ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসলামে হিজাব পরা অপরিহার্য নয়: ভারতীয় হাইকোর্ট


ইসলামে হিজাব পরা অপরিহার্য নয়: ভারতীয় হাইকোর্ট

ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্ট মন্তব্য করেছে যে ইসলামে হিজাব পরা অপরিহার্য নয়। এক ছাত্রী স্কুলের নির্ধারিত ইউনিফর্মের সঙ্গে হেডস্কার্ফ বা হিজাব পরার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন। আদালত তার ওই আবেদন খারিজ করে এই মন্তব্য করে।

আদালত জানায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত পোশাকের সঙ্গে ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী অতিরিক্ত কোনো পোশাক বা পোশাকের অংশ যোগ করার অধিকার শিক্ষার্থীর নেই।

এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তর প্রদেশ রাজ্যের প্রয়াগরাজের একটি বেসরকারি স্কুলের ওই ছাত্রী অপ্রাপ্তবয়স্ক। সে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল পরীক্ষা পাস করেছে এবং একই প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে চায়। ছাত্রীটি তার মায়ের মাধ্যমে আদালতে আবেদন করেছে। আবেদনে স্কুল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ করা হয়, যাতে নির্ধারিত স্কুল ইউনিফর্মের সঙ্গে তাকে হেডস্কার্ফ পরার অনুমতি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ‘জমি দখল-চাঁদা তুলতে যাইনি, মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়েছি’ : ইশরাক হোসেন

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, হিজাব পরা ইসলামের একটি অপরিহার্য ধর্মীয় অনুশীলন। একই স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে সে হিজাব পরে আসছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

তবে বিচারপতি জেজে মুনির ও বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ শুক্লার সমন্বয়ে গঠিত দুই সদস্যের বেঞ্চ আবেদনটি খারিজ করে দেয়।

আদালত বলেছে, "আমরা আবেদনকারীকে বিভিন্ন শ্রেণিতে দেখা যায়—এমন ছবিগুলো দেখেছি। আবেদনকারী ছাড়া অন্য কোনও ছাত্রীকে হিজাব পরতে দেখা যায়নি।" এমনকি তার একই ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অন্য ছাত্রীরাও হিজাব পরে না। যেখানেই এই বিষয়টি উঠেছে, সেখানেই হাইকোর্টগুলো একমত হয়েছে যে নারীর হিজাব পরা ইসলামের এমন কোনও অপরিহার্য অংশ নয়, যা না পরলে তার ধর্মীয় বিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

২১ আগস্ট দেওয়া রায়ে এলাহাবাদ হাইকোর্ট বলেছে, রিট আবেদনে হিজাব পরাকে অপরিহার্য ধর্মীয় অনুশীলন হিসেবে যে দাবি করা হয়েছে, তার পক্ষে কোনও সুনির্দিষ্ট ভিত্তি নেই।

আরও পড়ুন: ইশরাক কাণ্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা স্পষ্ট: আখতার হোসেন

আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কোনো স্কুলের ইউনিফর্ম নীতি যদি ন্যায্য, বৈষম্যহীন এবং প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও সমতা বজায় রাখার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শৃঙ্খলা ও পোশাকবিধি কার্যকর করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কোনো অনুদানবিহীন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তার ক্যাম্পাসে নিজস্ব নির্ধারিত ইউনিফর্ম বাধ্যতামূলক করতে পারে। শিক্ষার্থীদের সেই নির্ধারিত ইউনিফর্ম মেনে চলতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে কেউ ইউনিফর্মের সঙ্গে হেডস্কার্ফ যুক্ত করার অনুমতি দাবি করতে পারে না।

আদালত আরও ব্যাখ্যা করেছে, "যদি কোনো স্কুলে সব শিক্ষার্থীর জন্য একই ইউনিফর্ম প্রযোজ্য হয়, তাহলে ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে একজন শিক্ষার্থীকে ইউনিফর্ম পরিবর্তন বা এড়িয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হলে ‘ইউনিফর্ম’-এর মূল ধারণাটিই নষ্ট হয়ে যাবে।" এর ফলে স্কুলের শৃঙ্খলা ও পোশাকবিধি নির্ধারণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে ব্যক্তিগত শিক্ষার্থীর হাতে চলে যাবে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ আদালতকে জানিয়েছে, এটি একটি বেসরকারি ও স্বনির্ভর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সেখানে সব শিক্ষার্থীর জন্য একই পোশাকবিধি রয়েছে। বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায়ের শিশুরা সেখানে পড়াশোনা করে। স্কুলের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, একজন শিক্ষার্থীকে ইউনিফর্মের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও পোশাকের একরূপতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এই মামলায় রাজ্য সরকার এবং সিবিএসইও ওই ছাত্রীর আবেদনের বিরোধিতা করেছে। ফলে এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে মূল অবস্থানটি হলো, সমানভাবে প্রযোজ্য এবং বৈষম্যহীন স্কুল ইউনিফর্ম নীতির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে আলাদা পোশাক যুক্ত করার কোনো স্বতন্ত্র আইনগত অধিকার শিক্ষার্থীর নেই।

আরও পড়ুন: আমি হাসপাতালের প্রতিমন্ত্রী নই: স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার ট্যাটুর রহস্য ফাঁস করলেন ধ্রুব জুরেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ এম


এবার ট্যাটুর রহস্য ফাঁস করলেন ধ্রুব জুরেল

কলম্বো টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে অসাধারণ সেঞ্চুরি করে ভারতের উইকেটকিপার-ব্যাটার ধ্রুব জুরেল বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। তবে, ব্যাট হাতে তার সাফল্যের পাশাপাশি, শতরান উদযাপনের সময় বাঁ হাতের একটি ট্যাটুও ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। ট্যাটুটির মধ্যে লেখা ছিল "জয় জওয়ান, জয় কিষাণ"।

দর্শক ও সমর্থকরা ট্যাটুটির অর্থ এবং এর পেছনের গল্প জানার জন্য অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। খেলার দ্বিতীয় দিনের শেষে, জুরেল নিজেই সেই রহস্যের জট খুলেছেন। তিনি জানান, এই ট্যাটুর মাধ্যমে তিনি নিজের বাবা ও দাদাকে স্মরণ করেছেন এবং নিজের শেকড়ের গল্প তুলে ধরেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জুরেল বলেছেন, তার দাদা ছিলেন কৃষক এবং বাবা সৈনিক। তাই "জয় জওয়ান, জয় কিষাণ" কথাটি তার কাছে শুধুমাত্র একটি স্লোগান নয়, বরং এটি তার পরিবারের ইতিহাস ও শেকড়ের প্রতীক।

জুরেল আরও বলেন, "এটাই আমার গল্প। আমার দাদা ছিলেন কৃষক এবং আমার বাবা ছিলেন সৈনিক। এটাই আমার শেকড়, যেখান থেকে আমি এসেছি। আমি সেগুলো কখনো ভুলে যেতে চাই না। তাই উদযাপনটা ছিল আমার বাবা ও দাদার জন্য।"

ম্যাচের পর, ভারতের এই তরুণ ক্রিকেটার নিজের ব্যাটিং নিয়েও আলোচনা করেছেন। তিনি জানান, শ্রীলঙ্কায় ভারত ‘এ’ দলের হয়ে দুটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা কলম্বো টেস্টে তার কাজে লেগেছে।

জুরেল বলেন, "আমি ভারত ‘এ’ দলের সঙ্গে এখানে সফর করেছিলাম। একটি সেঞ্চুরি ও একটি হাফ সেঞ্চুরি করেছিলাম। তাই কন্ডিশন সম্পর্কে আমার ধারণা ছিল। ব্যাটিংয়ের সময় আমি শুধু জুটি গড়ার চেষ্টা করছিলাম। কোচ ও অধিনায়ক সবসময় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে বলেন। পরিস্থিতি যেভাবে দাবি করে, সেভাবেই ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে হয়।"

এই ইনিংসে, জুরেল তার দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন। ১১৫ রানে অপরাজিত থেকে তিনি দলের বড় সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ভারত প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ৫০৩ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে।

এরপর দিনের শেষ ভাগে বল হাতে ভারত দারুণ শুরু করে। মাত্র তিন ওভারের মধ্যেই শ্রীলঙ্কার দুই উইকেট তুলে নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষে সফরকারীরা ম্যাচে শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

সেঞ্চুরি ও উদযাপনে শেকড়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে, কলম্বো টেস্টে ধ্রুব জুরেলের দিনটি বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনে রায় পিছিয়ে ৩১ আগস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনে রায় পিছিয়ে ৩১ আগস্ট

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ের তারিখ আগামী ৩১ আগস্ট সোমবার ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ প্রদান করেন।

আদালতে আসামিপক্ষে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।

গত সোমবার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল। তবে সকালে কোর্ট শুরু হওয়ার পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক সময় আবেদন করলে আদালত রায়ের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শাফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শিশু আছিয়ার নির্মম ঘটনাটি ঘটে মাগুরা সদর উপজেলায়। গত বছরের ৫ মার্চ রাতে রমজানের ছুটিতে শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। হিটু শেখ, যিনি শিশুটির বোনের শ্বশুর, মেয়েটিকে শুধু ধর্ষণই করেননি, হত্যার চেষ্টা চালানও।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু হয় আট বছর বয়সী শিশুটির। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করে।

২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল আলোচিত এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৯ জন সাক্ষ্য দেন।

গত বছরের ৭ মে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে শেষ হয় আলোচিত এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম। এক বছর আগে ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে একই বছরের ১৭ মে রায় ঘোষণা করা হয়।

শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

রায়ে বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীব শেখের ছোট ভাই (১৭) এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম (৪০)।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে প্রেরণ করতে হয়। সে অনুসারে এ মামলার নথিও গত বছরের ২১ মে উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিদ্ধিরগঞ্জে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪২ এম


সিদ্ধিরগঞ্জে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সজীব (৩০) নামে এক যুবককে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত সজীব সিদ্ধিরগঞ্জ থানার নয়াপাড়া এলাকার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার পুত্র।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে সজীব গোদনাইল ধনকুন্ডা ক্যানেলপাড়ের জাহিদ নামে এক ব্যক্তির চায়ের দোকানে গিয়েছিলেন। সেই সময় অজ্ঞাত ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি তাকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে এবং পরে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার পর সজীবের পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

‎ঘটনার খবর পাওয়ার পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক বলেন, "ঘটনার পরপরই আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পূর্ব শত্রুতার কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্তে কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ এম


হবিগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্তে কমিটি

হবিগঞ্জ শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার কারণে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিটের আহ্বায়ক ও দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার পত্রিকার সম্পাদক গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে।

গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতালের সামনে রাজনৈতিক, মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্বজনদের সঙ্গে প্রশাসনের লোকজন জমায়েত হতে শুরু করেন। ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে এমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার ফলে সবার মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এদিকে, গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুর কারণ জানতে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাসের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক।

জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থতার কারণে তিনি হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বিকেলে তার অবস্থার অবনতি হলে তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান। সেখানে অপচিকিৎসার শিকার হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

খবর পেয়ে হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও হুইপ জি কে গউছ, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ, সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস এবং পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ হাসপাতালে উপস্থিত হন এবং সেখানে গিয়ে স্বজনদের সান্ত্বনা প্রদান করেন।

মঙ্গলবার বীরমুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের জানাজা হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় শাহী ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও হুইপ জি কে গউছ মন্তব্য করেন, চিকিৎসায় কোনো অবহেলা বা ভুল হয়েছে কিনা তা জানার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%