শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৬ পি.এম
অভিনেতা মুশতাক খানের মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে হাসপাতালে দেখা করেছিলেন অভিনেতা রাজপাল যাদব। বৃহস্পতিবার দুপুরের সেই সাক্ষাতের স্মৃতি এখনো রাজপালের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। কারণ, সাক্ষাতের কিছু সময় পরই প্রিয় সহকর্মী মুশতাক না ফেরার দেশে চলে যান।
২৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার মুশতাকের সঙ্গে হাসপাতালে সাক্ষাতের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন রাজপাল। ভিডিওতে দেখা যায়, হাসপাতালে শয্যায় শুয়ে থাকা মুশতাকের হাত ধরে রয়েছেন রাজপাল। ভিডিওটির সঙ্গে তিনি আবেগঘন একটি বার্তাও লিখেছেন।
রাজপাল উল্লেখ করেন, “আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে মুশতাক ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। উনার সঙ্গে কথা বলেছি। উনি আমাকে দেখেছেন, এমনকি আমার সঙ্গে হাতও মিলিয়েছেন।”
সাক্ষাতের স্মৃতি স্মরণ করে তিনি আরো বলেন, “আমরা যা কিছু বলছিলাম, উনি সব শুনছিলেন। আমাদের কথোপকথনে সাড়া দিচ্ছিলেন। মাত্র দু’ঘণ্টা আগে যার সঙ্গে দেখা করলাম এবং হাত মেলালাম, সেই মানুষটা আর আমাদের মধ্যে নেই— এটা এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না।”
মুশতাকের মৃত্যুর পর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজপাল লেখেন, “আমরা সবাই পরমেশ্বরের ইচ্ছার কাছে মাথা নত করি। মুশতাক ভাই জনপ্রিয় একজন মানুষ ছিলেন, আছেন এবং চিরকাল প্রিয় অভিনেতা হয়ে থাকবেন। অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমার শ্রদ্ধা জানাই।”
পরে, হাসপাতালের সেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সরিয়ে দেন রাজপাল। এর পরিবর্তে মুশতাকের একটি ছবি পোস্ট করে তাকে শ্রদ্ধা জানান। তবে এর মধ্যে এক নেটাগরিক রাজপালের সেই ভিডিওটি পুনরায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন।
৫৬ বছর বয়সে মুশতাক খান মারা যান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এই অভিনেতা। তার ব্যবসায়িক সহযোগী শিবম জানিয়েছেন, ক্যানসারের কারণেই মুশতাকের মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ দিন ধরে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।
‘ওয়েলকাম’, ‘গদর : এক প্রেম কথা’, ‘হেরা ফেরি’, ‘স্ত্রী’, ‘গদর ২’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন মুশতাক। ছোট চরিত্রেও নিজের অভিনয় ও কৌতুকবোধ দিয়ে দর্শকের মনে জায়গা করে নেওয়া এই অভিনেতার মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে বলিউডে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ র্যাংকিংয়ের পার্থক্য স্পষ্টভাবে অনুভব করেছে। শক্তি ও সামর্থ্যে অনেক এগিয়ে থাকা মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে তারা। ফলে ফিফা র্যাংকিংয়ে ১৮১ নম্বরে থাকা বাংলাদেশ আসিয়ান কাপের সূচনা হার দিয়ে করল। মালয়েশিয়া, যাদের র্যাংকিং ১৩৬, তাদের হয়ে জোড়া গোল করেছেন আরিফ আয়মান। অন্য গোলটি করেন আজ অভিষেক হওয়া বার্গসন।
ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কর্ন স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হওয়ার সাথে সাথে হামজা চৌধুরী এবং তারিক কাজীরা একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ১৮ মিনিটে আর তাদের প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি। আয়মান মালয়েশিয়াকে লিড এনে দেন। ডান প্রান্তের ডি বক্সের ভেতর থেকে গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান এই ফরোয়ার্ড।
৩৮ মিনিটে আবারও মালয়েশিয়াকে আনন্দে ভাসান আয়মান। ডি বক্সের সামনে শাকিল আহাদ তপু বল ক্লিয়ার না করে পায়ে রাখার চেষ্টা করলে আয়মান বলটি পেয়ে যান। এরপর সহজেই বাংলাদেশের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।
বিরতির আগে বাংলাদেশ আরেকটি গোল হজম করতে পারত। তবে ৪৪ মিনিটে গোলরক্ষক শ্রাবণ দারুণ সেভ করেন। প্রথমার্ধে মালয়েশিয়ার জালে বাংলাদেশ একটিও শট নিতে পারেনি।
বিরতির পর বাংলাদেশ দ্রুত গোল হজম করে। ৫৩ মিনিটে বার্গসন দারুণ এক ফিনিশিং করেন। বক্সের মধ্যে বল পেয়ে শরীরকে দ্রুত ঘুরিয়ে শট নেন, যিনি আজ মালয়েশিয়ার জার্সিতে অভিষেক করেছেন। গোলরক্ষক শ্রাবণ শুধু বলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ার সুযোগ পান।
৭৬ মিনিটে হামজা ব্যবধান কমানোর একটি দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন। শাহরিয়ান ইমনের পাস থেকে ডি বক্সে সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও তার শরীর বরাবর শট নেন। ফিরতি সুযোগেও হামজাকে গোল করতে দেননি মালয়েশিয়ার গোলরক্ষক। কর্নারের বিনিময়ে গোল হজম করা থেকে বাঁচান।
৮২ মিনিটে ইমনও একটি সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু গোলরক্ষক বরাবর যে শট নিলেন, তাতে কোনো পাওয়ার ছিল না। বিপরীতে ৮৩ মিনিটে বাংলাদেশকে রক্ষা করে বার। ফারগাস তিয়ারনির বুলেট শটটি বার না লাগলে ব্যবধান ৪-০ হতো। পরে আর কোনো গোল না হলে বাংলাদেশ ৩-০ ব্যবধানে পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
আজ বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয়েছে ফারহান আলী ওয়াহিদ, শুকি ইতোফুসা ও জিদান ইউসুফের। তবে তিন প্রবাসী জয়ে অভিষেক রাঙানোর সুযোগ পাননি।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ এই নিয়ে অষ্টম হার দেখল। ১১ বারের দেখায় বাংলাদেশ একবার জয় পেয়েছে এবং অন্য দুটি ড্র হয়েছে।
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ২৮ সেপ্টেম্বর, যেখানে প্রতিপক্ষ হবে সিঙ্গাপুর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানমশলার বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত আইনি জটিলতার পর, বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগন নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি) তার জুহুর বাংলোকে কেন্দ্র করে আপত্তি তুলেছে। বাংলোটির একটি অংশে স্যালোঁ ও স্পা পার্লার নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। তবে কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির অভিযোগের পর বিএমসি সেই কাজ অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে।
বিএমসির কে-ওয়েস্ট ওয়ার্ড থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে এই নোটিশ জারি করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, সম্পত্তির যে অংশে স্যালোঁ ও স্পা নির্মাণের কাজ চলছে, সেটি বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত নয়। বিএমসি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সম্পত্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদনপত্র চেয়েছিল। তবে নির্ধারিত নথি দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কাজ বন্ধের নোটিশ জারি করা হয়েছে।
জানা গেছে, দেবগন পরিবারকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বাংলোটিতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান চালু হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। হাউজিং সোসাইটির বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্যালোঁ ও স্পা চালু হলে এলাকায় মানুষের আনাগোনা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে পার্কিং, নিরাপত্তা এবং শব্দদূষণের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
বিশেষ করে ওই এলাকার অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলো সংকীর্ণ হওয়ায় অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।
স্থানীয় করপোরেটর সুধা সিং জানিয়েছেন, বিষয়টি কে-ওয়েস্ট ওয়ার্ডের বিল্ডিং অ্যান্ড ফ্যাক্টরিজ বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি কে-ওয়েস্ট ওয়ার্ডের বিল্ডিং অ্যান্ড ফ্যাক্টরিজ ডিপার্টমেন্টের অধীনে। প্রাথমিকভাবে, এই নির্দিষ্ট সম্পত্তির বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য কোনো অনুমতিপত্র মালিকপক্ষের কাছে নেই। কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর বিএমসি সম্পত্তির মালিকের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়েছিল এবং তাঁরা তা দেখাতে ব্যর্থ হন। ফলে অবিলম্বে কাজ বন্ধের নোটিশ জারি করা হয়েছে।’
তবে দেবগন পরিবারের পক্ষ থেকে ভিন্ন দাবি করা হয়েছে। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, স্যালোঁ ও স্পা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও অনুমোদন যথাযথভাবে নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির জন্য পাঁচ বছরের চুক্তি করা হয়েছিল। চুক্তির প্রথম বছরে মাসিক ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৬ লাখ রুপি। পরবর্তী বছরগুলোতে ভাড়ার অঙ্ক বাড়ানোর কথা ছিল।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের আপত্তি এবং বিএমসির নোটিশের পর এখন পুরো বিষয়টি সম্পত্তির মালিকপক্ষের জমা দেওয়া নথি ও অনুমোদনের বৈধতার ওপর নির্ভর করছে। ফলে অজয় দেবগনের জুহুর বাংলোয় স্যালোঁ ও স্পা তৈরির কাজ শেষ পর্যন্ত চালু হবে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পালকি পরিবহন এবং হানিফ পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ঘটনাস্থলে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
এটি ঘটে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার সময় বাখরেকান্দি পুনর্বাসন কেন্দ্রের মাদবরের কান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকায়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে একজন বাবা এবং তার ছেলে রয়েছেন।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভয়ংকর সমুদ্রযাত্রার মাধ্যমে ইউরোপে ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় বের হওয়া বাংলাদেশিরা মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে অনিরাপদ রাবারের নৌকা ব্যবহার করে ভূমধ্যসাগর পার হওয়ার চেষ্টা করছেন। গত এক সপ্তাহের মধ্যে মিশরের বিভিন্ন উপকূল থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অন্তত ১৬০ বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করেছে। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিরা মিশরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হেফাজতে অবস্থান করছেন।
বাংলাদেশ দূতাবাসের সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ১৬০ বাংলাদেশির মধ্যে মাতরুহ উপকূল থেকে ৪৬ জন, পোর্ট সাইদ থেকে ৫৮ জন এবং দামিয়েত থেকে ৫৬ জন উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অভিযানে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি সুদান, মিশরসহ অন্যান্য দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীদেরও উদ্ধার করা হয়েছে।
উন্নত জীবনের আশায় ঘর ছাড়লেও ভূমধ্যসাগরের উত্তাল ঢেউ, অনিরাপদ নৌযান এবং অনিশ্চিত গন্তব্য তাদের যাত্রাকে চরম জীবনঝুঁকিতে পরিণত করছে। ইউরোপে পৌঁছানোর আগেই অনেকের স্বপ্ন সমুদ্রের মাঝপথে থেমে যাচ্ছে। উদ্ধার হওয়ার পর তাদের সামনে এখন দেশে ফেরার অপেক্ষা।
বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের কর্মকর্তাদের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের জন্য আইনি ও কনস্যুলার সহায়তা প্রদান করার কারণে। নিয়মিত দায়িত্বের পাশাপাশি তাদের অতিরিক্ত সময় দিতে হচ্ছে।
প্রথমে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করা হয়। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী আইনি সহায়তা, কনস্যুলার সেবা এবং দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এই প্রক্রিয়ার জন্য মিশরের পুলিশ, কারা কর্তৃপক্ষ, অভিবাসন বিভাগ, আদালত এবং হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় করতে হয়।
উদ্ধার হওয়া নাগরিকদের পরিচয় নিশ্চিত করা দূতাবাসের কাজের শেষ নয়। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনি প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান এবং নিরাপদে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
একাধিক ঘটনায় বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি উদ্ধারের ফলে দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের কাজের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও দ্রুত দেশে ফেরানোর জন্য মিশরের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার এই ঝুঁকিপূর্ণ প্রবণতায় বাংলাদেশি আটকা পড়া বা উদ্ধারের ঘটনায় নিরাপদ অভিবাসনের গুরুত্ব আবারও সামনে এসেছে। পরিবারের স্বপ্ন পূরণের আশায় যাত্রা করা এসব মানুষের অনেকেই মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসছেন। তাদের সঙ্গে ফিরছে ভয়াবহ এক সমুদ্রযাত্রার স্মৃতি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ