শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১১ পি.এম
যে ভাই ঠিকাদারের কাজ পেয়েছেন, তাকে অনুরোধ করা হচ্ছে যে সড়কের কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করবেন। মুরাদনগরের কাউকে চাঁদা দিতে হবে না, কাউকে ঘুষ দিতে হবে না। যদি কেউ চাঁদা বা ঘুষ চায়, তাহলে তাকে থানায় সোপর্দ করবেন। অন্যথায়, আমাকে জানাবেন। মুরাদনগর হবে চাঁদাবিহীন, ঘুষবিহীন এবং দুর্নীতিমুক্ত মুরাদনগর।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে মুরাদনগর টু রামচন্দ্রপুর, বাঞ্ছারামপুর সড়কের মুরাদনগর-রামচন্দ্রপুর অংশের সড়ক উন্নয়ন কাজের ভার্চুয়ালে শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন মুরাদনগরের ৬ বারের এমপি ও ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
ধর্মমন্ত্রী কাজী কায়কোবাদ বলেন, "আল্লাহর রহমতে আমাদের 'তারেক রহমান সাহেব' প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন বলেই আজ এ সড়কটি সংস্কার কাজ হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "মুরাদনগরে এ কয়েক মাসেই অনেকগুলো রাস্তা সংস্কার ও প্রশ্বস্ত করার সুযোগ করে দিয়েছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।" তিনি সকলের কাছে দোয়া চান, যেন আল্লাহ তাকে নেক হায়াত ও সুস্বাস্থ্য দান করেন এবং সকল ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করেন।
মন্ত্রী বলেন, "আল্লাহ কুদরতিভাবে মামলা থেকে মুক্ত করে ইজ্জত সহকারে দেশে নিয়ে এসেছেন। আপনারা আবার আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। আল্লাহ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনাদের কাছে আমি মাননীয় মন্ত্রী নই, আমি আপনাদের কামলা।" তিনি বলেন, "ছয়বার আমাকে নির্বাচিত করেছেন আপনাদের কাজ করার জন্য। আমি আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি এবং যতদিন আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রাখেন, কাজ করে যাব।"
যে ভাই কাজটি পেয়েছেন, তার জন্য বিশেষভাবে দোয়া করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, "যেন কাজটি ভালোভাবে সম্পন্ন হয়।" তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, "রাস্তাটা ভালো হলে মানুষ চলাচল করতে পারবে এবং শান্তি পেলে তার সওয়াব বর্তমান সরকার পাবে, তারা পাবে।"
কোম্পানিগঞ্জ-নবীনগর সড়ক ছাড়া এই রাস্তাটাসহ সড়ক জনপদের আওতায় মুরাদনগরের সকল রাস্তা আল্লাহ পাক আমাকে দিয়ে করিয়েছেন। তিনি বলেন, "স্বৈরাচার আমলে হয়েছে এমন কোন রাস্তা কেউ দেখাতে পারবে না। তারা আগের সড়কগুলোর সংস্কারও করেননি।"
ধর্মমন্ত্রী বলেন, "আমি চাই দুর্নীতিমুক্ত মুরাদনগর গড়তে, আমি চাই অন্যায়মুক্ত মুরাদনগর গড়তে, আমি চাই মাদকমুক্ত মুরাদনগর গড়তে। আমি এমন একটি মুরাদনগর চাই, যে মুরাদনগর হবে সাধারণ মানুষের মুরাদনগর, গরিব মানুষের মুরাদনগর। এটা ছাড়া আমার আর চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই।"
বর্ষায় নৌকা ও অন্য মৌসুমে পেয়ে হেঁটে চলাচল করা কামাল্লা-রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নবাসীসহ লক্ষ লক্ষ মানুষের দুঃখ ঘুচাতে মুরাদনগর টু রামচন্দ্রপুর সড়কটি করে দেন বর্তমান ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এমপি। তার হাত ধরেই কাচাঁ রাস্তা পাকাকরণ হয়। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগের ১৭ বছরে সে সড়কটি সংস্কারও করেননি আওয়ামী লীগের ২ এমপি।
ভাঙা সড়ক পরিণত হয় মরন ফাঁদে। সেই মরন ফাঁদ থেকে লক্ষ লক্ষ জনতাকে আবারো উদ্বার করলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এমপি।
সড়কটি সংস্কার কাজের উদ্ভোদনে হাসি ফুটেছে স্থানীয় জনতার মুখে। আনন্দিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও গাড়ি চালকরা।
সিএনজি চালক শাওন বলেন, "এতদিন ধরে গাড়ি চালাতে গিয়ে কোমড় ব্যাথা হয়ে যেত। আজ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্ভোদনে আমরা আনন্দিত। দাদাভাইয়ের জন্য আমরা দোয়া করি, আল্লাহ যেন নেক হায়াত দান করে।"
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা গোলাম মহিউদ্দিন বলেন, "এ সড়কটি মূলত আইল ছিল, তাও আঁকাবাকা, কাদা পানিতে ভরপুর। সে জায়গায় ১০ কিলোমিটার ১৮ ফিট সড়ক করেন আমাদের বর্তমান ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।"
তিনি বলেন, "সে সড়ক তার হাত ধরে হয়েছে, তিনিই আবার আজ সংস্কার কাজের উদ্ভোদন করলেন। এর মাঝে কেউ এ অঞ্চলের মানুষের দুঃখ দূর্দশার কথা ভাবেনি।"
জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি চৌধুরী রকিবুল হক শিপন বলেন, "সড়কটির বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্ত আর অধিকাংশ জায়গায় ভেঙে পড়েছে। মানুষ চলাচল করতে কষ্ট হত, প্রায়ই গাড়ি উল্টে দূর্ঘটনার শিকার হতে। আজ সড়ক সংস্কার উদ্ভোদনে মানুষের দুঃখ কষ্টের লাগব হবে।"
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা গোলাম মহিউদ্দিন এর সভাপতিত্বে উদ্ভোদনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা, মুরাদনগর উপজেলা কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাসান খান। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মহিউদ্দিন অন্জন, যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন ভুইয়া, নজরুল ইসলাম।
উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নাজিমুদ্দিনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন ধর্মমন্ত্রীর উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ শরীফ আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি চৌধুরী রকিবুল হক শিপন, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সোহেল আহমেদ বাবু, উপজেলা যুবদলের সভাপতি সোহেল সামাদ। সদস্য সচিব সৈয়দ হাসান আহমেদ। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফারুক আহমেদ বাদশাহ। ছাত্রদলের আহবায়ক খায়রুল আহসান প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার দাকোপ উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ নেত্রী ইয়াসমিন শেখ (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে, তার নিজ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ইয়াসমিন চুনকুড়ি গ্রামের সেকেন্দার আলী শেখের কন্যা। তিনি বাজুয়া ইউনিয়নের মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার সময় পানখালী মমতাজ বেগম স্কুলের পাশে স্থানীয় বিএনপি ও দলের প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় বিএনপির দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে ইয়াসমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবীর কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরে মহিলা লীগের এই নেত্রী আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে তিনি আরও জানান, আদালতের মাধ্যমে শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ইয়াসমিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে পরিচিত ঘোড়াঘাট দুর্গ এবং প্রাচীন সুরা মসজিদ পরিদর্শন করেছেন সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ. জেড. এম জাহিদ হোসেন, এমপি এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ঐতিহাসিক ঘোড়াঘাট দুর্গ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময়, তারা ঘোড়াঘাট দুর্গটির ইতিহাস, প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি, প্রাচীন স্থাপনাটির সংরক্ষণ ও উন্নয়নের বিষয়ে মতবিনিময়ও করেন। এর পরে, মন্ত্রী উপজেলার ঐতিহাসিক সুরা মসজিদ পরিদর্শনে যান। সেখানে, মসজিদের প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী ও নির্মাণকৌশল ঘুরে দেখার সুযোগ পান।
ঘোড়াঘাট দুর্গ ও সুরা মসজিদসহ ঐতিহাসিক বিভিন্ন নিদর্শন পরিদর্শনের মাধ্যমে উপজেলার প্রত্নসম্পদের সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পর্যটন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে স্থানীয় সুধীজন মনে করছেন। তারা আশাবাদী যে, যথাযথ সংরক্ষণ ও পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে ঘোড়াঘাটের প্রাচীন স্থাপনাগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সম্ভব হবে এবং এলাকাটি ঐতিহাসিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে আরও পরিচিতি লাভ করবে।
এ সময় দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা (পিপিএম), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ, ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান লাবলু, ঘোড়াঘাট পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলন, সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানে ৬ থেকে ১০ গ্রেডের ১৭ ক্যাটাগরিতে মোট ২২০ জন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন করার শেষ সময় আগামী ১৮ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১২টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
একনজরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
১. পদের নাম : অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-ইলেকট্রিক্যাল)
পদসংখ্যা : ৬টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল : ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
২. পদের নাম : অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (টেক্সটাইল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-টেক্সটাইল)
পদসংখ্যা : ৩টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল : ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৩. পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-লেদার)
পদসংখ্যা :২টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল : ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৪. পদের নাম : অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (আর্কিটেকচার)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-আর্কিটেকচার)
পদসংখ্যা : ৪টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : আর্কিটেক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল : ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৫. পদের নাম : অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (মেকানিক্যাল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-মেকানিক্যাল)/সহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল)
পদসংখ্যা : ৭টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল : ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৬. পদের নাম : অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-সিভিল)/সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)
পদসংখ্যা : ২২টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : সিভিল ইঞ্জিনিয়ারি বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল : ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৭. পদের নাম : সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল)/অফিসার (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার-ইলেকট্রিক্যাল)/উপসহকারী প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল)
পদসংখ্যা : ৮টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : ইলেকট্রিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন স্কেল : ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
৮. পদের নাম : সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (মেকানিক্যাল)/অফিসার (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার-মেকানিক্যাল)/উপসহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল)
পদসংখ্যা : ৯টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : মেকানিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন স্কেল : ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
৯. পদের নাম : সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)/অফিসার (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার-সিভিল)/উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ৩৬টি,
পদসংখ্যা : (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : সিভিল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি।
বেতন স্কেল : ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
১০. পদের নাম : সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (আর্কিটেকচার)
পদসংখ্যা : ১টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : আর্কিটেক্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন স্কেল : ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
১১. পদের নাম : সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (টেক্সটাইল)
পদসংখ্যা : ৪টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : প্রকৌশল বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা পাস।
বেতন স্কেল : ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
১২. পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (ল)/সিনিয়র অফিসার (আইন)/আইন অফিসার
পদসংখ্যা : ৮১টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : আইন বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল : ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৩. পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট)
পদসংখ্যা : ১৪টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : ব্যাংকিং, অর্থনীতি, ব্যবস্থাপনা, ফিন্যান্স এবং হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা সিএ/এফসিএ বা এমবিএ ডিগ্রি।
বেতন স্কেল : ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৪. পদের নাম : ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট
পদসংখ্যা : ১টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : বিবিএসহ এমবিএ বা এমবিএম। অথবা অর্থনীতি, কৃষি অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান বা ফাইন্যান্স ও ব্যাংকিংয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল : ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৫. পদের নাম : আইন কর্মকর্তা
পদসংখ্যা : ১টি, (গ্রেড-৬)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : আইন বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল : ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
১৬. পদের নাম : সিনিয়র অফিসার (নিরীক্ষা)
পদসংখ্যা : ২০টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : স্নাতকসহ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট কোর্স কম্পিটেড (সিসি)।
বেতন স্কেল : ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৭. পদের নাম : প্রটোকল অফিসার
পদসংখ্যা : ১টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা : যেকোনো বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল : ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
বয়সসীমা : ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ১ থেকে ১৭ নম্বর পর্যন্ত সব পদের প্রার্থীদের বয়স ২১ থেকে ৩২ হতে হবে। তবে ১৫ নম্বর পদের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর।
আবেদন ফি : ২০০ টাকা।
নিয়োগ দেবে আগোরা, রয়েছে সপ্তাহে ২ দিন ছুটিসহ উৎসব বোনাসনিয়োগ দেবে আগোরা, রয়েছে সপ্তাহে ২ দিন ছুটিসহ উৎসব বোনাস
আবেদনের নিয়ম : বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে এর আগে প্রার্থী তার বিদ্যমান সিভি আইডি নম্বর এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আবেদন করতে পারবেন।
অন্যদিকে, নতুন প্রার্থী তার পছন্দের পদের পাশে `Apply Online' এ ক্লিক করলে যে পেজটি ওপেন হবে, তার নিচের অংশে Register Now লিংক পাবেন। উক্ত লিংকে গিয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে নির্ধারিত ছক পূরণের পর `Submit Application' এ ক্লিক করলে উক্ত পদে তার আবেদন দাখিল সম্পন্ন হবে এবং একটি সিভি আইডি নম্বর পাবেন। এই সিভি আইডি নম্বর এবং পাসওয়ার্ড ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ ও সময় : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম মন্তব্য করেছেন যে, দেশের নষ্ট রাজনীতি কখনো বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদকে স্পর্শ বা প্রভাবিত করতে পারেনি। তিনি উল্লেখ করেন, আতাউস সামাদ নিজেই সিদ্ধান্ত নিতেন কী করবেন। তাকে দিয়ে কিছু করানো সম্ভব ছিল না। যদিও তিনি দেখতে নরম-সরম মানুষ ছিলেন, কিন্তু তার স্বাধীনচেতা মনোভাব ছিল। নিজের বিশ্বাস ও সিদ্ধান্ত থেকে তাকে সরানো সম্ভব ছিল না।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে আতাউস সামাদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টস (বিএজে) আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুস সালাম আরও বলেন, বর্তমানে আমরা একটি নষ্ট রাজনীতির মধ্যে আছি। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি। স্বাধীনতার সময় থেকেই এই ক্ষেত্রে বিচ্যুতি ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করার কথা ছিল। কিন্তু সাংবাদিকরাও সেই রাজনীতির সংক্রামক ব্যাধিতে জড়িয়ে পড়েছেন। এর ফলে সমাজ ও গণতন্ত্রের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশ আবার একটি গণতান্ত্রিক পথে হাঁটা শুরু করেছে। এ পথে কিছু ভুল-ত্রুটি থাকবে। তবে গণতন্ত্রকে ধরে রাখতে হবে এবং সরকারের পরিবর্তন নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে, সে চেষ্টা করতে হবে।
আবদুস সালাম সাংবাদিকতা ও সমাজ গঠনে সংবাদ ও সাংবাদিকতাকে রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আতাউস সামাদের মতো মানুষ খুবই বিরল, কিন্তু সাংবাদিকতায় এ ধরনের মানুষের উপস্থিতি জরুরি। তিনি বলেন, মানুষের মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেকের আলাদা আলাদা ক্ষেত্রে ভূমিকা রয়েছে। সমাজের প্রয়োজনে কেউ রাজনীতিবিদ, কেউ প্রকৌশলী, কেউ সাংবাদিক, আবার কেউ চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেন। নিজের নির্ধারিত ক্ষেত্রের বাইরে গিয়ে কাজ করলে সমাজে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে।
তিনি সাংবাদিকদের রাজনীতিকে রাজনীতিবিদ ও মেধাবীদের হাতে ফিরিয়ে আনতে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সময় রাজনীতিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন ও আদর্শ অনুসরণের কথাও উল্লেখ করেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ বলেন, আতাউস সামাদের সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় গুণ ছিল সংবাদের তথ্যের নির্ভুলতা ও সত্যতা। এরশাদ সরকারের সময় বিসিআইসি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে কর্মচারীদের এরশাদবিরোধী স্লোগানের খবর বিবিসিতে প্রচার করায় বাংলাদেশে বিবিসির কার্যালয় বন্ধ করে দেওয়া এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে তিনি সত্যের পক্ষে অটল ছিলেন এবং ভুল স্বীকার করেননি।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান অবজারভারে থাকাকালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কভার করা, শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনা গোপন চিরকুটে মাওলানা ভাসানীর কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ১৯৭০ সালের শেষ দিকে প্রেসক্লাব থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের স্লোগান নিয়ে মিছিলের নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে আতাউস সামাদ যুক্ত ছিলেন। বার্তা সংস্থা, সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও সাপ্তাহিকসহ সংবাদমাধ্যমের প্রায় সব শাখায় তিনি কাজ করেছেন। নীতিভিত্তিক ব্যক্তিত্বের কারণে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারাও তাকে সম্মান ও সমীহ করতেন।
বিএজের সভাপতি ও আমার দেশ-এর যুগ্ম সম্পাদক এম আবদুল্লাহ বলেন, আতাউস সামাদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। তিনি জুনিয়র সাংবাদিক ও সহকর্মীদের সঙ্গে বন্ধুর মতো আলোচনা করতেন। তার সঙ্গে দেখা হলে বয়সের ব্যবধান ঘুচে যেত। এভাবেই তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মিশে কাজ করতেন এবং করাতেন।
আতাউস সামাদের ভাতিজা ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত বলেন, আতাউস সামাদ শুধু একজন প্রখ্যাত সাংবাদিকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৎ, সাহসী ও সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত মানুষ। কাজের প্রতি তার আন্তরিকতা ও সততা ছিল অকৃত্রিম। গভীর রাতে ফোন করলেও তাকে রিপোর্ট ও পত্রিকা তৈরিতে মগ্ন দেখা যেত। জ্যেষ্ঠ ও শিক্ষকদের প্রতি তার শ্রদ্ধা এবং সাহসিকতা তরুণ সাংবাদিকদের জন্য অনুকরণীয়।
সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ও দ্য ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, নব্বইয়ের দশক-পরবর্তী দলীয় মেরুকরণের সময়ে আতাউস সামাদ বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে স্বাধীন ও পেশাদারিত্বের এক বিরল প্রতীক ছিলেন। সরকারি প্লট বা আর্থিক সুবিধার মোহে পড়ে তিনি কখনো নিজের স্বাধীনতা বিকিয়ে দেননি। তথ্যের নির্ভুলতা ও প্রত্যক্ষ সূত্রনির্ভরতা ছিল তার সাংবাদিকতার অন্যতম শক্তি।
সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট খাইরুল আনোয়ার মুকুল বলেন, শিক্ষক হিসেবে এবং পরবর্তীতে আমার দেশ ও এনটিভিতে সম্পাদক হিসেবে আতাউস সামাদকে পাওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল অনন্য। সাংবাদিকতায় তিনি ছিলেন নিখুঁত পারফেকশনিস্ট। ‘অজ্ঞাত সূত্র জানায়’ কিংবা ‘সংশ্লিষ্ট মহল’ বলে অনুমাননির্ভর প্রতিবেদন লেখা তিনি অপছন্দ করতেন। সুনির্দিষ্ট তথ্য, নাম ও দলিলের ভিত্তিতে নির্মোহ ভাষায় সংবাদ পরিবেশনের নির্দেশ দিতেন।
আমার দেশ-এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী বলেন, আমার দেশকে একটি ব্র্যান্ড ও জনপ্রিয় পত্রিকায় পরিণত করতে আতাউস সামাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। আমৃত্যু তিনি আমার দেশের সঙ্গে থেকে পত্রিকাটিকে মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে অবদান রেখেছেন। সাংবাদিকতা জীবনে তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে। শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সাংবাদিকতার নির্ভুলতার নীতি মেনে চলেছেন, যা সবার জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।
টাইমস অব বাংলাদেশ-এর উপদেষ্টা সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, আতাউস সামাদ ছিলেন পারফেকশনিস্ট। তিনি কাজে ফাঁকি ধরতে পারতেন এবং রিপোর্টের সূত্র স্পষ্ট রাখার বিষয়ে গুরুত্ব দিতেন। শিক্ষক, সাংবাদিক ও সম্পাদক হিসেবে তিনি অনেককে শিখিয়েছেন। সাংবাদিকতায় তার মতো মানুষের প্রয়োজন রয়েছে।
স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বিশিষ্ট লেখক ও টকশো ব্যক্তিত্ব সাখাওয়াত হোসেন শায়ন্ত, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, ডিইউজের সাবেক নেতা বেলায়েত হোসেন, আমিরুল ইসলাম অমর, বিটিভির সাংবাদিক মোরশের আলম প্রিন্সসহ অনেকে।
বিএজের সভাপতি এম আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বুরহান উদ্দিন ফয়সালের সঞ্চালনায় স্মরণসভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ