে দাঁড়িয়ে তিনি পেছনে ফিরে দেখলেন, স্কুলটি, যেখানে তিনি একসময় ছাত্র ছিলেন এবং বছরের পর বছর শিক্ষকতা করেছেন, পানি, কাদা, বিশাল পাথর ও ধ্বংসস্তূপের প্রবল স্রোতের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। ওই স্কুলের দুজন কর্মী নিরাপদে সরে যেতে পারেননি এবং তারা এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

হিমালয়ে হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক ও ভয়াবহ বন্যার হাত থেকে স্কুলটি খালি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে দাওয়াদি অন্তত ৯০০ শিক্ষার্থীকে রক্ষা করেছিলেন। এই দুর্যোগে নেপাল ও চীন মিলিয়ে ৯০০-এরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৪,৭০০-এরও বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপাল যখন এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করছে, তখন দাওয়াদির ঘটনা দূরদর্শিতা ও সাহসিকতার এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে। উত্তর-মধ্য নেপালের ত্রিশূলী উপত্যকায় অবস্থিত ত্রিভুবন ত্রিশূলি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১,৬৪৩ জন শিক্ষার্থী ছিল। সেই সকালে অন্তত ৯০০ শিক্ষার্থী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিল, আর অন্যরা তখনো বিদ্যালয়ে আসছিল। দাওয়াদি সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং বাসচালকদের ফোন করে নিরাপদ স্থানেই গাড়ি থামাতে বলেন।

শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি বাস ততক্ষণে বিদ্যালয়ে পৌঁছে গিয়েছিল; দাওয়াদি তখন চালককে বাসটি ঘুরিয়ে নিয়ে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। বাসটি একটি নবনির্মিত সেতু পার হওয়ার ঠিক পরপরই তার পাশেই থাকা পুরোনো সেতুটি ধসে পড়ে।

আরও পড়ুন: ফ্লাভিও বলসোনারোর পাসপোর্ট বাতিল

ধ্বংসযজ্ঞের এই বিশালতা দাওয়াদির কাছে ব্যক্তিগত এক বেদনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ এই বিদ্যালয়টি কেবল তার কর্মস্থলই ছিল না, বরং তার জীবনের একটি বড় অংশজুড়েও ছিল।

ওই দিনের ভয়াবহতা সম্পর্কে তিনি বলেন, "আমার আর কোনো ভাষা নেই। আমি ওই স্কুলেই পড়াশোনা করেছি। আবার ওই স্কুলেই আমি শিক্ষা দিয়েছি। দাওয়াদির স্কুলের ধ্বংস হয়ে যাওয়াটা কোনো বিচ্ছিন্ন ক্ষতি ছিল না।"

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যখাতের টেন্ডারে দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাংসের টুকরা বেশি খাওয়ায় বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


মাংসের টুকরা বেশি খাওয়ায় বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

এক বন্ধুর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি তার বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারণ হিসেবে উঠে এসেছে নৈশভোজে মুরগির মাংসের টুকরা বেশি খেয়ে ফেলায় তাদের মধ্যে তর্কের সৃষ্টি হওয়া। ঘটনাটি ভারতের কর্ণাটকের বেলাগাভি জেলায় ঘটেছে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তির নাম সীতারাম, যিনি উত্তর প্রদেশের পিলিভিত জেলার কবিরগঞ্জ গ্রামে বসবাস করতেন। সীতারাম মুদালাগি এলাকার প্রিয়া স্টিল কম্পানিতে কর্মরত ছিলেন এবং চাকরির কারণে মুদালাগির হুনাশ্যাল পিজি গ্রামে তার বাসস্থান ছিল।

 

অভিযুক্ত অরুণ কুমারও একই গ্রামের বাসিন্দা এবং সীতারামের সহকর্মী ছিলেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুই বন্ধু একসঙ্গে নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। নৈশভোজের সময় একজন অন্যজনের তুলনায় বেশি মুরগির মাংসের টুকরা খেয়ে ফেলায় তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়, যা পরে উত্তপ্ত বাগবিতণ্ডায় পরিণত হয়।

 

একপর্যায়ে অভিযোগ উঠেছে যে, অরুণ কুমার একটি ছুরি বের করে সীতারামের বুকে আঘাত করেন। এরপর অরুণ কুমার ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। আহত সীতারামকে গোকাক সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি, তবে দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর জন্য দাবি করেন যে, সীতারাম একটি ভবন থেকে পড়ে আহত হয়েছেন।

কিন্তু তার এই বক্তব্যে সন্দেহ দেখা দিলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

 

পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অরুণ কুমারকে হেফাজতে নেয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি সীতারামকে ছুরিকাঘাত করার কথা স্বীকার করেন।

এদিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সীতারামের মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরে কেমিক্যালের ড্রাম বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


জামালপুরে কেমিক্যালের ড্রাম বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত

জামালপুরে কেমিক্যালের ড্রাম বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত

 

জামালপুরের মাদারগঞ্জে একটি পরিত্যক্ত কেমিক্যালের ড্রাম কাটার সময় ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণে নূরনবী ফকির (৩৫) নামের এক ওয়ার্কশপ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার জোনাইল বাজারের একটি ওয়ার্কশপে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত নূরনবী ফকির জোনাইল পক্ষীমারী এলাকার বাসিন্দা মতি ফকিরের পুত্র।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নূরনবী তাঁর ওয়ার্কশপে একটি পরিত্যক্ত কেমিক্যালের ড্রাম কাটছিলেন। এই সময় ড্রামের ভেতরে জমে থাকা গ্যাসের কারণে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের ফলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান।

 

পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর মৃত্যু ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায় বলেন, ‘কেমিক্যালের ড্রামের ভেতরে গ্যাস জমে ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ড্রামের মুখ কাটার সময় বিস্ফোরণে ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।’

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিভিন্ন মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় জনগণের জন্য বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণসহ নানা কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

গত ১৬ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে সেনাবাহিনীর রিজিয়ন ও জোনগুলোর উদ্যোগে এসব কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

 

এ কার্যক্রমের ফলে দুর্গম এলাকার শত শত পাহাড়ি ও বাঙালি বাসিন্দা উপকৃত হয়েছেন।

জানা গেছে, স্থানীয় জনগণকে বিনা মূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ভাষা ও সংস্কৃতিচর্চার জন্য ক্লাব গঠন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণও করা হয়।

এছাড়া, স্থানীয় বাসিন্দাদের দক্ষতা উন্নয়নে কারিগরি প্রশিক্ষণ, শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং অসহায় ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম

 

বিভিন্ন এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজও সম্পন্ন হয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পার্বত্য অঞ্চলে সম্প্রীতি ও আর্থসামাজিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে নিয়মিতভাবে মানবিক সহায়তা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত ইউক্রেনের আরেকটি শহর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত ইউক্রেনের আরেকটি শহর

রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান ও ধারাবাহিক হামলায় পূর্ব ইউক্রেনের দ্রুঝকিভকা শহরটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে! জনমানবহীন রাস্তায় দেখা যাচ্ছে, পোড়া গাড়ি আর ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলোর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ইট-পাথর। এরই মধ্যে কামানের বিকট গর্জন আর আক্রমণকারী ড্রোনের তীক্ষ্ণ আওয়াজও শোনা যাচ্ছে।

পূর্ব ইউক্রেনের দ্রুঝকিভকা শহরের মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে থাকা রুশ সেনারা ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে সামনের দিকে। যুদ্ধরত সৈন্যদের পাশাপাশি শহরটির হাতেগোনা কয়েকজন সাধারণ মানুষও সেখানে কোনো মতে বেঁচে রয়েছে। 

পূর্ব ইউক্রেনের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহরকে সংযুক্ত করা প্রধান সড়কগুলোর মাঝখানে দ্রুঝকিভকা শহরটি। পুরো পূর্ব ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চল দখলের মরিয়া চেষ্টায় এই শহরের প্রতিরক্ষা ঘাঁটি আগে ধ্বংস করতে চাইছে রাশিয়া।

এদিকে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে একটি গোলাবারুদের গুদামে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। রবিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ কথা জানিয়েছেন।

কিয়েভের পশ্চিম উপকণ্ঠের বুচা জেলার মিলা এলাকায় ওই গুদামটিতে বিস্ফোরক সামগ্রী সংরক্ষণ করা ছিল। হামলার পর সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন আশপাশের বাড়িঘর ও একটি রেস্তোরাঁয় ছড়িয়ে পড়ে।

কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তিমুর তাকাচেঙ্কো জানান, হামলায় অন্তত ৫০টি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর এলাকা থেকে ৩৮০ জনের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। 

ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, মিলা গ্রামের একটি গুদামে হামলার পর বিস্ফোরণ ঘটে। আবাসিক এলাকার কাছে গোলাবারুদ সংরক্ষণের নিয়ম নেই উল্লেখ করে তিনি এ ঘটনায় তদন্তের কথা জানান।

ইউক্রেনীয় প্রসিকিউটররা গুদামে বিস্ফোরক সামগ্রী সংরক্ষণের বৈধতা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ছাড়পত্র ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে।

ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, গত শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনে অন্তত দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ২৬৭টি ড্রোন ছুড়েছে। কিয়েভের অন্য এলাকাতেও হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই বছরের এক শিশুও রয়েছে। রাজধানীর উপকণ্ঠে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীও নিহত হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এফপি-১ ও এফপি-২ দূরপাল্লার ড্রোন তৈরির উপকরণ ও বুস্টার থাকা গুদামটি লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়েছিল। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%