শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৬ এম
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শুক্রবার কংগ্রেস ও বিরোধী দলের নেতা কর্মীরা দেশজুড়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। দিল্লি, কলকাতা, পাটনা, গুয়াহাটি, জম্মু, দেরাদুন, ইম্ফল ও শ্রীনগরসহ একাধিক শহরে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিক্ষোভকারীরা। কিছু স্থানে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল থামিয়ে দেয়, আবার কোথাও জলকামান ব্যবহার করা হয়। বেশ কিছু স্থানে বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়েছে।
এই বিক্ষোভের সূচনা ঘটে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ নিয়ে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশী গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন। ভোটার তালিকা সংশোধন, নতুন ভোটারের নাম যুক্ত করা, নাম বাদ দেওয়া এবং ভোটার সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাদের আপত্তির বিষয়টি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন, "দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।" কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্য ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার দিল্লিতে কংগ্রেস কর্মীরা নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে। কিছু কর্মীকে আটক করা হয়। সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব, আইসা নেত্রী নেহা বরা, অঞ্জলি ভরদ্বাজ এবং দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
দিল্লিতে যুব কংগ্রেস কর্মীরা জ্ঞানেশ কুমারের ছবি সম্বলিত মুখোশ পরে এবং হাতে পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। রাইসিনা রোড থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিলের চেষ্টা করা হয়। পুলিশ জানায়, অনুমতি নেওয়া হয়নি। আসামের গুয়াহাটিতেও বিক্ষোভ চলাকালে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈকে পুলিশ আটক করে। গগৈ বলেন, "জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ করা উচিত এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের আইনি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।"
পাটনায় নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল এগোলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। কংগ্রেস কর্মীরা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন। কলকাতাতেও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের দিকে মিছিল করেন প্রদেশ কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা। তাদের হাতে ছিল জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে লেখা পোস্টার। মিছিলের নেতৃত্ব দেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।
এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, "কমিশনের ভিতরে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকা অস্বাভাবিক নয়।" কমিশনের বক্তব্য, সিদ্ধান্তগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়া হয়। বিজেপি রাহুল গান্ধীর অভিযোগ খারিজ করে দাবি করেছে, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতা সুধাংশু ত্রিবেদী দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান বলেছেন, "নির্বাচন কমিশন নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন তৈরি হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের উচিত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা।" তার বক্তব্য, বিষয়টি বিরোধী দলের নেতাদের জন্য নয়, দেশের মানুষের কাছে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ফলে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ এখন জাতীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের পাশাপাশি কমিশনের ব্যাখ্যাও সামনে এসেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক আদালত ও সংসদে আরও গড়ায় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেবকে খোলা রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এসব জলপথকে ‘বিশ্ব অর্থনীতির ধমনী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় শাহবাজ শরিফ উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু করার ক্ষেত্রে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি জানান, মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পাকিস্তান দুই দেশের প্রতিনিধিদের একই টেবিলে বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে এবং সংঘাত কমানোর জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
শান্তির জন্য কাজ করা মানবজাতির অন্যতম মহৎ দায়িত্ব, এ কথা উল্লেখ করে শাহবাজ শরিফ পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করেন। তিনি পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর জাতিসংঘ সনদের প্রতি সমর্থনের কথাও তুলে ধরেন।
শাহবাজ শরিফ বলেন, পাকিস্তান জাতিসংঘ সনদের প্রতি আস্থাশীল এবং বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তিনি দারিদ্র্য মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের নেতৃত্ব ও প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
ফেব্রুয়ারিতে উপসাগরীয় অঞ্চল ও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়, যার ফলে প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক নৌপথগুলোও চাপের মুখে পড়ে।
ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে শাহবাজ শরিফ পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি নির্মাণের বিরোধিতা করেন। তিনি গাজায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং আল-কুদস আল-শরিফকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
কাশ্মীর প্রসঙ্গেও কথা বলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি কাশ্মীরকে পাকিস্তানের ‘জুগুলার ভেইন’ বা অস্তিত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান জানান।
এছাড়া, তিনি ভারতকে ভবিষ্যতে আর কোনো ‘ভুল’ না করার বিষয়ে সতর্ক করেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করে চতুর্থবারের মতো বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টিকে সম্মানের বলে উল্লেখ করেন শাহবাজ শরিফ। তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে পাকিস্তানের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সেদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী, মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
বাজুস আরও জানিয়েছে, পুরোনো অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভাঙার ১০০টিরও বেশি অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। এই অভিযোগগুলি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়ের করা হয়। একটি স্বাধীন কমিশনের শুনানি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। বর্তমানে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, অধিকাংশ অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। মামলাটি আপিল পর্যায়ে প্রবেশ করছে।
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা নয় বছর ধরে আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও, প্রিমিয়ার লিগের তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে।
২০২৩ সালে প্রিমিয়ার লিগ যখন সিটিকে অভিযুক্ত করে, তখন তাদের বিবৃতিতে ১১৫টি অভিযোগের উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে ধারণা করা হয়, আসল সংখ্যা ১৩০টি।
এই সময়ের মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটি তিনবার প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতেছে। যদিও ক্লাবটি সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম প্রণয়ন করা হয়েছে, যাতে ক্লাবগুলো নিজেদের আয়ের মধ্যে খরচ করে। আয় বাড়িয়ে দেখিয়ে বা খরচ লুকিয়ে এই নিয়মগুলো এড়ানো সম্ভব। এর ফলে একটি ক্লাব বেশি টাকা খরচ করে খেলোয়াড় কেনা বা বেতন দিতে পারে।
প্রিমিয়ার লিগের দাবি, সিটি নয় মৌসুম ধরে সঠিক আর্থিক তথ্য না দিয়ে নিয়ম ভেঙেছে।
অভিযোগগুলোর মধ্যে একটি হলো, সিটি চার বছর ধরে তাদের এক কোচকে দেওয়া অর্থের পুরো তথ্য প্রকাশ করেনি। ধারণা করা হয়, একটি গোপন চুক্তি ছিল, যার মাধ্যমে ওই কোচকে আনুষ্ঠানিক হিসাবের চেয়ে বেশি টাকা দেওয়া হতো।
প্রিমিয়ার লিগ আরও জানিয়েছে, সিটি পাঁচ বছর ধরে উয়েফার আর্থিক ন্যায্যতার নিয়মও মানেনি।
এই অভিযোগগুলো প্রথম প্রকাশ পায় ২০১৮ সালে জার্মানির ডার স্পিগেল পত্রিকার কিছু প্রতিবেদনে। এসব প্রতিবেদন তৈরি হয়েছিল পর্তুগিজ হ্যাকার রুই পিন্টোর সংগ্রহ করা ইমেইলের ভিত্তিতে। এই ইমেইলগুলো ফুটবল লিকস ওয়েবসাইটেও প্রকাশিত হয়।
এই খবরের পর ২০১৯ সালে উয়েফা সিটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। একই সঙ্গে প্রিমিয়ার লিগও তদন্ত শুরু করে।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে উয়েফার আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম ভাঙার দায়ে সিটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাদের দুই বছরের ইউরোপিয়ান নিষেধাজ্ঞা এবং ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়। তবে পাঁচ মাস পর কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট (ক্যাস) নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় এবং জরিমানা কমিয়ে ১০ মিলিয়ন ইউরো করে।
ক্যাস জানায়, সিটি ‘উয়েফার তদন্ত প্রক্রিয়াকে স্পষ্টভাবে অবহেলা করেছে’। তবে তারা সিটিকে ‘স্পনসরশিপ হিসেবে দেখিয়ে গোপন মূলধন লুকানোর’ অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়। রায়ে বলা হয়, বেশিরভাগ অভিযোগ ‘হয় প্রমাণিত হয়নি, নয়তো সময়সীমা পার হয়ে গেছে’। কারণ উয়েফার নিয়মে মামলা করার জন্য পাঁচ বছরের সময়সীমা রয়েছে।
সিটি বলেছিল, ক্যাসের এই রায় ‘ক্লাবের অবস্থান এবং তারা যে প্রমাণ দিয়েছিল, তার সত্যতার প্রমাণ’।
তবে প্রিমিয়ার লিগের ক্ষেত্রে অভিযোগ তদন্তের কোনো সময়সীমা নেই। এই কারণে তারা ২০০৯ সাল পর্যন্ত পিছিয়ে গিয়ে অভিযোগ এনেছে।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে যখন প্রিমিয়ার লিগ সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে, তখন ক্লাবটি জানায়, তারা এই ঘটনায় ‘বিস্মিত’। তারা আরও জানায়, তাদের অবস্থানের পক্ষে ‘অকাট্য প্রমাণের একটি পূর্ণাঙ্গ সংগ্রহ’ রয়েছে।
প্রিমিয়ার লিগের বিরুদ্ধে সিটির এই মামলার শুনানি ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
লন্ডনের ইন্টারন্যাশনাল ডিসপিউট রেজোলিউশন সেন্টারে তিন সদস্যের একটি স্বাধীন কমিশনের সামনে ১২ সপ্তাহ ধরে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
শুনানি শেষ হওয়ার পর রায় আসতে কয়েক মাস সময় লাগবে বলে পূর্বাভাস করা হয়েছে। কারণ অভিযোগের সংখ্যা অনেক এবং পর্যালোচনার জন্য তথ্যের পরিমাণও অনেক বেশি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি দেশে ফিরেছেন ব্যক্তিগত সফর শেষে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে, চিফ হুইপের স্ত্রী এবং পুত্রসহ মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ-১৩৬ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের অবতরণ ঘটে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি গত ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ব্যক্তিগত সফরের জন্য মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ