বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:২২ পি.এম
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার সুবিধাবঞ্চিত নারী ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ইনার হুইল ক্লাব অব অগ্রদূত। দাতব্য কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্কুলছাত্রী, গর্ভবতী নারীসহ অসহায় পরিবারের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী, স্যানিটারি ন্যাপকিন ও পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করেছে সংগঠনটি।
শুধু তাৎক্ষণিক সহায়তা নয়, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বছরব্যাপী নানা কর্মসূচিও হাতে নিয়েছে ক্লাবটি। এর আওতায় দরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং স্থানীয় পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।
সম্প্রতি রাজধানীর বনানীতে আয়োজিত ‘অফিসিয়াল ক্লাব ভিজিট’ অনুষ্ঠানে এসব মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন ক্লাবের সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে ইনার হুইল ডিস্ট্রিক্ট-৩২৮-এর চেয়ারম্যান শামীম খন্দকার, ডিস্ট্রিক্ট সেক্রেটারি ও প্রাইম ব্যাংকের পরিচালক নাসিম আনোয়ার হোসেন এবং ইনার হুইল ক্লাব অব অগ্রদূতের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক কাউসার জাহান ফরিদা উপস্থিত ছিলেন।
ক্লাবের চলমান দাতব্য কার্যক্রমের প্রশংসা করে ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারম্যান বলেন, সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিশেষ করে নারীদের কল্যাণে ক্লাবের সদস্যদের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে অগ্রদূতের সভাপতি কামরুন নাহার শিউলি, বিদায়ী সভাপতি শাহিনা হাসান, সহ-সভাপতি আঞ্জুমান নাহার ও মহুয়া খায়ের, সম্পাদক শারমিন জাহান তিথি, কোষাধ্যক্ষ আঞ্জুম আক্তার বেলী, ক্লাব সেক্রেটারি মৃদুলা রশিদ, আইএসও সাবরিনা সাদাত এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হাসিনা জামশেদসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দীর্ঘ সাড়ে নয় বছরের দায়িত্ব পালন শেষে ড. ফাহমিদা খাতুন আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিষ্ঠানটির সম্মাননীয় ফেলো হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
সিপিডির ৬৮তম বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে বলে আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
ড. ফাহমিদা খাতুন ২০০৩ সাল থেকে সিপিডির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত তার নেতৃত্বে সিপিডির গবেষণা কর্মসূচির পরিধি, বৈচিত্র্য ও মান উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। এ সময়ে অর্থায়নপ্রাপ্ত প্রকল্প ও কর্মসূচির সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি অর্থায়নকারী সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীর সংখ্যাও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ধারাবাহিক সম্পদ আহরণ, বিচক্ষণ আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত পরিকল্পনার মাধ্যমে তার দায়িত্ব পালনের সময়ে সিপিডির উন্নয়ন তহবিল প্রায় ৫৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক আয় বেড়েছে প্রায় ১৭১ শতাংশ।
এ ছাড়া সিপিডির ভৌত ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর উন্নয়ন, কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা সক্ষমতা সম্প্রসারণ, প্রকাশনার মানোন্নয়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন শক্তিশালী করতে ড. ফাহমিদা খাতুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতের অগ্রযাত্রার জন্য সিপিডি আরও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সিপিডিতে যোগ দেওয়ার আগে ড. ফাহমিদা খাতুন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) মিশনে ঊর্ধ্বতন পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে শিক্ষকতা করেছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন গবেষণা ও নীতি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।
ড. ফাহমিদা খাতুন ইউনিভার্সিটি কলেজ, লন্ডন থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণাও করেছেন।
তার গবেষণার প্রধান ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি, রাজস্ব ও মুদ্রানীতি, ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সুশাসন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক রূপান্তর।
ড. ফাহমিদা খাতুন দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের মাল্টিডাইমেনশনাল ভালনারেবিলিটি ইনডেক্স (এমভিআই) বিষয়ক স্বাধীন বিশেষজ্ঞ পরামর্শক প্যানেলের সদস্য। একই সঙ্গে তিনি জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (আঙ্কটাড)-এর প্রোডাক্টিভ ক্যাপাসিটিজ ইনডেক্স বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের পরামর্শক বোর্ডের সদস্য।
তিনি বোস্টন ইউনিভার্সিটির জলবায়ু, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোবিষয়ক আন্তর্জাতিক টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ছাড়া তিনি ব্র্যাক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে সাবেক তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে।
আব্দুল মঈন খান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ শূন্য হয়। সেই পদেই জহির উদ্দিন স্বপনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। পরে কণ্ঠভোটে প্রস্তাবটি পাস হয়।
এদিকে, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় আন্দালিব রহমান পার্থ আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ ছেড়েছেন। তার জায়গায় কমিটির নতুন সভাপতি হয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য নওশাদ জমির।
অন্যদিকে, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করার পর সংসদীয় কমিটি থেকেও তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের অনুরোধে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এবং বিশেষ কমিটি দুই জায়গা থেকেই তার সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে গাজী নজরুল ইসলামের পরিবর্তে যুক্ত করা হয়েছে আবদুল ওয়ারেছকে। আর বিশেষ কমিটিতে তার জায়গায় নেওয়া হয়েছে নাজিবুর রহমানকে।
এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে এনসিপির সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের পরিবর্তে জামায়াতের রায়হান সিরাজীকে সদস্য করা হয়েছে।
কার্যউপদেষ্টা কমিটিতেও আনা হয়েছে পরিবর্তন। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পরিবর্তে কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানকে।
অন্যদিকে, সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি থেকেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিরোধী দলের সদস্য আনোয়ারুল ইসলামের পরিবর্তে কমিটিতে যুক্ত হয়েছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি অভিনন্দন জানিয়েছেন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের এক চিঠির মাধ্যমে এই অভিনন্দন বার্তা জানানো হয়।
বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাপান সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে আপনার দায়িত্ব গ্রহণে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে জাপান ও বাংলাদেশ দৃঢ় বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। নির্ভরযোগ্য বন্ধু হিসেবে জাপান বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠন ও উন্নয়ন প্রচেষ্টায় ধারাবাহিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং ‘মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক (এফওআইপি)’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে জাপান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এতে বাংলাদেশের অধিকতর সমৃদ্ধির পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য ও সাফল্যও কামনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এখন আইনি সমস্যায় পড়তে চলেছেন ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
বিতর্ক যেন ইনফান্তিনোর পিছু ছাড়ছে না। বৈশ্বিক ক্রীড়া সংস্থাটির প্রধান হিসেবে তিনি নতুন একটি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
বিশ্বকাপের স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল হওয়ার পরেও আইনি জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়নি। আর্থিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে সুইস আদালতে ফৌজদারি অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে উয়েফা। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইউরোপীয় ফুটবলের সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) উয়েফা জানায়, ইনফান্তিনো ফিফার বাণিজ্যিক অধিকার বিক্রির জন্য একটি গোপন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছেন, যা অস্বচ্ছ এবং অপর্যাপ্ত মূল্যায়নের ভিত্তিতে ছিল।
এটি করার মাধ্যমে তারা নিউইয়র্কভিত্তিক বিনিয়োগ তহবিল ‘থ্রাইভ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে’র (যার প্রতিষ্ঠাতা জশুয়া কুশনার) কাছে থাকা সম্ভাব্য প্রমাণাদি প্রকাশের অনুরোধ করেছে।
থ্রাইভ এবং কুশনার ফিফার প্রধান বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। তারা ফিফার একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ২০ শতাংশ মালিকানা কেনার জন্য ৪.২ বিলিয়ন ডলার প্রদান করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল, যা বিশ্বকাপসহ ফুটবলের সব বাণিজ্যিক ইভেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে।
উয়েফার আইনজীবীরা ৫৬ পৃষ্ঠার একটি নথিতে উল্লেখ করেছেন, উয়েফা এবং তাদের আইনি প্রতিনিধিরা ইনফান্তিনো এবং সম্ভবত ফিফার অন্যান্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুইস দণ্ডবিধির ১৫৮ নম্বর ধারার আওতায় ফৌজদারি অব্যবস্থাপনার অভিযোগে সুইস আদালতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ৪.২ বিলিয়ন ডলারের এই অঙ্কটি সম্ভবত ‘ইনফান্তিনো নিজের স্বার্থে প্রচারিত একটি প্রতারণামূলক ও বাজার-বহির্ভূত মূল্য। উয়েফাসহ বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ নেতাদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে ১ আগস্ট ইনফান্তিনো সেই বিক্রয় পরিকল্পনাটি বাতিল করেছিলেন। এরপর থেকে তিনি চরম বিরোধীতার সম্মুখীন হচ্ছেন। এদিকে, চাপের মধ্যে ২০৩৪ সালে পুরুষ বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ সৌদি আরব ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ