০৬:০৮ পি.এম
এক বন্ধুর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি তার বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারণ হিসেবে উঠে এসেছে নৈশভোজে মুরগির মাংসের টুকরা বেশি খেয়ে ফেলায় তাদের মধ্যে তর্কের সৃষ্টি হওয়া। ঘটনাটি ভারতের কর্ণাটকের বেলাগাভি জেলায় ঘটেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তির নাম সীতারাম, যিনি উত্তর প্রদেশের পিলিভিত জেলার কবিরগঞ্জ গ্রামে বসবাস করতেন। সীতারাম মুদালাগি এলাকার প্রিয়া স্টিল কম্পানিতে কর্মরত ছিলেন এবং চাকরির কারণে মুদালাগির হুনাশ্যাল পিজি গ্রামে তার বাসস্থান ছিল।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
অভিযুক্ত অরুণ কুমারও একই গ্রামের বাসিন্দা এবং সীতারামের সহকর্মী ছিলেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুই বন্ধু একসঙ্গে নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। নৈশভোজের সময় একজন অন্যজনের তুলনায় বেশি মুরগির মাংসের টুকরা খেয়ে ফেলায় তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়, যা পরে উত্তপ্ত বাগবিতণ্ডায় পরিণত হয়।
একপর্যায়ে অভিযোগ উঠেছে যে, অরুণ কুমার একটি ছুরি বের করে সীতারামের বুকে আঘাত করেন। এরপর অরুণ কুমার ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। আহত সীতারামকে গোকাক সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি, তবে দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর জন্য দাবি করেন যে, সীতারাম একটি ভবন থেকে পড়ে আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
কিন্তু তার এই বক্তব্যে সন্দেহ দেখা দিলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অরুণ কুমারকে হেফাজতে নেয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি সীতারামকে ছুরিকাঘাত করার কথা স্বীকার করেন।
এদিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সীতারামের মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।
আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন