বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১১ পি.এম
রান্নার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে পেঁয়াজ কাটতে হয় প্রায় প্রতিদিনই। তবে, পেঁয়াজ কাটার কিছুক্ষণ পর থেকেই চোখে শুরু হয় জ্বালাপোড়া এবং পানি পড়া। এই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি অনেকেই হন। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, পেঁয়াজ কাটার ফলে চোখে পানি কেন আসে? এর পেছনে রয়েছে পেঁয়াজের ভেতরে থাকা সালফারযুক্ত উপাদান এবং একটি বিশেষ রাসায়নিক বিক্রিয়া।
পেঁয়াজ কাটার সময় এর কোষগুলো ভেঙে যায়। ফলে কোষের ভেতরে থাকা বিভিন্ন উপাদান একে অপরের সংস্পর্শে আসে। এই সময় অ্যালিনেজ নামের একটি উৎসেচক সালফারযুক্ত যৌগের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। এর ফলে তৈরি হয় সিন-প্রোপেনেথিয়াল-এস-অক্সাইড নামের এক ধরনের উদ্বায়ী রাসায়নিক পদার্থ। একে অশ্রু সৃষ্টিকারী উপাদান বলা হয়।
এই রাসায়নিক পদার্থ বাতাসে ছড়িয়ে গ্যাসের মতো চোখে পৌঁছায়। এতে চোখের সংবেদনশীল স্নায়ু উত্তেজিত হয়। শুরু হয় জ্বালাপোড়া। চোখ তখন নিজেকে রক্ষা করতে অতিরিক্ত পানি তৈরি করে। এই কারণেই পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ দিয়ে পানি পড়ে।
পেঁয়াজ কাটলে চোখে পানি কমাবেন যেভাবে
পেঁয়াজ কাটার সময় চোখে পানি পড়া পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন হলেও কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করলে অস্বস্তি কিছুটা কমানো সম্ভব।
১. ফ্রিজে রাখুন পেঁয়াজ: পেঁয়াজ কাটার আগে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। এতে রাসায়নিক পদার্থের বাষ্পীভবন কমতে পারে। ফলে চোখে জ্বালাপোড়াও কিছুটা কম হতে পারে।
২. ধারালো ছুরি ব্যবহার করুন: পেঁয়াজ কাটার সময় ধারালো ছুরি ব্যবহার করুন। এতে পেঁয়াজের কোষ তুলনামূলক কম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঝাঁজালো পদার্থ কম ছড়াতে পারে।
৩. বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন: ফ্যানের বাতাস বা ভালো বায়ু চলাচল করে এমন জায়গায় পেঁয়াজ কাটুন। এতে ঝাঁজালো রাসায়নিক পদার্থ চোখের কাছে কম পৌঁছাতে পারে।
পেঁয়াজ কাটার সময় চোখে পানি আসা কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। এটি চোখকে বিরক্তিকর রাসায়নিক পদার্থ থেকে রক্ষা করার শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। তাই পেঁয়াজ কাটার সময় চোখে পানি এলে চিন্তার কিছু নেই। বরং কয়েকটি সহজ কৌশল মেনে চললেই এই অস্বস্তি অনেকটা কমানো সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত যুবকের নাম তরিকুল ইসলাম শেখ, বয়স ৩৫ বছর।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ২টার দিকে উপজেলার আমভিটা-রামকৃষ্ণপুর জোড়া বটতলা এলাকায় গফফারের চায়ের দোকানে এই ঘটনা ঘটে। নিহত তরিকুল ইসলাম শেখ ১২ নম্বর রংপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম শেখের পুত্র।
স্থানীয় সূত্র এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের সময় তরিকুল গফফারের চায়ের দোকানে অবস্থান করছিলেন। সেই মুহূর্তে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা এবং কেন এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করেছেন। হত্যার কারণ এবং দুর্বৃত্তদের পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
খুলনা জেলার পুলিশ সুপার ওমর ফারুক বলেন, "এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে শুনেছি। কী কারণে তাকে গুলি করা হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পোশাকশ্রমিকদের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে চলমান অস্থিরতার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এনবিআরের দুটি গোয়েন্দা ইউনিট দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা প্রদান করেছে।
এছাড়া, রাজস্ব কর্তৃপক্ষের নজরদারির আওতায় প্রায় ১২৫টি প্রতিষ্ঠান এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার কোনো অপচেষ্টার সাথে যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্র জানায়, এনবিআর ব্যাংকগুলোর কাছে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর বিস্তারিত লেনদেনের ইতিহাস চেয়েছে।
যাদের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ক্ষমতাচ্যুত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে যুক্ত। এই তালিকার মধ্যে সাবেক মন্ত্রী, সাবেক সংসদ সদস্য এবং প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা রয়েছেন। তালিকায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের পরিবারের কিছু সদস্যের নামও রয়েছে।
তালিকায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম হলেন—সালমান এফ রহমান, আবদুস সালাম মুর্শেদী, টিপু মুনশি, শাহরিয়ার আলম, নসরুল হামিদ, তাজুল ইসলাম, তুসুকা গ্রুপের ফয়জুর রহমান, ওয়েল গ্রুপের আবদুস সালাম, নিপা গ্রুপের খসরু চৌধুরী, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের মোশাররফ হোসেন এবং বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এস এম মান্নান কচি।
তালিকায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ কেউ বর্তমানে কারাগারে আছেন এবং অন্যরা পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে (টিবিএস) জানিয়েছেন, সরকারের কয়েকটি সংস্থার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজস্ব কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
তিনি বলেন, "কিছু সরকারি সংস্থার তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আমরা ব্যাংকগুলোকে এই ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব শনাক্ত ও স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছি।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা বিপুল সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের তথ্যও চেয়েছি।" এই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-র ট্রাস্টি বোর্ড সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবার এবং আহত ব্যক্তিদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত যে কোনো ব্যক্তি বা তার আইনগত ওয়ারিশ এই সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন, যার মধ্যে চালকও অন্তর্ভুক্ত।
বিআরটিএর নিয়ম অনুযায়ী, দুর্ঘটনার ঘটনার ৯০ দিনের মধ্যে ‘ফরম-৩২’ পূরণ করে আবেদন করতে হবে। আবেদনটি সরাসরি চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড বরাবর অথবা বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে জমা দিতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার বিআরটিএর ফেসবুক পেজে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানিয়েছে, সড়ক পরিবহন বিধিমালা অনুযায়ী দুর্ঘটনার ৯০ দিন পেরিয়ে গেলে আবেদন করার আর কোনো সুযোগ থাকবে না।
আর্থিক সহায়তার পরিমাণ
মৃত্যুর ক্ষেত্রে নিহতের পরিবার পাবে অন্যূন পাঁচ লাখ টাকা। দুর্ঘটনায় অঙ্গহানি হলে বিআরটিএ অন্যূন তিন লাখ টাকা প্রদান করবে। গুরুতর আহত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সম্ভাবনা না থাকলে অন্যূন ৩ লাখ এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সম্ভাবনা থাকলে অন্যূন এক লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।
আবেদন যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন শেষে সহায়তার অর্থ আবেদনকারীর স্ব-নামীয় ব্যাংক হিসাবে সরাসরি চেকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি আর্থিক সংকট কাটাতে ও পুনর্বাসনে বিআরটিএ-র এই উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসকদের কাছে যাওয়ার জন্য আসা সাধারণ রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। রোগীদের দীর্ঘ ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে, সময় ও সিরিয়াল নিয়ে আসলেও।
বিশেষ করে নবজাতক ও শিশুদের নিয়ে আসা অভিভাবকদের দুর্ভোগের মাত্রা বেড়ে গেছে। চিকিৎসকদের সহকারীদের বিরুদ্ধে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।
গত বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থতলায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রোগীদের উপচেপড়া ভিড়। বিকাল ৩টা থেকে শত শত রোগী চিকিৎসকদের অপেক্ষায় বসে আছেন।
পঞ্চমতলায় গিয়ে দেখা যায়, শিশু ও নবজাতক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আজিজুল হোসাইনকে দেখানোর জন্য শতাধিক রোগী অপেক্ষা করছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরও শিশুরা কান্নাকাটি শুরু করলেও চিকিৎসকের দেখা মিলছে না। পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা না থাকায় অনেক রোগী ও তাদের স্বজনদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসকের উপস্থিত না হওয়া এবং দীর্ঘসূত্রিতার বিষয়ে জানতে চাইলে তার সহযোগী আব্দুল মান্নান রোগীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
নাঙ্গলকোটের ঢালুয়া থেকে আসা এক নবজাতকের মা আয়েশা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমাকে বিকাল ৪টায় আসার সময় দেওয়া হয়েছিল। অথচ রাত ৯টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকেও সিরিয়াল পাইনি। একটি নবজাতককে নিয়ে ৫ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা যে কত কষ্টের, তা তারা বোঝে না।" তিনি আরও জানান, সহকারী আব্দুল মান্নান তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন।
অন্য এক অভিভাবক এমদাদুল হক জানান, তিনি জ্বর ও নিউমোনিয়ার লক্ষণ নিয়ে ৮ মাসের শিশুকন্যাকে নিয়ে এসেছিলেন; কিন্তু ৪ ঘণ্টা অপেক্ষার পরও ডাক্তার দেখাতে পারেননি। সিরিয়ালের বাইরে অর্থের বিনিময়ে বা বিশেষ বিবেচনায় রোগী ঢুকানোর অভিযোগও করেন তিনি।
ডা. জেবুন্নাহারের চেম্বারের সামনেও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানে ৮০-৯০ জন রোগী অপেক্ষা করছিলেন। এক সপ্তাহ আগে সিরিয়াল নিয়েও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে রোগীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
জাহানারা বেগম নামের এক রোগী অভিযোগ করে বলেন, "ডা. জেবুন্নাহারকে দেখাতে এক সপ্তাহ আগে সিরিয়াল নিয়েছিলাম। আমাকে সাড়ে ৫টায় আসতে বলা হয়েছিল, অথচ রাত ১০টা বাজলেও সিরিয়াল পাইনি। রোগীদের সঙ্গে তারা অমানবিক আচরণ করেন।" অপর রোগী ইয়াসমিন আক্তার জানান, ৩ ঘণ্টা পর সিরিয়াল মিললেও চিকিৎসক মাত্র দুই মিনিট সময় দিয়েছেন এবং তার মধ্যেই ৬-৭টি পরীক্ষা দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালটির অধিকাংশ চিকিৎসকের চেম্বারেই এমন দুর্ভোগ নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকদের খামখেয়ালিপনা ও অব্যবস্থাপনার বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ বিষয়ে চিকিৎসকদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য না করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। এমনকি গণমাধ্যমের পরিচয় পাওয়ার পর চিকিৎসকদের চেম্বারে প্রবেশের অনুমতি মেলেনি।
অভিযোগের বিষয়ে কুমিল্লা ইবনে সিনা হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন অপু বলেন, "চিকিৎসকদের কিছুটা গাফিলতির বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এটি নিয়ে আমরা কাজ করছি। রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।" তিনি আরও বলেন, "কোনো চিকিৎসক রোগীদের অপ্রয়োজনে বসিয়ে রেখে দুর্ভোগ সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" তিনি উল্লেখ করেন, "কিছু চিকিৎসক ঢাকা থেকে যাতায়াত করায় মহাসড়কের যানজটে অনেক সময় কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে যারা স্থানীয়ভাবে কুমিল্লায় অবস্থান করছেন, তাদের যথাসময়ে উপস্থিত হওয়া উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ