রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৪ পি.এম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সরকার প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন-২০২৬ এর মাধ্যমে যেন কোনো ধরনের অপব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ডিজিটাল স্পেসে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে সুরক্ষা প্রদান এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে প্রস্তাবিত আইনের মূল লক্ষ্য। আইনটির অপব্যবহার রোধে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, সরকার নাগরিকের বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে সচেতন। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসংগত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গঠনমূলক সমালোচনা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন বা গালিগালাজ এক নয়।
প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন পরিমার্জনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, জ্যেষ্ঠ সম্পাদক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকার সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সুসংহত করতে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় অংশীজনদের ইতিবাচক পরামর্শ গ্রহণ করবে।
আইআরআইয়ের রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, আইআরআইয়ের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার রুকসানা হক এবং তরুণ রাজনীতিবিদ ও আইআরআই প্রশিক্ষণার্থী চামন ফারিয়া ও মোহাম্মদ প্রিন্স উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আইআরআইয়ের চলমান যুব নেতৃত্ব গঠন ও সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
জন ফ্লুহার্টি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন।
এ পরিস্থিতিতে সরকারি ও বিরোধীদলগুলোর জন্য সর্বসম্মত নীতি ও আইনগত সুরক্ষার আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে আইআরআইয়ের রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সাইবার বুলিং, সংগঠিত অপপ্রচার, যুব নেতৃত্ব ও সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চা নিয়ে আলোচনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওমানের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের নিরাপদ চলাচল সংক্রান্ত ইরানের প্রস্তাবিত বৈঠকে অংশগ্রহণ করবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে বাহরাইন। চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তেহরান এই জলপথ বন্ধ রাখায় বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাস রপ্তানিতে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
তবে, প্রণালিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করার জন্য আগামী সোমবার মাসকাটে একটি বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে ইরান।
বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরায় স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত তারা ইরানের সঙ্গে কোনো যৌথ বৈঠকে অংশগ্রহণ করবে না। এছাড়া, তোষণ নীতি গ্রহণ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছে দেশটি।
বাহরাইন দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকতে হবে, এতে কোনো ধরনের বৈষম্য, অতিরিক্ত ফি বা অনুমতি থাকা উচিত নয়।
যুদ্ধের পূর্বে সব দেশের জাহাজের জন্য এই জলপথ মুক্ত ছিল, কিন্তু বর্তমানে তেহরান এর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপাশি ফি চালুর চেষ্টা করছে। তবে, ইরানের বক্তব্য হলো, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তারা এই আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে।
ওমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে প্রণালিটি অবিলম্বে খুলে দেওয়ার মতো কোনো চুক্তি না হলেও, এটি চালুর সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে বলে জানিয়েছে ইরানের গণমাধ্যম।
সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী তাসলিমা ইসলামের নামে সাড়ে ৫৭ কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে।
এছাড়াও, ২০১৫ সালে ৫ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা তিন কোটি টাকার বেশি) পাচার করে আমেরিকায় ওয়েলিংটনে বাড়ি খোঁজার জন্য এমএলএআর পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সম্প্রতি আদালতের আদেশের মাধ্যমে নজরুল দম্পতির ক্রোককৃত সম্পদের মধ্যে রাজধানীর অভিজাত এলাকা বারিধারা, গুলশান, বসুন্ধরা, নিকুঞ্জ, মাতুয়াইল, যাত্রাবাড়ী, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক বাড়ি, প্লট, ফ্ল্যাট ও জমির মতো অঢেল সম্পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, "আদালতের আদেশে নজরুল ইসলাম দম্পতির সম্পদ ক্রোক হয়েছে। দুদক আদালতের আদেশ অনুসরণ করে আইনগত সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।"
দুদক ও আদালত সূত্রে আরও জানা যায়, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের গ্রাহকদের সঞ্চয়ের অর্থ দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে রক্ষিত এফডিআর এবং প্রতিষ্ঠানটির নামে অতিরিক্ত মূল্যে জমি কিনে অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গত বছরের অক্টোবর মাসে তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর এসব সম্পত্তির সন্ধান পায় দুদক।
নজরুল ইসলামের নামে ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুন্সীগঞ্জ, পটুয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় মোট ৩৮ কোটি ৩৯ লাখ ১৩ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এর মধ্যে গুলশান বারিধারায় ৮ কাঠা বা ১৩.২২২ শতাংশ জমিসহ বাড়ি (মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা), উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী, ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নাল জমি ও প্লট, ময়মনসিংহের ভালুকায় (হবিরবাড়ী মৌজায়) ও মুন্সীগঞ্জের টংগীবাড়ীতে বড় আকারের নাল জমি ও পুকুর, পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় (কুয়াকাটা) ৬.১৬ একর নামা জমি এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, বন্দর ও সদর এলাকায় একাধিক আবাসিক প্লট ও জমি রয়েছে।
অন্যদিকে, তার স্ত্রী তাসলিমা ইসলামের নামে ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় মোট ১৯ কোটি ২২ লাখ ৫৪ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে। এর মধ্যে মুন্সীগঞ্জের টংগীবাড়ী উপজেলার পাইকপাড়া ও সলিমাবাদ এলাকায় প্রায় শতাধিক শতাংশ নাল ভূমি, গুলশান আবাসিক এলাকায় একাধিক বাড়ি ও প্রায় ৩ হাজার বর্গফুটের একাধিক ফ্ল্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সবমিলিয়ে স্থাবর সম্পত্তির মোট আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৫৭ কোটি ৬১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। যার বেশিরভাগই বাণিজ্যিক ও আবাসিক প্লট, নাল জমি, বাড়ি এবং ফ্ল্যাট।
দুদকের অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, নজরুল ইসলাম ঢাকা বোট ক্লাব, ঢাকা ক্লাব ও গুলশান ক্লাবসহ ১৪টি অভিজাত ক্লাবের সদস্য। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নজরুল ইসলাম ও তার পুরো পরিবার আমেরিকার নাগরিক। ২০১৫ সালে ৫ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বা তিন কোটি টাকার বেশি টাকা পাচার করে আমেরিকার ওয়েলিংটনে বাড়ি কেনেন। ওই বাড়ির বিষয়ে আমেরিকার তথ্য উদ্ধারে শিগগিরই এমএলএআর পাঠানো হবে দুদক সূত্রে জানা গেছে।
মো. নজরুল ইসলাম ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দুদক এখন পর্যন্ত ৭টি মামলা দায়ের করেছে। যেখানে আত্মসাৎকৃত অর্থের পরিমাণ হাজার কোটি টাকার বেশি বলে জানা গেছে। যার তদন্ত চলমান রয়েছে। আরও ৫ থেকে ৭টি মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত তিনটি গ্রাহক ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের সম্মানিত করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেড, যা উপায় নামে পরিচিত। সম্প্রতি ঢাকায় উপায়-এর প্রধান কার্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে।
এই তিনটি ক্যাম্পেইন হলো ‘অ্যাড মানি উইক ১’, ‘অ্যাড মানি উইক ২’ এবং ‘উইকেন্ড ক্যাম্পেইন (লাভ সামলাও) উইক ৩’। এই ক্যাম্পেইনগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রাহকদের উপায়-এর ডিজিটাল আর্থিক সেবা ব্যবহারে আরও উৎসাহিত করা।
অনুষ্ঠানে তিনটি ক্যাম্পেইনের তিনজন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হয়। বিজয়ীদের মধ্যে দুজন ৫০ হাজার টাকা এবং একজন ১ লাখ টাকা করে ক্যাশ রিওয়ার্ড পুরস্কার লাভ করেন।
উপায়-এর প্রতিনিধিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে তাঁদের অভিনন্দন জানান।
এ ধরনের ক্যাম্পেইনগুলোর মাধ্যমে উপায় গ্রাহকদের ডিজিটাল আর্থিক সেবা ব্যবহারে উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাঁদের জন্য বাড়তি সুবিধা ও পুরস্কারের সুযোগ তৈরি করতে চায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন অংশীজনদের মধ্যে। আলোচনায় ব্যাংকগুলোর মূলধনভিত্তি শক্তিশালী করার পাশাপাশি বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে পুঁজিবাজারের ভূমিকা জোরদারের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও রূপালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে ঢাকার দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে ‘ক্যাপিটাল মার্কেট স্টেকহোল্ডারস মিট-আনলক পসিবিলিটিজ ইন দ্য নেক্সট চ্যাপ্টার অব প্রগ্রেস’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে পুঁজিবাজারের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন, বিনিয়োগকারী এবং বাজারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষ অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনায় দেশের অর্থনীতির পরবর্তী প্রবৃদ্ধির অধ্যায়ে পুঁজিবাজারের ভূমিকা এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) বর্তমান নেতৃত্বের অধীনে নেওয়া সাম্প্রতিক নিয়ন্ত্রক উদ্যোগ ও সংস্কার নিয়ে মতবিনিময় হয়।
অনুষ্ঠানে ইউসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ মন্তব্য করেন, ‘গত দুই বছরে আমরা ব্যাংকের তারল্য, ঋণ ব্যবস্থাপনা ও আদায় কার্যক্রম এবং সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। এর ফলে ব্যাংকটি এখন স্থিতিশীলতা থেকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের চলমান রাইট শেয়ার ইস্যু ব্যাংকের মূলধনভিত্তি আরও সুসংহত করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সক্ষমতা বাড়াবে। এই যাত্রায় শেয়ারহোল্ডার ও পুঁজিবাজারের অংশীজনদের আস্থা ও অংশগ্রহণ ইউসিবির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
রূপালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও রূপালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সাম্প্রতিক টার্নঅ্যারাউন্ড যাত্রা দেশের ব্যাংকিং খাতে একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। শক্তিশালী নেতৃত্ব, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত এবং সুস্পষ্ট কৌশলগত দিকনির্দেশনা এই অগ্রযাত্রার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ইউসিবির এই অগ্রযাত্রায় রূপালী ব্যাংক ও রূপালী ইনভেস্টমেন্ট সহযোগী হিসেবে পাশে থাকবে এবং দেশের অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করে যাবে।’
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসির পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ব্যাংকখাতকে ধ্বংস করা হয়েছে। পরবর্তীতে এ খাত ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। এক্ষেত্রে ইউসিবি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শেয়ার বিনিয়োগকারীদের জন্য ইউসিবি নির্ভরযোগ্য, এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি তা প্রমাণ করেছে।’
আলোচনায় ব্যাংকিং খাতের মূলধনসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জও উঠে আসে। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত দেশের ব্যাংকিং খাতে সম্মিলিত মূলধন ঘাটতির পরিমাণ ছিল প্রায় ২ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। অংশগ্রহণকারীরা ব্যাংকগুলোর মূলধন অবস্থান শক্তিশালী করা, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং অর্থনীতির উৎপাদনশীল খাতে অর্থায়নের সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
গত দুই বছরে ইউসিবির আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নতির বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়। ব্যাংকটির অবস্থান আরও সুসংহত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির রাইটস শেয়ার ইস্যুতে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও রূপালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড যৌথ ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
আয়োজকদের মতে, বিনিয়োগকারী, ইস্যুয়ার, মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় পুঁজিবাজারে আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি আরও গভীর, কার্যকর ও শক্তিশালী বাজার গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ