ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মানিকগঞ্জে চোখ জুড়াবে ৫টি দর্শনীয় স্থান


মানিকগঞ্জে চোখ জুড়াবে ৫টি দর্শনীয় স্থান

বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান বিদ্যমান। কোথাও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, আবার কোথাও ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ঢাকার নিকটবর্তী অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ৬৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মানিকগঞ্জও তেমন একটি জেলা। ঐতিহাসিক স্থাপনা, জমিদারবাড়ি এবং বিনোদনকেন্দ্রের জন্য জেলাটি ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়।

মানিকগঞ্জে ভ্রমণের সময় দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি হলো—

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে জমির বিরোধে বাড়ি ভাঙচুর, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় অবস্থিত বালিয়াটি জমিদার বাড়ি দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে গণ্য হয়। প্রায় ১৬ হাজার ৫৫৪ বর্গমিটার জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই জমিদারবাড়িতে রয়েছে কারুকার্যখচিত সাতটি দালান।

কালের পরিবর্তনে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এর নির্মাণশৈলী এখনও দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণীয়।

ঢাকার গুলিস্তান থেকে পাটুরিয়া-মানিকগঞ্জগামী বাসে প্রায় দুই ঘণ্টায় কালামপুর পৌঁছানো যায়। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা সাটুরিয়ার বাসে করে আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে বালিয়াটি জমিদারবাড়িতে পৌঁছানো সম্ভব।

এছাড়া গাবতলী-আমিনবাজার থেকে সরাসরি সাটুরিয়ার বাস পাওয়া যায়। সাটুরিয়া থেকে ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়িতে প্রায় পাঁচ মিনিটেই বালিয়াটি জমিদারবাড়িতে যাওয়া সম্ভব। বঙ্গবাজার থেকেও সাটুরিয়ার সরাসরি বাস পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ৫ পুলিশসহ আহত ৩০

তেওতা জমিদার বাড়ি

শিবালয় উপজেলার যমুনা নদীর তীরে সবুজে ঘেরা তেওতা গ্রামে অবস্থিত তেওতা জমিদার বাড়ি দেশের পুরাকীর্তির অন্যতম। এই স্থাপনাটি এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

জমিদারবাড়ির আঙিনায় রয়েছে নবরত্ন মঠ। জমিদার শ্যামশংকর রায় এটি নির্মাণ করেছিলেন। এক সময় অনেক দূর থেকে মঠটি দেখা যেত।

ঢাকা থেকে বাসে আরিচা ঘাটে গিয়ে সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তেওতা গ্রামে যাওয়া যায়। চাইলে নদীপথেও সেখানে যাওয়া সম্ভব।

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে বাস দুর্ঘটনায় সুপারভাইজারসহ ২ নিহত, ৩ আহত

বেতিলা জমিদার বাড়ি

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা গ্রামে অবস্থিত বেতিলা জমিদার বাড়ির নির্মাণকাল এবং নির্মাণের পদ্ধতি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। তবে এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন জনশ্রুতি রয়েছে।

একটি জনশ্রুতি অনুযায়ী, সত্য বাবু নামে এক বণিক যাতায়াতের সুবিধার জন্য এখানে বাড়িটি নির্মাণ করেন। পরে তার বসতবাড়িই লোকমুখে বেতিলা জমিদার বাড়ি নামে পরিচিতি পায়। স্থানীয়দের আরেকটি দাবি হলো, কলকাতার বণিক জ্যোতি বাবু ছিলেন এই জমিদারবাড়ির পূর্বপুরুষ।

মত্ত মঠ

আরও পড়ুন: ফরিদগঞ্জে জালটাকা দিয়ে কেনাকাটার অভিযোগে ৪ নারী আটক

মানিকগঞ্জ জেলা সদরে নিটোল দিঘির পাড়ে প্রায় আড়াইশ বছর আগে নির্মিত হয় মত্ত মঠ। প্রায় ১৫ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত এই মঠের উচ্চতা প্রায় ২০০ ফুট।

মঠটি নির্মাণের জন্য ইরাক থেকে কারিগর আনা হয়েছিল বলে জানা যায়। প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, মানিকগঞ্জের পটল গ্রামের হেমসেন নামে এক অত্যাচারী জমিদার তার বাবার শেষকৃত্য সম্পন্ন করার পর এখানে মঠটি নির্মাণ করেন।

নাহার গার্ডেন

গ্রামীণ ও নিরিবিলি পরিবেশে পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে চাইলে যেতে পারেন সাটুরিয়া উপজেলার কামতা গ্রামের নাহার গার্ডেনে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গোলড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পশু চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সহকারীর হাতে প্রসব, নবজাতকের মৃত্যু

নাহার গার্ডেনে ছোট-বড় মিলিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় তিন হাজার পাখি রয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে নয়টি উট, একটি উটপাখি ও আটটি ময়ূর। শিশুদের জন্য রয়েছে বড় একটি শিশু পার্ক।

এছাড়া এখানে রয়েছে ছোট-বড় চারটি পুকুর এবং টাইটানিকের আদলে তৈরি একটি জাহাজ।

নাহার গার্ডেনে প্রবেশমূল্য ২০ টাকা। সেখানে সাতটি বনভোজনের স্থান রয়েছে। লোকসংখ্যা ও সময়ের ওপর ভিত্তি করে এসব স্থান ৬ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভাড়া নেওয়া যায়।

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাস দুর্ঘটনায় সুপারভাইজারসহ ২ জন নিহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থতায় টেনেসির কারা বিভাগের প্রধানের পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ পি.এম


মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থতায় টেনেসির কারা বিভাগের প্রধানের পদত্যাগ

ঢাকা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নজিরবিহীন ব্যর্থতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় টেনেসি অঙ্গরাজ্যের কারা বিভাগের প্রধান পদত্যাগ করেছেন।

অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর জানিয়েছেন, দণ্ডিত এক খুনি মৃত্যুদণ্ডের ওষুধ প্রয়োগের পরও বেঁচে যান এবং বর্তমানে গুরুতর অবস্থায় ভেন্টিলেটরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এএফপি সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, টেনেসি ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনের কমিশনার ফ্র্যাঙ্ক স্ট্রাডা চলতি মাসের মধ্যে পদ ছাড়বেন বলে শনিবার গভর্নর বিল লি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন।

বুধবার ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইকের শরীরে পেন্টোবার্বিটাল নামের একটি ওষুধের দুই দফা প্রাণঘাতী মাত্রা প্রয়োগ করা হয়। এই ওষুধ স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রম দমন করে।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের পর প্রায় এক ঘণ্টা তারা পাইকের নাক ডাকার শব্দ শুনতে পান। পরবর্তীতে ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউশনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কক্ষের দর্শক এলাকা থেকে বের করে দেওয়ার সময়ও তিনি জীবিত ছিলেন।

পরে পাইককে হাসপাতালে নেওয়া হয়। শুক্রবার আদালতে দাখিল করা নথিতে তার আইনজীবীরা জানান, তিনি ‘অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায়’ রয়েছেন এবং অচেতন। তিনি ভেন্টিলেটরের সাহায্যে শ্বাস নিচ্ছেন। চিকিৎসকেরা তার শরীর থেকে পেন্টোবার্বিটাল অপসারণের চেষ্টা করছেন।

গভর্নর লি বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে টেনেসির জনগণের স্বার্থকে সবার আগে রাখার জন্য’ তিনি স্ট্রাডার প্রতি কৃতজ্ঞ।

একই বিবৃতিতে স্ট্রাডা বলেন, ‘আমি এখনো বিশ্বাস করি, কারা বিভাগ নির্ধারিত প্রোটোকল অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করেছে।’

এর আগে পাইকের ক্ষমার আবেদন নাকচ করা গভর্নর লি এখন বছরের বাকি সময়ের জন্য টেনেসিতে সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছেন। তিনি এ বিষয়ে ‘বিস্তৃত ও স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের পর্যালোচনা’ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

‘ক্ষয়কারী’ ওষুধ

পাইকের আইনজীবীরা এর আগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় শিরায় ওষুধ দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাদের দাবি ছিল, পাইকের শিরা ছোট এবং তার একটি রক্তজনিত সমস্যা রয়েছে। ফলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ওষুধ প্রয়োগ করলে অপ্রয়োজনীয় কষ্ট হতে পারে।

আইনজীবী র‌্যান্ডি স্পিভি জানান, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কর্মীরা পাইকের বাম হাতেই শিরায় ওষুধ দেওয়ার জন্য সাতটি সুচ ব্যবহার করেছিলেন। তার একটি সুচ ব্যর্থ চেষ্টার পর হাত থেকে বের করার সময় বাঁকা অবস্থায় দেখা যায় বলে তিনি জানান।

আইনজীবী স্টিফেন ফেরেল বলেন, চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছিলেন যে সুচ শিরা থেকে সরে যেতে পারে বা শিরা ভেদ করে ফেলতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী ওষুধ রক্তপ্রবাহে না গিয়ে পাইকের হাতের টিস্যুতে প্রবেশ করতে পারে।

আদালতে দাখিল করা নথিতে পেন্টোবার্বিটালকে এমন একটি ক্ষয়কারী পদার্থ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা ত্বক, টিস্যু ও শিরা পুড়িয়ে দিতে পারে। হাসপাতালে নেওয়ার সময় পাইকের দুই হাত ফুলে গিয়েছিল, পুড়ে গিয়েছিল এবং ফোসকা পড়েছিল বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়।

গণমাধ্যমের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের পর পাইক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কর্মীদের বলেছিলেন, তার মনে হচ্ছে তার হাত ‘ফেটে যাবে’।

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডসংক্রান্ত তথ্য ও বিশ্লেষণ প্রকাশকারী ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টার জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের পর বেঁচে যাওয়া প্রথম বন্দি পাইক।

পাইকের মামলাটি তরুণ বয়সে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছিল।

১৯৯৫ সালে পাইকের বয়স ছিল ১৮ বছর। সে সময় তিনি তার প্রেমিকের সঙ্গে মিলে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে একটি চাকরির প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পিটিয়ে মেরে ফেলেন।

ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৬ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১৮ জন নারীকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালকিনিতে সম্পত্তি জালিয়াতি ও ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ পি.এম


কালকিনিতে সম্পত্তি জালিয়াতি ও ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাদারীপুরের কালকিনিতে পোস্টমাস্টার মরহুম আব্দুস সামাদ সরদারের রেকর্ডীয় সম্পত্তি জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ এবং ক্রয় করা জমিতে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও জমির ক্রেতারা।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেন কুয়েতপ্রবাসী এবং জমির ক্রয়সূত্রে মালিক আব্দুল আলীম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৯৫৪ সালে আব্দুস সামাদ সরদারের মৃত্যুর পর তাঁর পালকপুত্র লাল মিয়া তৎকালীন ভূমি জরিপে নিজেকে তাঁর ঔরসজাত সন্তান পরিচয় দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। পরে হেবা দলিলের মাধ্যমে ওই সম্পত্তি হস্তগত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এ নিয়ে বিরোধের পর আদালত ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তে জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এ ঘটনায় লাল মিয়ার ওয়ারিশ সাইদুল কবীর মুকুলসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের সাজা হয় বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সাজা হওয়ার পরও হয়রানি বন্ধ হয়নি। আব্দুস সামাদ সরদারের উত্তরসূরিদের কাছ থেকে ক্রয়সূত্রে মালিক হওয়া ১৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ জমির মালিকদের কাছে লাল মিয়ার ওয়ারিশরা ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছেন। টাকা না দিলে জমি দখলের চেষ্টা ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

এ ছাড়া গণমাধ্যমে জমি নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ব্যক্তিরা। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও তা মানা হয়নি দাবি করে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে কুয়েতপ্রবাসী আব্দুল আলীম, তাঁর স্ত্রী তানিয়া খানম, প্রতিবেশী খায়রুল বাসারসহ ভুক্তভোগী পরিবার ও জমির ক্রেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জীবন যুদ্ধে হার মেনে না ফেরার দেশে চবি শিক্ষার্থী মহুয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ পি.এম


জীবন যুদ্ধে হার মেনে না ফেরার দেশে চবি শিক্ষার্থী মহুয়া

দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মহুয়া তাসনিম মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে ফেরার দেশে চলে গেছেন।

মহুয়ার মৃত্যুর খবর শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে তার সহপাঠীদের জানান নিহতের বোন।

তথ্য সংগ্রহ করে জানা গেছে, মহুয়া রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দির বাসিন্দা। তবে তিনি ঢাকার সাভার উপজেলায় বসবাস করতেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ার পূর্বেই তিনি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

মহুয়ার জানাজার নামাজ রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুর ২টায় তার নিজ এলাকা রাজবাড়ির বালিয়াকান্দির পাইককান্দিতে অনুষ্ঠিত হবে।

মহুয়ার ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র ইসরাফিল হোসেন মানিক বলেন, "মহুয়া ছিল অসাধারণ একজন মেয়ে। গত আগস্টের ১৪ তারিখে আমাকে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠিয়েছিল। সেখানে সে বলেছিল, ‘ভাইয়া, সাভার এনাম মেডিক্যালে জরুরি O+ রক্ত লাগবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কার জন্য রক্ত লাগবে? তখন সে বলল, ‘ভাইয়া, আমার জন্যই।’ আমি উত্তর দিলাম আল্লাহ মাফ করুক, কি হইছে আপু?"

তিনি আরও বলেন, "এরপর মহুয়া জানালো, তার রক্তের প্লাটিলেট অনেক কমে গেছে, তাই প্লাটিলেট দেওয়ার প্রয়োজন। রক্তের ব্যবস্থা করার জন্য প্রায় ৭–৮ জনকে নেওয়া হলেও কারও সাথেই রক্ত মিল ছিল না। পরে একজনের সাথে রক্তের মিল পাওয়া গেলে সেসময় ওই রাতেই তাকে প্ল্যাটিলেট দেওয়া হয়।"

ইসরাফিল হোসেন মানিক আরও জানান, লিউকেমিয়ার চিকিৎসা চলছিল ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে। কিছুদিন আগে হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে মাত্র একদিনের জন্য বাড়ি ফিরেছিল। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানি ও ভারতীয়দের চেয়ে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ পি.এম


পাকিস্তানি ও ভারতীয়দের চেয়ে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু বর্তমানে ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বেশি। এই তথ্যটি প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যা তাদের সর্বশেষ শুমারিতে পাওয়া গেছে।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থাটি শুক্রবার (২ অক্টোবর) নতুন এই তথ্যটি প্রকাশ করে। এতে ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত গড় আয়ু, সুস্থ গড় আয়ু, মৃত্যুর কারণ এবং রোগের বোঝা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শুমারিতে দেখা গেছে, ২০২৩ সালে ভারতীয়দের গড় আয়ু ছিল ৭১ বছর, যেখানে পাকিস্তানিদের গড় আয়ু ৬৮ দশমিক ২ বছর। অন্যদিকে, বাংলাদেশিদের গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৭ বছর।

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার গড় আয়ু যথাক্রমে ৭৮ দশমিক ৫ বছর এবং কানাডায় ৮১ দশমিক ৪ বছর।

তবে, বেশি দিন বাঁচা মানেই সুস্বাস্থ্যে বেশি বছর বেঁচে থাকা নয়। ২০২৩ সালে ভারতে সুস্থ গড় আয়ু ছিল ৬০ দশমিক ৬ বছর, যা ২০১৯ সালে ছিল ৬০ দশমিক ৫ বছর। ২০২১ সালে সুস্থ গড় আয়ু কমে ৫৮ দশমিক ৪ বছরে নেমে আসে, কিন্তু পরে ২০২২ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৬০ দশমিক ২ বছরে পৌঁছায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডাটা ডিপার্টমেন্টের প্রধান অ্যালাইন ল্যাবরিক এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, "জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে আরও বেশি গড় আয়ু হওয়া একটি বড় অর্জন। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হলো মানুষ যেন সুস্থ শরীর নিয়ে বেশিদিন বাঁচতে পারে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%