শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৭ পি.এম
দীর্ঘ পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হচ্ছে।
বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, প্রশাসনিক জটিলতা ও স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে গত ৩০ আগস্ট থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিলেন ভারতের হিলির ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও পণ্য আমদানি বন্ধ রাখা হয়। এতে স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে এবং দুই দেশের শত শত শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েন।
এ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভারতের বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে হিলি স্থলবন্দরের অবকাঠামোগত সমস্যা, বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা এবং ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা।
ভারতের হিলি এক্সপোর্টার অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বিকাশ মণ্ডল জানান, প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস পাওয়ার পর ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় শনিবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে।
এদিকে হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বলেন, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়টি তারা শুনেছেন। তবে বৈঠকের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের এখনো লিখিতভাবে জানানো হয়নি।
ধর্মঘট প্রত্যাহারের ফলে শনিবার থেকে হিলি স্থলবন্দরে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরবে এবং দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে—এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন জানান, চলতি মাসের শেষের দিকে সারা দেশে হামের জন্য একটি বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে হামের প্রকোপ কমানোর জন্য টিকা কার্যক্রম চালু রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন এবং চিকিৎসাসেবা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা ও হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেন।
তিনি রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরে হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিলা বেলমিরোর বাজে পিচ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কোপা দো ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালে পালমেইরাসের কাছে হেরে যাওয়ার পর সান্তোসের বিদায়ের রাতে উরুর চোটে পড়ে প্রথমার্ধেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।
দুই লেগের খেলায় ৩-০ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে প্রবেশ করেছে পালমেইরাস।
ম্যাচ শেষে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ক্লাবের মাঠকর্মীদের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে নেইমার লেখেন, ‘অভিনন্দন, চমৎকার এক বাজে কাজ করেছেন! গতকালের ভিলা বেলমিরোর মাঠটি ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে ছিল। ম্যাচের ঠিক আগের দিন তারা ডিকম্প্যাকশনের কাজ করেছে, ফলে পুরো মাঠ গর্তে ভরা ছিল। অবিশ্বাস্য!’
অন্য একটি স্টোরিতে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিপক্ষের পাশাপাশি আমাদের নিজেদের মাঠের বিরুদ্ধেও খেলতে হয়েছে।
মাটি অমসৃণ থাকায় দৌড়ানো থামানো কিংবা শুরু করার জন্য অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করতে হয়েছে। শুধু প্রথমার্ধেই তিন ফুটবলার চোটের সমস্যায় পড়েনি!’
ম্যাচের ৪৩তম মিনিটে পালমেইরাসের ডিফেন্ডার অগাস্টিন জিয়াইয়ের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে দূর থেকে বাঁ পায়ে শট নিতে যান নেইমার। এরপর তার ডান উরুতে টান পড়ে এবং তিনি ডাগআউটের দিকে অস্বস্তির ইঙ্গিত দেন। প্রথমার্ধের বাকি সময় কষ্ট করে খেললেও বিরতির পর আর মাঠে নামেননি তিনি, তার জায়গায় রনিকে মাঠে নামান কোচ কুকা।
বৃহস্পতিবার প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নেইমারের চোটের পরীক্ষা করা হলেও সান্তোস আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানায়নি। তবে আগামী রবিবার ব্রাসিলেইরাওতে ইন্তারনাসিওনালের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে পাওয়া যাবে না বলে কোচ কুকা ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানান, ‘পরিস্থিতি ভালো নয়, সম্ভবত তিনি খেলতে পারবেন না। তাকে ছাড়াই আমাদের পরিকল্পনা সাজাতে হবে।’
আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ব্রাসিলেইরাও ম্যাচের পর বুধবার কোপা সুদেরামেরিকানার কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে অ্যাটলেটিকো মিনেইরোর মুখোমুখি হবে সান্তোস।
তবে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নেইমারকে পাওয়া যাবে কি না, তা মেডিকেল রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ (হাবিব) বলেছেন, বিএনপি বিশ্বাস করে যে, বাংলাদেশ কারো একার নয়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বিএনপি একটি ঐক্যের দল এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবে। ধর্ম যাই হোক, রাষ্ট্রের কাছে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমান।
আজ শুক্রবার রাজধানীর সবুজবাগ এলাকার একটি কালী মন্দিরে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলিম সকলেই একত্রিত হয়ে রক্তঝড়া আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলার জমিনে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে।
জুলাই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা খুনি হাসিনাকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়েছি।
তিনি উল্লেখ করেন, আমরা একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। গণতান্ত্রিক এই বাংলাদেশে বিভাজনের রাজনীতিতে আমাদের বিশ্বাস নেই। ধর্মের নামে বিভেদ চাই না।
আমরা জাতি-গোষ্ঠীর নামে বৈষম্য চাই না। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ঐক্য, সম্প্রীতি, সাম্য ও অধিকারভিত্তিক একটি বাংলাদেশ গঠন করা।
হাবিবুর রশিদ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে গড়ে ওঠা বিএনপি একটি ঐক্যের দল, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দল। এই দল বিশ্বাস করে যে, বাংলাদেশ কারো একার নয়। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবে।
তিনি বলেন, আমাদের সুস্পষ্ট নীতি হচ্ছে, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যাই হোক, রাষ্ট্রের কাছে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমান। প্রত্যেক মানুষ স্বাধীনভাবে তার নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। রাষ্ট্রের কাছ থেকে সবাই সমান মর্যাদা ও অধিকার পাবেন, এটাই আমাদের অঙ্গীকার।
সব ধর্মাবলম্বীর নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার জানিয়ে তিনি বলেন, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, বৌদ্ধ বিহারসহ প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা আমাদের সমানভাবে নিশ্চিত করতে হবে। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই যেখানে মানুষের পরিচয়ের কারণে কেউ ছোট হবে না। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না, যেখানে সংখ্যগরিষ্ঠ বা সংখ্যালঘু পরিচয়ে কারো অধিকার নির্ধারিত হবে। আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে সব নাগরিকের পরিচয় একটাই, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের সবার পরিচয় হচ্ছে, আমরা সবাই বাংলাদেশি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ওঠানামা এবং আমদানি ও প্রক্রিয়াকরণের বিভিন্ন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে দেশে ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করা হয়।
তিনি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মহাখালীতে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, সয়াবিন তেল সম্পূর্ণরূপে আমদানিনির্ভর পণ্য। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে এর দামে পরিবর্তন হলে দেশের বাজারেও তা সরাসরি প্রভাব ফেলে। আমদানি করা তেলের দাম নির্ধারণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি নির্দিষ্ট হিসাব পদ্ধতি বা ফর্মুলা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজ ভাড়া, খালাস ব্যয়, বিমা, রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াকরণ খরচ এবং পরিবহনকালীন অপচয় (ওয়েস্টেজ) যুক্ত করে দেশে ভোজ্যতেলের চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করা হয়।
মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক ইনডেক্স অনুসরণ করলেই সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীরা এই হিসাব মিলিয়ে দেখতে পারেন।
এফওবি মূল্য সম্পর্কে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পণ্য জাহাজে তুলে দেওয়া পর্যন্ত বিক্রেতার যে ব্যয় হয়, সেটিই এফওবি মূল্য। এরপরের ব্যয়গুলো আমদানিকারক বা ক্রেতাকে বহন করতে হয়।
তিনি জানান, বুধবার ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ভোজ্যতেলের দাম আরো বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রতি লিটারে ১০ টাকা দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। তবে ভোক্তাদের স্বার্থ ও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার তুলনামূলক কম হারে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, দেশে ভোজ্যতেলের ব্যবসা মূলত বেসরকারি খাতনির্ভর। আমদানিকারকরা দীর্ঘদিন লোকসানে থাকলে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হতে পারে। তাই বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং উদ্যোক্তারা যেন লোকসানের কারণে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য না হন, সে জন্য দাম নির্ধারণে একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ