০৩:১৪ পি.এম
প্রযুক্তি গোটা দুনিয়াকে বদলে দিয়েছে। তবে প্রযুক্তির সহজলভ্যতা তরুণ প্রজন্মকে বিপথে পরিচালিতও করছে।
ভারতের উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে প্রযুক্তির নেতিবাচক ব্যবহারের একটি নির্মম উদাহরণ তৈরি হয়েছে। মাত্র ১২ বছর বয়সী এক কিশোর মোবাইলে পর্নো ছবি দেখে। এরপর এক ৯ মাস বয়সী শিশুকে অপহরণ করে এবং ধর্ষণ করে।
এই ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতের।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োগ বৃদ্ধি
ভুক্তভোগী শিশুটি মায়ের পাশেই শুয়ে ছিল। মায়ের ঘুমের সুযোগ নেয়ার পর ১২ বছর বয়সী কিশোরটি তাকে তুলে নিয়ে যায়। অভিযুক্ত কিশোর ভুক্তভোগীর পরিবারের আত্মীয়। তিন দিন আগে সে চন্ডিগড় থেকে গোরখপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছে।
শুক্রবার রাতে প্রথমে সে মদ পান করে এবং পরে মোবাইলে পর্নো ছবি দেখে। এরপর সে শিশুটিকে তুলে নিয়ে যায় এবং পাশের একটি টিনশেড ভবনে গিয়ে ধর্ষণ করে।
শিশুটিকে না পেয়ে পরিবারের সবাই শুক্রবার রাত থেকেই তাকে খুঁজতে শুরু করেন। শনিবার সকালে বাড়ি থেকে ৫০০ মিটার দূরে একটি টিনশেড ভবনে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
শিশুটি তখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। দ্রুত তাকে স্থানীয় কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়া হয়। কিন্তু তার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় তাকে বিআরডি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিক পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানান।
আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে ট্রেনে কাটা পড়ে দুইজনের মৃত্যু
শিশুটির বাবা-মা, দাদা-দাদি এবং অন্যান্য স্বজনদের সাথে কথা বলার পর রবিবার পুলিশ সন্দেহভাজন ১২ বছর বয়সী কিশোরকে আটক করে। প্রথম দিকে সে অপরাধ স্বীকার না করে উল্টো বিভ্রান্তকর তথ্য দেয়। কিন্তু পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে অপরাধের কথা স্বীকার করে। পুলিশ তার মোবাইল ফোন থেকে অন্তত ৫০টি পর্নোগ্রাফিক কন্টেন্ট এবং ১০০টি পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইট সার্চের ইতিহাস খুঁজে পায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন