ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন


চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চাঁদপুর সদর উপজেলা শাখার ১৮ সদস্যের উপদেষ্টা মণ্ডলী এবং ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এই কমিটি গত ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে অনুমোদন দেওয়া হয়।

চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এবং সাধারণ সম্পাদক (চাঁদপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক) একেএম সলিম উল্যা সেলিম যৌথভাবে এই কমিটিতে স্বাক্ষর করেছেন। এর পরে, গত রবিবার (২ আগস্ট) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃবৃন্দের কাছে কমিটির কাগজপত্রের অনুলিপি হস্তান্তর করা হয়েছে। শামীল সভাপতি হিসেবে রয়েছেন শাহজালাল মিশন, এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন মো. হযরত আলী ঢালী। সহ সভাপতি পদে রয়েছেন অ্যাড. জাকির হোসেন ফয়সাল, আলমগীর আলম জুয়েল, মোহাম্মদ আলী খান, আব্দুল বাতেন চৌধুরী, একেএম. ফজলুল হক সেলিম, মনিরুজ্জামান মানিক, আব্দুল মান্নান খান, আলাউদ্দিন তালুকদার, কাজী জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, আবু তাহের মিজি খোকা, মাসুদ পারভেজ বাবু পাটওয়ারী, মো. বাকের খন্দকার, মো. জাকির হোসেন তালুকদার এবং মো. মোশারফ হোসেন শিকদার। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন মো. আকতার হোসেন সাগর, গাজী মো. মাসুদ রায়হান, পীরজাদা বরকত উল্লাহ খান, অ্যাড. আলম খান মঞ্জু, অ্যাড. মাহমুদ হাসান কবির এবং অ্যাড. শিরিন আক্তার সুপ্তা। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন মাও. জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন অ্যাড. তাফাজ্জল হোসেন, অ্যাড. জসিম মেহেদী, দপ্তর সম্পাদক শরীফ আহমেদ খান, প্রচার সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন অ্যাড. কাইয়ুম মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মো. ইউসুফ গাজী, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো. মোক্তার হোসেন গাজী, মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন মিজি, যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম নজু, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আবু হানিফ কাকন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শাহিন আক্তার শানু, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জিসান আহমেদ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক চন্দন কুমার দত্ত, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. নজরুল আহসান, প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান স্বপন, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক সেলিম পাঠোয়ারী বাবুল, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল্লাহ দর্জি, ক্ষুদ্র ঋণ ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক কাজী মো. আলাউদ্দিন, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান পিটার, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন খান, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক মো. আমির হোসেন গাজী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাও. নুরুল ইসলাম, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এসএ. ইউসুফ মিন্টু মিজি, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক স্বপন মাহমুদ, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সেলিম মিরাজী, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. রেহেনা ইব্রাহিম (কচি), পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির সরদার, সহ-কোষাধ্যক্ষ কাজী আলী আশ্রাফ রিপন, সহ-সাংগঠনিক বিষয়ক সম্পাদক শাহজেলাল সরকার মিলন, মাহবুবুর রহমান মেম্বার, অ্যাড. সালমা বেগম, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক আঃ মান্নান খান কাজল, সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক পীরজাদা জুনায়েদ উল্লাহ খান, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাসরিন আক্তার, সহ-দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদা আক্তার, সহ-প্রচার সম্পাদক জয়নাল মাতাব্বর, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ খান। কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন জসিম উদ্দিন খান বাবুল, দেওয়ান মো. শফিকুজ্জামান, খলিলুর রহমান গাজী, ফেরদৌস আলম বাবু, অ্যাড. জহির উদ্দিন বাবর, অ্যাড. শামসুল ইসলাম মন্টু, অ্যাড. মুনিরা চৌধুরী, অ্যাড. কৌহিনুর রশিদ, এটিএম. আব্দুল মতিন (তাহের), মানিকুর রহমান মানিক, এনায়েত উল্লাহ খোকন, অ্যাড. রফিকুল হাসান রিপন, মো. সরওয়ার গাজী, আবুল কালাম আজাদ, সোলায়মান ঢালী, ইমাম হোসেন গাজী, শেখ মোহাম্মদ হাবিব, জাকির মৃধা, জয়নাল আবেদীন বেপারী, সোলাইমান ভুট্টু, আব্দুর রাজ্জাক, হাজী ওসমান গাজী, ডা. তালিম হোসেন পাঠান, মোফাজ্জল হোসেন মফু মেম্বার, চাঁন মিয়া চকিদার, মো. সুমন ভূঁইয়া, মো. নাছির খান, তালহা ফারুকী সঞ্জয়, জাহাঙ্গীর হোসেন পাটওয়ারী, সাইফুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন মিজি, দ্বীন মোহাম্মদ, মো. খাইরুল বাশার, মো. শাহাদাত মিজি, মো. খোরশেদ আলম বাবুল মোল্লা, মো. শহীদ বেপারী, মো. আবুল হোসেন বেপারী, আবুল হাশেম চোকদার, মো. হারুনুর রশীদ, খাদিজা আক্তার এবং জান্নাত আক্তার। কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীতে রয়েছেন আলহাজ বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ মাষ্টার, শেখ আব্দুর রশিদ, অ্যাড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, আজহার উদ্দিন মিয়া, মো. আবুল প্ৰধানীয়া, আলফাজ উদ্দিন আলফু, মো. ইউসুফ খান, মো. হুমায়ুন কবির হিমু, মো. বিল্লাল বেপারী, আবুল কালাম জমাদার, সরদার মো. রফিকুল ইসলাম (সাবেক চেয়ারম্যান), বোরহান খান, রফিকুল ইসলাম খোকন মল্লিক, সিরাজুল ইসলাম তালুকদার, মুক্তার হোসেন বাবুল সরকার, হাফেজ ওয়ালী উল্লাহ, মো. সিরাজ প্ৰধানীয়া এবং জিএম জহিরুল ইসলাম। সংসদ সদস্য(চাঁদপুর ৩) শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিকের মিডিয়া সেলের সদস্য এসএম সোহেল প্রেরিত এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফেনীতে মাদক সেবনের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতা সহ ৪ জন গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাড়া বাসায় পর্নোগ্রাফি তৈরির ঘটনায় নতুন তথ্য প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩২ এম


ভাড়া বাসায় পর্নোগ্রাফি তৈরির ঘটনায় নতুন তথ্য প্রকাশ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রাতে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার লোভে মোবাইল দিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির অভিযোগে চারজনকে, যার মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন, গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সম্পর্কিত থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (০৩ আগস্ট) বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার হীরকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় পুলিশ পর্নোগ্রাফি ভিডিও তৈরির কাজে ব্যবহৃত মোবাইলসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের মামুনী আক্তার (২৪), গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অভিরামপুর হাজিপাড়ার রাকিবুল হাসান রাকিব (৩০), সাদুল্লাপুর উপজেলার নিশ্চিন্তপুরের রেজেনা খাতুন সাথী (২৮) এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের মামুন অর রশিদ (৩০)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার হীরকপাড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে এই ধরনের অসামাজিক ও অপরাধমূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

জাহিদ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া নারীরা প্রায়ই এই বাসায় অনেক নারীদের নিয়ে আসতেন। আমাদের সন্দেহ ছিল। এরা সমাজকে নষ্ট করে ফেলছে। আমি শুনেছি, রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার জন্য এই কাজগুলো তারা করছেন। আমরা তাদের শাস্তি চাই।

ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতকদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্ণীপুরে কাভারভ্যানের চাপায় প্রাণ গেল সপ্তম শ্রেণির ছাত্র নিহাদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ এম


লক্ষ্ণীপুরে কাভারভ্যানের চাপায় প্রাণ গেল সপ্তম শ্রেণির ছাত্র নিহাদের

লক্ষ্ণীপুর সদর উপজেলার বিজয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে কাভারভ্যানের চাপায় মো. নিহাদ (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এটি সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে ঘটে যাওয়া এক দুর্ঘটনা, যার ফলে পরিবার, সহপাঠী ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত নিহাদ সদর উপজেলার ১ নম্বর উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের খলিল মোহাম্মদের বাড়ির বাসিন্দা মোহাম্মদ আজাদের ছেলে, এবং তিনি বিজয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

এদিকে, একমাত্র সন্তানের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়েছে নিহাদের পরিবার। এলাকাবাসীদের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে ভারী যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা আবশ্যক। তারা বলেছেন, যদি এ পদক্ষেপগুলি দ্রুত না নেওয়া হয়, তবে ভবিষ্যতেও এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই যেন আর কোনো পরিবার এভাবে সন্তান হারানোর যন্ত্রণায় ভুগতে না পারে, সে জন্য তারা কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিনের মতো বিকেলে স্কুল মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা শেষে সাইকেলে বাড়ি ফিরছিল নিহাদ। ঠিক স্কুলের সামনেই রামগঞ্জ থেকে আসা একটি কাভারভ্যান তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। মুহূর্তেই আনন্দমুখর বিকেলটি শোকের মাতমে রূপ নেয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা কাভারভ্যানটি আটক করতে সক্ষম হলেও চালক পালিয়ে যাওয়ার মধ্যে থাকে। দুর্ঘটনার পর স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্বজন এবং স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই মন্তব্য করেন যে বিদ্যালয়ের সামনে ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকি তৈরি করছে। কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন যে, নিয়ম অনুযায়ী রাত ১০টার পর ড্রাম ট্রাক ও কাভারভ্যান চলাচলের অনুমতি থাকলেও দিনের বেলাতেও এসব ভারী যানবাহন দ্রুতগতিতে চলছে। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে গতিনিয়ন্ত্রণের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, "স্কুল ছুটির সময় প্রতিদিনই এখানে ছোট-বড় শিক্ষার্থীরা সড়ক পার হয়। অথচ ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। আজ একটি নিষ্পাপ প্রাণ চলে গেল। আমরা চাই, স্কুলের সামনে স্পিড ব্রেকার, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং ভারী যান চলাচলে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা হোক।"

লক্ষ্ণীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ জানালেন, "খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত কাভারভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘স্বৈরাচারের স্থান ডাস্টবিনে’ জকসুর কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪২ এম


‘স্বৈরাচারের স্থান ডাস্টবিনে’ জকসুর কর্মসূচি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত এবং আহতদের স্মরণ করতে, সেই সঙ্গে স্বৈরাচার, সহিংসতা ও গণতন্ত্রবিরোধী রাজনীতির প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) একটি প্রতীকী কর্মসূচি পালন করেছে।

সোমবার (৩ আগস্ট), বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ‘স্বৈরাচারের স্থানে ডাস্টবিনে’ নামক কর্মসূচিতে জকসুর নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্বৈরাচার, গুম, খুন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, স্টান্টবাজি, সহিংসতা এবং শিক্ষাঙ্গণে দলীয় রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি দৃঢ় অবস্থান নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির উদ্যোক্তা হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক মো. নুর নবী কাজ করেছেন।

জকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক মো. নূর নবী এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করে বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ এবং আহতদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতেই আমরা এই কর্মসূচি পালন করছি। স্বৈরাচার, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, স্টান্টবাজি, সহিংসতা এবং শিক্ষাঙ্গণের দলীয় রাজনীতির জন্য স্থান নেই।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘গণতন্ত্র, জবাবদিহি এবং আইনের শাসনের পক্ষে একটি কার্যকর অবস্থান নিতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জকসু গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবে।’

জকসু জানায়, এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো স্বৈরাচার, দমন-পীড়ন, গুম, খুন এবং গণতন্ত্রবিরোধী রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি প্রতীকীভাবে ঘৃণা ও প্রত্যাখ্যানের বার্তা বহন করা। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে কোনো স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাও এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হাবিব মোহাম্মদ ফারুক, নির্বাহী সদস্য ফাতেমা আক্তার, আব্দুল্লাহ আল ফারুক, মেহেদী হাসান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত কয়েকজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৮ এম


বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত কয়েকজন

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) শাখা ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষের একটি ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে কয়েজন আহত হয়েছেন।

ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

সোমবার, ৩ আগস্ট, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে জুডিশিয়াল কিলিংয়ের শিকার হয়েছে এমন দাবি করা কয়েকজন নেতার ছবি প্রদর্শন করা হয়।

এই সময়, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ওই ছবিগুলোর কয়েকটি নিয়ে আপত্তি তোলে।

ছাত্রদলের নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিতর্কিত ভূমিকা রাখা কয়েকজন ব্যক্তির ছবিকে প্রদর্শনীতে রাখা হয়েছে, যা তারা গ্রহণযোগ্য মনে করেননি। তারা এসব ছবির অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানান।

অন্যদিকে, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত ছবি ও তথ্য তারা সরাবেন না। শুরুতে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে তা উত্তেজনায় পরিণত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যের পর উভয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে জমা হতে থাকেন এবং একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

এই ঘটনায় ইট-পাটকেল ও চেয়ার নিক্ষেপের পাশাপাশি লাঠিসোঁটা দিয়েও একে অপরের ওপর হামলা করা হয়। সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হন যাদের মধ্যে উভয় সংগঠনের নেতাকর্মী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে রাত পর্যন্ত আহতদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে; সাধারণ শিক্ষার্থীরা দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন। রাত ১২টা পর্যন্ত ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘একটি প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী ও প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা কোনো ধরনের সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।’

এ বিষয়ে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং জড়িতদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ক্যাম্পাসে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%