রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৪ পি.এম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের (বেরোবি) শহীদ মুখতার ইলাহী হলের নতুন প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ.টি.এম. জিন্নাতুল বাশার। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলের সহকারী প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে শহীদ মুখতার ইলাহী হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। অফিস আদেশ অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে তার এ দায়িত্ব কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে ড. এ.টি.এম. জিন্নাতুল বাশার বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলের সহকারী প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নতুন দায়িত্বের মাধ্যমে তিনি এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম আবাসিক হল শহীদ মুখতার ইলাহী হলের প্রশাসনিক ও সার্বিক কার্যক্রমের দায়িত্ব পালন করবেন।
নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে ড. এ.টি.এম. জিন্নাতুল বাশার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। হলের শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করতে চাই। শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও প্রয়োজনগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার চেষ্টা থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় হল উন্মুক্ত জায়গা এখানে সকল শিক্ষার্থী নিয়ে আমি কাজ করবো। হলের ডাইনিং এর খাবারের মান সহ রিডিং রুম নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবো।
এ বিষয়ে শহীদ মুখতার ইলাহী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সাদিকুল ইসলাম বলেন, “নতুন প্রভোস্ট স্যার দায়িত্ব নেওয়ায় আমরা আশাবাদী। শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, হলের পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আমরা প্রত্যাশা করি।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ড. এ.টি.এম. জিন্নাতুল বাশার শহীদ মুখতার ইলাহী হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা সংস্কৃতি গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে "যেখানে আমি, সেখানেই পরিচ্ছন্নতা" শ্লোগানের অধীনে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) উদ্যোগে পরিচালিত ক্লিন-সানডে কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসক কর্তৃক বাছাইকৃত সেরা ১৪ প্রতিষ্ঠানকে এই কর্মসূচির আওতায় পুরস্কৃত করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘পরিচ্ছন্নতার জন্য ডিসি পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানে জেলার সেরা ১৪ প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়।
সেরা পরিচ্ছন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রথম সম্মাননা পুরস্কার লাভ করেছে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ময়মনসিংহ। অন্যান্য পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- মুক্তাগাছার নবারুন বিদ্যানিকেতন, ফুলবাড়ীয়া খাদেমুল ইসলাম কামিল মাদ্রাসা, ভালুকার এ্যাপোলো ইন্সটিটিউট অব কম্পিউটার, ত্রিশালের আমিরাবাড়ী গুজিয়াম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ফুলপুরের ছনধরা হাজী আব্দুল মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়, তারাকান্দা হাজী হেলাল উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হালুয়াঘাটের সানফ্লাওয়ার মডেল স্কুল, ধোবাউড়া বিন্দুবাসিনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, গৌরীপুরের পাছার উচ্চ বিদ্যালয়, ঈশ্বরগঞ্জের চরনিখোলা প্রাথমিক বিদ্যালয়, গফরগাঁওয়ের ফজলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়, দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের কান্দিপাড়া আস্কর আলী উচ্চ বিদ্যালয় এবং নান্দাইলের ঘোষপালা ফাযিল মাদ্রাসা। অনুষ্ঠানের সময় ইউএনও এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের হাতে সম্মাননা পুরস্কারের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করা হয়।
এছাড়া, নেতৃত্ব, উদ্যোগ ও সুসমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লিন-সানডে সহ সার্বিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ফুলবাড়ীয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শহীদুল ইসলাম সোহাগকে ডিডিস পুরস্কার প্রদান করা হয়। মুক্তাগাছার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কৃঞ্চ চন্দ্রকে সার্বিক প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে জেলার সেরা হিসেবে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন ডিসি।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো: সাইফুর রহমান অনুষ্ঠানে বলেন, গত ২২ জুলাই থেকে "অলরিপোর্ট ডট বিডি/ক্লিন ময়মনসিংহ" নামে একটি ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে ক্লিন-সানডে কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় আজ পর্যন্ত জেলায় মোট ৪৭ হাজার কর্মসূচি পালিত হয়েছে। তিনি জানান, তারা চান, ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে এই কার্যক্রমকে স্থায়ী রূপ দিতে। এজন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করতে হবে। তবেই এটি সারাদেশের জন্য রোল মডেল হবে। এর মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন একটি প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে তারা কাজ করছেন। ময়মনসিংহকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য জেলা হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকারে ক্লিন-সানডে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, গৌরীপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আমিন পাপ্পা, ঈশ্বরগঞ্জের ইউএনও সানজিদা রহমান, সহকারী কমিশনার শানিরুল ইসলাম শাওন, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো: আতাউর রহমানসহ সকল ইউএনও ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, সরকার নারী ও শিশুদের আইনি সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করার জন্য বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে ডিএনএ ল্যাব কার্যক্রমকে পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
আজ সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে ইউএনএফপির কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ক্যাথেরিন ব্রেন ক্যামকংয়ের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এই তথ্য জানান।
বৈঠকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব ড. রওশন আরা বেগমও উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি, নারী শিক্ষা, জেন্ডার সমতা অর্জন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, পারিবারিক সহিংসতা, কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য, মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি (এমসিবিপি), ডিএনএ ল্যাব, ওসিসি, শিশু অধিকার সুরক্ষা এবং শিশুশ্রম নিরসন, অনলাইন প্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতিরোধ, সাইবার বুলিং, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ইউএনএফপিএ-কে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে ইউএনএফপিএ-এর উন্নয়ন সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের উন্নয়ন ও কারিগরি সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের পরিচালিত অত্যাধুনিক ডিএনএ ল্যাবরেটরির কার্যক্রম সম্পর্কে ইউএনএফপিএ প্রতিনিধিকে অবহিত করেন। ক্যাথেরিন ব্রেন ক্যামকং ডিএনএ ল্যাব কার্যক্রম দ্রুত ও সফলভাবে বাস্তবায়নে ইউএনএফপিএর কারিগরি ও জ্ঞানগত সহায়তা প্রদানে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, বাল্যবিবাহসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে কিশোর-কিশোরী ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন ও সচেতনতা দৃশ্যমান হচ্ছে।
বৈঠকের সময় ইউএনএফপিএ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ মন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারী অধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ ও অঙ্গীকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তৃণমূল পর্যায়ে বাল্যবিবাহ সম্পূর্ণ দূরীকরণে স্থানীয় ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে আরও নিবিড়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আসন্ন ‘আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ এবং এ সংক্রান্ত ১৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি সম্পর্কে মন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করেন।
মন্ত্রী দিবসটি কেবল ঢাকাতেই নয়, বরং জেলা ও তৃণমূল পর্যায়েও ছড়িয়ে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী দেশের তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের তৈরি ঐতিহ্যবাহী ও হস্তশিল্প পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে নারী উদ্যোক্তাদের যুগোপযোগী বিপণন সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রদানে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুর, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ জেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে।
নবনির্মিত ভবনটি আজ রোববার বিকেল ৪ টায় উদ্বোধন করেন শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপি'র সভাপতি আলহাজ্ব সফিকুর রহমান (কিরন)।
এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নড়িয়া উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাহজালাল ভুঁইয়া। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. রেহান উদ্দিন, জেলার স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব, নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম খান, এমপি-পত্নী ফারহান কাদির রহমান, এবং সহকারি কমিশনার (ভূমি) লাকী দাস প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্লিং হালান্ড প্রিমিয়ার লিগে একটি নতুন মাইলফলক অর্জন করেছেন। তিনি সান্ডারল্যান্ডের বিরুদ্ধে গোল করে লিগে এখন পর্যন্ত ২৫টি দলের বিরুদ্ধে গোল করার কীর্তি গড়েছেন, যা ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকার জন্য একটি বিশেষ অর্জন।
রোববার, ইতিহাদ স্টেডিয়ামে সিটি সান্ডারল্যান্ডকে ৫-৩ গোলে পরাজিত করে। ম্যাচের ৮১ মিনিটে হালান্ড গোল করেন, যা ভিএআর পর্যালোচনার পর বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর আগে সান্ডারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচে তিনটি শট নিয়েও তিনি গোল করতে পারেননি।
২০২২ সালের আগস্টে প্রিমিয়ার লিগে অভিষেকের পর থেকে হালান্ড ২৫টি ভিন্ন দলের বিপক্ষে খেলেছেন। প্রতিটি দলের বিরুদ্ধে অন্তত একবার তিনি গোল করেছেন। এর মধ্যে ওয়েস্ট হামের বিরুদ্ধে ৮ ম্যাচে সর্বাধিক ১১ গোল করেছেন। ক্রিস্টাল প্যালেস এবং উলভারহ্যাম্পটনের বিরুদ্ধে তাঁর গোল সংখ্যা ১০টি করে।
প্রতিপক্ষভেদে হালান্ডের গোল:
ওয়েস্ট হাম—১১, ক্রিস্টাল প্যালেস—১০, উলভারহ্যাম্পটন—১০, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড—৯, ফুলহাম—৮, এভারটন—৭, ব্রাইটন—৭, আর্সেনাল—৬, বার্নলি—৫, ব্রেন্টফোর্ড—৫, নটিংহাম ফরেস্ট—৫, ইপসউইচ—৪, সাউদাম্পটন—৪, চেলসি—৪, টটেনহাম—৪, বোর্নমাউথ—৪, লেস্টার—৩, লিভারপুল—৩, লিডস—২, শেফিল্ড ইউনাইটেড—১, লুটন—১, কভেন্ট্রি—১, সান্ডারল্যান্ড—১, অ্যাস্টন ভিলা—১, নিউক্যাসল—১।
তবে, হালান্ডের এই ২৫/২৫ রেকর্ড এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। তিনি প্রিমিয়ার লিগে হাল সিটির বিরুদ্ধে এখনও খেলেননি। ১৯ ডিসেম্বর বড়দিনের আগে লিগের শেষ ম্যাচে হাল সিটির বিরুদ্ধে খেললে, সেই দলের বিরুদ্ধে গোল করার সুযোগ পাবেন তিনি।
হালান্ডের আগে, প্রিমিয়ার লিগে একাধিক ম্যাচ খেলে মুখোমুখি হওয়া প্রতিটি দলের বিরুদ্ধে গোল করার কীর্তি ছিল শুধুমাত্র হ্যারি কেইনের। টটেনহামের প্রাক্তন এই স্ট্রাইকার ৩২টি ভিন্ন দলের বিপক্ষে গোল করেছেন।
তবে, প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভিন্ন দলের বিপক্ষে গোল করার রেকর্ড হালান্ডের নয়। ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড ৩৯টি দলের বিপক্ষে গোল করে শীর্ষে রয়েছেন। অ্যান্ড্রু কোল ৩৮টি এবং জার্মেইন ডিফো ও অ্যালান শিয়েরার ৩৭টি দলের বিপক্ষে গোল করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ