ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চীনের নতুন প্রযুক্তিতে জেট জ্বালানি উৎপাদনে ৫০% মুনাফার সম্ভাবনা


চীনের নতুন প্রযুক্তিতে জেট জ্বালানি উৎপাদনে ৫০% মুনাফার সম্ভাবনা

চীনা গবেষকদের দ্বারা কাঠজাত জৈববস্তু থেকে টেকসই উড়োজাহাজ জ্বালানি উৎপাদনে নতুন প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তাঁদের উদ্ভাবিত রাসায়নিক অনুঘটকের মাধ্যমে সংশ্লেষণ গ্যাস থেকে জেট জ্বালানি তৈরির পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক ফলাফল দেখা গেছে।

গবেষকদের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যদি একটি প্রস্তাবিত কারখানায় বছরে এক লাখ টন জ্বালানি উৎপাদন করা হয়, তাহলে মোট মুনাফার হার ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারে। এ প্রযুক্তি যদি বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়, তাহলে বিমান চলাচল খাতে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য অর্জনেও সহায়তা করবে।

এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চীনা গবেষকেরা এমন একটি রাসায়নিক অনুঘটক তৈরি করেছেন, যা কাঠজাত জৈববস্তু থেকে উৎপন্ন সংশ্লেষণ গ্যাস বা সিনগ্যাসকে টেকসই জেট জ্বালানিতে রূপান্তর করতে সক্ষম। এই প্রক্রিয়ায় কোবাল্ট ও ম্যাঙ্গানিজভিত্তিক অনুঘটক ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষক দল এক হাজার টন সক্ষমতার পরীক্ষামূলক পর্যায়ে অনুঘটকটির কার্যকারিতা যাচাই করেছে এবং জ্বালানি উৎপাদনে ইতিবাচক ফলাফল পেয়েছে।

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

গবেষণার ফলাফল সেপ্টেম্বর মাসে পিয়ার-রিভিউড বৈজ্ঞানিক সাময়িকী নেচার কমিউনিকেশন্স-এ প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের মতে, পরীক্ষামূলক পর্যায়ের ফলাফল, অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ এবং জীবনচক্রভিত্তিক মূল্যায়ন প্রযুক্তিটির শিল্প পর্যায়ে ব্যবহারের সম্ভাবনাকে জোরালো করেছে।

উৎপাদন বাড়লে বাড়তে পারে মুনাফা

নতুন প্রযুক্তিটির অর্থনৈতিক সম্ভাবনা যাচাই করতে গবেষকেরা বছরে এক লাখ টন জেট জ্বালানি উৎপাদনক্ষম একটি প্রস্তাবিত কারখানার মডেল বিশ্লেষণ করেছেন। ওই বিশ্লেষণে মোট মুনাফার হার ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উঠে এসেছে। তবে এই মুনাফার হিসাব কোনো চালু কারখানার বাস্তব আয় নয়, বরং এটি সম্ভাব্য উৎপাদন ও ব্যয়ের ভিত্তিতে তৈরি একটি অর্থনৈতিক পূর্বাভাস। প্রকৃত মুনাফা নির্ভর করবে কাঁচামালের দাম, কারখানা স্থাপনের ব্যয়, উৎপাদন প্রক্রিয়ার দক্ষতা এবং বাজারে জ্বালানির বিক্রয়মূল্যের ওপর। গবেষকদের প্রত্যাশা, পরীক্ষামূলক পর্যায়ের সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিটি বৃহৎ পরিসরে প্রয়োগ করা গেলে টেকসই জেট জ্বালানির উৎপাদন আরও কার্যকর ও অর্থনৈতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করা সম্ভব হবে।

কার্বন নিঃসরণ কমাতে নতুন সম্ভাবনা

আরও পড়ুন: ‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের

বিমান চলাচল খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানো বর্তমানে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু উদ্যোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এ লক্ষ্য অর্জনে প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে টেকসই উড়োজাহাজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কাঠজাত জৈববস্তু থেকে উৎপাদিত জ্বালানি উপযুক্ত প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হলে প্রচলিত জেট জ্বালানির তুলনায় জীবনচক্রজুড়ে কার্বন নিঃসরণ কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে এর পরিবেশগত সুফল নির্ভর করবে ব্যবহৃত কাঁচামালের উৎস, উৎপাদনে প্রয়োজনীয় শক্তি এবং পুরো প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট কার্বন নিঃসরণের ওপর। চীনা গবেষকদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিটি বাণিজ্যিকভাবে সফল হলে টেকসই জেট জ্বালানির সরবরাহ বাড়ানোর নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের নিট-শূন্য কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রচেষ্টাও গতি পেতে পারে।

বাণিজ্যিক উৎপাদনই পরবর্তী চ্যালেজ্ঞ

পরীক্ষামূলক পর্যায়ে সাফল্য এবং সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক হিসাব থাকা সত্ত্বেও প্রযুক্তিটির দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ও প্রকৃত উৎপাদন ব্যয় যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। বৃহৎ পরিসরে ধারাবাহিক উৎপাদন, কাঁচামালের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশগত মানদণ্ড পূরণ করতে পারলেই এর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নিতে পারে। সব মিলিয়ে, চীনা গবেষকদের এই উদ্ভাবন টেকসই উড়োজাহাজ জ্বালানি উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ৫০ শতাংশের বেশি মুনাফার পূর্বাভাস বাস্তবে অর্জিত হবে কি না, তা নির্ভর করবে প্রযুক্তিটির শিল্প পর্যায়ে প্রয়োগ ও বাণিজ্যিক উৎপাদনের ফলাফলের ওপর।

সোর্স: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

আরও পড়ুন: বোম্বে হাইকোর্ট ইমরান খানের ভারত ছাড়ার নোটিশ স্থগিত করেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহের দুর্গামন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ, তদন্ত শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


ঝিনাইদহের দুর্গামন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ, তদন্ত শুরু

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বগুড়া মজুমদারপাড়া দুর্গামন্দিরে প্রতিমার বিভিন্ন অংশ ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোরের কোনো এক সময় এই ঘটনা ঘটেছে। মন্দির কমিটির নেতাদের ধারণা, পূর্বশত্রুতার কারণে কেউ এই ন্যাক্কারজনক কাজটি করতে পারে।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক তন্ময় মজুমদার জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে এক নারী মন্দির পরিষ্কার করতে এসে কয়েকটি প্রতিমার বিভিন্ন অংশ ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাঁরা মন্দিরে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি আরো বলেন, গণেশের দুই হাতের কবজি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাঁর বাম হাতের কনুইও মোচড়ানো ছিল। লক্ষ্মীর দুই হাতের কনুই, কার্তিকের বাম হাতের আঙুল ও ডান হাতের কনুই এবং ময়ূরের গলা মোচড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে কারিগর ডেকে দুপুরে প্রতিমাগুলো মেরামত করা হয়।

এ বিষয়ে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা মন্তব্য করেছেন, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অন্য দেশে হামলার অনুমতি দেয় না: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অন্য দেশে হামলার অনুমতি দেয় না: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কোনো দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনার অনুমতি প্রদান করে না; বরং চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত যে কোনো দেশ আক্রান্ত হলে তার প্রতিরক্ষায় সহযোগিতা করা এর মূল উদ্দেশ্য- এমন মন্তব্য করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি জানিয়েছেন, চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য দেশটির পার্লামেন্টে পাঠানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) আঙ্কারায় হাঙ্গেরির উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিতা অরবানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ফিদান এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, বুধবার প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের কাছে চুক্তি বিষয়ে চূড়ান্ত উপস্থাপনা করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি পার্লামেন্টে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ফিদান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত কোনো দেশ আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যরা তার প্রতিরক্ষায় সহযোগিতা করবে। তবে অন্য কোনো দেশের ভূখণ্ডে হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে তুরস্ক সেনা পাঠাবে না।

সউদী আরবের প্রতিরক্ষায় সহযোগিতার উদ্যোগ : সউদী আরবকে লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষাপটে মক্কা চুক্তির আওতায় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানান ফিদান। গত ৫ অক্টোবর সউদী আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত চুক্তির কৌশলগত, রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠকে তুরস্কের অংশগ্রহণের পেছনেও এই পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বৈঠকে জোটের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, সামরিক সদর দপ্তর, সচিবালয় এবং নতুন সচিব নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা মোকাবিলায় সউদী আরবকে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে ইয়েমেন সংঘাতের সমাধানে শান্তি ও সংলাপের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

কৃষ্ণসাগরে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ফিদান সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত যেন কৃষ্ণসাগরে নতুন কোনো যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি না করে। তাঁর মতে, যুদ্ধটি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, সংঘাতের শুরু থেকেই কৃষ্ণসাগরে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে তুরস্ক কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে মন্ট্রো কনভেনশন বাস্তবায়ন এবং কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য পরিবহনের উদ্যোগে দেশটির ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

ফিদান আরো বলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলা সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। বেসামরিক জাহাজে হামলা মানুষের জীবন, সম্পদ, নৌ চলাচল ও পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক। একই সঙ্গে শস্য পরিবহন ব্যাহত হলে বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলোতে খাদ্যনিরাপত্তার সংকট আরও বাড়তে পারে।

গাজায় মানবিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান : গাজা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন ফিদান। তিনি জানান, সংঘাতের অবসান এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় তুরস্ক দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গাজায় মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি, ফিলিস্তিনি জাতীয় কমিটির প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণ এবং একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি গাজা, পশ্চিম তীর ও আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে পরিস্থিতি নিয়েও তুরস্কের কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

ফিদানের বক্তব্য অনুযায়ী, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির লক্ষ্য সদস্যদেশগুলোর নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করা; অন্য দেশে সামরিক আক্রমণ চালানোর সুযোগ তৈরি করা নয়।

সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুসলমানদের মতো অন্য ধর্মাবলম্বীরাও আমার পরিবারের সদস্য: হুইপ অপু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


মুসলমানদের মতো অন্য ধর্মাবলম্বীরাও আমার পরিবারের সদস্য: হুইপ অপু

"মুসলমানরা যেমন আমার পরিবারের সদস্য, তেমনি অন্য ধর্মাবলম্বীরাও আমার পরিবারের সদস্য।" ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে সকল ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালনের অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পৈতকাটি দুর্গামন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

হুইপ অপু জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য আগাম বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হচ্ছে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচল এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং পূজা উদ্‌যাপন কমিটিকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার কোনো বিকল্প নেই। পরিদর্শনকালে হুইপ অপু মন্দিরে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকেরগঞ্জে মা ইলিশ সংরক্ষণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


বাকেরগঞ্জে মা ইলিশ সংরক্ষণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট

মা ইলিশ সংরক্ষণে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে আনুমানিক ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ২৬টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। এ সময় একজনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর, দুধল, সরসী ও দুর্গাপাশা সংলগ্ন কারখানা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলটন চন্দ্র পাল এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল। এ সময় অবৈধভাবে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত আনুমানিক ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ২৬টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। অভিযানে একজনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলটন চন্দ্র পাল জানান, মা ইলিশের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং অবৈধভাবে মাছ ধরা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%