প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এস্তোনিয়া রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্তবর্তী উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইদা-ভিরুমা এলাকায় প্রায় ১৫০টি বাংকার নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্টিন হেরেম জানিয়েছেন, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার এবং সামরিক প্রস্তুতি বাড়ানোর অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বুধবার তিনি এ পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন। খবর আনাদোলুর।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ইআরআর-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তাবিত বাংকারগুলোর মধ্যে প্রায় ১০০টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জমিতে নির্মাণ করা হবে। বাকি ৫০টি নির্মিত হবে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অথবা পৌরসভার জমিতে।
তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বাংকারগুলোর নকশা, নির্মাণের সময়সীমা কিংবা সেগুলো কী কাজে ব্যবহৃত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেননি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাল্টিক অঞ্চলের দেশগুলো তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করছে এবং বেসামরিক জনগণের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে। ন্যাটোর কর্মকর্তারা এ অঞ্চলে রাশিয়ার ড্রোন অনুপ্রবেশ, আকাশসীমা লঙ্ঘন, নাশকতা ও অন্যান্য কথিত হাইব্রিড হুমকি নিয়ে সতর্ক করেছেন। ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশও তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর ন্যাটো জোট পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে তাদের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি দ্রুত সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনাও প্রস্তুত করেছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, চলতি মাসের শুরুতে এস্তোনিয়ার সামরিক বাহিনী রাশিয়া সীমান্তের কাছাকাছি স্থায়ীভাবে একটি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ব্রিগেড স্থানান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। প্রথম ব্রিগেডটিকে সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে সম্প্রসারিত একটি নতুন সামরিক ঘাঁটিতে নেওয়া হবে। সম্ভাব্য রুশ হামলার দ্রুত ও কার্যকর জবাব দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোই এ পদক্ষেপের লক্ষ্য।
এমএমআর
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন