ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেরোবি’র শহীদ মুখতার ইলাহী হলে আধুনিক রিডিং রুমের উদ্বোধন


বেরোবি’র শহীদ মুখতার ইলাহী হলে আধুনিক রিডিং রুমের উদ্বোধন

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর শহীদ মুখতার ইলাহী হলে একটি নতুন ও আধুনিক রিডিং রুমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে হলের দ্বিতীয় তলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই রিডিং রুমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যেন একটি সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে পড়াশোনা করার সুযোগ পান, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। এই আধুনিক রিডিং রুমের ব্যবস্থা হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পড়াশোনার পরিবেশ শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি করে। এই পরিবেশকে বজায় রাখার দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের নিজ কাঁধে নিতে হবে।

উপাচার্য আরো উল্লেখ করেছেন, আমরা চাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি ও রিডিং রুমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেন তাদের মেধার বিকাশের পূর্ণ সুযোগ লাভ করতে পারে। আগামী দিনে প্রয়োজনীয় বই ও গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সমৃদ্ধ করার প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: ইসরাইল নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অধরাই

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান, শহীদ মুখতার ইলাহী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোঃ কামরুজ্জামানসহ সহকারী প্রভোস্টবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও হলের আবাসিক শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ কাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ কাল

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আগামীকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

রোববার (৯ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

মন্ত্রী জানান, বৈঠকের পর সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকের বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে ব্রিফ করবেন।

জানা গেছে যে, সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

গত এপ্রিলের শেষের দিকে ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী এবং ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সিনিয়র নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশের হাইকমিশনার পদে নিয়োগ দেয় ভারত সরকার। এর পর ১২ জুন তিনি ঢাকায় এসে পৌঁছান। তিনি ঢাকায় ভারতের সাবেক হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে নিরাপদ স্কুলযাত্রায় নৌযানের অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে নিরাপদ স্কুলযাত্রায় নৌযানের অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরা

সুনামগঞ্জের হাওর অধ্যুষিত জেলা। এখানে দুর্গম এলাকার কারণে বর্ষায় নাও, হেমন্তে পা। অর্থাৎ বর্ষাকালে নৌকা আর হেমন্তে পায়ে হেঁটে চলাচল করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই। তাই শিক্ষায় পিছিয়ে আছে হাওরপাড়ের জনগোষ্ঠী।

কোনো রকম পাঠশালা শেষ করে অধিকাংশ মানুষ রাজধানীমুখী হন। শিশু শ্রম ও বাল্য বিয়ের মতো বিভিন্ন অপরাধের খপ্পরে পড়তে হয় এসব পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে প্রয়োজন জীবনমুখী ও কর্মমুখী শিক্ষা।

জেলার দিরাই, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা এ ৫ উপজেলা একদম দুর্গম এলাকায় অবস্থিত।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, এই সকল উপজেলার মানুষদের বর্ষাকালে বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে তাদের সন্তানদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠান। হাওর অধ্যুষিত সুনামগঞ্জের বেশির ভাগ অঞ্চল দুর্গম হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ক্ষেত্রে ঝুঁকিমুক্ত পরিবেশ না থাকায় অস্বস্তিতে আছেন হাওরপাড়ের মানুষ।

এই বছরের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সুনামগঞ্জের দুর্গম হাওরাঞ্চলের একাধিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি দূর করতে বিষয়ভিত্তিক মৌলিক পাঠদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনার মাধ্যমে শিক্ষা সেবা কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

হাওর এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়া বলেন, বর্ষাকালে সকল রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেলে গোটা হাওরাঞ্চল নৌকানির্ভর হয়ে পড়ে। দুর্গম হাওরের প্রত্যেকটি গ্রাম যেন বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত হয়। এই সময়ে পানিবন্দী মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজ করতে নৌকাযোগে যত্রতত্র যাতায়াত করেন।

অন্যদিকে, প্রতিকূল আবহাওয়ার ফলে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। বর্ষা মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টি, আফাল, বজ্রপাত ও নৌকাডুবির মতো ভয়ংকর ঝুঁকি নিয়ে হাওর ও নদী পাড়ি দিয়ে আসার জন্য বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রী নৌকায় আসা-যাওয়া করেন। ফলে পাঠ গ্রহণে অনীহা, শিখন ঘাটতি ও ঝরে পড়ার প্রবণতা দেখা দেয়। কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ঝুঁকিমুক্ত যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য নিরাপদ নৌযানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেন সচেতন মানুষগুলো।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জে মোট ১ হাজার ৪৭৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ১২৯টি, দোয়ারাবাজারে ১০৪টি, বিশ্বম্ভরপুরে ৭৮টি, ছাতকে ১৮৫টি, তাহিরপুরে ১৩৪টি, জামালগঞ্জে ১২৬টি, ধর্মপাশায় ১১০টি, শাল্লায় ১০৫টি, দিরাইয়ে ১৬৩টি, জগন্নাথপুরে ১৫৮টি, শান্তিগঞ্জে ৯৭টি ও মধ্যনগরে ৮৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সুতরাং, জেলার বেশির ভাগ বিদ্যালয়ই দুর্গম এলাকায় অবস্থিত।

মধ্যনগর উপজেলার রংচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ আমজোড়া নূরুনাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমজোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাহিরপুর উপজেলার জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাহেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামালগঞ্জ উপজেলার হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফেনারবাঁক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শাল্লা উপজেলার শান্তিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইয়ারাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং যাত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ জেলার বেশির ভাগ বিদ্যালয় বর্ষায় জলাবদ্ধতার দুর্ভোগে পতিত হয়।

শাল্লা উপজেলার বাহাড়া ইউনিয়নের ভেড়াডহর হাওর এলাকায় মির্জাকান্দা নতুন হাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মির্জাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থান। সেখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৬ এবং ৯৪ জন।

হাওরের মাঝে খণ্ড, খণ্ড পাড়া মিলে মির্জাপুর গ্রাম। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এসব গ্রামের সকল ছাত্র-ছাত্রী বেশির ভাগই দরিদ্র পরিবারের। তারা নিজেরাই নৌকা নিয়ে স্কুলে আসা-যাওয়া করে। ঝড়-বৃষ্টি থাকলে উপস্থিতি কমে যায় বলে স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবকদের অভিযোগ।

বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী নতুন হাটির সাইদুর রহমানের তিন ছেলেমেয়ে রয়েছে। ছোট ছেলে আইজুল প্রথম শ্রেণির ছাত্র। একমাত্র মেয়ে রিয়া মনি চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছে। বড় ছেলে কোনো রকম প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করলেও বিভিন্ন বাধ্য-বাধকতায় তার শিক্ষাজীবন আর এগোয়নি।

স্কুলে যাওয়ার পথে বাড়ির পার্শ্ববর্তী প্রায় ৩০০ ফুট রাস্তা বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী। সাইদুর রহমান বলেন, কেউ পানি দিয়ে যায়। কেউ আবার নৌকা দিয়ে স্কুলে আসতে-যেতে চেষ্টা করেন। সরকারের পক্ষ থেকে একটি নৌকার ব্যবস্থা করলে ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতে খুব উপকার হবে।

মির্জাকান্দা নতুন হাটির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক চমক কান্তি তালুকদার বাসসকে বলেন, আমরা একেবারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। চারপাশে শুধু পানি আর পানি। ছাত্র-ছাত্রীরা নৌকায় করে স্কুলে এসে থাকে। আবহাওয়া খারাপ হলে ছাত্ররা তেমন আসেন না।

লামাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থান তাহিরপুরের টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়ে। এখানে ১৪২ জন ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়নরত।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসরিন আক্তারের ভাষ্য, আবহাওয়া খারাপ থাকলে অনেক ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে আসতে পারেন না। নানা সমস্যার কথা উল্লেখ করে নাসরিন আক্তার বলেন, ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের নৌকা বেয়ে ও সাঁকো পার হয়ে অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে আসে।

তিনি বলেন, ঝড়-বৃষ্টিসহ নানা দুর্যোগের মুখোমুখী তাদের হতে হয়। সরকারিভাবে নৌকার ব্যবস্থা করতে পারলে ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে।

লামাগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. আরিফ ও ইসরাত জাহান নোহা জানিয়েছে, তাদেরকে নৌকা বেয়ে ও সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হয়। অনেকের নৌকা নেই। দিন খারাপ থাকলে তারা আসেন না। বৃষ্টির কারণে বইপত্র ও কাপড়চোপড় ভিজে যায়। ভেজা শরীরে ক্লাস করতে হয় বলে জানান তারা।

রংচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মহেন্দ্র চন্দ্র সরকার বলেন, শিশু ছাত্র-ছাত্রীরা প্রায়ই ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে আসে। তাদের স্কুলে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হলো নৌকা। হাওরপাড়ের শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় প্রয়োজন সরকারি বিশেষ উদ্যোগ।

সুনামগঞ্জ পৌর কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদার বলেন, প্রকৃতিনির্ভর জীবন-জীবিকা বাদ দিলে সামনে চলে আসে হাওরের দুর্যোগপূর্ণ শিক্ষা পরিস্থিতি। বর্ষায় প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝে নৌকা বেয়ে বিদ্যালয়ে যায় শিশুরা। নৌকাডুবি, ঝড়-ঝাপ্টা ও বজ্রপাতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঝুঁকিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতে বর্ষা মৌসুমের মাসছয়েক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি নিরাপদ নৌযানের ব্যবস্থা করা জরুরি। না হলে দিন দিন শিক্ষার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে শিক্ষার্থীরা।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস বাসসকে বলেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্যের উদ্যোগে ১৬ টি নৌকা প্রদান করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তাহিরপুরের বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন।

তিনি বলেছেন, হাওর এলাকার শিক্ষার বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে উনাকে অবহিত করা হয়েছে। বর্ষাকালে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ঝুকিপূর্ণ যাতায়াতের বিষয়টি তিনি জানেন। আশা করি এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম চেম্বারে গঠিত হচ্ছে ৫৭ স্ট্যান্ডিং সাব-কমিটি, নাম জমার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫১ পি.এম


চট্টগ্রাম চেম্বারে গঠিত হচ্ছে ৫৭ স্ট্যান্ডিং সাব-কমিটি, নাম জমার আহ্বান

চট্টগ্রাম, ৯ আগস্ট ২০২৬ : দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) ৫৭টি স্ট্যান্ডিং সাব-কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই সকল সাব-কমিটির মাধ্যমে চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিভিন্ন সমস্যা, সংকট ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করে করণীয় নির্ধারণে সদস্যদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে চায় চেম্বার।

আগ্রহী চেম্বার সদস্যরা আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে পছন্দের সাব-কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য নাম জমা দিতে পারবেন। এই জন্য চেম্বারের ই-মেইলে তাদের নাম পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

রোববার চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক জানান, এই জনপদের বহুমাত্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সমস্যা, সংকট, সম্ভাবনা ও করণীয় নির্ধারণে তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দিতে চাই আমরা। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর চেম্বার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এসব সাব-কমিটি নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।

চেম্বার সূত্রে জানা গেছে, গঠিত হতে যাওয়া এসব সাব-কমিটিগুলোর মধ্যে রয়েছে এলএমডি, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং, ইন্স্যুরেন্স, পোর্ট, শিপিং, ইমপোর্টার্স, এক্সপোর্টার্স, পলিসি অ্যাডভোকেসি, লেবার, লাইটারেজ অ্যান্ড ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট, ফুড গ্রেইন, সল্ট অ্যান্ড স্পাইসেস, এডিবল/কুকিং অয়েল, ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট, বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস, ট্যাক্সেশন, জুট, টেক্সটাইল, স্মল অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ, ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন, ইন্টারনাল ট্রেড, উইমেন এন্টারপ্রেনারশিপ, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি, এনভায়রনমেন্ট, এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট, আইসিটি, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, পোলট্রি, ফিশারিজ, হর্টিকালচার, এআই, স্টার্টআপ, সিক ইন্ডাস্ট্রি, কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস, ইজ অব ডুয়িং বিজনেস, ডব্লিউটিও এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কিল ডেভেলপমেন্ট।

এছাড়া ডিসেন্ট্রালাইজেশন অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস, রেমিট্যান্স, এক্সটারনাল বিজনেস শক, ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন, ব্যাকওয়ার্ড অ্যান্ড ফরওয়ার্ড লিংকেজ, ইন্টারন্যাশনাল বা বাইলেটারাল ট্রেড, প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রি, প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ, হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, মার্কেট অ্যান্ড শপিংমল, বেকারি অ্যান্ড কনফেকশনারি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, গ্রিন এনার্জি অ্যান্ড কার্বন কন্ট্রোল, হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লেদার অ্যান্ড লেদার গুডস, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে, স্টিল অ্যান্ড অ্যালাইড সেক্টর, সিমেন্ট এবং গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ খাতও সাব-কমিটির আওতায় থাকবে।

চেম্বার কর্তৃপক্ষের আশা, বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এসব সাব-কমিটি কার্যকরভাবে কাজ করবে। এর মাধ্যমেই ব্যবসায়ীদের সমস্যা ও দাবিগুলো চিহ্নিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে তা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকৃবিতে চার হলের সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় ৪২ শিক্ষার্থীকে শোকজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫১ পি.এম


বাকৃবিতে চার হলের সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় ৪২ শিক্ষার্থীকে শোকজ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) চারটি আবাসিক হলকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিক সংঘর্ষ, হামলা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনার কারণে ৪২ শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শোকজ করেছে। শোকজ করা শিক্ষার্থীদের আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থন করে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম। তিনি জানিয়েছেন, চারটি হলের ঘটনায় মোট ৪২ জন শিক্ষার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। আগামী ১১ আগস্টের মধ্যে তাদের আত্মপক্ষ সমর্থন করে লিখিত জবাব দিতে হতে হবে।

প্রক্টর আরও বলেন, চারটি হল থেকে পাওয়া লিখিত অভিযোগ এবং ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনকালে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে শিক্ষার্থীদের শোকজ করা হয়েছে। এখন তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার তদন্তে গঠিত দুটি কমিটিও কাজ করছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শোকজ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ যদি নির্দোষ প্রমাণিত হন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। তবে, তদন্তে যদি কেউ সংঘর্ষ বা ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এখনও প্রশাসনের কাছে জমা পড়েনি। প্রতিবেদনটি পাওয়ার পর বিষয়টি আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল ২৩ ও ২৪ জুলাই, যেখানে ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে আশরাফুল হক ও শহীদ শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হন। এরপর ১ আগস্ট মেসেঞ্জার গ্রুপে কথাকাটাকাটির ফলে সোহরাওয়ার্দী ও ভাসানী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে আরও পাঁচজন আহত হন। সর্বশেষ ২ আগস্ট রাতে, চারটি হলের শিক্ষার্থীরা পৃথক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এসব ঘটনায় ধারাবাহিকভাবে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের পাশাপাশি হলের গেট, জানালার কাচ, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং বৈদ্যুতিক বাতি সহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ধারাবাহিক ঘটনার পর দায়ীদের শনাক্ত এবং সংঘর্ষের কারণ উদঘাটনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও শোকজের জবাব পর্যালোচনা করে দায়ীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%