০৩:১৫ পি.এম
দেশের অর্থ লোপাটের সঙ্গে জড়িত আলোচিত প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের সহযোগী এবং সুখাদা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অভিজিৎ অধিকারী তীর্থকে দুর্নীতির মামলায় পৃথক দুই ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় প্রদান করেন।
সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় অভিজিৎ অধিকারীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তদুপরি, জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এর সঙ্গে এক কোটি ৩৫ লাখ পাঁচ হাজার ২৮৪ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে, যা অনাদায়ে আরো ৩০ দিনের কারাদণ্ডের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আদালত রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে অর্জিত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশও দিয়েছেন।
এখন, দুটো ধারার সাজা একত্রে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী, সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব দে। তিনি জানান, আসামি মামলা শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
আরও পড়ুন: সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশ চুরি করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড
২০২৩ সালের ৬ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মানসী বিশ্বাস বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। তার বিরুদ্ধে এক কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ ভোগ দখলের অভিযোগ তোলা হয়। অপরাধ হিসেবে নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে এক কোটি ৩৫ লাখ পাঁচ হাজার ২৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।
বিচার চলাকালে আদালত পাঁচজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। যেহেতু আসামি পলাতক থাকায় তিনি আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেননি। মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত থেকে আজ সাজার রায় প্রদান করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানাতে অস্বীকৃতি: ট্রাম্পের বিপরীত অবস্থানে জেডি ভ্যান্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন