ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মার্কিন-দক্ষিণ কোরীয় মহড়া পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি: উত্তর কোরিয়া


মার্কিন-দক্ষিণ কোরীয় মহড়া পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি: উত্তর কোরিয়া

উত্তর কোরিয়া দাবি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্প্রতি অনুষ্ঠিত যৌথ সামরিক মহড়া পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে গণ্য হচ্ছে। পিয়ংইয়ংয়ের বক্তব্য, এই মহড়া তাদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায়, উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক শক্তি দ্রুত বৃদ্ধি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সোমবার, দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির উপবিভাগীয় পরিচালক কিম জং সিক মন্তব্য করেছেন, ‘আয়রন মেস’ নামক এই মহড়া প্রমাণ করে যে, পারমাণবিক অস্ত্রের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়াকে দমিয়ে রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা এখনও অব্যাহত রয়েছে। তিনি এও বলেছেন যে, এ ধরনের হুমকি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কিম আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যান্য যৌথ সামরিক কার্যক্রমের কারণে ‘আয়রন মেস’ মহড়ার প্রেক্ষাপটে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তি বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে চবি উপাচার্যের সঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিলের মতবিনিময়

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত ‘আয়রন মেস’ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এই মহড়ার উদ্দেশ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সামরিক সক্ষমতার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রচলিত সামরিক বাহিনীর সমন্বয় বৃদ্ধি করা।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং উৎপাদনের দায়িত্বে থাকা গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা কিমের কাছ থেকে পারমাণবিক নীতি নিয়ে এমন মন্তব্য আসা অস্বাভাবিক। সাধারণত, এ ধরনের বিবৃতি দেশটির প্রতিরক্ষা বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়।

উত্তর কোরিয়াবিষয়ক গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ইয়াং মু-জিন বলেছেন, কিমের দায়িত্ব শুধু ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন ও উৎপাদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণের দায়িত্বও তাঁর ওপর আসতে পারে।

এদিকে, গত সেপ্টেম্বরে সীমান্তে একটি মাইন বিস্ফোরণের পর দুই কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এরপর, উত্তর কোরিয়া হুমকি দিয়েছে যে, অক্টোবরের শেষ নাগাদ দক্ষিণ কোরিয়ার দিকে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে প্রচারমূলক সম্প্রচার আবার শুরু করতে পারে।

আরও পড়ুন: হুথিদের ড্রোন হামলা দাম্মাম বিমানবন্দর ও জিজান রাডার স্টেশনে

তবে, দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী সোমবার জানিয়েছে যে, উত্তর কোরিয়া এখন পর্যন্ত সেই হুমকি বাস্তবায়ন করেছে, এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ রাশিয়ানদের ফোনে পারমাণবিক হামলার বার্তা, অতঃপর ভুয়া সতর্কবার্তা প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


হঠাৎ রাশিয়ানদের ফোনে পারমাণবিক হামলার বার্তা, অতঃপর ভুয়া সতর্কবার্তা প্রকাশ

রাশিয়ানদের ফোনে পারমাণবিক হামলার সতর্কবার্তা হঠাৎ করে ভেসে উঠেছে একটি বিমান হামলার সতর্কবার্তা দেওয়ার মোবাইল অ্যাপে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইউক্রেনের হামলাকারী ড্রোন থেকে পারমাণবিক ওয়ারহেড রাশিয়ার সব অঞ্চলের দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই বিষয়ে জানিয়েছে, ইউক্রেনের বিমান হামলার সতর্কবার্তা দেওয়ার অ্যাপেও এমন অস্বাভাবিক বার্তা দেখা গেছে। তবে এটি একটি ভুয়া সতর্কবার্তা ছিল, যা হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সেখানে আরও বলা হয়েছে, রাশিয়ার সব অঞ্চলে পারমাণবিক হামলার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। বাসিন্দাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তিন সপ্তাহের খাবার মজুত করে আত্মগোপনে যাওয়ার জন্য।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে রাশিয়ার জরুরি পরিস্থিতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটির জনসাধারণকে সতর্ক করার ব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে কার্যকর রয়েছে। সাইরেন, মাইক, খুদে বার্তা (এসএমএস) এবং টেলিভিশন ও রেডিওর মাধ্যমে নাগরিকদের সতর্কবার্তা প্রদান করা হচ্ছে। মোবাইল অ্যাপটি শুধুমাত্র অতিরিক্ত তথ্যসেবা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

মন্ত্রণালয় তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে জানায়, মোবাইল অ্যাপের হ্যাকিংয়ের ঘটনায় জনসাধারণকে সতর্ক করার ব্যবস্থার কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়েনি। অ্যাপটির স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারে বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীন-ওমান সম্পর্ক গভীর করতে চান শি চিনপিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৪ এম


চীন-ওমান সম্পর্ক গভীর করতে চান শি চিনপিং

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং চান চীন ও ওমানের সম্পর্ককে আরো বিস্তৃত ও গভীর করতে। তিনি উল্লেখ করেছেন, দুই দেশের সম্পর্ককে জোরদার করা উভয় পক্ষের জন্য একটি অভিন্ন কৌশলগত সিদ্ধান্ত।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার বেইজিংয়ে ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিক আল-সাইদের সঙ্গে বৈঠকের সূচনায় এ মন্তব্য করেন শি। তিনি জানান, চীন ও ওমানের সম্পর্ক এখন ইতিহাসের নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করছে। বৈঠক সংক্রান্ত সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদলের একটি প্রতিবেদনে শিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, তিনি ওমানের সুলতানের সঙ্গে কাজ করতে চান যাতে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরো উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।

শি আরও বলেন, এর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি এ অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা সম্ভব হবে। ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিক আল-সাইদ রবিবার বেইজিংয়ে দুই দিনের সফরে পৌঁছান। ১৯৭৮ সালে চীন ও ওমানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর এটি দেশটির কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের প্রথম চীন সফর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইকোর্টে রিটের অজুহাতে ঝুলে আছে এলিট টাওয়ারের অবৈধ অংশ অপসারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আবুসুফিয়ান, সিরাজগঞ্জ

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৫ এম


হাইকোর্টে রিটের অজুহাতে ঝুলে আছে এলিট টাওয়ারের অবৈধ অংশ অপসারণ

সিরাজগঞ্জ শহরের দরগা রোডে নির্মিত এলিট টাওয়ারের অনুমোদনবহির্ভূত অষ্টম তলা অপসারণ নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক উদ্যোগ কার্যত থমকে আছে। একাধিকবার নোটিশ ও অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি সিরাজগঞ্জ পৌরসভা। সর্বশেষ গত ২১ সেপ্টেম্বর উচ্ছেদ অভিযানের দিনক্ষণ নির্ধারণ করেও শেষ পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। এর মধ্যে ভবনমালিকের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে রিট করার কথা জানানোয় বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ভবনটির মালিক জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সাবেক স্টেনোটাইপিস্ট খাদেমুল ইসলাম ও হিসাবরক্ষক হেদায়েত উল্লাহ গং। ভবনটির অনুমোদনবহির্ভূত অংশ অপসারণের জন্য ২০২৪ সালের ৯ জুলাই তৎকালীন পৌর মেয়র নির্দেশনা দেন। এরপর ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল পৌর প্রশাসকের পক্ষ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়। একই বছরের ১১ আগস্ট পুনরায় অপসারণের নির্দেশনা জারি করা হয়। কিন্তু এসব নির্দেশনার পরও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

সর্বশেষ ২০২৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পৌর প্রশাসক শাহাদাত হোসেইন স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত নোটিশে ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় ভবনটির অনুমোদনবহির্ভূত অষ্টম তলা অপসারণে অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি অভিযান নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর থানার কাছে পুলিশ ফোর্সও চাওয়া হয়।

তবে নির্ধারিত দিনে অভিযান পরিচালনা না করেই ফিরে আসে পৌরসভার অভিযানকারী দল। ওই সময় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম শফিকুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, পৌর প্রশাসকসহ তাঁরা ভবনটি অপসারণের উদ্যোগ নিতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। কিন্তু ভবনমালিক স্ট্রোক করেছেন জানিয়ে তাঁর পক্ষ থেকে ১০ থেকে ১৫ দিনের সময় চাওয়া হয়।

তবে ওই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও ভবনটির অনুমোদনবহির্ভূত অংশ অপসারণে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি নিয়ে পৌরসভার প্রশাসক স্যারের সঙ্গে আমরা বসব। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে ভবনটির মালিকানা, নির্মাণপ্রক্রিয়া ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সাবেক স্টেনোটাইপিস্ট খাদেমুল ইসলাম ও হিসাবরক্ষক হেদায়েত উল্লাহ নিজেদের সরকারি কর্মস্থলের পরিচয় এবং পুলিশ প্রশাসনের প্রভাবকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অনুমোদিত নকশা ও নির্মাণবিধি উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন। তাঁদের এমন প্রভাববলয় ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের মধ্যেই ভবনটির অবৈধ অংশ অপসারণে পৌরসভার একাধিক নির্দেশনা কার্যকর না হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।

অন্যদিকে ভবনমালিক খাদেমুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভবনটির বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। বিষয়টি এখন আদালতের বিবেচনাধীন।

সিরাজগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক শাহাদাত হোসেইন বলেন, ভবনমালিকরা হাইকোর্টে রিট করেছেন। আমরা সেটির জবাব দেব। বর্তমানে আদালতে আছে। জবাব দেওয়ার পরই ব্যবস্থা নিতে পারব বলে আশা করছি।

একাধিকবার নোটিশ ও চূড়ান্ত নির্দেশনার পরও এলিট টাওয়ারের অনুমোদনবহির্ভূত অংশ অপসারণ না হওয়ায় পৌরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দ্রুত অবৈধ অংশ অপসারণে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে অক্টোবরের ডেঙ্গুতে শনাক্ত হয়েছেন ৪৬৭ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিলেট প্রতিনিধি

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৭ এম


সিলেটে অক্টোবরের ডেঙ্গুতে শনাক্ত হয়েছেন ৪৬৭ জন

সিলেটে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। বছরের প্রথম ৯ মাসে বিভাগে যত রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন, অক্টোবরের এক মাসেই আক্রান্ত হয়েছেন তার চেয়েও বেশি। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে আক্রান্ত ছিলেন ৪১০ জন। অথচ অক্টোবরের ৩১ দিনেই নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪৬৭ জন। অর্থাৎ চলতি বছরের মোট আক্রান্তের অর্ধেকেরও  বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন শুধু অক্টোবর মাসে। সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতির পাশাপাশি অক্টোবরে ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যুও হয়েছে। সব মিলিয়ে ১০ মাসে বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭৭ জনে, মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫৭ জন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. মো. মাহবুবুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে সিলেট বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ছিলেন ১০৫ জন। আগস্টে নতুন করে আক্রান্ত হন ৮৫ জন। সেপ্টেম্বরে শনাক্ত হন ২২০ জন। এতে সেপ্টেম্বর শেষে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪১০ জনে। কিন্তু অক্টোবরেই নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬৭ জন। অর্থাৎ আগের নয় মাসের সম্মিলিত আক্রান্তের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে অক্টোবরের সংক্রমণ।
সেপ্টেম্বরের প্রথম ২১ দিনেই বিভাগে ১৪৪ জন ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হয়েছিলেন। তখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৩৪। ওই সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৩০ জন। এক মাসের ব্যবধানে সংক্রমণের চিত্র আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। অক্টোবরের ৩১ দিনে গড়ে প্রতিদিন ১৫ জনের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায়ও নতুন করে ২১ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি ৫৭ জন।
জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যানে ডেঙ্গু আক্রান্তের দিক থেকে সিলেট বিভাগের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে হবিগঞ্জ। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬২ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সিলেটে আক্রান্ত ২০৫ জন। সুনামগঞ্জ জেলায় ২০১ জন এবং মৌলভীবাজারে ৭৮ জন ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া অন্যান্য জেলা থেকে এসে সিলেট বিভাগে চিকিৎসা নিতে গিয়ে আরও ৩১ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।
জেলা ভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়, মোট আক্রান্তের প্রায় ৪১ শতাংশই হবিগঞ্জের বাসিন্দা। সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলাতেও সংক্রমণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ায়  ডেঙ্গুর বিস্তার এখন শুধু নগরকেন্দ্রিক নেই; ছড়িয়ে পড়েছে বিভাগের বিভিন্ন এলাকায়।
ওসমানীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৭ রোগী : স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২১ জনের মধ্যে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩, লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১, হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ২, ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১, শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ এবং সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ৪ জন রয়েছেন।
বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫৭ জনের মধ্যে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১, নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ২, বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১, লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪, মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩, হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ৭, ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২, শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ৪ এবং মৌলভীবাজার  জেলা সদর হাসপাতালে ২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%