০৭:১৫ এম
যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ হিসেবে পরিচিত। ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশটি বর্তমানে শীর্ষস্থানীয় দেশের মধ্যে একটি।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারকে অতিক্রম করেছে। প্রতিদিন ঋণের পরিমাণ সাত বিলিয়ন ডলার করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতি দেশের আর্থিক ইতিহাসে একটি উদ্বেগজনক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। কয়েক বছর আগে করা পূর্বাভাসের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের বোঝা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এর পেছনে দীর্ঘমেয়াদী বাজেট ঘাটতি এবং ঊর্ধ্বমুখী সুদের ব্যয় রয়েছে।
আর্থিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান পেটের জি. পেটারসন ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ প্রতিদিন প্রায় সাত বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আরও পড়ুন: জানাজা থেকে ফেরার পথে গ্রেপ্তার ইউপি চেয়ারম্যান, অসন্তোষ জানালেন প্রতিমন্ত্রী
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের পরিমাণ ২০১৬ সালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ২০১৬ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের মোট জাতীয় ঋণ ছিল ২০ ট্রিলিয়ন ডলারের কিছুটা কম।
গত এক দশকে এই ঋণ দ্বিগুণ হয়ে ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার আসলে কত বিশাল? এটি এক বিলিয়ন ডলারের ৪০ হাজার গুণ এবং এক মিলিয়ন ডলারের ৪০ মিলিয়ন গুণ।
কমিটি ফর রেসপনসিবল ফেডারেল বাজেটের প্রেসিডেন্ট মায়া ম্যাকগিনিয়াস মন্তব্য করেছেন, “এত বড় মাত্রায় টেকসই নয় এমন ঋণ গ্রহণ পুরো অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এটি জীবনযাত্রার ব্যয় ও সামর্থ্যসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টাকে কঠিন করে তোলে এবং আইন প্রণেতারা পদক্ষেপ না নিলে একটি বিপজ্জনক ঋণচক্রের ঝুঁকি তৈরি করবে।”
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের পরিমাণ দেশের অর্থনীতিতে উৎপাদিত সমস্ত পণ্য ও সেবার মোট মূল্যের চেয়েও বেশি। ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালিসিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আকার, যা মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) দিয়ে পরিমাপ করা হয়, ৩২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল।
আরও পড়ুন: মিয়ানমারে পাচারের সময় ৪৯২ বস্তা সারসহ ৮ পাচারকারী আটক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন