ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্পিকারের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ


স্পিকারের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

এই সাক্ষাৎটি আজ স্পিকার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেন, চীন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসাবে দেশের উন্নয়নে সর্বদা সহায়তা প্রদান করে আসছে।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের উন্নয়নে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

স্পিকার আরও বলেন, বিগত সরকারের ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের ফলে বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, অর্থ পাচার, গুম ও খুনের রাজনীতি দেশের জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে পুনরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

স্পিকার বলেন, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছে। তিনি এসময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

তিনি জানান, চীন বাংলাদেশের উন্নয়নের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। চীনের মেগাপ্রকল্পের পাশাপাশি বর্তমানে দেশে আরও মাঝারি ও ছোট প্রকল্পের বিনিয়োগ বিদ্যমান রয়েছে।

চীনা রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, চীন সরকার বাংলাদেশকে এই অঞ্চলে পণ্য উৎপাদন ভিত্তিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহী। আইসিটিসহ বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

সাক্ষাৎকালে তারা উভয়েই দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন করিডোর স্থাপন, চলমান রোহিঙ্গা সংকট ও জ্বালানি ইস্যু নিয়ে মত বিনিময় করেন।

আরও পড়ুন: ক্যাবের সিলিন্ডার গ্যাসের দাম না বাড়ানোর দাবি, বিইআরসির গণশুনানি বৃহস্পতিবার

স্পিকার জানান, বাংলাদেশ সবসময় ‘ওয়ান চায়না পলিসি’কে সমর্থন করে এবং ভবিষ্যতেও এই সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি ভোলাসহ বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস উৎপাদনে চীনের বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানান এবং ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীকে সমর্থনে চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।

বৈঠকে চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘের ওপর মানুষের আস্থা হারিয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


জাতিসংঘের ওপর মানুষের আস্থা হারিয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি

বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতার কারণে জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা ও মানুষের আস্থা হারিয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি দাবি করেছেন, সংস্থাটির প্রতি আস্থা এখন অনেক ক্ষেত্রেই পুরোপুরি ক্ষয় হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে তিনি এসব কথা বলেন।

আরাগচি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ এবং এর পরবর্তী ঘটনাবলীর মধ্যে তাঁর এবারের নিউইয়র্ক সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, বাস্তবে এখনো যুদ্ধাবস্থা বিদ্যমান রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জাতিসংঘের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চকে ব্যবহার করে ইরানি জনগণের বৈধতা, অধিকার ও স্বার্থের পক্ষে অবস্থান তুলে ধরা তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।

আরাগচির মতে, এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য ‘আস্থা পুনরুদ্ধার’ হওয়া জাতিসংঘের ওপর আস্থার সংকট সৃষ্টি হওয়ার প্রমাণ। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা কার্যকরভাবে বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে সংস্থাটির বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দেশ নিজেদের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবতার সম্মিলিত বিবেকের ঊর্ধ্বে মনে করে এবং নিজেদের ও মিত্রদের জন্য দায়মুক্তি দাবি করে।

আরাগচি আরও জানান, এর ফলে ইসরাইলকে ইচ্ছামতো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মানবাধিকার ও মানবিক আইনের রক্ষক হিসেবে নিজেদের তুলে ধরা পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো এসব ঘটনায় নীরব রয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘আস্থা পুনরুদ্ধার, পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা: সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ’। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমানও অধিবেশনের শুরুতে সংস্থাটির প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা, প্রেস টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদাবাজি মামলায় নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


চাঁদাবাজি মামলায় নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় পদ্মা অয়েল পিএলসির গোদনাইল ডিপোর কর্মীদের কাছে এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ ফয়সালকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তার করেছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাছিনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চাঁদাবাজির মামলায় মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিস্তারিত জানানো হবে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, পদ্মা অয়েল পিএলসির গোদনাইল ডিপোর জেট-এ-১ পয়েন্টে চেকার হিসেবে কর্মরত মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে গত ১ জুলাই সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলেন ফয়সাল। এ সময় অভিযোগ করা হয়েছে যে, জেট-এ-১ পয়েন্টে কর্মরত কর্মচারীদের কাছে এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফয়সাল ভয়ভীতি প্রদর্শন ও খুন-জখমের হুমকি দেন। মামলায় উল্লেখ রয়েছে যে, বিভিন্ন ফোন নম্বর থেকে ফোন করেও একইভাবে চাঁদা দাবি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ আগস্ট সকাল আনুমানিক সোয়া ১১টার দিকে ফয়সাল অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনকে সঙ্গে নিয়ে গোদনাইল ডিপোর জেট-এ-১ পয়েন্টে জোরপূর্বক প্রবেশ করেন। সেখানে কর্মীদের কাছে পুনরায় এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

কর্মীরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। একই সাথে চাঁদার টাকা না দিলে ডিপোতে চাকরি করতে দেওয়া হবে না এবং থানায় অভিযোগ বা মামলা করলে তাদের হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপুরে ফিশারিতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ, লাখ টাকার মাছ নিধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


দুর্গাপুরে ফিশারিতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ, লাখ টাকার মাছ নিধন

 

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পূর্ববিরোধের জেরে একটি মাছের খামারে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় এক লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে দুই প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষি মো. মিয়া হোসেন থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দুর্গাপুর থানায় অভিযোগটি করেন মিয়া হোসেন (৫০)। তিনি উপজেলার ২ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নের মেনকীফান্দা গ্রামের ইছব আলীর ছেলে।

অভিযোগে মিয়া হোসেন উল্লেখ করেন, একই গ্রামের মৃত আছমত আলীর ছেলে মো. সাইদুল ইসলাম (৫০) ও তাঁর স্ত্রী মোছা. অজুফা খাতুনের (৪৫) সঙ্গে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর জেরে সোমবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে তাঁরা তাঁর বাড়ির উত্তর পাশে থাকা মাছের খামারে কীটনাশক বা বিষ প্রয়োগ করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মিয়া হোসেনের ভাষ্য, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লোকমারফত খবর পেয়ে তিনি স্থানীয় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে খামারে গিয়ে দেখেন, পানিতে অসংখ্য মাছ মরে ভেসে আছে। এতে তাঁর খামারে থাকা দেশীয় প্রজাতির প্রায় এক লাখ টাকা মূল্যের মাছ মারা গেছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ ঘটনায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দাবি করে মিয়া হোসেন ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি তদন্ত করবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, মাছের খামারে বিষ প্রয়োগের মতো ঘটনা মৎস্যচাষিদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। তাই দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শান্তিরক্ষী প্রত্যাহার হলে লেবাননে আন্তর্জাতিক বাহিনী প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


শান্তিরক্ষী প্রত্যাহার হলে লেবাননে আন্তর্জাতিক বাহিনী প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম

ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম সোমবার জাতিসংঘের প্রধান আন্তোনিও গুতেরেসকে জানিয়েছেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে জাতিসংঘ অনুমোদিত একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী প্রয়োজন, যখন বর্তমান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের মেয়াদ শেষ হবে।

বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে, লেবাননে বর্তমানে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনী (ইউনিফিল) ৪৬টি দেশের প্রায় ৭ হাজার ৫০০ শান্তিরক্ষী নিয়ে গঠিত।

১৯৭৮ সাল থেকে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে একটি বাফার বা মধ্যবর্তী শক্তি হিসেবে কাজ করে আসছে এই বাহিনী। কিন্তু মার্কিন চাপের কারণে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গত বছর এই বাহিনীর মেয়াদ চলতি বছরের শেষে বন্ধ করার পক্ষে ভোট দিয়েছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠকের পর, লেবাননের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সালাম ইউনিফিলের পরবর্তী পর্যায়ে দেশের দক্ষিণে জাতিসংঘের ছত্রছায়ায় একটি আন্তর্জাতিক উপস্থিতি বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

নওয়াফ সালাম উল্লেখ করেছেন, এটি এমনভাবে হওয়া উচিত যা পর্যবেক্ষণ, প্রতিবেদন তৈরি ও লিয়াজোঁর কাজগুলো অব্যাহত রাখতে সক্ষম হবে, স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে এবং লেবানন রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব সম্প্রসারণের প্রক্রিয়াকে সহায়তা করবে।

ইউনিফিলের আসন্ন বিদায় এমন একটি সময়ে ঘটছে, যখন ইসরাইল সীমান্ত বরাবর দক্ষিণ লেবাননের অভ্যন্তরে প্রায় ১০ কিলোমিটার (ছয় মাইল) গভীর একটি স্ব-ঘোষিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ তাদের সেনা মোতায়েন রেখেছে।

হিজবুল্লাহ তাদের পৃষ্ঠপোষক ইরানের সমর্থনে ইসরাইলে হামলা চালিয়ে গত মার্চ মাসে লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে। এরপর ইসরাইল সেখানে ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল আক্রমণ শুরু করে।

গত সপ্তাহে, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এএফপি-কে বলেছিলেন, শান্তিরক্ষী বাহিনী চলে যাওয়ার পর নিরাপত্তা শূন্যতা রোধ করতে লেবানন একটি নতুন ইউরোপীয় বা অন্য কোনো বাহিনী চায়। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ‘সবচেয়ে ভালো ও সর্বোত্তম বিকল্প হলো ইউনিফিলের মেয়াদ বাড়ানো।’

ইউনিফিলের স্থলাভিষিক্ত করার জন্য একটি নতুন বাহিনী গঠনের বিষয়টি গত সপ্তাহে প্যারিসে জোসেফ আউন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ও জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহর মধ্যে বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে ছিল।

এদিকে, ফ্রান্স ও ইতালি জানিয়েছে যে তারা ইউনিফিলের বিদায়ের পর একটি বহুজাতিক জোট গঠন করতে চায়।

জুন মাসের একটি প্রতিবেদনে গুতেরেসও উল্লেখ করেছেন, ইউনিফিলের মিশন শেষ হওয়ার পরেও সেখানে শান্তিরক্ষীদের প্রয়োজন হবে।

সালাম গুতেরেসকে আরও জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সংঘাত শুরু হওয়ার পর লেবাননে এখনও প্রায় ৩ লাখ ২৯ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে।

তিনি এই মানবিক সংকটে সহায়তার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%