বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:২৭ এম
ঢাকা টেস্টের প্রথম দিন শেষে সাদমান হোসেন ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার, দিনের দ্বিতীয় বলে জশুয়া বিশপের বল থেকে ২ রান নিয়ে তিনি সেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।
সাদমানের জন্য এটি ৩১ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরি। তার পূর্ববর্তী দুই সেঞ্চুরি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এসেছিল। এবার তিনি ভিন্ন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তিন অঙ্ক ছুঁলেন।
সাদমান ২২০ বলের মোকাবেলায় সেঞ্চুরি অর্জন করেছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতে সাদমানের পারফরম্যান্স ভালো যাচ্ছিল না। ১৭ ইনিংস পর তিনি সেঞ্চুরির দেখা পেলেন। সর্বশেষ ২০২৫ সালের এপ্রিলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রকৃতির সবুজ ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার প্রত্যয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এক দিনে এক লাখ গাছের চারা রোপণের কর্মসূচি সম্পন্ন করেছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে।
‘এক দিনে লক্ষ বৃক্ষ, সবুজ পরিবেশ আমাদের লক্ষ্য’ স্লোগানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সেনাবাহিনী, বন বিভাগ, স্বেচ্ছাসেবী এবং স্থানীয় মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেছেন।
নগরীর জামেয়াতুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট ডিসি পার্কে শেষ চারা—একটি নারিকেলগাছ—রোপণের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
ডিসি পার্কে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, "পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। প্রয়োজনে গাছ কাটতে হলেও তার চেয়ে বেশি গাছ লাগাতে হবে।" জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে তিনি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উল্লেখ করে দেশের অন্যান্য জেলা প্রশাসকদেরও এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানান। তাঁর মতে, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব কেবল সরকারের একা নয়, বরং ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়েও সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে বৃক্ষরোপণকে শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, মানুষ জীবনের নানা ক্ষেত্রে ব্যাংক হিসাব, বাড়ি ও জমিজমার হিসাব রাখলেও জীবনে কয়টি গাছ লাগিয়েছেন, সেটির হিসাব সচরাচর রাখেন না। অথচ গাছ প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্য এবং মানুষের জীবনধারণের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তাই প্রত্যেকেরই নিয়মিত গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তোলা এবং লাগানো প্রতিটি চারার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া প্রয়োজন। সমাপনী অনুষ্ঠানে সরকারি দপ্তরগুলোর দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহির বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, "সরকারি কোনো অর্থ ব্যয় না করে সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে এক দিনে এক লাখ গাছের চারা রোপণের এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।" তিনি সহকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিবর্গের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া এ বিশাল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন সম্ভব হতো না বলেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জাতীয় পর্যায়ে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্যের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে দেড় কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা জেলা প্রশাসন জানিয়েছে। রোপণ করা চারার সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট কমিটি গঠন, বেড়া দেওয়া এবং উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, গ্রাম পুলিশ ও বন বিভাগের সহযোগিতায় নিয়মিত তদারকির পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া নষ্ট বা দুর্বল চারাগুলোর পরিবর্তে নতুন চারা লাগানোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ডা. মো. জিয়া উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরিফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বিসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার ফুটবল লিগ এনএফএলের যেসব খেলোয়াড় ২০০৮ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশের মস্তিষ্কে দীর্ঘমেয়াদি আঘাতজনিত রোগের লক্ষণ দেখা গেছে। এই তথ্য নতুন একটি গবেষণায় উঠে এসেছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত গবেষণাটি এ রোগের উপস্থিতি নিয়ে এখন পর্যন্ত পাওয়া সর্বোচ্চ আনুমানিক হিসাব তুলে ধরেছে।
দীর্ঘমেয়াদি আঘাতজনিত মস্তিষ্কের রোগটি ‘সিটিই’ নামে পরিচিত। মাথায় বারবার আঘাত লাগার ফলে মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটতে পারে, যা স্মৃতিশক্তি হ্রাস, বিষণ্নতা ও আচরণগত সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত।
গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের আলঝেইমার রোগ ও সিটিই গবেষণাকেন্দ্রের গবেষকেরা। তারা ৩৯৬টি দান করা মস্তিষ্কের তথ্য এবং মারা যাওয়া ১ হাজার ৯৬৬ জন সাবেক এনএফএল খেলোয়াড়ের তথ্য বিশ্লেষণ করেন।
দান করা মস্তিষ্কগুলোর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশে সিটিইর লক্ষণ পাওয়া গেছে। তবে গবেষকেরা উল্লেখ করেছেন, যাদের স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাভাবনায় অবনতির লক্ষণ ছিল, তাদের পরিবারের মস্তিষ্ক দান করার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। এই পক্ষপাত বিবেচনায় নিয়ে তারা হিসাব করেছেন, মৃত সাবেক খেলোয়াড়দের প্রায় ৭৫ শতাংশের মস্তিষ্কে রোগটির লক্ষণ থাকতে পারে।
গবেষকেরা আরও জানিয়েছেন, মস্তিষ্কে সিটিইর লক্ষণ থাকা মানে প্রত্যেকের স্মৃতিশক্তি কমবে বা স্মৃতিভ্রম হবে, এমন নয়। গবেষণায় সাবেক খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রায় ২৭ শতাংশের স্মৃতিভ্রংশের সম্ভাব্য হিসাব পাওয়া গেছে।
বারবার মাথায় আঘাত লাগলে মস্তিষ্কে টাউ নামের এক ধরনের প্রোটিন জমা হতে পারে। সময়ের সঙ্গে এ ধরনের ক্ষতি বাড়তে পারে, গবেষকেরা এ কথা জানিয়েছেন। তবে জীবিত অবস্থায় বর্তমানে সিটিই নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি নেই; মস্তিষ্কের ময়নাতদন্তের মাধ্যমেই রোগটি নিশ্চিত করা সম্ভব।
সূত্র: এনবিসি নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। বুধবার অনুষ্ঠিত এই ফোনালাপে তারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তুরস্কের যোগাযোগ অধিদপ্তর এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফোনালাপে এরদোয়ান ট্রাম্পকে জানান যে, হরমুজ প্রণালি ও ইয়েমেনের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আঙ্কারা হরমুজ প্রণালি এবং ইয়েমেনের চলমান পরিস্থিতি নিরসনে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজছে।
এ সময়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করার এবং সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য তুরস্কের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এরদোয়ান।
ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরু এবং যুদ্ধের অবসান ঘটানোর প্রচেষ্টায় তুরস্ক সহায়তা করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফোনালাপে তুরস্কের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে এরদোয়ান ও তুর্কি জনগণকে অভিনন্দন জানান ট্রাম্প। এছাড়া, অর্গানাইজেশন অব তুর্কিক স্টেটসের শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য তুরস্কের সাফল্য কামনা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: আনাদোলু
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। এই ঝড়ের নাম নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, যেখানে প্রশ্ন উঠেছে ঘূর্ণিঝড়ের নাম কে রাখে, কীভাবে এই নাম নির্বাচন করা হয় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের নামকরণের প্রয়োজনীয়তা কী?
ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ কোনো ব্যক্তি বা একটি দেশের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। বরং, এটি বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) এবং সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে করা হয়।
নাম প্রস্তাব করে ১৩টি দেশ
বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে। এই অঞ্চলে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করে। অন্যান্য দেশগুলো হলো ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।
প্রতিটি দেশ আগে থেকেই নির্দিষ্ট কিছু নাম জমা দেয়। পরে, নির্ধারিত ক্রম অনুযায়ী সেই তালিকা থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নাম ব্যবহার করা হয়। যখন উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কোনো ঘূর্ণিঝড় নামকরণের উপযুক্ত পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন ভারতের আবহাওয়া বিভাগের আঞ্চলিক বিশেষায়িত আবহাওয়া কেন্দ্র (আরএসএমসি) সেই নাম নির্ধারণ করে।
বাংলাদেশও এই তালিকার জন্য নাম প্রস্তাব করে। তবে, কোনো দেশ নাম প্রস্তাব করলেই ঘূর্ণিঝড়টি সেই দেশেই আঘাত হানবে, এমন নয়। ঝড়ের নামকরণের সঙ্গে এর সম্ভাব্য গতিপথের কোনো সম্পর্ক নেই।
কেন ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয়?
ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ঝড়কে সহজে শনাক্ত করা এবং এর বিষয়ে সতর্কবার্তা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শুধুমাত্র অবস্থানাঙ্ক বা কারিগরি পরিচয় দিয়ে ঝড়ের বিষয়ে তথ্য জানানো হলে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা মনে রাখা কঠিন হতে পারে। একটি পরিচিত নাম ব্যবহার করলে সংবাদমাধ্যম, আবহাওয়াবিদ, উদ্ধারকর্মী ও সাধারণ মানুষ সহজেই নির্দিষ্ট ঝড়টিকে শনাক্ত করতে পারেন।
একই সময়ে একাধিক সামুদ্রিক ঝড় তৈরি হলে আলাদা নাম ব্যবহার করে প্রতিটির গতিপথ, সম্ভাব্য প্রভাব এবং সতর্কবার্তা সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে তথ্য দেওয়া যায়। এতে যোগাযোগের বিভ্রান্তি কমে এবং দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়।
নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে কী নিয়ম রয়েছে?
ঘূর্ণিঝড়ের নাম সাধারণত সংক্ষিপ্ত, সহজে উচ্চারণযোগ্য এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে বোধগম্য হওয়ার উপযোগী করে নির্বাচন করা হয়। নামটি যেন আপত্তিকর না হয় কিংবা অন্য নামের সঙ্গে সহজে গুলিয়ে না যায়, সেটিও বিবেচনায় রাখা হয়।
উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১৩টি দেশের প্রস্তাবিত নাম নির্ধারিত ক্রমে ব্যবহার করা হয়। কোনো নাম একবার ব্যবহার হয়ে গেলে সাধারণত সেটি আবার এই অঞ্চলের নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। ফলে তালিকা থেকে পরবর্তী নামটি নেওয়া হয়।
নামের উৎসও এক রকম নয়। বিভিন্ন ভাষার শব্দ, প্রকৃতি বা সংশ্লিষ্ট দেশের প্রস্তাবিত অন্য কোনো নাম তালিকায় থাকতে পারে।
নামের সঙ্গে কি ঘূর্ণিঝড়ের শক্তির সম্পর্ক আছে?
না। ঘূর্ণিঝড়ের নামের সঙ্গে এর শক্তি বা ধ্বংসক্ষমতার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। নামটি মূলত ঝড়কে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। ঝড় কতটা শক্তিশালী, বাতাসের গতি কত, কোথায় আঘাত হানতে পারে এবং কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, এসব নির্ভর করে আবহাওয়াগত পরিস্থিতির ওপর।
তাহলে, কোনো ঝড়ের নাম আকর্ষণীয় বা পরিচিত হলেই সেটি বেশি শক্তিশালী হবে, এমন ধারণা সঠিক নয়। ঝড়ের নামের চেয়ে এর অবস্থান, তীব্রতা, সম্ভাব্য গতিপথ এবং সরকারি সতর্কবার্তাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ কেবল পরিচিতির জন্য নয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় যোগাযোগ সহজ করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। কোনো ঘূর্ণিঝড়ের নাম সংবাদে শোনার পর সেটি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানা, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা অনুসরণ করা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ