ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৪ হাজার ৫০০ সেনা হারিয়ে ইরাক ছাড়ছে মার্কিন বাহিনী


৪ হাজার ৫০০ সেনা হারিয়ে ইরাক ছাড়ছে মার্কিন বাহিনী

মার্কিন সেনা অবশেষে ইরাক থেকে প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ সেনা হারানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ সামরিক উপস্থিতির সমাপ্তি ঘটবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বুধবারের মধ্যে এই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর এটি দেশটিতে তাদের দীর্ঘ সামরিক উপস্থিতির শেষ হবে। ইরান এবং তাদের মিত্ররা এটিকে নিজেদের বিজয় হিসেবে দেখছে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে ইরাকে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা।

ইরাকের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময় ২০২৪ সালে সম্মত হওয়া এই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িত রয়েছে।

আরও পড়ুন: বিসর্জনে শুধু সনাতনীদেরই প্রতিমা ছোঁয়ার নির্দেশ, অস্পৃশ্যতা ফেরানোর অভিযোগ

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ফলে ইরান এবং তাদের শক্তিশালী মিত্ররা ইরাকে আরো বেশি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি ইসলামিক স্টেটসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য শত্রু গোষ্ঠীও আবার সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেতে পারে।

ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র শিয়া গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে কাজ করা ইরাকি নিরাপত্তা বিশ্লেষক জাসিম আল-বাহাদলি মন্তব্য করেন, ‘জোটের সেনা প্রত্যাহার থেকে ইরান কৌশলগতভাবে লাভবান হতে পারে। কারণ এতে এমন একটি সামরিক উপস্থিতি সরে যাচ্ছে, যা বহু বছর ধরে ইরাকের ওপর তেহরানের প্রভাবের ভারসাম্য হিসেবে কাজ করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইরানপন্থী মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো শুধু এই প্রত্যাহারকে নিজেদের আন্দোলনের বিজয় হিসেবে তুলে ধরবে না, বরং নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরো বেশি প্রভাব বিস্তারে এই গতি কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে।’

ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জোট ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’-এর কমান্ডার আবু মুজতবা আল-ইয়াসিরি মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে ইরাকি ইসলামিক প্রতিরোধ গোষ্ঠী ও ইরাকিদের জন্য ঐতিহাসিক বিজয় এবং ‘যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চূড়ান্ত পরাজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আরও পড়ুন: ইতালি নাগরিকদের সৌদি আরবে ভ্রমণ না করতে কড়া সতর্কতা জারি

তিনি বলেন, ‘৩০ সেপ্টেম্বর আমরা ইরাকের ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায়ের সমাপ্তি এবং আমাদের দেশের ওপর নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার দখলদারির ব্যর্থতা উদ্‌যাপন করব। ইরাক প্রমাণ করেছে, বিদেশি বাহিনী দিয়ে তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করা যায় না; বরং প্রতিরোধ ও জনগণের ইচ্ছাই তা নিশ্চিত করতে পারে।’

আবার কী সক্রিয় হবে?

ইরাকের কেন্দ্রীয় সরকার এবং আধা-স্বায়ত্তশাসিত উত্তরাঞ্চলীয় কুর্দি অঞ্চলের কিছু নিরাপত্তা কর্মকর্তা সতর্ক করে জানিয়েছেন, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ফলে ইসলামিক স্টেট আবার সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেতে পারে।

প্রায় এক দশক আগে ইসলামিক স্টেটের স্বঘোষিত খেলাফতের পতন ঘটলেও তাদের এখনও সক্রিয় গোপন নেটওয়ার্ক বা ‘স্লিপার সেল’ এখনো কার্যকর রয়েছে। এক সময় গোষ্ঠীটি ইরাকের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা দখল করে নিয়েছিল এবং হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছিল। এর মধ্যে শত শত মানুষকে হত্যার দৃশ্য তারা নিজেরাই ভিডিও করেছিল।

আরও পড়ুন: লেবাননের বিভিন্ন শহরে ইসরাইলের গোলাবর্ষণ, খিয়ামে চলছে তল্লাশি অভিযান

কুর্দি কমান্ডার সিরওয়ান বারজানি বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য, লজিস্টিক সহায়তা এবং ড্রোনের অনুপস্থিতি ইসলামিক স্টেটকে আবারও ব্যাপকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠতে নতুন সুযোগ করে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নজরুলের মানবতার চেতনায় বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি মিলনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


নজরুলের মানবতার চেতনায় বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি মিলনের

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কালীগঞ্জের সেন্ট নিকোলাস স্কুল অ্যান্ড কলেজে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

ফজলুল হক মিলন বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বিদ্রোহের কবি নন, তিনি সাম্য, মানবতা ও ভালোবাসার কবি। তাঁর সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্মে শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বার্তা রয়েছে। নতুন প্রজন্মকে নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও আদর্শ সম্পর্কে জানাতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সমাজ থেকে বৈষম্য, অন্যায় ও অসহিষ্ণুতা দূর করতে নজরুলের মানবতাবাদী চেতনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নজরুলের সাহিত্যচর্চা ও জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা নিতে হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম. কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হালদার।

সেন্ট নিকোলাস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মার্টিন পেরেরা ও আমেনা খাতুনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান খান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার এবং সেন্ট নিকোলাস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ব্রাদার উজ্জল পেরেরা, সিএসসি।

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনাসভা শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানে বিদেশিদের জন্য স্থায়ী বসবাসের নিয়ম কঠোর, বিপাকে তারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ পি.এম


জাপানে বিদেশিদের জন্য স্থায়ী বসবাসের নিয়ম কঠোর, বিপাকে তারা

জাপানের সরকার বিদেশিদের জন্য স্থায়ীভাবে বসবাসের নিয়ম আরো কঠোর করছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, স্থায়ী বসবাসের (পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি) আবেদনকারীদের আয়, জাপানি ভাষা দক্ষতা এবং আর্থিক সক্ষমতার বিষয়ে বাড়তি শর্ত পূরণ করতে হবে। এর ফলে, দীর্ঘদিন ধরে জাপানে বসবাস করা অনেক বিদেশির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন নিয়ম আগামী ১ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। নতুন শর্ত অনুযায়ী, স্থায়ী বসবাসের আবেদনকারীদের পরিবারের বার্ষিক আয় জাপানের গড় আয়ের তুলনায় বেশি হতে হবে। এপ্রিল থেকে জমা দেওয়া কিছু আবেদনের ক্ষেত্রেও এই শর্ত কার্যকর হবে।

অতিরিক্তভাবে, আবেদনকারীদের জাপানি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে। অবসরকালীন পেনশনের জন্য ৩০ বছরের সমপরিমাণ অর্থের ব্যবস্থা থাকার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

জাপানের ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সি জানিয়েছে, বিদেশিদের স্বনির্ভরভাবে জীবনযাপন করতে হবে এবং এমন আর্থিক পরিস্থিতিতে থাকতে হবে, যাতে তাদের ওপর রাষ্ট্রের নির্ভরতার ঝুঁকি না থাকে।

নতুন নিয়ম নিয়ে উদ্বিগ্নদের মধ্যে রয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে জাপানে বসবাসকারী বিদেশিরা। তাদের একজন বাংলাদেশের নাগরিক আবদুল। তিনি প্রায় আট বছর ধরে জাপানে কাজ করছেন। উত্তর টোকিওতে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করা এই প্রযুক্তি প্রকৌশলী স্থায়ী বসবাস ও জাপানের নাগরিকত্ব—দুইটির জন্য আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আল জাজিরাকে তিনি জানান, ভবিষ্যতে জাপান সরকার নিয়ম আরো কঠোর করবে কি না, তা নিয়ে তিনি চিন্তিত। আবেদন দুটিই প্রত্যাখ্যাত হলে জাপান ছেড়ে অন্য দেশে সুযোগ খোঁজার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

জাপানে ১৪ বছর ধরে বসবাসকারী মার্কিন নাগরিক সারাহ নেলকিনও নতুন নিয়ম নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিনোদন শিল্পে কাজ করা নেলকিন পরিবর্তিত নিয়ম ঘোষণার কিছুদিন আগে স্থায়ী বসবাসের আবেদন করেছিলেন। আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে জাপানের নাগরিকত্ব নেওয়ার কথা ভাবছেন তিনি। তবে জাপানে দ্বৈত নাগরিকত্ব স্বীকৃত না হওয়ায় সে ক্ষেত্রে তাকে মার্কিন নাগরিকত্ব ছাড়তে হতে পারে।

বিদেশি কর্মীর প্রয়োজন, তবু কড়াকড়ি

জাপানে জন্মহার কমে যাওয়ার কারণে দেশটির কর্মক্ষম জনসংখ্যা কমছে। বিভিন্ন খাতে শ্রমিকের ঘাটতি পূরণে বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। তবে একই সময়ে বিদেশিদের দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের ক্ষেত্রে নিয়ম কঠোর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মেইকাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক রিসা হাগিওয়ারা বলেন, জাপানের শ্রমবাজারে বিদেশি কর্মীদের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের শর্ত কঠিন হয়ে গেলে কাজের জন্য জাপানকে বেছে নেওয়ার আগ্রহ কমতে পারে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ জাপানে বিদেশি বাসিন্দার সংখ্যা বেড়ে রেকর্ড ৪১ লাখ ২০ হাজারে দাঁড়াবে, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩ শতাংশ।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে জাপানি নাগরিকের সংখ্যা ৯ লাখের বেশি কমেছে। ফলে জনসংখ্যা সংকট ও শ্রমিকের ঘাটতির মধ্যে বিদেশিদের নিয়ে জাপানের নীতি এখন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

এছাড়া, দেশটিতে বিদেশিদের নিয়ে জনমতেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্সের সাম্প্রতিক এক জরিপে ৫৬ দশমিক ৩ শতাংশ জাপানি নাগরিক জানিয়েছেন, তারা আরও বিদেশি গ্রহণের বিরোধী। ২০২৪ সালে এই হার ছিল ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

দীর্ঘদিন জাপানে থাকা বিদেশিদের কেউ কেউ সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইনে ও সামাজিক জীবনে বিদেশিদের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব বাড়ার কথা জানিয়েছেন।

সব মিলিয়ে, একদিকে শ্রমিক সংকট মোকাবেলায় জাপানের বিদেশি কর্মী প্রয়োজন, অন্যদিকে স্থায়ীভাবে বসবাসের ক্ষেত্রে বাড়ছে শর্ত ও কড়াকড়ি। ফলে জাপানে থাকা বিদেশিদের জন্য দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ শিক্ষা, এআই ও ডিজিটাল দক্ষতায় গুগলের সঙ্গে অংশীদারি চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


বাংলাদেশ শিক্ষা, এআই ও ডিজিটাল দক্ষতায় গুগলের সঙ্গে অংশীদারি চায়

বাংলাদেশ গুগলের সঙ্গে অংশীদারি গড়ে তুলতে চায় শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল দক্ষতা, ক্লাউড কম্পিউটিং ও সাইবার নিরাপত্তায়। এই লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের সদর দপ্তরে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠক করেছে।

মাউন্টেন ভিউয়ে গুগলের সদর দপ্তরে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল লস অ্যাঞ্জেলেসের উদ্যোগে এই বৈঠকটির আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। প্রতিনিধিদলে ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ; প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ; প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল কর্মকর্তা-২ কামরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব-১ মো. জাহিদুল ইসলাম। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল কাজী মোহাম্মদ জাবেদ ইকবালও উপস্থিত ছিলেন।

গুগলের পক্ষে বৈঠকে নেতৃত্ব দেন গুগল ফর এডুকেশনের স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড অপারেশনসের ভাইস প্রেসিডেন্ট দিব্যা জানি। বৈঠকে গুগলের নির্বাহী ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মারারিতুচ্চি, আবু সালেহ, গ্রেস কেলি ও মারিয়া তুবিও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিকায়নে প্রযুক্তি ও এআই ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়। শিক্ষকদের সক্ষমতা বাড়ানো এবং শিক্ষার ফলাফল উন্নত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ দক্ষতা উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারে বাংলাদেশ ও গুগলের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য এ ধরনের সহযোগিতার বাস্তব সুফল নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক শিক্ষার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষাক্রম উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল সংযোগ, উন্নত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা।

বৈঠকে সমন্বিত ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এর আওতায় লার্নিং ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন, ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর স্কুল পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয় রয়েছে।

এ ছাড়া এআইনির্ভর শিক্ষক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল নিরাপত্তা, শিক্ষক সনদ এবং শ্রেণিকক্ষে এআইয়ের দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়। গুগলের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন দেশে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, এআইনির্ভর শিক্ষা এবং শিক্ষার ফলাফল পরিমাপের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

আলোচনায় গুগল ওয়ার্কস্পেস ফর এডুকেশন, গুগল ক্লাসরুম, জেমিনি ফর এডুকেশন এবং প্রশিক্ষণ ও সনদের মাধ্যমে শিক্ষকদের সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন পদ্ধতিও উঠে আসে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এআই, ভার্চুয়াল লার্নিং, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার নিরাপত্তা ও ডেটা সায়েন্সে সহযোগিতার সম্ভাবনা তুলে ধরেন। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পেশাজীবী ও তরুণদের জন্য কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর শিক্ষা, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সঙ্গে কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীলতা ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের সংযোগের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বাংলাদেশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম জনশক্তির উৎস হিসেবে গড়ে তোলা এবং দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্থানীয় এআই ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ইউটিউব কনটেন্ট নির্মাতা বা ক্রিয়েটর ইকোসিস্টেম নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, উদ্যোক্তা কার্যক্রম ও সৃজনশীল কনটেন্টকে বৈশ্বিক দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে ক্রিয়েটরদের দক্ষতা, দায়িত্বশীল কনটেন্ট, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও টেকসই আয় নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে শিক্ষা, এআই, ডিজিটাল দক্ষতা, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল কনটেন্ট নিয়ে অগ্রাধিকারভিত্তিক উদ্যোগ চিহ্নিত করতে গুগল ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মধ্যে ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল গুগলের সঙ্গে পরবর্তী যোগাযোগ এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করবে। আলোচনায় উঠে আসা বিষয়গুলোকে বাস্তব প্রস্তাব ও বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে এ সমন্বয় করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং এর গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব এসেছে। এ বিষয়ে আরও উন্মুক্ত আলোচনা প্রয়োজন। সংসদ যে প্রক্রিয়া জনগণের জন্য উপযুক্ত মনে করবে, সেটিই গ্রহণ করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিভাবে এবং কাদের নিয়ে গঠন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব তথ্য জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বৈঠকে ইলেকট্রনিক মিডিয়া, টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন পোর্টাল, বার্তা সংস্থা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয়েছে। আজকের আলোচনায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও বিকেন্দ্রীকরণ, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির মতো বিভিন্ন বিষয়ে মতামত উঠে এসেছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই জাতীয় সনদে এ বিষয়ে কিছু প্রস্তাব ও ভিন্নমত বিদ্যমান। তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের জন্য কোন কোন ধাপ অনুসরণ করা হবে, তার একাধিক বিকল্প প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগকে অংশগ্রহণমূলক করতে কমিটি সকল রাজনৈতিক দলকে আলোচনায় আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। বিরোধী দলের কোনো বক্তব্য বা প্রস্তাব থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে বিবেচনা করা হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ ১০ বছর নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে বৈঠকে মতামত এসেছে। তিনি বলেন, কেউ কেউ মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার সময়সীমা নির্ধারণ করা গণতান্ত্রিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। জনগণ যদি কোনো নেতাকে পুনরায় দায়িত্বে দেখতে চায়, তাহলে সেই সুযোগ থাকা উচিত-এমন মতামতও এসেছে। তবে ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ যেন তৈরি না হয়, সে বিবেচনায় ১০ বছরের সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি ১০ বছরের সীমা নির্ধারণের যে প্রস্তাব জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের সময় দিয়েছিল, সে অবস্থান থেকে তারা এখনো সরে আসেনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে প্রণীত ও স্বাক্ষরিত হয়েছে, কমিটি সেটি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সনদের কোনো বিষয়ে ভিন্ন প্রস্তাব থাকলে আলোচনার মাধ্যমে তা বিবেচনা করা যেতে পারে।

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একক রাষ্ট্র হওয়ায় দেশের জন্য দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রয়োজন আছে কি না, সে বিষয়ে বৈঠকে প্রশ্ন উঠেছে। তবে জুলাই জাতীয় সনদে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়ে ঐকমত্য হওয়ায় কমিটি সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই এগোতে চায়। সংসদে এ বিষয়ে কোনো নতুন প্রস্তাব এলে তা বিবেচনার সুযোগ থাকবে।

কমিটির সভাপতি বলেন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়ার পর সংবিধান বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে। পরে সেই প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে এবং এর ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের বিল সংসদে আসবে। সংসদে বিল নিয়ে আলোচনা ছাড়াও সংসদের বাইরেও মতামত নেওয়ার সুযোগ থাকবে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাবেক সদস্য ও জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নে ভূমিকা রাখা ব্যক্তিদের সঙ্গেও কমিটি আলোচনা করবে। এ বিষয়ে আগেই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের ভিত্তি ছিল ছয়টি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন। এসব কমিশনের সঙ্গে প্রায় সব রাজনৈতিক দলের আলোচনা হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলোর ভিত্তিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কাজ করেছে। অন্যান্য সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন বর্তমানে সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ার বাধ্যতামূলক অংশ নয়। তবে সরকার প্রয়োজন মনে করলে ভবিষ্যতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে নতুন সংস্কার কমিশন গঠন করে সুপারিশ নিতে পারে। যেমন, গণমাধ্যম সংস্কার নিয়ে আলাদা কমিশন গঠন করা হলে তার বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশও পরবর্তীতে বিবেচনা করা সম্ভব।

তিনি আরও যোগ করেন, সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি পর্যায়ক্রমে সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, বিচারক ও সাবেক বিচারক, শিক্ষাবিদ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সামাজিক শক্তি, সংগঠন ও ব্যক্তিত্ব এবং গত ১৭ বছরে বিভিন্নভাবে নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার ও জীবিত ব্যক্তিদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করবে। জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারের সঙ্গেও মতবিনিময় করা হবে।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, কমিটির সদস্য ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, কমিটির সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, কমিটির সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং কমিটির সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%