সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১৭ পি.এম
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পরিবেশ সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তরান্বিত করতে সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহারের ওপর দৃষ্টি রেখে বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমি বা সামুদ্রিক অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সভাপতিত্বে আজ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিং সভায় এসব বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের প্রধান কমোডর শেখ মাহমুদুল হাসান (অব.) একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। এতে বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমি খাতের মূল সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো বিশদভাবে উঠে আসে।
উপস্থাপনায় সামুদ্রিক মৎস্য ও সমুদ্রে মাছ চাষ, সমুদ্রবন্দর ও নৌপরিবহন, অফশোর জ্বালানি, উপকূলীয় পর্যটন এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
এতে সামুদ্রিক ইকোসিস্টেম সুরক্ষিত রেখে নতুন নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ কাজে লাগাতে দেশের সামুদ্রিক সম্পদকে টেকসই উপায়ে ব্যবহারের গুরুত্বও বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পদত্যাগকারী আইন কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন—অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আকতার রুবি, মামুন চৌধুরী এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দিকা ও প্রোজ্জ্বল চাকমা।
কালের কণ্ঠকে আবদুল জব্বার ভূঞা জানিয়েছেন, ‘কোনো চাপের কারণে নয়, বয়স এবং ব্যক্তিগত কিছু কারণে আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। তবে আইন পেশায় স্বাধীনভাবে কাজ করব।’
সুলতানা আকতার রুবিও কালের কণ্ঠকে ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞাকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর থেকে তিনি ওই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
সরকার গত ৩০ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের ৮৬ জন আইনজীবীকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এবং ১৮০ জন আইনজীবীকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদে নিয়োগ দেয়। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপিপন্থী একদল আইনজীবী।
তারা নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
এই আন্দোলনের মধ্যে গত ৩ আগস্ট সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহফুজুর রহমান। এরপর গত ১৬ আগস্ট একই পদ থেকে মো. নুরুল করিমও পদত্যাগ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপি ও জাতীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথিত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলো।
পরে চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা। এতে বিএনপি নেতারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক বিষয় হলেও জাতীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বা আপত্তিকর বক্তব্য কোনোভাবেই রাজনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ হতে পারে না। তারা ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল ও শালীন বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস বলেন, রাজনীতিতে মতের ভিন্নতা থাকবে, সমালোচনা থাকবে—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু জাতীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে আলফাডাঙ্গার বিএনপি নেতাকর্মীরা আজ রাজপথে নেমেছে এবং ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর জামাল খসরু বলেন, “রাজনৈতিক বক্তব্যে দায়িত্বশীলতা ও শালীনতা থাকা জরুরি। কাউকে হেয় করে বা অসম্মানজনক ভাষা ব্যবহার করে রাজনীতিতে সুস্থ পরিবেশ তৈরি করা যায় না। আমরা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথিত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সৌজন্য ও সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান হাসিব বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো অন্যায় বা অসম্মানজনক বক্তব্যের সামনে নীরব থাকবে না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করা যায়, কিন্তু ভাষার সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথিত বক্তব্যের প্রতিবাদেই আজকের এই কর্মসূচি। আমরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি।
কর্মসূচিতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম দাউদ, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক ফারুক হোসেন কাজল, প্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান কদর, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মুসা, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নেয়ামত হোসেন পারভেজসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভাকে কেন্দ্র করে বিকেলে আলফাডাঙ্গা পৌর শহরে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। মিছিল ও সভা থেকে নেতাকর্মীরা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথিত বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং রাজনৈতিক বক্তব্যে শালীনতা ও সৌজন্য বজায় রাখার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের শিশু আদালত দুই কিশোরকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে অটোভ্যান ছিনিয়ে নিতে চালককে হত্যার ঘটনায়। একই সঙ্গে, দুই ধারায় তাদের জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা শিশু আদালতের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে দুই আসামি উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, অটোভ্যান চালক হারুন অর রশিদ (৪৪) হত্যার দায়ে দুই কিশোরকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
যদি জরিমানা অনাদায়ে থাকে, তবে তাদের আরো এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া, হত্যার আলামত নষ্ট করার দায়ে প্রত্যেককে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরো তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, একটি সাজা ভোগ করার পর অপর সাজা ভোগ করতে হবে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের দুলারডাঙ্গী আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দা হারুন অর রশিদ অটোভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ২০২৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টার দিকে বাড়ি থেকে ভাত খেয়ে অটোভ্যান নিয়ে বের হন তিনি। এরপর রাতে তিনি বাড়ি ফেরেননি।
পরদিন ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটার সময় ফরিদপুর সদর উপজেলার আলীয়াবাদ ইউনিয়নের সাইনবোর্ড এলাকার খালেক দেওয়ানের মেহগনি বাগান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় হারুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রহিমুন বেগম (৪২) বাদী হয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
মামলা তদন্ত শেষে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক ফাহিম ফয়সাল তরফদার ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ দুই কিশোরকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যার আলামত নষ্টের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পৃথক সাজা প্রদান করেন।
মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় দুই আসামির বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে অপরাধ সংঘটনের সময় তারা শিশু থাকায় তাদের বিচার শিশু আদালতেই সম্পন্ন হয়। বর্তমানে তাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ায় জেলা কারাগারে প্রাপ্তবয়স্ক সাধারণ কয়েদিদের মতো সাজা ভোগ করতে হবে।
রায় ঘোষণার পর মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গোলাম রব্বানী ভুঁইয়া মন্তব্য করেন, "এটি একটি লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। দুই কিশোর একটি অটোভ্যান ছিনতাই করার জন্য এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সমাজে ন্যক্কারজনক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। এ রায় এমন অপরাধ দমনে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণকে একটি টেকসই সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
আজ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে গঠিত জাতীয় বৃক্ষরোপণ সেলের সহায়ক টাস্কফোর্সের ৩য় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে। শুধু চারা রোপণের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না; প্রতিটি চারার সঠিক পরিচর্যা, রক্ষণাবেক্ষণ ও টিকে থাকার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় জানানো হয়, ২০২৬ সালে মোট ৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩০টি চারা রোপণের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নিজস্ব উৎপাদিত চারা প্রায় ৩ কোটি ৮২ লাখ এবং নিজস্ব অর্থায়নে সংগৃহীত চারা প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ। এসব চারা রোপণ ও পরিচর্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থা তাদের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চারা রোপণ করছে। পাশাপাশি এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন এনজিও ২৫ লাখ চারা রোপণ করেছে। স্থানভিত্তিক তথ্য পাওয়া গেলে এগুলোকে মূল ডেটাবেজে যুক্ত করা হবে। এছাড়া আগামী ডিসেম্বরে উপকূলীয় এলাকায় ম্যানগ্রোভ প্রজাতির চারা রোপণ শেষ হলে চলতি বছরের পুরো লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় আবহাওয়া, মাটির গুণাগুণ ও পরিবেশের উপযোগী দেশীয় প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। নদী, খাল, বেড়িবাঁধ, সড়ক ও রেলপথের পাশের উপযোগী জমিতে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগাতে হবে এবং চারার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো কারণে চারা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা দ্রুত প্রতিস্থাপন করতে হবে।
এছাড়া রোপণের পর পরবর্তী চার বছর চারা রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার পরিকল্পনা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) শামিমা বেগম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, সেতু বিভাগ ও বন অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ