বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫৪ পি.এম
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এই প্রার্থীকে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে বিজয়ী ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আসনটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রগুলোতে গণনা শুরু হয়। পরে বেসরকারি ফল ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ২১ প্লাটুন বিজিবি, ২ হাজার ২৭২ জন পুলিশ সদস্য এবং ২ হাজার ৪০৫ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি, বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করেন।
নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য চারজন বিদেশিসহ মোট ১৭৭ জন দেশি ও স্থানীয় পর্যবেক্ষকের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁরা হলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী (বটগাছ) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।
আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৬৮ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে ন্যাশনাল সায়েন্স কার্নিভালের উদ্বোধনী আয়োজন বিপুল উৎসাহ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই কার্নিভাল বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে শুরু হয়।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অতিরিক্ত মহাপরিচালক এবং কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমতাজুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তাজুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, “বিজ্ঞান উৎসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণামনস্কতা ও গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে এটি তাদের সামাজিক সচেতনতা, সৃজনশীলতা ও উপস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ায়। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার সুযোগ পায় এবং নিজেদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি নতুন কিছু উদ্ভাবনে উৎসাহিত হয়।”
কলেজের অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “তোমাদের মতো বিজ্ঞানমনস্ক ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আজকের আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। আমি আশাবাদী, তোমরাই একদিন আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তোমাদের মতো ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের হাত ধরেই জ্ঞান-বিজ্ঞানে দেশ প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রার অন্যতম চালিকাশক্তি আমাদের নতুন প্রজন্ম। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ছড়িয়ে দেওয়া, সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ ঘটানো এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে উৎসাহ জোগানোই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।”
এ বছর বিজ্ঞান উৎসবে দেশের স্বনামধন্য ১৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে প্রায় ৩০০টি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প প্রদর্শিত হচ্ছে।
উৎসবে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, দেয়ালপত্রিকা, প্রকল্প উপস্থাপন, উপস্থিত বক্তৃতা, অ্যানালিটিক্যাল কুইজ, গল্পলিখন ও কম্পিউটার গেমিংসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়া জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের উদ্যোগে একটি ফোর-ডি মুভি বাস ও একটি মিউজিয়াম বাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি হাতে-কলমে শেখার সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলের প্রধান ও রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে এই সাক্ষাৎটি বিরোধীদলীয় নেতার বসুন্ধরা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের ফার্স্ট কাউন্সেলর ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা কামিলা পার্টিকা।
জামায়াতের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। বৈঠকের সময় তারা বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনা চলাকালীন জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের ভূমিকা এবং সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়।
জামায়াতের আমিরের সঙ্গে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এস্তোনিয়া রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্তবর্তী উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইদা-ভিরুমা এলাকায় প্রায় ১৫০টি বাংকার নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্টিন হেরেম জানিয়েছেন, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার এবং সামরিক প্রস্তুতি বাড়ানোর অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বুধবার তিনি এ পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন। খবর আনাদোলুর।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ইআরআর-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তাবিত বাংকারগুলোর মধ্যে প্রায় ১০০টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জমিতে নির্মাণ করা হবে। বাকি ৫০টি নির্মিত হবে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অথবা পৌরসভার জমিতে।
তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বাংকারগুলোর নকশা, নির্মাণের সময়সীমা কিংবা সেগুলো কী কাজে ব্যবহৃত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেননি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাল্টিক অঞ্চলের দেশগুলো তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করছে এবং বেসামরিক জনগণের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে। ন্যাটোর কর্মকর্তারা এ অঞ্চলে রাশিয়ার ড্রোন অনুপ্রবেশ, আকাশসীমা লঙ্ঘন, নাশকতা ও অন্যান্য কথিত হাইব্রিড হুমকি নিয়ে সতর্ক করেছেন। ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশও তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর ন্যাটো জোট পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে তাদের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি দ্রুত সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনাও প্রস্তুত করেছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, চলতি মাসের শুরুতে এস্তোনিয়ার সামরিক বাহিনী রাশিয়া সীমান্তের কাছাকাছি স্থায়ীভাবে একটি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ব্রিগেড স্থানান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। প্রথম ব্রিগেডটিকে সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে সম্প্রসারিত একটি নতুন সামরিক ঘাঁটিতে নেওয়া হবে। সম্ভাব্য রুশ হামলার দ্রুত ও কার্যকর জবাব দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোই এ পদক্ষেপের লক্ষ্য।
এমএমআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গুরুদাসপুরে ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম হত্যার ঘটনা নিয়ে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, “শাকিল হত্যার বিচার হতেই হবে এই বাংলার মাটিতে। কাউকে মেরে ফেলার অধিকার কারও নেই। অপরাধী যে-ই হোক, তার সাজা হতে হবে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা যেন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত না হয়, সে চেষ্টা থাকবে আমাদের।”
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “হত্যার ঘটনায় কোনো ভাঙচুর করা যাবে না। আমি শাকিলকে ঢাকায় হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম। আজ কবর জিয়ারতের সময় ওর মুখটিই বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল।”
বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে গুরুদাসপুরে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলামের কবর জিয়ারত করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় নাটোর জেলা বিএনপি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কবর জিয়ারত শেষে নিহত শাকিলের বাড়িতে যান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় তার সাথে নাটোর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান চৌধুরী ও মিজানুল হক ডিউক, জেলা বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রঞ্জু, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান রাকিব, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, নাটোর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কামরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইসলাম সৃজনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে শাকিল হত্যা মামলায় নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্যের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুর জড়িত থাকার অভিযোগে গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামের মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছে। ইতোমধ্যে মামলাটি থানা থেকে গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রধান সন্দেহভাজন মিন্টুকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দায়িত্বে অবহেলার কারণে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।
শাকিলের স্বজনদের অভিযোগ, হামলার পর ১২ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ শুরুতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। এমনকি এপ্রিল মাসে জীবননাশের আশঙ্কায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) নথিও থানা থেকে গায়েব হয়ে গেছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শাকিলের মা-বাবা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনো উত্তপ্ত রয়েছে এলাকা।
নিহত শাকিলের বাবা রবিউল বলেন, আমি আমার ছেলে হত্যার উপযুক্ত বিচার চাই। কিন্তু পুলিশ আমার দেওয়া আসামিদের মূল নাম বাদ দিয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে মামলা নিয়েছে। এ কারণে আমরা ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে চরম শঙ্কায় আছি।
কবর জিয়ারতের আগে ও পরে শাকিল হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় “শাকিল কবরে, খুনি কেন বাইরে?”, “প্রশাসন নীরব কেন? জবাব চাই, দিতে হবে”—ইত্যাদি স্লোগানে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
উল্লেখ, গত ১৪ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে চাঁচকৈড় বাজার থেকে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে শাকিলের ওপর হামলা চালায় হেলমেট পরা একদল দুর্বৃত্ত। তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ