ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

৯ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১০৯, ধর্ষণের শিকার ৬১৭ নারী ও শিশু


৯ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১০৯, ধর্ষণের শিকার ৬১৭ নারী ও শিশু

চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার ২ হাজার ৯০১টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার ফলে ১০৯ জন নিহত হয়েছেন এবং ২ হাজার ৭৯২ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬১৭ নারী ও শিশু, যাদের মধ্যে ৩৮৮ জন ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু।

এ ছাড়া গত নয় মাসে গণপিটুনিতে ৭৪ জন এবং কারাগারে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে সীমান্তে নিহত হয়েছেন ১১ বাংলাদেশি।

মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মানবাধিকার পরিস্থিতিবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন: আলিম পাসের পরদিনই বাসচাপায় প্রাণ গেল সাকিবের

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনী সহিংসতার ১ হাজার ৩৮১টি ঘটনা ঘটেছে এ সময়ে। এসব ঘটনায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন এবং ১ হাজার ৩৬৮ জন আহত হয়েছেন। গণপিটুনিতে নিহত ৭৪ জনের মধ্যে মে মাসে সর্বোচ্চ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, জুনে মারা গেছেন ১২ জন।

ধর্ষণের শিকার ৩৮৮ মেয়েশিশু

অধিকারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নয় মাসে ধর্ষণের শিকার ৬১৭ জনের মধ্যে ৩৮৮ জন মেয়েশিশু এবং ২২৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক নারী। বাকি দুজনের বয়স জানা যায়নি।

এ সময়ে যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়ে ২২ নারী নিহত হয়েছেন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৩৭ জন এবং আত্মহত্যা করেছেন সাতজন। নারীদের উত্ত্যক্ত করার ৩৭টি ঘটনাও সংগঠনটি নথিভুক্ত করেছে।

আরও পড়ুন: গ্যাস ও তেলের খনির সম্ভাবনা, আগুনের তীব্রতা কমলে রিলিফ কূপ খনন হবে

সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ১৬৯ ঘটনা

জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ১৬৯টি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে অধিকার। এর মধ্যে ৬৫টি ঘটনায় সাংবাদিকেরা আহত হয়েছেন, ২২ জন লাঞ্ছিত হয়েছেন এবং ২৫ জন হুমকির শিকার হয়েছেন।

এ ছাড়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ২৮টি মামলা ও ২১টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেদনে পাঁচটি হামলা, একজন সাংবাদিকের গ্রেপ্তার এবং একজনকে নির্যাতনের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময়ে গুমের শিকার হয়েছেন দুজন।

প্রতিবেদনে দেশের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত বন্দী থাকার চিত্রও উঠে এসেছে। অধিকার বলছে, দেশের ৭৫টি কারাগারে বন্দী ধারণক্ষমতা ৪৩ হাজার ১৫৭ জন। অথচ গত ১৩ সেপ্টেম্বর এসব কারাগারে বন্দী ছিলেন ১ লাখ ৫ হাজার ১০২ জন। অর্থাৎ ধারণক্ষমতার আড়াই গুণের বেশি বন্দী ছিলেন কারাগারগুলোতে।

আরও পড়ুন: ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর মনোনীত

নয় মাসে কারাগারে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া কারাগারে নির্যাতন, দুর্নীতি এবং অসুস্থ বন্দীদের হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার অভিযোগও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

এ সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ১০ জন। তাদের মধ্যে ছয়জন নির্যাতনে, দুজন পিটুনিতে এবং দুজন গুলিতে নিহত হয়েছেন। একই সময়ে ২০০ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

সীমান্তে বিএসএফের হাতে নিহত ১১ বাংলাদেশি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত নয় মাসে সীমান্তে বিএসএফের হাতে ১১ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ১১ জন। এ ছাড়া বাংলাদেশে ৫৬ জনকে পুশ ইন করার ঘটনা ঘটেছে। সব মিলিয়ে বিএসএফের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ৭৮টি ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকাসহ ১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশার নিবন্ধন শুরু, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

গুম ও মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে উদ্বেগ

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে অধিকার। সংগঠনটির মতে, আইনের ১৪(৩) ধারায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব অন্য কোনো বাহিনী বা আন্তবাহিনী তদন্ত দলকে দেওয়ার বিধান রয়েছে। এতে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

এ ছাড়া আইনের ২১ ধারায় অভিযোগ আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। এ ধরনের বিধান গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ করতে নিরুৎসাহিত করতে পারে বলে মনে করে সংগঠনটি।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনেও প্যারিস নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন আইনের ১৯ ধারা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা এর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে কমিশন নিজ উদ্যোগে তদন্ত করতে পারবে না।

আরও পড়ুন: চলতি বছরে উচ্চশিক্ষায় ফাঁকা থাকবে সাড়ে আট লাখ আসন

র‍্যাবের পরিবর্তে নতুন বাহিনী গঠন নিয়েও প্রশ্ন

র‍্যাব বিলুপ্তির প্রতিশ্রুতি থাকলেও গত ১৫ সেপ্টেম্বর সংসদে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন পাসের মাধ্যমে র‍্যাবের জনবল, সম্পদ, ক্ষমতা ও চলমান মামলাসহ বিভিন্ন বিষয় নতুন বাহিনীতে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে অধিকার।

সংগঠনটির মতে, এর ফলে র‍্যাবের প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে।

অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হওয়ায় বাতিল হয়ে যাওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে অধিকার। এ ছাড়া পুলিশে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে মানবাধিকার সংগঠনটি।

আরও পড়ুন: ডেমরায় ব্যাডমিন্টন খেলার সময় ছুরিকাঘাতে ৪ জন আহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধানমন্ডিতে সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী আফিয়া আক্তার ছুরিকাঘাতে খুন, ছেলে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ এম


ধানমন্ডিতে সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী আফিয়া আক্তার ছুরিকাঘাতে খুন, ছেলে গ্রেপ্তার

রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসায় খুন হয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত প্রয়াত আবুল কাশেমের স্ত্রী আফিয়া আক্তার (৬৮)। এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোরের দিকে ধানমন্ডির ৯/এ সড়কের একটি ফ্ল্যাটে।

পুলিশের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতের ছোট ছেলে তাহসিন আরিফ অর্নবকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, তাহসিন ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা মায়ের কক্ষে গিয়ে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। এই হামলায় আফিয়ার মুখ ও গলায় গুরুতর জখম হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু ঘটে।

পুলিশের তথ্যমতে, শুক্রবার রাতে মা ও ছেলে আলাদা কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন। শনিবার সকালে তাহসিন পাশের কক্ষে গিয়ে মাকে ছুরিকাঘাত করেন।

পরে গৃহকর্মী ও আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে। খবর পেয়ে পুলিশ বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত আফিয়া আক্তারের বড় ছেলে কয়েক বছর আগে মারা গেছেন এবং ছোট ছেলে তাহসিনের সঙ্গে তিনি ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমদাদুল ইসলাম জানান, বাসা থেকে তাহসিনকে আটক করা হয়েছে। আফিয়া আক্তারকে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তাহসিনের পূর্বে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ওসি জানিয়েছেন, তার মানসিক সমস্যা রয়েছে বলে স্বজনেরা জানিয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে নিষিদ্ধ মশাল মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ এম


রাজধানীতে নিষিদ্ধ মশাল মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ

রাজধানীর কল্যাণপুরে একটি মশাল মিছিলের ঘটনা ঘটেছে, যা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে দারুস সালাম এলাকা থেকে এই মশাল মিছিলটি শুরু হয়। পরে এটি শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক সদস্য মশাল হাতে মিছিলে অংশগ্রহণ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সদস্যসচিব ও সাবেক কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবের নির্দেশনায় এই মিছিলটি বের করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে তেজগাঁও বিভাগের সেকেন্ড ইন কমান্ড (টুআইসি) মো. ফজলুল হক জানান, সন্ধ্যার দিকে দারুস সালাম থানা এলাকা থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি মশাল মিছিল শুরু হয়। পরে মিছিলটি শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় এসে শেষ হয়।

এদিকে, দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল হোসেন তার এলাকায় মিছিলের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কোপাস-ইনডেক্সড গবেষণা প্রকাশনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে শীর্ষে যবিপ্রবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ এম


স্কোপাস-ইনডেক্সড গবেষণা প্রকাশনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে শীর্ষে যবিপ্রবি

বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি), যা আন্তর্জাতিক গবেষণা ডাটাবেজ ‘স্কোপাস’ (Scopus)-এর ইনডেক্সড গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যার দিক থেকে প্রথম। যবিপ্রবির গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ১৩৭৪ টি, যা এই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে প্রমাণিত।

স্কোপাসের প্রতিষ্ঠানভিত্তিক অনুসন্ধানের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসের শেষে রিসার্চ হাবে প্রকাশিত তালিকা থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। তালিকায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

দেশের মোট ১৬৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এই শীর্ষ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যবিপ্রবির অবস্থান ১৬তম, যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম, ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) তৃতীয়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্কোর পাঁচটি সূচকের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে মোট গবেষণা প্রকাশনায় ৬০ শতাংশ, মোট উদ্ধৃতিতে ২০ শতাংশ, প্রতি প্রকাশনায় গড় উদ্ধৃতিতে ১০ শতাংশ, গবেষণায় আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের হার ৫ শতাংশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক এইচ-ইনডেক্সে ৫ শতাংশ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তালিকার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত যবিপ্রবির গবেষকদের মোট ১৩৭৪টি গবেষণা প্রকাশনা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এসব গবেষণাপত্র মোট ১৮ হাজার ৬১৯ বার উদ্ধৃত (সাইটেশন) হয়েছে। গবেষণাপত্রে গড় উদ্ধৃতির সংখ্যা ১৩.৬ এবং গবেষণায় আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের হার ৫৮.৬ শতাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রাতিষ্ঠানিক এইচ-ইনডেক্স ৫৬।

যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড.ইয়ারুল কবীর এ বিষয়ে বলেন, "আমাদের শিক্ষকদের প্রচেষ্টা ও গবেষণার প্রতি আন্তরিকতার কারণেই স্কোপাস ইনডেক্সড জার্নালে গবেষণা প্রকাশনার আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। এটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এ অর্জনের জন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।"

তিনি আরও বলেন, "গবেষণার অগ্রগতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় ল্যাবরেটরি সুবিধা ও সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। আমরা আশাবাদী, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও গবেষণাবান্ধব পরিবেশের মাধ্যমে আগামীতে যবিপ্রবি গবেষণায় আরও ভালো অবস্থানে পৌঁছাবে।"

উল্লেখ্য, স্কোপাস হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক গবেষণা তথ্যভান্ডার, যেখানে বিভিন্ন বিষয়ের গবেষণাপত্র, বই ও সম্মেলনে প্রকাশিত গবেষণার তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এলসেভিয়ার পরিচালিত এই তথ্যভান্ডারে গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ, লেখক, প্রকাশনার বিবরণ এবং সেগুলো অন্য গবেষণায় কতবার উদ্ধৃত হয়েছে, তার তথ্য পাওয়া যায়।

২০২৬ সালের এই র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান নির্ধারণে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত স্কোপাসে সূচিবদ্ধ ইংরেজি ভাষার গবেষণাপত্রের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের লংমার্চ থেকে ফেরার পথে বাস উল্টে পুকুরে, পথচারী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৯ এম


জামায়াতের লংমার্চ থেকে ফেরার পথে বাস উল্টে পুকুরে, পথচারী নিহত

খুলনায় লংমার্চ শেষে ফেরার সময়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বহনকারী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে অবস্থিত পুকুরে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাসের ধাক্কায় এক পথচারী নিহত হন। পাশাপাশি, বাসে থাকা ১০ থেকে ১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা চারা বটতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুল খালেক মণ্ডল (৭০), যিনি সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিশখালী ইউনিয়নের কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা।

থানা পুলিশ এবং আহতদের সূত্রে জানা যায়, খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শেষে সাতক্ষীরায় ফেরার পথে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বহনকারী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। এরপর বাসটি পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা চারা বটতলা এলাকায় সড়কের পাশে অবস্থিত একটি পুকুরে পড়ে যায়।

এসময় বাসের ধাক্কায় সড়কে অবস্থানরত পথচারী আব্দুল খালেক মণ্ডল নিহত হন। এ ছাড়া বাসে থাকা ১০ থেকে ১২ জন যাত্রী আহত হন, যাদের স্থানীয় ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

খবর পেয়ে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খুলনা থেকে সাতক্ষীরায় ফেরার পথে লংমার্চের একটি বাস সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে এক পথচারী নিহত হয়েছেন এবং বাসে থাকা কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%