মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)
০৭:৪৫ এম
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর হত্যার দ্রুত তদন্ত, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে মিঠামইন উপজেলা সদরে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়।
উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে দল-মত নির্বিশেষে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ অংশ নেন।
পরে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মো. জসিম উদ্দিন রুবেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কামাল পাশা, নিহতের চাচা আইনজীবী ফরিদ আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি বাহার মিয়া ও নিহতের ছোট ভাই কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির বৈদেশিক ও প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক আলমগীর শিকদারসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
সমাবেশ থেকে হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত শেষ করে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
মিঠামইন থানার ওসি মনোয়ার মোহাম্মদ জানান, গত ১৫ জুলাই রাতে মিঠামইনে নিজ বাসভবনের সামনে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ১৮ জুলাই নিহতের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার বাদী হয়ে মিঠামইন থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়। এ পর্যন্ত এজাহারভুক্ত তিন আসামিসহ মোট ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নে অত্যন্ত আনন্দঘন ও জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ‘ছয়সূতি ইউনিয়ন ফ্রিজ ও টিভি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে ছয়সূতি খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. সিদ্দিক মিয়া (মেম্বার), ছয়সূতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সালাউদ্দিন মুর্শেদ নিজামী বাবুল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহ্ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. আরশ মিয়া, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি এনায়েতউল্লাহ খান এবং ছয়সূতি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. হানিফ মিয়াসহ বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীবৃন্দ। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছয়সূতি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. শাকিল মিয়া।
উদ্বোধনী দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি লড়াইয়ে মাঠে নামে গাজিরচর একাদশ ও ভৈরব মর্নিং এফসি। খেলা শুরু হওয়ার পর থেকেই দুই দলের টানটান উত্তেজনা ও আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে পুরো মাঠজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচকে ঘিরে ছয়সূতি ও এর আশেপাশের এলাকা থেকে আসা ফুটবলপ্রেমী দর্শকদের মধ্যে ছিল উপচে পড়া ভিড় ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, স্থানীয় যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা, তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সুস্থ বিনোদনের সুযোগ তৈরি করা এবং নতুন ফুটবল প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যেই নিয়মিতভাবে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খেলাপি ঋণ আদায়ের কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি আদালতে বিচারাধীন ঋণসংক্রান্ত মামলার সংখ্যা হ্রাসের জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (অল্টারনেটিভ ডিসপিউট রেজল্যুশন-এডিআর) কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬ সালে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তির নীতিমালা জারি করেছে। এডিআরের এই কার্যক্রমে যোগ্য ও সক্ষম প্রতিষ্ঠান যুক্ত হওয়ার ফলে খেলাপি ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে এবং এটি আদালতে বিচারাধীন ঋণসংক্রান্ত মামলার চাপ কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক এ নিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করে জানায় যে, ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) জন্য মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তিকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬’ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, খেলাপি ঋণ আদায় এবং ঋণসংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তিতে এডিআর পদ্ধতি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক পূর্বে বিআরপিডি সার্কুলার নং-১১/২০২৪ এবং বিআরপিডি-২ সার্কুলার লেটার নং-০২/২০২৬ জারি করে এডিআর-এর মাধ্যমে খেলাপি ঋণসংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছিল। তবে দেশের আর্থিক খাতে মধ্যস্থতা ব্যবস্থার বিস্তার ঘটানোর জন্য যোগ্যতা, সক্ষমতা ও উপযুক্ততার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তির জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার প্রয়োজন ছিল। সেই জন্যই নতুন এই নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে।
নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, এডিআর পরিচালনায় আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, পার্টনারশিপ অ্যাক্ট অথবা কোম্পানি আইনের আওতায় নিবন্ধিত হতে হবে। অন্যদিকে, হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন এবং অন্তত তিন বছরের পেশাগত অথবা ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের দেউলিয়া, ঋণখেলাপি বা দুর্নীতির কারণে গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত হওয়া যাবে না।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের অন্তত পাঁচ সদস্যের একটি মধ্যস্থতাকারী প্যানেল থাকতে হবে। এই প্যানেলে অন্তত একজন হিসাববিদ ও একজন আইন বিশেষজ্ঞের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। মধ্যস্থতাকারীদের ব্যাংকিং, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আইন, হিসাবরক্ষণ, নিরীক্ষা অথবা বিচারিক কাজে অন্তত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং তারা ঋণখেলাপি বা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি (পিইপি) হতে পারবেন না।
তালিকাভুক্তির জন্য আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানকে একটি নির্দিষ্ট কার্যালয়, মধ্যস্থতা কক্ষ, ডিজিটাল কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, অনলাইন শুনানির সুবিধা, সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং তথ্য সংরক্ষণের সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে স্বার্থের সংঘাত ব্যবস্থাপনা, গোপনীয়তা রক্ষা, আচরণবিধি এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি নীতিমালা প্রণয়ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আবেদন মূল্যায়নে ১০০ নম্বরের স্কোরিং ম্যাট্রিক্স অনুসরণ করা হবে এবং তালিকাভুক্ত হতে ন্যূনতম ৭০ নম্বর অর্জন করতে হবে। প্রাথমিকভাবে তালিকাভুক্তির মেয়াদ হবে তিন বছর এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ৯০ দিন আগে নবায়নের জন্য আবেদন করতে হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি ক্যালেন্ডার বছরের শেষে দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনে এসব প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন পরিচালনা করতে পারবে এবং গুরুতর অনিয়ম, দুর্নীতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান বা নীতিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তালিকাভুক্তি স্থগিত বা বাতিল করার ক্ষমতা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে প্রতিদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকারি দফতর ও প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) তারিখে গুরুত্ব সহকারে আয়োজন সম্পর্কিত কিছু কর্মসূচি রয়েছে, তা দিনের শুরুতেই জেনে নেওয়া যেতে পারে।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিকেল ৩টায় বুড়িগঙ্গার খোলামোড়া ঘাট থেকে ঐতিহ্যবাহী ‘নৌকা বাইচ’ প্রতিযোগিতার আয়োজন শুরু হবে। প্রতিযোগিতাটি শেষে ওয়াইজ ঘাটে গিয়ে শেষ হবে। এরপর সোয়ারি ঘাটে শতবর্ষী স্টিমার পিএস মাহমুদে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সড়ক পরিবহন, নৌপরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বিকেল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ওসমান জামাল মিলনায়তনে ‘শতবর্ষের সফল ব্যক্তি স্মারক সম্মাননা প্রকাশনা ও সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম উপস্থিত থাকবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামও উপস্থিত থাকবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ কেজি ৩২০ গ্রাম হেরোইন নিয়েও দুজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। একই সঙ্গে একটি মোটরসাইকেল এবং তার চাবিও উদ্ধার করা হয়েছে, যা মাদক পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। আটককৃতদের মধ্যে একজন কিশোর রয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটের সময় সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ছোট মরাপাগলা গ্রামের একটি মেহগনি বাগানের সামনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জেলা পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে।
আটককৃত ব্যক্তিরা হচ্ছেন সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের শুকনাপাড়া এলাকার মো. আশরাফুল ওরফে শুকুদ্দির ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৩) এবং একই এলাকার মো. কবিরুল ইসলাম ওরফে কবিরের ছেলে মো. সিফাত আলী (১৫ বছর ১ মাস ২৫ দিন)।
জেলা পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদকদ্রব্যের ভয়াবহ প্রভাব থেকে যুবসমাজসহ সাধারণ জনগণকে রক্ষা করার লক্ষ্য নিয়ে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে। জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে উপপরিদর্শক (এসআই) ফয়সাল হাসানের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল বুধবার সন্ধ্যায় ছোট মরাপাগলা এলাকায় অভিযান শুরু করে।
অভিযানে সাইফুল ইসলাম ও সিফাত আলীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের হেফাজত থেকে ২ কেজি ৩২০ গ্রাম অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত লাল রঙের হিরো ব্র্যান্ডের এইচএফ-ডিলাক্স একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনার সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুবসমাজসহ সকল স্তরের মানুষের মধ্যে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে, এবং তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ