ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা হচ্ছে প্রথম কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়


বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা হচ্ছে প্রথম কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

দেশে প্রথমবারের মতো কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। একই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশের আটটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আধুনিকায়ন, যৌথ শিক্ষাক্রম চালু করা এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চীনে বৃত্তি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা হবে।

বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং চীনের পক্ষে দেশটির শিক্ষা উপমন্ত্রী ওয়াং গুয়াংইয়ান এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট কনফারেন্স ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজনীতি মানুষের সেবায় হওয়া উচিত: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

সম্মেলনে ৪০টিরও বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং শতাধিক দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। বেইজিং এগ্রিমেন্টের পাশাপাশি সম্মেলনে ‘চীনে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক শ্বেতপত্র’, ‘লুবান ওয়ার্কশপের জাতীয় মানদণ্ড’ এবং আন্তর্জাতিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) সহযোগিতা এগিয়ে নিতে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল উন্মোচন করা হয়।

বেইজিং এগ্রিমেন্টে বাংলাদেশের সমর্থন ও সম্পৃক্ততা আন্তর্জাতিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা-প্রশিক্ষণের মানদণ্ড গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের উপযোগী করে প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মন্তব্য করেন, ‘এই সমঝোতা স্মারক এবং বেইজিং এগ্রিমেন্ট একত্রে বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় অভূতপূর্ব গতি সঞ্চার করবে।’

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘বৈশ্বিক কারিগরি শিক্ষার মানদণ্ড এবং বাস্তবধর্মী দ্বিপক্ষীয় যৌথ সহযোগিতা বাংলাদেশি তরুণদের জন্য বিশ্বজুড়ে বাস্তব কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।’

আরও পড়ুন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান হাবিবের

স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি বাংলাদেশ-চীনের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে এবং বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা আশাবাদ প্রকাশ করেন।

সহযোগিতা কাঠামোর অগ্রাধিকারমূলক ৬ উদ্যোগ

এই দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তির আওতায় দুই দেশ অগ্রাধিকারমূলক ৬টি সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করবে।

১. চীনের কারিগরি শিক্ষাক্রম, শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশের আটটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আধুনিকায়ন করা হবে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজার শিক্ষা থেকে সত্য প্রতিষ্ঠা ও অন্যায় দূর করার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

২. দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে একটি নতুন কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।

৩. কারিগরি শিক্ষার্থীদের জন্য যৌথ ২+২ এবং ৩+১ মডেলের কারিগরি একাডেমিক কর্মসূচি চালু করা হবে।

৪. বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধার পাশাপাশি স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

৫. চীনের শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহে বাংলাদেশি কারিগরি শিক্ষার্থীদের সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

আরও পড়ুন: রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

৬. বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চীনা বৃত্তির সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করা হবে।

চুক্তি বাস্তবায়নে চীনের গুয়াংডং, জিয়াংসি এবং অন্যান্য প্রদেশের খ্যাতনামা কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এই দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার মূল বাস্তবায়নকারী অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান: দারিদ্র্য দূরীকরণে সাশ্রয়ী আবাসন ও আর্থিক কাঠামোর সংস্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান: দারিদ্র্য দূরীকরণে সাশ্রয়ী আবাসন ও আর্থিক কাঠামোর সংস্কার

ঢাকা, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস দারিদ্র্যকে মানুষের মর্যাদার প্রতি একটি গুরুতর আঘাত এবং মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থে আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কারের জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস উপলক্ষে আজ প্রকাশিত এক বাণীতে জাতিসংঘের প্রধান উল্লেখ করেন যে, দারিদ্র্য মানুষের সুযোগ-সুবিধা সীমিত করে এবং সংকটকালীন মুহূর্তে মানুষকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়।

বর্তমান বছরের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান’-এর ওপর আলোকপাত করে গুতেরেস বলেন, দারিদ্র্য কীভাবে আবাসনহীনতার ঝুঁকি বাড়ায় এবং উচ্চ ভাড়া, অনিরাপদ আবাসন ও গৃহহীনতা মানুষকে আরও গভীর দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দেয়।

তিনি সতর্ক করেন যে, এর ফলাফল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহন করতে হতে পারে, যা অসমতাকে স্থায়ী করে, স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি করে, শিক্ষা ব্যাহত করে এবং স্থায়ী কর্মসংস্থান পাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও কঠিন করে তোলে।

জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, ‘এই দুষ্টচক্র ভাঙতে হলে আয় ও আবাসনের চাপ যেন মানুষকে আরও অবক্ষয়ের দিকে ঠেলে দিতে না পারে, তা প্রতিরোধ করতে হবে।’ সংকট মোকাবিলায় তিনি সাশ্রয়ী আবাসন ও মৌলিক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শোভন কর্মপরিবেশ এবং সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

জাতিসংঘের প্রধান মনে করিয়ে দেন যে, দোহা রাজনৈতিক ঘোষণা দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং এর পেছনে থাকা অসমতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতিকে পুনরুজ্জীবিত করেছে।

এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও পর্যাপ্ত অর্থায়নের পাশাপাশি শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেভিয়া প্রতিশ্রুতি এই পথকে আরও সহজ করেছে।

তিনি আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, প্রতিনিধিত্বশীল এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর চাহিদার প্রতি সাড়া দেওয়ার জন্য জরুরি সংস্কারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বিশ্বে প্রয়োজনীয় সম্পদ ও জ্ঞান বিদ্যমান রয়েছে উল্লেখ করে গুতেরেস বিশ্ববাসীকে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান, যাতে প্রতিটি মানুষ একটি নিরাপদ আবাসন পায় এবং দারিদ্র্যমুক্ত পরিবেশে মর্যাদাপূর্ণ জীবন গড়ার সুযোগ লাভ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগ্রাসন রুখতে দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা বাড়ানোর আহ্বান : রুহুল কবির রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


আগ্রাসন রুখতে দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা বাড়ানোর আহ্বান : রুহুল কবির রিজভী

ঢাকা, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন, সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে একটি জাতির স্বকীয়তা দুর্বল করার প্রচেষ্টা চলছে। এই ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দেশের তরুণদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির পায়রা চত্বরে মরমি সাধক লালন শাহের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘কালচার ফর ইউনিটি বাংলাদেশ’ নামক সংগঠন।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক কাজী জেসিন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, আমাদের ওপর বিভিন্নভাবে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে আমাদের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার গ্যারান্টি হচ্ছে নিজস্ব সাংস্কৃতিক গভীরতার উন্মোচন, চর্চা ও অনুশীলন। বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের চর্চা বিশ্বে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, গত ১৬-১৭ বছরে দেশকে একমুখী করার চেষ্টা হয়েছে। এই সময়ে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালানো হয়েছে এবং স্বাধীনতার কথা বলে অন্য দেশের দাসত্ব করা হয়েছে। তবে আশার বিষয় হলো, তরুণেরা এসব বিষয় উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, স্বাধীনতার কথা বলা হলেও কার্যত দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। বাংলাদেশের সিনেমা হলে ভারতীয় সিনেমা অবাধে প্রদর্শনের উদ্যোগও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের একটি উদাহরণ। একটি জাতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তার সার্বভৌমত্ব, এবং সেই সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, তরুণদের মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদী চেতনা ও নিজস্ব সংস্কৃতি নিয়ে ভাবনার যে বিকাশ ঘটেছে, তার প্রকাশ ঘটে জুলাই আন্দোলনে। নিপীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে যখন মানুষ জেগে ওঠে, তখন গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি অমানবিক শাসনের পতন ঘটে।

বাংলার লোকজ সংস্কৃতি ও দর্শনের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, লালন শাহ, মুকুন্দরামসহ বাংলার লোককবিদের চিন্তায় মানবতাবাদী দর্শনের প্রকাশ ঘটেছে। তাদের দর্শন সহজ ভাষায় মানুষের মর্যাদা, আত্মপরিচয় ও মানবিকতার কথা বলেছে। পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য-সংগীতেও এই ধারার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, লালনের গান ও বাউল সুর বাংলা সাহিত্য-সংগীতকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতেও বাউল সুরের প্রভাব বিদ্যমান। তাই সাংস্কৃতিক চর্চা ও জাতীয় চেতনায় মানবতাবাদী দর্শনকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে ১২ যুব সংগঠনকে ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকার অনুদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


ময়মনসিংহে ১২ যুব সংগঠনকে ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকার অনুদান

ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ জেলার ১২টি যুব সংগঠনের মধ্যে মোট ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অগ্রণী যুব মহিলা কল্যাণকে ১ লাখ টাকা এবং বাকি ১১টি সংগঠনকে ৭৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দেশের ৬৪ জেলার মতো ময়মনসিংহেও এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ময়মনসিংহের উপপরিচালক হারুন অর রশিদ।

অনুষ্ঠান শেষে জেলার ১২টি যুব সংগঠনের প্রতিনিধিদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি সংগঠনকে ১ লাখ টাকা এবং অন্য ১১টি সংগঠনকে ৭৫ হাজার টাকা করে মোট ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়।

যুব সংগঠনগুলোর কার্যক্রমকে গতিশীল করা, স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সমাজ উন্নয়নে তাঁদের অবদানকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে এ ধরনের অনুদান সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ডা. শফিকুর রহমানের মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


মিরপুরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ডা. শফিকুর রহমানের মতবিনিময়

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান শনিবার বিকেলে মিরপুরে তার নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৫ আসনের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এই মতবিনিময়টি তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন এলাকার মসজিদ কমিটির নেতা, বাড়ির মালিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে, তিনি প্রথমে ঢাকা-১৫ আসনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাইতুর রেজা মসজিদ কমিটির নেতা এবং বাইশটেকি ও ইমামনগর এলাকার বিভিন্ন বাড়ির মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এছাড়া, তিনি ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কাফরুল মসজিদ কমিটির সভাপতি ও অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। দক্ষিণ কাফরুলের মৌলভীপাড়া এলাকার বাড়ির মালিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গেও তিনি মতবিনিময় করেন।

এ সময়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরের নেতাদের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।

এসব মতবিনিময় সভায় স্থানীয় এলাকার বিভিন্ন বিষয়, নাগরিকদের প্রত্যাশা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দীন মানিক, ঢাকা-১৫ আসনের সদস্যসচিব শাহ আলম তুহিন, কাফরুল দক্ষিণ থানা আমির আনোয়ারুল করিম, সেক্রেটারি আবু নাহিদ, উত্তর থানা আমির রেজাউল করিম, সেক্রেটারি আশিকুর রহমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মনিরুজ্জামান খান, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আইয়ুব আলীসহ স্থানীয় নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%