শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১১ পি.এম
সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ (হাবিব) বলেছেন, বিএনপি বিশ্বাস করে যে, বাংলাদেশ কারো একার নয়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বিএনপি একটি ঐক্যের দল এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবে। ধর্ম যাই হোক, রাষ্ট্রের কাছে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমান।
আজ শুক্রবার রাজধানীর সবুজবাগ এলাকার একটি কালী মন্দিরে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলিম সকলেই একত্রিত হয়ে রক্তঝড়া আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলার জমিনে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে।
জুলাই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা খুনি হাসিনাকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়েছি।
তিনি উল্লেখ করেন, আমরা একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। গণতান্ত্রিক এই বাংলাদেশে বিভাজনের রাজনীতিতে আমাদের বিশ্বাস নেই। ধর্মের নামে বিভেদ চাই না।
আমরা জাতি-গোষ্ঠীর নামে বৈষম্য চাই না। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ঐক্য, সম্প্রীতি, সাম্য ও অধিকারভিত্তিক একটি বাংলাদেশ গঠন করা।
হাবিবুর রশিদ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে গড়ে ওঠা বিএনপি একটি ঐক্যের দল, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দল। এই দল বিশ্বাস করে যে, বাংলাদেশ কারো একার নয়। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবে।
তিনি বলেন, আমাদের সুস্পষ্ট নীতি হচ্ছে, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যাই হোক, রাষ্ট্রের কাছে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমান। প্রত্যেক মানুষ স্বাধীনভাবে তার নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। রাষ্ট্রের কাছ থেকে সবাই সমান মর্যাদা ও অধিকার পাবেন, এটাই আমাদের অঙ্গীকার।
সব ধর্মাবলম্বীর নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার জানিয়ে তিনি বলেন, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, বৌদ্ধ বিহারসহ প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা আমাদের সমানভাবে নিশ্চিত করতে হবে। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই যেখানে মানুষের পরিচয়ের কারণে কেউ ছোট হবে না। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না, যেখানে সংখ্যগরিষ্ঠ বা সংখ্যালঘু পরিচয়ে কারো অধিকার নির্ধারিত হবে। আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে সব নাগরিকের পরিচয় একটাই, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের সবার পরিচয় হচ্ছে, আমরা সবাই বাংলাদেশি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ওঠানামা এবং আমদানি ও প্রক্রিয়াকরণের বিভিন্ন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে দেশে ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করা হয়।
তিনি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মহাখালীতে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, সয়াবিন তেল সম্পূর্ণরূপে আমদানিনির্ভর পণ্য। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে এর দামে পরিবর্তন হলে দেশের বাজারেও তা সরাসরি প্রভাব ফেলে। আমদানি করা তেলের দাম নির্ধারণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি নির্দিষ্ট হিসাব পদ্ধতি বা ফর্মুলা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজ ভাড়া, খালাস ব্যয়, বিমা, রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াকরণ খরচ এবং পরিবহনকালীন অপচয় (ওয়েস্টেজ) যুক্ত করে দেশে ভোজ্যতেলের চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করা হয়।
মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক ইনডেক্স অনুসরণ করলেই সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীরা এই হিসাব মিলিয়ে দেখতে পারেন।
এফওবি মূল্য সম্পর্কে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পণ্য জাহাজে তুলে দেওয়া পর্যন্ত বিক্রেতার যে ব্যয় হয়, সেটিই এফওবি মূল্য। এরপরের ব্যয়গুলো আমদানিকারক বা ক্রেতাকে বহন করতে হয়।
তিনি জানান, বুধবার ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ভোজ্যতেলের দাম আরো বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রতি লিটারে ১০ টাকা দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। তবে ভোক্তাদের স্বার্থ ও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার তুলনামূলক কম হারে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, দেশে ভোজ্যতেলের ব্যবসা মূলত বেসরকারি খাতনির্ভর। আমদানিকারকরা দীর্ঘদিন লোকসানে থাকলে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হতে পারে। তাই বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং উদ্যোক্তারা যেন লোকসানের কারণে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য না হন, সে জন্য দাম নির্ধারণে একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসার উপজেলায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কালকিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরের পাশে এবং ডাসার উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আগামী শুক্রবার পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী প্রতিটি ইউনিয়নে আমাদের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলবে। তারেক রহমান একজন পরিবেশবান্ধব প্রধানমন্ত্রী। পরিবেশ রক্ষায় তিনি সব সময় গুরুত্ব দেন এবং বনায়নের কর্মসূচি নিয়েছেন। আমরাও তারেক রহমানের কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাদারীপুর-৩ আসনে ব্যাপকভাবে বনায়ন করব।’
কর্মসূচিতে কালকিনির নবযোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমার দাস, কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল আলম, কালকিনি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক বেপারী ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সীসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, কর্মসূচিতে কালকিনির নবযোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমার দাসকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন। পরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলা চত্বরের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বেশি বেশি গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যিনি কৃষি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্প কারাখানা পরিদর্শন করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি রেশম কারাখানায় উপস্থিত হন।
এই পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। এছাড়াও, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো.
মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী বিভাগীয় টিম লিডার আব্দুল মতিন, রাজশাহী মহানগর জিয়া মঞ্চের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন সরকার, শাহমখদুম থানা বিএনপির সদস্য সচিব নাসিম খান, মতিহার থানা বিএনপির সদস্য সচিব আল মামুন বাবু এবং রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশের অন্যান্য স্থানের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কেন্দ্রীয় আনন্দময়ী কালীবাড়ি মন্দির থেকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে একটি রঙিন শোভাযাত্রা বের হয়।
শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আনন্দময়ী কালীবাড়ি মন্দিরে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি এবং জেলা বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
শোভাযাত্রায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় সাজসজ্জা ও বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। এই সময় পুরো শহরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ