ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির পিসফুল ডিভোর্স হবে: রাশেদ খান


জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির পিসফুল ডিভোর্স হবে: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান এনসিপিকে জামায়াত জোট থেকে বের হয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের জন্য সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন, "এনসিপির ভাই ব্রাদারদের কেউ কেউ জানিয়েছে, এখনই ঘোষণা না দিলেও এক প্রকার পিসফুল ডিভোর্সের মত শীঘ্রই জামায়াত জোট থেকে বের হয়ে আসবে এনসিপি।"

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তিনি এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এই সম্ভাবনার কথা জানান।

রাশেদ খান উল্লেখ করেন, এনসিপির গণবিক্ষোভে আসিফ মাহমুদের বক্তব্য থেকে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়েছে। তিনি বলেন, "এই গণবিক্ষোভ থেকে ৩১ অক্টোবরের লংমার্চের পক্ষে তেমন কারও বক্তব্য চোখে পড়েনি।"

আরও পড়ুন: “অস্তিত্ব সংকটে বুড়িগঙ্গা, নদী বাঁচাতে বদলাতে হবে ঢাকার নগর কাঠামো”

ইতিবাচক দিক হিসেবে তিনি বলেন, অনেকদিন পর এনসিপির আজকের গণবিক্ষোভে কয়েক হাজার লোক উপস্থিত হয়েছে। জামায়াতের সাথে জোট করার পর থেকে এনসিপির কর্মসূচিগুলোতে খুব বেশি লোক আসছিল না। সেই তুলনায় দীর্ঘ সময় পরে হাজারের উপরে লোকের উপস্থিতি এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির জন্য আশাজাগানিয়া, যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, "এভাবে স্বতন্ত্র রাজনীতি করতে পারলে আগামী এক বছরের মধ্যে হয়তো এনসিপি একটি বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবে।" এবং আওয়ামী শূন্যতা পূরণে সক্ষম হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাশেদ বলেন, "এভাবে কাজ করতে থাকলে হয়তো আগামী জাতীয় নির্বাচনেও প্রধান বিরোধীদল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।" তিনি বলেন, "সেই স্বপ্নের কথা এনসিপি বারবার বলে আসছিলো। কিন্তু জামায়াতের পকেটে থেকে তো আর প্রধান বিরোধীদল হওয়া যাবে না।" এই উপলব্ধি এনসিপির অনেকের মধ্যে প্রবল হওয়ায় আজকের এই স্বতন্ত্র কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি জানান, এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির পথে বড় বাধা হচ্ছে এনসিপির ৮ এমপি। তারা আগামী বারও জামায়াতের ভোটে এমপি হতে জোটের রাজনীতি ধরে রাখতে মরিয়া। এনসিপির অধিকাংশ সদস্য স্বতন্ত্র রাজনীতির পক্ষে। দেখা যাক প্রাথমিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়, নাকি জামায়াতের পকেট সংগঠন হিসেবে থেকে যায় এনসিপি।

আরও পড়ুন: ইনানীর গ্যাসের আগুন নেভানো হচ্ছে না কেন? যা জানা গেল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় রাস্তা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, গাছ কাটার ও দখলের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪০ পি.এম


সাতক্ষীরায় রাস্তা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, গাছ কাটার ও দখলের অভিযোগ

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার একটি পল্লীতে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের কারণে সংঘর্ষ, গাছ কাটা এবং জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজন নারী আহত হওয়ার দাবি করেছেন এক পক্ষের লোকজন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের মানপুর সরদারপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ছবেদ আলী সরদারের ছেলে শরিফুল ইসলাম এবং আরিফুর ইসলামের সঙ্গে জব্বার সরদারের ছেলে সফিকুল, সৈয়দ আলীর ছেলে আমিরুল এবং লতিফ সরদারের ছেলে আবুল কাশেমসহ তাদের শরিকদের মধ্যে চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধ চলছে। এই বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আদালতে জমিজমা সংক্রান্ত একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।

আবুল কাশেম অভিযোগ করেছেন, আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে শরিফুল ও আরিফুল শতাধিক লোক নিয়ে কবরস্থানের সীমানার বেড়া কেটে গাছপালা কর্তন করে জমি দখল করেন। বাধা দিলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এই হামলায় জাহানারা খাতুন, লুৎফুন্নেছা ও নাজমুন নাহার আহত হন।

নাজমুন নাহার দাবি করেছেন, হামলার সময় তার কানের দুল এবং গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

অন্যদিকে, শরিফুল ইসলাম ও আরিফুর ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তারা প্রায় ৭০ বছর ধরে ওই পথ দিয়ে চলাচল করে আসছেন। ৩-৪ মাস আগে প্রতিপক্ষ বেড়া দিয়ে চলাচলের পথটি সংকুচিত করে দেওয়ায় তাদের পোল্ট্রি খামারের মালামাল পরিবহন ও বিপণনে সমস্যা হচ্ছিল। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা চলাচলের পথ সম্প্রসারণ করেছেন এবং পথের মধ্যে থাকা গাছপালা কর্তন করেছেন।

তাদের দাবি, তারা কোনো হামলা বা ছিনতাই করেননি; বরং পথ সম্প্রসারণ করতে গেলে প্রতিপক্ষ তাদের ওপর হামলা করে। তারা আত্মরক্ষার চেষ্টা করেছেন মাত্র।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জামাল ফারুক বলেছেন, বিরোধপূর্ণ জায়গাটিতে উভয় পক্ষেরই স্বত্ব দাবি রয়েছে। পূর্বপুরুষদের সময় থেকে দীর্ঘদিন ধরে সবাই ওই পথ দিয়ে চলাচল করে আসছেন। তবে কয়েক মাস আগে একটি পক্ষ বেড়া দিয়ে পথটি সংকুচিত করে দেয়। উভয় পক্ষকে নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একাধিকবার চেষ্টা করেও সমাধান করা সম্ভব হয়নি। পরে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শরিফুল ইসলামরা পথটি সম্প্রসারণ করেছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাস্তার প্রকৃত সীমানা, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি ও আদালতের নির্দেশনা এবং সংঘর্ষের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘হেডাম’ দেখাতে চাইলে বিএনপি করা যাবে না: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪০ পি.এম


‘হেডাম’ দেখাতে চাইলে বিএনপি করা যাবে না: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, চাঁদাবাজি, সালিশ-বাণিজ্য, জুলুম, নির্যাতন ও নিপীড়নের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে থাকার সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন, "কেউ নিজের ‘হেডাম’ দেখাতে চাইলেও বিএনপি করা যাবে না।"

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ভাতঘরা দয়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন আরও জানান, মাদক ও জুয়া বন্ধে বিভিন্ন ইউনিয়নে সমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। তবে আজকের সমাবেশে গ্রুপিংয়ের কারণে কিছু মানুষ অসহযোগিতা করছেন। তিনি বলেন, "দলের মধ্যে কোনো গ্রুপিং করা যাবে না। দল এখন ক্ষমতায়, বিএনপি করার লোকের অভাব হবে না।" তিনি সতর্ক করেছেন যে, দলের মধ্যে থেকে যারা বেইমানি করবেন, তাদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

তিনি উল্লেখ করেন, "বিগত নির্বাচনে আমার সঙ্গে থেকেও যারা বেইমানি করেছেন, আমি তাদের চিনি। তারা আমার কাছে কখনো প্রশ্রয় পাবেন না।"

দলীয় কোন্দলের বিষয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, "আপনারা গ্রুপিং করলে লাভ হবে জামায়াতের। জামায়াত সুযোগ নিয়ে ফায়দা লুটবে।"

তিনি আরও জানান, তিনি কোনো বিভাজন চান না, বরং ঐক্য চান। আগামী স্থানীয় নির্বাচনে গ্রুপিং থাকলে দলের পাশাপাশি নেতাকর্মীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এমন পরিস্থিতি হতে দেওয়া হবে না।

কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাদক, আত্মহত্যা, বাল্যবিবাহ, নারী নির্যাতন, যৌতুক ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে এ সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদ।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ থানার ওসি জুলফিকার আলী। এছাড়া বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তবিবর রহমান মিনি, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. নুরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইসরাইল হোসেন জীবন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াস রহমান মিঠু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুজ্জামান স্বপন, মোস্তাফিজুর রহমান কাজল, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মারুফ বিল্লাহসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটক সংখ্যা বাড়ছে, নিরাপত্তা জোরদারের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪১ পি.এম


কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটক সংখ্যা বাড়ছে, নিরাপত্তা জোরদারের দাবি

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগের জন্য পর্যটকরা প্রতিদিনই আসছেন। পর্যটন মৌসুম শুরু হওয়ার কারণে, কক্সবাজারে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়ছে।

বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে সৈকতে পর্যটকদের ভিড় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ভিড়ের ফলে পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসায়ও প্রাণ ফিরে এসেছে। তবে, পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা, হয়রানি প্রতিরোধ এবং সার্বিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, সাগরের ঢেউ, বিস্তীর্ণ বালুচর এবং দিগন্তজোড়া নীল জলরাশি উপভোগ করতে সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে পর্যটকরা ভিড় করছেন। কেউ পরিবার নিয়ে, আবার কেউ বন্ধুদের সঙ্গে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছেন। অনেকেই ব্যস্ত ছবি তোলা ও আনন্দঘন মুহূর্তগুলো স্মৃতিতে ধরে রাখতে।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা শিশু আদিবুর রহমান জানায়, সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য তার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। বিশেষ করে জোয়ারের সময় বড় বড় ঢেউ ও স্রোত উপভোগ করতে তার বেশি ভালো লাগে। ঢেউয়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা এবং লাফালাফি করতে সে আনন্দ পায়।

গাজীপুর থেকে পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা আতিকুর রহমান বলেন, সমুদ্র দেখার জন্য অনেক দূর পথ পাড়ি দিয়ে কক্সবাজারে এসেছেন। এখানকার পরিবেশ তার ভালো লাগছে। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং সন্তান বাদশার সমুদ্রের পানিতে খেলাধুলা উপভোগ করছেন তিনি।

লিলি আক্তার স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে এসেছেন বিবাহবার্ষিকীর পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে। লিলি জানান, অনেক দূর পথ পাড়ি দিয়ে এলেও সমুদ্রসৈকতের মনোরম পরিবেশে এসে সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে। পরিবারের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটাতে পেরে তিনি খুশি।

অন্যদিকে, স্ত্রী, সন্তান, ভাগনি ও বন্ধুদের নিয়ে সৈকতে ঘুরতে আসা সাদেক হোসেন বলেন, দৈনন্দিন ব্যস্ততা ও ক্লান্তি দূর করতে পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের নিয়ে এখানে এসেছেন। সমুদ্রের ঢেউ এবং সৈকতের পরিবেশ তাকে মুগ্ধ করেছে।

পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর ফলে সৈকতকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যেও কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে। হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ এবং সৈকতপাড়ের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বাড়ছে ব্যস্ততা। তবে, পর্যটকের এই বাড়তি চাপ সামাল দিতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইসের মহাব্যবস্থাপক মো. ইয়াকুব আলী বলেন, নভেম্বরের শুরু থেকেই পর্যটন মৌসুম শুরু হচ্ছে। গত মাসে ঘটে যাওয়া কয়েকটি দুর্ঘটনার দায় কোনো পক্ষই এড়াতে পারে না। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রশাসন, স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং হোটেল কর্তৃপক্ষ-সবার। বিশেষ করে সেন্ট মার্টিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হওয়ায় এবার পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তাঁরা আশা করছেন। তবে, পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

এদিকে, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতি বিবেচনায় সমুদ্রসৈকতে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছেন লাইফগার্ড কর্মীরা।

সী সেফ লাইফগার্ড সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মী মো. জহিরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় পর্যটকের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি থাকে। তাঁদের নিরাপত্তায় সৈকতের তিনটি পয়েন্টে তিন স্তরে কাজ করছেন লাইফগার্ড কর্মীরা। ওয়াচ টাওয়ার থেকে পর্যটকদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়। পানিতে থাকা একটি দল গভীর পানিতে চলে যাওয়া পর্যটকদের নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে কাজ করে। অন্য সদস্যরা সৈকতে টহল দেন। বিশেষ করে শিশু ও নারী পর্যটকদের নিরাপত্তায় নজর রাখা হয়, যাতে সৈকতের বিপজ্জনক গর্ত বা অন্য কোনো ঝুঁকিতে পড়ে কেউ দুর্ঘটনার শিকার না হন।

পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা, হয়রানিমুক্ত পরিবেশ এবং নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা গেলে কক্সবাজারে পর্যটকের আগমন আরও বাড়বে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা ও যুবদলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মোঃ আবুল কালাম এমপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ পি.এম


গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা ও যুবদলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মোঃ আবুল কালাম এমপি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রহমত উল্লাহ জিকুর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আমান উল্লাহ চৌধুরীর সঞ্চালনায় মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

​

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কুমিল্লা -৯ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম।

তিনি বলেন, "যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে মনোহরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আয়োজনে আয়োজিত আজকের অনুষ্ঠানে সকলকে রক্তিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।"

এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুবদল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রাণশক্তি। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যুবদল সবসময় রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। তিনি যুবদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে আহ্বান জানান যে, আগামী দিনেও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, "গত সংসদ নির্বাচনে আমি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ের সময় যুবদলের ভূমিকা ছিলো প্রশংসনীয়।"

এজন্য তিনি মনোহরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সকল নেতাকর্মীকে তার পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান।

তিনি আরও বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটাই নাজুক।

মনোহরগঞ্জ উপজেলায় কুমিল্লা -নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক ছাড়া আর কোন আঞ্চলিক সড়ক নেই, যে সড়ক দিয়ে বাস চলাচল করবে।

তিনি উল্লেখ করেন, "আমি মহান সংসদে মনোহরগঞ্জ উপজেলায় নতুন করে ২টি হাইওয়ে সড়ক অনুমোদনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, খুব সহসাই আপনার তার সুফল দেখতে পাবেন।"

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন, সিনিয়র সহ সভাপতি শাহ সুলতান খোকন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিএনপির সহ সভাপতি অধ্যাপক আলী মর্তুজা, জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবাল বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুল আলম বাচ্চু, মোবারক হোসেন, দপ্তর সম্পাদক জিএম আহসান উল্লাহ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক বাহরুল ইসলাম বাবর, জহিরুল ইসলাম জুয়েল, উপজেলা ছাত্র দলের সভাপতি মোবারক হোসেন বিল্লাল, সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মেহেদী প্রমুখ।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভা শেষে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালিতে সকল অতিথি, উপজেলা যুবদল এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ব্যানার, ফেস্টুন ও প্লেকার্ড হাতে নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, সেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%