প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পানমশলার বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত আইনি জটিলতার পর, বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগন নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি) তার জুহুর বাংলোকে কেন্দ্র করে আপত্তি তুলেছে। বাংলোটির একটি অংশে স্যালোঁ ও স্পা পার্লার নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। তবে কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির অভিযোগের পর বিএমসি সেই কাজ অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে।
বিএমসির কে-ওয়েস্ট ওয়ার্ড থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে এই নোটিশ জারি করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, সম্পত্তির যে অংশে স্যালোঁ ও স্পা নির্মাণের কাজ চলছে, সেটি বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত নয়। বিএমসি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সম্পত্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদনপত্র চেয়েছিল। তবে নির্ধারিত নথি দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কাজ বন্ধের নোটিশ জারি করা হয়েছে।
জানা গেছে, দেবগন পরিবারকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বাংলোটিতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান চালু হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। হাউজিং সোসাইটির বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্যালোঁ ও স্পা চালু হলে এলাকায় মানুষের আনাগোনা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে পার্কিং, নিরাপত্তা এবং শব্দদূষণের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
বিশেষ করে ওই এলাকার অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলো সংকীর্ণ হওয়ায় অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।
স্থানীয় করপোরেটর সুধা সিং জানিয়েছেন, বিষয়টি কে-ওয়েস্ট ওয়ার্ডের বিল্ডিং অ্যান্ড ফ্যাক্টরিজ বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি কে-ওয়েস্ট ওয়ার্ডের বিল্ডিং অ্যান্ড ফ্যাক্টরিজ ডিপার্টমেন্টের অধীনে। প্রাথমিকভাবে, এই নির্দিষ্ট সম্পত্তির বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য কোনো অনুমতিপত্র মালিকপক্ষের কাছে নেই। কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর বিএমসি সম্পত্তির মালিকের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়েছিল এবং তাঁরা তা দেখাতে ব্যর্থ হন। ফলে অবিলম্বে কাজ বন্ধের নোটিশ জারি করা হয়েছে।’
তবে দেবগন পরিবারের পক্ষ থেকে ভিন্ন দাবি করা হয়েছে। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, স্যালোঁ ও স্পা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও অনুমোদন যথাযথভাবে নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির জন্য পাঁচ বছরের চুক্তি করা হয়েছিল। চুক্তির প্রথম বছরে মাসিক ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৬ লাখ রুপি। পরবর্তী বছরগুলোতে ভাড়ার অঙ্ক বাড়ানোর কথা ছিল।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের আপত্তি এবং বিএমসির নোটিশের পর এখন পুরো বিষয়টি সম্পত্তির মালিকপক্ষের জমা দেওয়া নথি ও অনুমোদনের বৈধতার ওপর নির্ভর করছে। ফলে অজয় দেবগনের জুহুর বাংলোয় স্যালোঁ ও স্পা তৈরির কাজ শেষ পর্যন্ত চালু হবে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন