শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৪ পি.এম
ফিফা ২০ হাজার ডলার জরিমানা করেছে স্পেনকে, কারণ সমর্থকরা ইসলামবিদ্বেষী স্লোগান দিয়েছিল। গত মার্চে মিশরের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত একটি ম্যাচে, স্পেনের সমর্থকরা দুই দফায় ইসলামবিদ্বেষী স্লোগান দেন।
জরিমানার পাশাপাশি, স্পেনের পরবর্তী প্রীতি ম্যাচে স্টেডিয়ামের একটি অংশ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ফিফা এক বিবৃতিতে এই শাস্তির কথা জানিয়েছে।
বার্সেলোনার কাছে অবস্থিত লা লিগার ক্লাব এস্পানিওলের হোম ভেন্যু আরসিডিই স্টেডিয়ামে এ ঘটনাটি ঘটে। বিশ্বকাপের প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে মিসরের মুখোমুখি হয়েছিল স্পেন। গোলশূন্য ড্র হওয়া সেই ম্যাচে, স্পেনের কয়েকজন সমর্থককে ‘যে লাফাবে না, সে মুসলিম’ এমন স্লোগান দিতে শোনা যায়। দ্বিতীয়বার একই স্লোগান দেওয়ার পর, স্টেডিয়ামের ঘোষক সমর্থকদের সতর্ক করেন। স্কোরবোর্ডেও বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে একটি বার্তা প্রদর্শন করা হয়।
স্পেনের মুসলিম ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল তখন এই স্লোগানের তীব্র নিন্দা জানান। তিনি ঘটনাটিকে অসম্মানজনক ও অসহনীয় বলে বর্ণনা করেন এবং এর জন্য দায়ীদের ‘অজ্ঞ ও বর্ণবাদী’ বলে আখ্যায়িত করেন।
ঘটনার পরদিনই স্পেনের পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে, স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের (আরএফইএফ) বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কার্যক্রম শুরু করে ফিফা। আরএফইএফের যুক্তি ছিল, ‘মুসলিম’ শব্দটি নিজে থেকে অপমানজনক বা অবমাননাকর নয়। ফেডারেশনটির মতে, সমর্থকদের আচরণ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ফিফার ১৫ নম্বর ধারার পরিবর্তে ১৭ নম্বর ধারা প্রয়োগ করা উচিত। ১৭ নম্বর ধারায় রাজনৈতিক, মতাদর্শিক, ধর্মীয় বা আপত্তিকর বার্তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে, ১৫ নম্বর ধারায় বৈষম্য ও বর্ণবাদী আচরণের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার ধর্ম-বর্ণে বিভাজন চায় না, এমনটি উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন, রেল ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, "আমরা সম্প্রীতি নিশ্চিত ও প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।"
মন্ত্রী শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মাঠে আয়োজিত শারদীয় দুর্গাপূজার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
শারদীয় উৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, "ফ্যাসিবাদী আমলে বিচ্ছিন্নভাবে পূজা উদযাপন হলেও; এবারের আয়োজন হয়েছে ঐক্যবদ্ধ ভাবে।"
তিনি আরও বলেন, "সবাই ধর্মীয় স্বাধীনতা উপভোগ করবে; সরকার শুধু এটি বিশ্বাস করে না, প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।"
শেখ রবিউল আলম যোগ করেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন ন্যায্য অধিকার বুঝে পায় সে লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৬/১০/২০২৬ ইং তারিখ এ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নওগাঁর পোরশা উপজেলার সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীকে শুক্রবার বিকাল ৪ টা সময় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, পোরশা উপজেলা শাখা। দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া, সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করা এবং সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।শারদীয় দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে আনন্দ, মিলন ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি দুর্গোৎসব মানুষের মধ্যে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, পোরশা উপজেলা শাখার সভাপতি শ্রী গবেশ টপ্প্যর নেতৃত্বে সংগঠনের পক্ষ থেকে উপজেলার সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।সংগঠনের নেতৃবৃন্দের প্রত্যাশা, শারদীয় দুর্গোৎসব সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। একই সঙ্গে পোরশা উপজেলার সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী রিপন দাসসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকেও উৎসবের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়া এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখার প্রত্যাশা জানানো হয়েছে।নেতৃবৃন্দ মনে করেন, একটি সুন্দর ও মানবিক সমাজ গঠনে ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সকল মানুষের প্রতি সম্মান প্রদর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই উৎসবের আনন্দকে সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিয়ে পোরশা উপজেলায় সৌহার্দ্যপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যাশা তাঁদের।পরিশেষে, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, পোরশা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে উপজেলার সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীকে শারদীয় দুর্গাপূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। দুর্গোৎসব সবার জীবনে আনন্দ ও কল্যাণ বয়ে আনুক এবং সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট থাকুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার বাজেট ২০২৭ এর আওতায় দেশের সর্বনিম্ন বেতন ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার রিঙ্গিত করার সিদ্ধান্তের কথা প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ঘোষণা করেছেন। সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে কর্মরত বিপুল সংখ্যক বিদেশি কর্মীসহ প্রায় ৪০ লাখ কর্মী সরাসরি উপকৃত হবেন। তবে, ছোট ও মাঝারি ব্যবসার আর্থিক সামঞ্জস্য বজায় রাখার জন্য যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক বিক্রয় ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিতের কম, সেগুলোকে আপাতত এই বাধ্যবাধকতার বাইরে রাখা হয়েছে।
নতুন এই বেতন কাঠামো এবং নীতিমালা আগামী ২০২৭ সালের জুন মাস থেকে কার্যকর হবে। এ লক্ষ্যে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় গ্র্যাজুয়েট ও আধা-দক্ষ কর্মীদের জন্য প্রারম্ভিক বেতন সুশৃঙ্খল করার জন্য একটি বিশেষ নির্দেশিকা তৈরি করছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী আর. রামানন জানিয়েছেন, ‘মালয়েশিয়ান স্ট্যান্ডার্ড ক্লাসিফিকেশন অব অকুপেশনস’ (এমএএসসিও) এর ভিত্তিতে বিভিন্ন পেশা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার স্তর অনুযায়ী উপযুক্ত মূল বেতনের একটি স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে।
প্রস্তাবিত নীতিমালায় উচ্চশিক্ষিত গ্র্যাজুয়েটদের স্থানীয়দের পাশাপাশি প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আধা-দক্ষ ও কারিগরি কর্মীদের বেতন কাঠামো সমন্বয়ের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। এতে এমএএসসিও’র নির্দেশিকা অনুযায়ী আধা-দক্ষ কর্মী এবং কারিগরি সনদধারীদের (লেভেল ১ ও ২) দক্ষতার ভিত্তিতে একটি ন্যায্য বেতন ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে, যা সাধারণ শ্রমিক থেকে শুরু করে কারিগরি খাতে কর্মরত বিদেশী কর্মীদের আয়ের সুরক্ষা দেবে।
বেতন সংক্রান্ত অনিয়ম প্রতিরোধ এবং শ্রম আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য মন্ত্রণালয় একটি বিশেষ ‘ই-ওয়েজ’ মোডিউল চালুর পরিকল্পনা করেছে। ডিজিটাল এই পদ্ধতির মাধ্যমে দেশীয় কর্মীদের পাশাপাশি সকল বিদেশী কর্মীর সময়মতো এবং সঠিক হারে মূল বেতন পরিশোধ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে ন্যূনতম বেতন প্রদান বাধ্যতামূলক করতে ‘জাতীয় বেতন পরামর্শক পরিষদ আইন ২০১১’ সংশোধনের উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা সফরে যাচ্ছেন। ২২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর খুলনায় পৌঁছানোর সময় নির্ধারিত হয়েছে। সফরের সময় তিনি দাকোপ উপজেলার সুন্দরবনের নালিয়ান হয়ে করমজলে যাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফরকে কেন্দ্র করে জেলার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর তারা ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। তারা দাকোপের নলিয়ান, করমজল, হারবারিয়া, আকরাম পয়েন্ট ও হিরন পয়েন্ট পরিদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সুন্দরবন সফর কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। প্রশাসনের পাশাপাশি বিএনপির পক্ষ থেকেও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পি প্রধানমন্ত্রীর সফর স্থান পরিদর্শন করেছেন।
খুলনা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহুরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর ঘিরে জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ