রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩২ এম
ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান নাগরিকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফুটপাতে কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন।
তিনি আজ সকালে মিরপুর-১০ ফলপট্টি এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের সময় এ কথা বলেন।
এ সময় মিরপুর-১০ ফলপট্টি এলাকায় অবৈধভাবে স্থাপনা স্থাপনকারীদের দোকান ও অন্যান্য মালামাল সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
প্রশাসক আরও বলেন, উচ্ছেদ করা স্থানগুলোতে যদি পুনরায় অবৈধ স্থাপনা স্থাপন করা হয়, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযান চলাকালে কয়েকজন দোকানদার সাংবাদিকদের জানান, তারা কাউকে কোনো ধরনের চাঁদা দেন না এবং নিজেদের উদ্যোগেই ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
প্রশাসকের ঘোষণার পর আজ বিকেলে মিরপুর-১০ এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উচ্ছেদ অভিযানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বাংলাদেশ পুনর্গঠন, অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং বৈশ্বিক শান্তি ও সহযোগিতায় দেশের ভূমিকা জোরদার করার একটি বিস্তৃত পথরেখা তুলে ধরেন।
জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, দেড় দশকেরও বেশি সময়ের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শোষণে দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এমন এক বিপর্যস্ত দেশের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ ভাষণ দিয়েছেন।
এই অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে দেশ পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের কাঠামো হিসেবে সরকারের থ্রি-আর কৌশল—রিকভারি (পুনরুদ্ধার), রেস্টোরেশন (পুনঃস্থাপন) ও রিকনস্ট্রাকশন (পুনর্গঠন)—উপস্থাপন করেছেন।
তিনি বলেন, এ কৌশল বাস্তবায়নে ব্যাপক অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ প্রয়োজন হবে। মূল্যস্ফীতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে উন্নয়নে অর্থায়নের সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত তিন শতাংশীয় পয়েন্ট বাড়াতে হবে।
মাহবুব উল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের বোঝাও ক্রমে বেড়েছে। আগামী বছরগুলোতে সুদ পরিশোধ ও ঋণের কিস্তি উন্নয়নের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে ঋণ নেওয়া কোনো সমস্যা নয়, যদি সেই ঋণের অর্থ উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করা হয় এবং তা দেশের অর্থনীতিতে সুফল বয়ে আনে।’
জাতীয় অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যাংকিং খাতের সংস্কারও গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেছেন বলেও জানান তিনি।
একইসঙ্গে মাহবুব উল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় ধনী দেশগুলোর কাছ থেকে বিদেশি সহায়তাকে প্রধান উপায় হিসেবে চিহ্নিত করেননি। বরং তিনি দেশের নিজস্ব প্রতিশ্রুতি ও দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এটিকে তিনি একটি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ভাষণে রোহিঙ্গা সংকটকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে মাহবুব উল্লাহ বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান একটি ‘বাড়তি চাপ’। তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে দীর্ঘদিনেও সমাধান না হওয়ায় নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মো. নুরুল আমিন বেপারী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশ সৃষ্টি করেনি। তাই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় মিয়ানমারকেই মূল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের সম্পৃক্ততার কারণে রোহিঙ্গা ইস্যুটি এখন আরো বিস্তৃত আন্তর্জাতিক উদ্বেগের বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
ড. মো. নুরুল আমিন বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিষয়টি তুলে ধরে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে নিজের অবস্থান স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেছে।
তিনি আরো বলেন, প্রত্যাবাসন নিয়ে করা আগের আশ্বাসগুলোর কোনটিই টেকসই সমাধান আনতে পারেনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে রোহিঙ্গা ইস্যুটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীরা আগেও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। তবে কয়েকটি কারণে এবারের ভাষণটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হলো।’
ড. কাজী মাহবুবুর রহমানও জনগণের ক্ষমতায়নের ওপর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। জাতিসংঘ বিশ্বব্যাপী সক্রিয়ভাবে জনগণের ক্ষমতায়নের পক্ষে জোরালো ভূমিকা পালন করে আসছে, আর বাংলাদেশের জনগণকে ক্ষমতায়িত করার প্রধানমন্ত্রীর এই দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেশের অভ্যন্তরীণ একটি প্রধান অগ্রাধিকারকে আন্তর্জাতিক মাত্রা দিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘থ্রি-আর’ (৩-আর) কৌশল এবং যুদ্ধবিগ্রহের প্রতি বাংলাদেশের বিরোধিতাই শান্তি ও পুনর্গঠনের প্রতি দেশের অঙ্গীকারকে আরো সুদৃঢ় করেছে।
কাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, তাঁর ভাষণে সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে সংলাপ, কূটনীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর জোরালো গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলা জাতীয় দৈনিক ‘প্রতিদিনের বাংলাদেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মারুফ কামাল খান বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, সংঘাত, সহিংসতা ও রক্তপাতের এই সময়ে বিশ্বশান্তির জন্য বাংলাদেশের আকাঙক্ষার জোরালো বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ভাষণটিকে বর্ণনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উক্তি- ‘ঘাতক অস্ত্র নয়, পৃথিবী বদলাবে মানবতায়’- উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ভাষণটি শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং দীর্ঘদিনের ফিলিস্তিন সংকটের একটি স্থায়ী সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, এই সমস্যার সমাধান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি এবং গোটা বিশ্বে নিরাপত্তা অর্জন করা কঠিনই থেকে যাবে।
মারুফ কামাল বলেন, তারেক রহমান পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থানও তুলে ধরেছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন, নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন, শিশু স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়গুলোও গুরুত্ব পেয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জনবহুল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের চরম ঝুঁকির কারণে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মনোযোগ বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নারীর শিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে ক্ষমতায়নের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, বাংলায় দেওয়া ১৭ মিনিটের এই ভাষণে বিশ্বশান্তি, আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্বের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং শক্তিশালী বহুপক্ষীয় সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পরিবেশগত সমস্যা এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র সংস্কারের মতো বাংলাদেশের মূল উদ্বেগের বিষয়গুলোর প্রতিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
আবদাল আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলন এবং গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
তিনি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ হিসেবে সরকারের ‘থ্রি-আর’ (৩-আর) কৌশল উপস্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী সামরিক শক্তির পরিবর্তে কূটনৈতিক সংলাপ ও সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন এবং সামরিক খাতের ব্যয় উন্নয়নমূলক খাতে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলে আবদাল আহমদ উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯৩ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর জিয়া পরিবারের কোনো সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এটি ছিল বাংলায় দেওয়া তৃতীয় ভাষণ, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও বৈশ্বিক প্রতিনিধিত্বের সঙ্গে এই পরিবারের গভীর সম্পৃক্ততাকে ফুটিয়ে তুলেছে।
বাসসের প্রতিবেদনে উঠে আসা জনমত অনুযায়ী, বিশ্বমঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর বাংলায় বক্তব্য রাখার সিদ্ধান্ত বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তামজিদ বলেন, এই ভাষণটি তার প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরেছে, যা তাকে গর্বিত করেছে।
রাজধানীর নীলক্ষেতের দোকানি মোহাম্মদ শাহীন বলেন, সাধারণ বাংলাদেশিদের উদ্বেগের বিষয়গুলোকে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরেছেন- বিষয়টি তার ভালো লেগেছে।
পথচারী মোহাম্মদ জসিমও বাংলাদেশের মর্যাদা, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং রোহিঙ্গা সংকটের ওপর ভাষণে দেওয়া গুরুত্বের জন্য গর্ব প্রকাশ করেন।
একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সক্ষম একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেছেন।
বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সংলাপের দরজা খোলা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি যে যেকোনো সমস্যার সমাধান সংলাপ, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই হওয়া উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর মান্দা উপজেলার ইনডেক্স ইন্টারন্যাশনাল ডিসঅ্যাবল স্কুল অ্যান্ড কেয়ার সেন্টার পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে তিনি উপজেলা সদর দয়ালের মোড় এলাকায় অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইনডেক্স ইন্টারন্যাশনাল ডিসঅ্যাবল স্কুল অ্যান্ড কেয়ার সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মোজাফফর হোসেন।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু মন্তব্য করেন, "প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা, চিকিৎসা, পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের সুযোগ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।" তিনি আরো বলেন, প্রতিবন্ধকতার কারণে কোনো শিশু যেন সমাজের মূলধারা থেকে পিছিয়ে না থাকে, সে জন্য সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
এ সময় মান্দা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাওন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল মাসুদ রানা, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক মুকুল, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিদ্যুৎ, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল জলিলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব বলেছেন যে, সকল সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালনের অধিকার রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন যে, তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের জন্য আলাদাভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনও নেই। কারণ, যে কোন সম্প্রদায় তার ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করা স্বাভাবিক।
তবে, যদি কোনো গোষ্ঠী বা চক্র ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাহলে তাদের জন্য জেল হাজতে যাওয়ার ব্যবস্থা হবে। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে শনিবার সকালে সুজানগর থানার উদ্যোগে স্থানীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোজাফফর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ এবং সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) মোঃ সাদিক আহমদ। এছাড়াও, পাবনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কোমল চন্দ্র সরকার, সুজানগর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুবোধ কুমার নাটো, সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন সাহা, উপজেলা বিএনপি নেতা এডভোকেট আব্দুস সুবাহান, হাবিবুর রহমান মাস্টার ও কামাল হোসেন বিশ্বাসসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব পর্যটন দিবসের উপলক্ষে বান্দরবান জেলা প্রশাসন পর্যটকদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করেছে, যাতে তারা পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। এই উপলক্ষে নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক ও প্রান্তিক লেক পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য কোনো ফি দিতে হবে না।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবসের জন্য আগামীকাল (২৭ সেপ্টেম্বর) নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক ও প্রান্তিক লেক পর্যটনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের জন্য কোনো প্রবেশ ফি লাগবে না। এর ফলে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে দর্শনার্থীরা বিনামূল্যে এসব পর্যটনকেন্দ্রে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। এতে জনপ্রতি ২০০ টাকা সাশ্রয় হবে।
জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবস উপলক্ষে আগামীকাল (রোববার) দিনব্যাপী জেলা প্রশাসন পরিচালিত নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক ও প্রান্তিক লেক পর্যটনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের জন্য কোনো প্রবেশ ফি আরোপ করা হবে না।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবসকে সামনে রেখে পর্যটকদের জন্য এই বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। ফলে আগামীকাল (রোববার) দিনব্যাপী দেশ-বিদেশের পর্যটকরা বান্দরবানের এই চারটি পর্যটনকেন্দ্রে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ