শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:০০ পি.এম
ময়মনসিংহের নান্দাইলে এক গৃহবধূকে তার প্রথম স্বামী শরীফ মিয়া আটক করেছেন। রুবিনা আক্তার নামের ওই গৃহবধূর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়ে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টার দিকে নান্দাইল উপজেলা হাসপাতাল সংলগ্ন রিতা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে সিংরইল ইউনিয়নের উদংমধুপুর গ্রামের শরীফ মিয়ার সঙ্গে রুবিনা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। শরীফ নরসিংদীতে বাবুর্চির চাকরি করে স্ত্রীর পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ বহন করতেন। পারিবারিক অশান্তির সুযোগ নিয়ে রুবিনা প্রথম বিয়ের তথ্য গোপন রেখে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার প্রবাসী হাফেজ আবু হানিফকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন।
শরীফ লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে উকিল নোটিশ পাঠালেও রুবিনা তা অস্বীকার করেন। শনিবার, রুবিনা তার নতুন স্বামীকে নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে গেলে প্রথম স্বামী শরীফ তাদের আটক করেন।
শরীফ মিয়ার অভিযোগ, “চাকরির উপার্জিত সব টাকা রুবিনাকে দিয়েছি। সে তালাক না দিয়েই গোপনে প্রতারণামূলক বিয়ে করেছে। আমি টাকা উদ্ধার ও ন্যায়বিচার চাই।”
অন্যদিকে, রুবিনা ও তার বাবা আব্দুল কাইয়ূম অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, শরীফকে কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে তালাক দেওয়া হয়েছে; কাগজ না পৌঁছানোর দায় তাদের নয়।
নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলার যাতে অবনতি না ঘটে, সেজন্য তাদের থানায় আনা হয়েছিল। এটি একটি পারিবারিক বিষয় হওয়ায় মেয়েকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার তিতাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত হামলার মামলায় পুলিশ তিন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি রয়েছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে পৃথক স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, তিতাস উপজেলা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি একেএম কামরুল হাসান তুষার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাওন মিয়া এবং আওয়ামী লীগ কর্মী আবুল হোসেন।
তিতাস থানার ওসি মো. মমিরুল হক গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, "তিনজনকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।" শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার একটি জনপ্রিয় সৈকতে হাঙরের মর্মান্তিক আক্রমণের ফলে ৬৩ বছর বয়সী সাঁতারু গ্রেগ ও'নিল (Greg O'Neill) প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার পার্থের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত সরেন্টো বিচে এই ঘটনা ঘটেছে, এবং এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনার ভয়াবহতা বিবেচনায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ একটি অত্যন্ত বিরল পদক্ষেপ হিসেবে আক্রমণকারী গ্রেট হোয়াইট হাঙরটিকে চিহ্নিত করে মেরে ফেলার (Catch-and-kill) সরকারি নির্দেশ জারি করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ঘটনার সময় দুজন ব্যক্তি সাগরে সাঁতার কাটছিলেন, কিন্তু কেবল একজনই তীরে ফিরে আসতে সক্ষম হন। স্থানীয় বাসিন্দা জ্যাকুই রাপাইচ জানান, তিনি পানির ওপর রক্তের দাগ দেখতে পান। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হাঙরটি আক্রমণ চালিয়ে ব্যক্তিটিকে পানির মধ্যে প্রচণ্ডভাবে আছাড় মারছিল। ঘটনার পরপরই প্রায় ২.৫ মিটার (৮ ফুট) দৈর্ঘ্যের একটি গ্রেট হোয়াইট হাঙরকে সেখানে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়।
নিহত গ্রেগ ও'নিলের পরিবার এক বিবৃতিতে গভীর শোক ও স্তম্ভিত প্রকাশ করে বলেছে, "গ্রেগ সমুদ্রকে অসম্ভব ভালোবাসতেন। তিনি একজন দারুণ ক্রীড়াপ্রেমী, দায়িত্বশীল ও প্রাণবন্ত মানুষ ছিলেন।"
ঘটনার পরপরই স্থানীয় সরকার রাজধানী পার্থসহ রাজ্যের একাধিক জনপ্রিয় সৈকত অন্তত রবিবার পর্যন্ত সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে। উপকূলজুড়ে ড্রোন, বোট ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে টহল জোরদার করা হয়েছে।
পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার মৎস্যমন্ত্রী জ্যাকি জার্ভিস জানিয়েছেন, ওয়াটার পুলিশ সকালে হাঙরটিকে চিহ্নিত করার পর এই 'ব্যতিক্রমী নির্দেশ' দেওয়া হয়। গ্রেট হোয়াইট হাঙর অস্ট্রেলিয়ায় একটি সংরক্ষিত প্রজাতি হওয়ায় এই ধরনের নির্দেশ অত্যন্ত বিরল। গত এক দশকের মধ্যে এই রাজ্যে এটিই প্রথম হাঙর নিধনের সরকারি আদেশ।
চলতি সপ্তাহে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় এটি দ্বিতীয় হাঙরের আক্রমণ। এর আগে সোমবার জেরাল্ডটন উপকূলে একজন ৫৬ বছর বয়সী সার্ফার আক্রমণের শিকার হয়ে পা হারান। এ বছরজুড়ে অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের আক্রমণে মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এই ঘটনাটি অস্ট্রেলিয়াজুড়ে সৈকত ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার বিতর্ককে আবারও উসকে দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের হুইপ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া এমপি মন্তব্য করেছেন, "সরকার সীমাবদ্ধ সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার করে নানামূখী উন্নয়ন কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার তার মেয়াদের মধ্যেই সকল অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করবে। সরকারের মাত্র ৮ মাসে অনেক উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনাসহ কাজ শুরু হয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে সরকার এগিয়ে যাবে।"
এই বক্তব্যগুলো তিনি ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেল ৩ টায় চিরিরবন্দর টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ মাঠে উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রদান করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আব্দুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও আব্দুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ ময়েন উদ্দিন শাহ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নুর আলম সরকার দুলু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মোঃ মমিনুল ইসলাম মমিন, উপজেলা বিএনপি নেতা সহকারি অধ্যাপক মোঃ মেছবাহুল ইসলাম, কবির সরকার, এবং আব্দুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন মুকুল।
মতবিনিময় সভায় উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে কনসালটেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফররুখ আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক (পরিকল্পনা) আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান। সভায় সভাপতিত্ব করেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।
সভায় লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রের সম্ভাবনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং পর্যটনকেন্দ্রটির সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয়।সভায় বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল করিম, বকশীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, জামালপুর জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হোসেন ও আকতার হোসেন।
এ ছাড়া উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা সোয়াইব আজমি, জেলা পরিষদের প্রতিনিধি শাহ জহুরুল ইসলাম, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাপ জামাল, বগারচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ, ধানুয়া কামালপুর কো অপারেটিভ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মেসবাউল হক তুহিন, হোটেল ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন, আদিবাসী নেতা জয় দাংগো ও খোকন সাংমা, প্রেসক্লাব বকশীগঞ্জের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রনি এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল ইসলাম বাবু সহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা লাউচাপড়াকে পরিকল্পিতভাবে উন্নত করে পর্যটকদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। পর্যটনকেন্দ্রটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ