প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দীর্ঘ পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হচ্ছে।
বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, প্রশাসনিক জটিলতা ও স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে গত ৩০ আগস্ট থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিলেন ভারতের হিলির ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও পণ্য আমদানি বন্ধ রাখা হয়। এতে স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে এবং দুই দেশের শত শত শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েন।
এ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভারতের বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে হিলি স্থলবন্দরের অবকাঠামোগত সমস্যা, বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা এবং ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা।
ভারতের হিলি এক্সপোর্টার অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বিকাশ মণ্ডল জানান, প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস পাওয়ার পর ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় শনিবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে।
এদিকে হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বলেন, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়টি তারা শুনেছেন। তবে বৈঠকের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের এখনো লিখিতভাবে জানানো হয়নি।
ধর্মঘট প্রত্যাহারের ফলে শনিবার থেকে হিলি স্থলবন্দরে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরবে এবং দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে—এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন