শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৮ পি.এম
ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সরকারি বাহিনী এবং ইরানসমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮৯ জনে পৌঁছেছে। বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকাগুলোর দখল নিয়ে এই তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে, যা পুরো অঞ্চলে চরম উত্তেজনা এবং মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে।
সামরিক ও চিকিৎসাসূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘর্ষে অন্তত ৬৬ জন সরকারি সেনা এবং ৬২ জন হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এছাড়া, সংঘাতে একজন বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানির খবরও নিশ্চিত করা হয়েছে।
হুথিরা রকেট এবং ড্রোন হামলার পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে বড় ধরনের স্থল আক্রমণ চালালে, ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা আল-জারাফির দক্ষিণ দিক থেকে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে হাইস জেলার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে এবং তাইজ প্রদেশের হাইফান জেলায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উচ্চভূমি নিজেদের দখলে নিয়েছে। এর পাশাপাশি, তাইজ ও হুদাইদার পশ্চিমাঞ্চলে হুথিদের বিভিন্ন সামরিক অবস্থান, জমায়েত ও গাড়িবহর লক্ষ্য করে যুদ্ধবিমানগুলো অন্তত পনেরোটিরও বেশি বিমান হামলা পরিচালনা করেছে।
এই সংঘাতের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগরকে সংযোগকারী সংকীর্ণ বাব আল-মান্দাব প্রণালী, যা এশিয়া, ইউরোপ এবং ভূমধ্যসাগরের মধ্যকার প্রধান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নৌপথ।
মধ্যপ্রাচ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের চালান ব্যাপকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য এই লোহিত সাগর রুটটির গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। হুথিরা মূলত মখা বন্দর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালীর আশপাশের উঁচু পাহাড়ি এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে, যা সফল হলে তারা এই জলসীমায় চলাচলকারী যেকোনো জাহাজে সহজে হামলা চালাতে সক্ষম হবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার এডেন থেকে তাইজে প্রচুর পরিমাণে অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে।
ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমী কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, হুথিদের এই অগ্রসর হওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা তাদের জন্য একটি দীর্ঘস্থায়ী ও কঠোর যুদ্ধে পরিণত হবে।
২০২২ সালের একটি ভঙ্গুর চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে শান্ত থাকা এই সংঘাতের পরিবেশ গত জুলাই মাসে নতুন করে চরম অবনতির দিকে মোড় নেয়। সানায় একটি ইরানি বিমান অবতরণ এবং পরবর্তীতে সৌদি আরবের ওপর সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণার মাধ্যমে সেই শান্তিচুক্তি পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। এর পাশাপাশি, গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ধারাবাহিক বিঘ্ন ঘটিয়ে আসছিল হুথি বিদ্রোহীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সঠিক গতিবিধি পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু নির্দেশনা দিয়েছেন, প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে এবং শিক্ষকদের নিয়মিত সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
শনিবার বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলার চার্চ অব গড মিশন ক্যাম্পাস ভবনে জেলার সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, "শিক্ষার মান একদিনে রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তবে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী এক বছরের মধ্যেই ফলাফল দৃশ্যমান ও উন্নত করা সম্ভব।"
শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, স্কুলে যদি কোনো অনিয়ম বা ভুলত্রুটি ঘটে, তা সঙ্গে সঙ্গে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। শিক্ষকদের সময়মতো স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ডিজিটাল উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং সরকারি নির্দেশনাগুলো সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে। বিদ্যালয়গুলোতে আকস্মিক পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে এবং কোথায় কতটি সঠিক বা ভুল সিদ্ধান্ত হচ্ছে তা তৎক্ষণাৎ মনিটরিং করা হবে।
শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পিছিয়ে পড়া বা কম মেধার শিক্ষার্থীদের প্রতি আলাদাভাবে যত্ন নিতে হবে এবং অভিভাবকদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠন ও খেলাধুলা চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী আরও বলেন, কিশোর অপরাধ রোধে আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে এবং যুবসমাজকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।
জেলা শিক্ষা অফিসার রোকসানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মননীতা দাসসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়নের শিকারপুর মৌজায় সরকারি ‘খ’ গ্যাজেটভুক্ত ভিপি (ভয়স্টেড প্রপার্টি) সম্পত্তি রয়েছে প্রায় ৪০ একর। এর মধ্যে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ১.৯২ একর সরকারি ‘খ’ গ্যাজেটভুক্ত ভিপি (ভয়স্টেড প্রপার্টি) সম্পত্তি দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আব্দুল হামিদ নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিকারপুর মৌজার ৪৬৯ ও ৩৩৭ নম্বর দাগের ওই সরকারি জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে এবং জমিটির ওপর আদালতের পক্ষ থেকে ‘স্থিতাবস্থা’ (Status Quo) বজায় রাখার স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত আব্দুল হামিদ আদালতের সেই নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে স্থানীয় পেশিশক্তি ও প্রভাব খাটিয়ে জমিটি নিজের দখলে নিয়েছেন।
আদালতের আদেশ অমান্য করে সরকারি সম্পদ দখলের বিষয়ে দীর্ঘ ৩০-৩৫ বছরের প্রকৃত লীজগৃহিতার হতাশ।
তবে স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর দাবি, আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পেশিশক্তির জোরে সরকারি জমি দখলের এই ঘটনায় দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। সরকারি সম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও ভূমি অফিসের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁসের ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘরের শত্রু খুঁজছেন। তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছেন।
মার্কিন অস্ত্রের মজুতের তথ্য ফাঁসের ঘটনায় আগস্ট মাসে ৫০ জন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তার পলিগ্রাফ পরীক্ষা (মিথ্যা শনাক্তকারী পরীক্ষা) পরিচালনা করেছেন মার্কিন তদন্তকারীরা। এ তথ্য জানায় আনাদোলু।
শুক্রবার একাধিক মার্কিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্তের আওতায় প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দেওয়া জ্যেষ্ঠ সামরিক নেতাদের নিয়ে গঠিত জয়েন্ট স্টাফের কর্মকর্তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। মূলত ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতি সংক্রান্ত তথ্য ফাঁসের বিষয়টি তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
অন্যদিকে, সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পলিগ্রাফ পরীক্ষায় এফবিআই জড়িত ছিল না। সামরিক বাহিনী তাদের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ তদন্তকারীদের মাধ্যমে এই পরীক্ষা সম্পন্ন করে। তবে সব জ্যেষ্ঠ সামরিক নেতার পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনও এই তদন্তের আওতার বাইরে ছিলেন।
জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তথ্য ফাঁসের ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ।
সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, গণমাধ্যমের কাছে তথ্য ফাঁস করেছেন কি না—এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে পলিগ্রাফ পরীক্ষায় কোনো কর্মকর্তা ব্যর্থ হননি। তদন্তকারীরা উদ্বিগ্ন ছিলেন যে, সরকারের কোনো কর্মকর্তা বিদেশি গুপ্তচর হিসেবে কাজ করছেন কি না। কারণ, নির্দিষ্ট অস্ত্রের মজুতসংক্রান্ত তথ্যের প্রবেশাধিকার ছিল অত্যন্ত সীমিত।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, সংস্থাটি ‘অভ্যন্তরীণ কর্মী বা তদন্তসংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য করে না’। তবে শ্রেণিবদ্ধ বা গোপনীয় তথ্য ফাঁসের বিষয়টি তারা ‘অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেয় এবং সে অনুযায়ী তদন্ত করে।’
ট্রাম্প মার্কিন সামরিক বাহিনীর কৌশলগত অস্ত্রের ঘাটতির খবর অস্বীকার করে বলেছেন, সামরিক বাহিনীর কাছে ‘বিপুল পরিমাণ’ অস্ত্র রয়েছে। তিনি তথ্য ফাঁসকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহমূলক বক্তব্য’ এবং ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন যে, দায়ীদের ‘খুঁজে বের করা হবে’ এবং তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।
পলিগ্রাফ পরীক্ষা নেওয়ার এই উদ্যোগের আগে বেশ কিছু অননুমোদিত তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটেছিল। এর মধ্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অর্ডারস বুকের একটি অংশ ফাঁস হওয়ার ঘটনাও রয়েছে।
ওই নথিতে দেখা যায়, চার তারকা পদমর্যাদার ছয়জন সামরিক নেতা ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিন্নমত প্রকাশ করেছিলেন। তারা সতর্ক করে বলেছিলেন, যুদ্ধটি ‘টেকসই নয়’ এবং এটি বিশ্বব্যাপী সামরিক প্রস্তুতি দুর্বল করছে।
পারনেল এই তথ্য ফাঁসের ঘটনাকে ‘অপরাধ’ এবং ‘বাহিনীর প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে নিন্দা করেন। তিনি আরও বলেন, এসব তথ্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বড় একটি অংশই ভুল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুবি ছাত্রশক্তির প্রথম আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নিলয় বড়ুয়া এবং সদস্য সচিবের দায়িত্বে থাকবেন সৈয়দা নাজিফা নাফিল। ছবি: আরটিভি
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) জাতীয় ছাত্রশক্তির ১০ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি প্রথমবারের মতো ঘোষণা করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক হিসেবে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী নিলয় বড়ুয়া এবং সদস্য সচিব হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সৈয়দা নাজিফা নাফিলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি আহসান লাবিব ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আলামিন মজুমদার। সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন ওমর ফারুক। এছাড়া যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) হিসেবে মোহাম্মদ ওসমান, যুগ্ম সদস্য সচিব (মিডিয়া) হিসেবে জুবায়ের আজম খান এবং মূখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আরিফুল ইসলাম রনি।
এছাড়া কমিটির সদস্য হিসেবে নাঈমুর রহমান, বিল্লাল হোসেন ও জি. এম. তৈয়ুবুর ইসলাম রয়েছেন।
নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য সচিব সৈয়দা নাজিফা নাফিল বলেন, ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করায় আমি কৃতজ্ঞ। আমার কাছে এটি শুধু একটি পদ নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। এ দায়িত্ব পালনে আমি সকলের সহযোগিতা ও পাশে থাকার প্রত্যাশা করি।’
আহ্বায়ক নিলয় বড়ুয়া বলেন, ‘জাতীয় ছাত্রশক্তির কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। যারা আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। শিক্ষার্থীদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করা, বৈষম্যহীন ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো নিয়ে সোচ্চার থাকাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তিকে আরও শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’
বিজ্ঞপ্তিতে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঘোষিত এ আহ্বায়ক কমিটি আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ